গ্রামের মেয়ের ভালোবাসা

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
আমিঃ তুই গেলি এখান থেকে ।

নিশিঃ ঠিক আছে যাবো তবে একটা শর্তে ।

আমিঃ কি শর্ত ?

নিশিঃ যতদিন আছো আমি তোমাকে নিজ হাতে খাইয়ে দিবো । আর প্রতিটা নিঝুম সন্ধ্যার পরিবেশ দুইজন একসাথে উপভোগ করবো । কথা দাও ।

এই পিচ্চিটা দেখি খুব বড় হয়ে গেছে । অনেক পাকা পাকা কথা বলে । আমার চুপ থাকা দেখে নিশি আবার বললো,,,,,,

নিশিঃ কি হলো চুপ করে আছো কেন ?

আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে যাহ ।

নিশিঃ সত্যিই (অনেক খুশি হয়ে) ।

আমিঃ হুমম । এখন তো যা ।

নিশিঃ আচ্ছা ঠিক আছে । তুমি ফ্রেশ হয়ে আসো আমি তোমাকে খাবার দিচ্ছি ।

আমিঃ ঠিক আছে ।

তারপর নিশি খুশি মনে রুম থেকে চলে গেল । আমিও ফ্রেশ হতে ওয়াশরুম চলে গেলাম । ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি নিশি আমার রুমে খাবার নিয়ে আসছে ।

আমিঃ কি ব্যাপার তুই আমার রুমে খাবার আনছিস কেন ?

নিশিঃ সবাই এখানেই নিয়ে আসতে বললো তাই ।

আমিঃ সবাই আনতে বলছে নাকি তুই জোর করে আনছিস ।

আমার কথা শুনে নিশি হাসতে লাগলো । এতেই বুঝে গেছি ওই এই শ*য়*তানি বুদ্ধি বের করছে । তারপর বললো,,,,,,

নিশিঃ বেশি কথা না বলে চুপচাপ এখানে এসে বসো ।

আমিও আর কোনো কথা না বলে চুপচাপ খাটে বসে পড়লাম । তারপর নিশি বললো,,,,,

নিশিঃ নাও হা করো ।

আমিঃ আমার হাত থাকতে আমি তোর হাতে খাবো কেন ?

নিশিঃ এতো তাড়াতাড়ি শর্তের কথা ভুলে গেলে ।

আমিঃ ওহহ সরি ।

নিশিঃ হুমম এবার হা করো ।

তারপর নিশি আমাকে খাইয়ে দিতে লাগলো । আমি ওকে জিজ্ঞাসা করলাম,,,,

আমিঃ তুই খাইছিস ।

নিশিঃ কখন খেলাম । এসেই তো তোমার রুমে আসলাম ।

আমিঃ তাহলে তুই ও খা ।

নিশিঃ কেউ তো খাইয়েও দেয় না ।

আমিঃ থাক আর ন্যাকামো করতে হবে না । নে হা কর ।

তারপর আমিও নিশিকে খাইয়ে দিলাম । খাইয়ে দেয়ার সময় হঠাৎ আপু আর দুলাভাই আমার রুমে আসলো । আর কাশি দিলো,,,,

আপুঃ উহুম উহুম ।

তখনই আমি খাওয়ানো বন্ধ করে দিলাম । আর নিশিকে আপু বলতে লাগলো,,,,,

আপুঃ বাবাহ এসেই আমার ভাইটার সাথে রোমান্স শুরু করে দিলি ।

নিশিঃ সেটা আর করতে দিলে কই আপু ।

আমিঃ আপু কেমন আছো ।

আপুঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো । তুই কেমন আছিস ?

আমিঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো । এইটা কে দুলাভাই নাকি ?

আপুঃ হুমম ।

আমিঃ আসসালামু আলাইকুম দুলাভাই ।

দুলাভাইঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম । তুমিই তাহলে আমার শালা বাবু ।

আমিঃ জ্বি দুলাভাই ।

দুলাভাইঃ তা শালা বাবু আমার এই নিশি শালিকাকে একটু বেশিই আদর কইরো । তোমার জন্য বেচারি অনেক কান্না করছে । আমাদের বাসায় গিয়েও মনমরা হয়ে থাকছে । এখন এখানে এসে তো আমি অবাক । এর চেয়ে খুশি আর কেউ নেই ।

নিশিঃ দুলাভাই যান তো আপনি । খালি লজ্জা দেন ।

দুলাভাইঃ থাক আর লজ্জা পেতে হবে না । কন্টিনিউ....

আপুঃ তাহলে থাক পরে কথা হবে ।

আমিঃ ঠিক আছে আপু ।

বলে আপু আর দুলাভাই চলে গেল । তারপর আমি নিশিকে বললাম,,,,,

আমিঃ কি রে তুই কান্না করছিস আমার জন্য ।

নিশিঃ সেটা তোমার না জানলেও চলবে ।

আমিঃ না বললে আদর ও পাবি না । অফার সীমিত ।

নিশিঃ হ্যাঁ করেছি । হ্যাঁ করেছি । এখন আদর দাও ।

ওর এরকম কান্ড দেখে আমি জোরে হেসে উঠলাম । তারপর নিশি বললো,,,,

নিশিঃ কি হলো হাসলে কেন ।

আমিঃ কিছু না এমনি । খাওয়া শেষ করে প্লেট টা রেখে আয় ।

নিশিঃ আদর দিবা না ?

আমিঃ তুই গেলি এখান থেকে ।

নিশিঃ ঠিক আছে আমিও আমার টা আদায় করে নিতে জানি ।

বলেই নিশি প্লেট রাখতে গেল ।

সন্ধ্যা বেলা,,,,,

আমি যার জন্য যেটা আনছিলাম তাকে সেটা দিয়ে দিলাম । নিশিকে কি দিবো সেটা নেয়ার জন্য নিশি অধীর আগ্রহ নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে ।

তারপর আমি বললাম,,,,,,,

আমিঃ সরি নিশি তোর জন্য কিছুই আনতে পারি নি ।

নিমেষেই নিশির মুখ থেকে হাসির ছাঁপ টা উধাও হয়ে গেল । মন খারাপ করে উঠানের বাহিরে চলে গেল । আব্বু বললো,,,,,,

আব্বুঃ কি করলি এটা তুই । সবার জন্য আনলি আর ওর জন্য আনলি না ।

আমিঃ আরে আনছি । ওরে একটু রাগালাম ।

আব্বুঃ তোরা পারিস ও বটে ।

আমিঃ আমি একটু আসছি ।

বলেই বাহিরে চলে আসলাম । এসে দেখি নিশি একাই উঠানে দাঁড়িয়ে আছে । আমি এসে বললাম,,,,,

আমিঃ নিশি ।

নিশিঃ হুমম ।

আমিঃ চল বাহিরের ওই পুকুর ঘাটটায় বসে সন্ধ্যা উপভোগ করি ।

নিশি কোনো কথা না বলে চুপচাপ আমার সাথে গিয়ে নিঝুম সন্ধ্যা উপভোগ করতে লাগলো । একটু পর আমি বললাম,,,,,,

আমিঃ ............
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,

কপি করা কঠোর ভাবে নিষেধ । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
118 Views
3 Likes
3 Comments
4.0 Rating
Rate this: