আমিঃ চাচি নিশি নাকি ঘুরতে যাবে । ও কি রেডি হইছে ।
চাচিঃ আমি তো রান্না করছি । কেমনে বলবো । তুই গিয়ে দেখ রেডি হইছে কি না ।
তারপর আমি নিশির রুমে গিয়ে দেখি নিশি শাড়ী পড়তেছে । ওকে দেখে আমার চোখ কপালে উঠলো । কারন শাড়ীর অনেকটাই নিচে পড়ে আছে । তাই নাভি সহ পুরো পেটের অংশ দেখা যাচ্ছে ।
আর ও শাড়ী পড়ার বৃথা চেষ্টা করছে । আমি রুমে ঢুকেই এক প্রকার বোকাবনে গেলাম । নক করে ঢোকা উচিত ছিল । তারপর আমি বললাম,,,,,,
আমিঃ সরি ।
নিশিঃ সরি কেন ?
আমিঃ নক করে ঢোকা উচিত ছিল । আর তোকে এভাবে দেখলাম তাই সরি ।
নিশিঃ আরে সমস্যা নেই তুমিই তো । আর তো কেউ দেখেনি । আমি তো তোমাকেই বিয়ে করবো । আর বিয়ের পর তো.......
আমি ওকে পুরোটা বলতে না দিয়ে বললাম,,,,,,,
আমিঃ নিশি কি বলছিস এগুলো । বড্ড পেকে গেছিস কিন্তু ।
নিশিঃ তোমার কাছে একটু পাকলে কিছুই হবে না হিহি ।
আমিঃ বেশি পাকনামো না করে শাড়িটা ঠিক ভাবে পড়ে আয় । আমি বাহিরে অপেক্ষা করছি ।
নিশিঃ দেখছো না শাড়ী পড়তে পারছি না । একটু পরিয়ে দাও না প্লিজ ।
আমিঃ তো তোকে পাকনামো করে শাড়ী পড়তে কে বলেছে ।
নিশিঃ তুমি কালো পাঞ্জাবী আর আমি কালো শাড়ী । দুইজনকে অনেক মানাবে তাই পড়তেছি ।
ওহহ এবার বুঝলাম কালো পাঞ্জাবী কেন পড়তে বললো । তারপর নিশি বললো,,,,,
নিশিঃ কি হলো পড়িয়ে দাও না ।
আমিঃ আমি পারবো না ।
নিশিঃ ঠিক আছে দিতে হবে না যাও । রাতে আমাকে কে খাওয়ার কথা বলে সেটাও দেখবো ।
নিশি অনেক জেদি মেয়ে । যদি বলে এটা করবে তাহলে সেটা করেই ছাড়ে । আর রাগ করে থাকলে খাওয়া বন্ধ করে দেয় আর অসুস্থ হয়ে পড়ে । তাই আর কি করার ওকে শাড়ী পড়াতে লাগলাম ।
শাড়ী পড়ানোর শেষ পর্যায়ে কুচি গুলো ওর হাতে দিয়ে বললাম,,,,,,
আমিঃ নে ধর এটা গুজে চুপচাপ বাহিরে আয় ।
নিশিঃ না কোথাও যাওয়া নেই তোমার । পুরোটা যখন পড়িয়েছো এটাও তুমিই গুঁজে দাও ।
আমিঃ এই তুই কি পা*গ*ল ।
নিশিঃ হ্যাঁ তোমার জন্য ।
আমিঃ এসব ডাইলগ কই থেকে যোগাড় করিস যে আল্লাহই জানে ।
নিশিঃ বেশি কথা না বলে গুঁজে দাও ।
তারপর শাড়ীর কুচি গুলো ওর পেটের ওখানে গুঁজে দিলাম । গুঁজে দেয়ার সময় নিশির নাভিতে আমার হাতের স্পর্শ পেয়ে ও কেমন যেন কেঁপে উঠলো ।
আর আমার মধ্যেও কেমন যেন অন্য রকম অনুভূতি কাজ করলো । নিশি আমাকে সাথে সাথেই জড়িয়ে ধরলো । এখন আমিও কিছু বললাম না ।
এভাবে কিছুক্ষণ থাকার পর আমি নিশিকে বললাম,,,,,,,,
আমিঃ চল এবার অনেক দেরী হয়ে যাচ্ছে ।
নিশিঃ হুমম চলো ।
যাওয়ার সময় নিশি বললো,,,,,
নিশিঃ দাড়াও আম্মু আর বড়আম্মুর থেকে শুনি আমাকে কেমন লাগছে ?
আমি মনে মনে বললাম,,মেয়েরা পারেও বটে ।
নিশিঃ আম্মু,,বড়আম্মু,,বড়আব্বু আমাদের দুজনকে কেমন লাগছে ।
সবাই আবার মুচকি হাসলো । তারপর আম্মু বললো,,,,,,,,
আম্মুঃ খুব সুন্দর লাগছে নিশি মামুনি । তা কই যাচ্ছো তোমরা ।
নিশিঃ আমরা একটু ঘুরতে যাচ্ছি ।
আব্বুঃ ঠিক আছে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরিও ।
নিশিঃ ওকে বড়আব্বু । রাকিব ভাইয়া চলো ।
বলেই নিশি সবার সামনে আমার হাতের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে দিয়ে চলতে শুরু করলো । ওর এই কান্ড দেখে সবাই আবার মুচকি হাসলো ।
তারপর গ্রাম থেকে একটু মেঠো পথ দিয়ে হেঁটে যেখানে গাড়ি পাওয়া যায় ওখানে দাঁড়ালাম । নিশি বললো,,,,,,
নিশিঃ একটা রিকশা ডাক দাও ।
আমিঃ ঠিক আছে ।
তারপর একটা রিকশা নিলাম । নিশি বললো সে নাকি পার্কে যাবে । তারপর ওকে পার্কে নিয়ে এলাম ।
অনেক কিছু ওকে খাওয়ালাম । আরো অনেক জায়গায় ঘুরালাম । ও আমার ক্লোজ হয়ে অনেক সেলফি তুললো ।
প্রায় সন্ধ্যা নেমে আসছে । আমি নিশিকে বললাম,,,,,,
আমিঃ নিশি এখন কিন্তু আমাদের বাড়ি ফেরা উচিত ।
নিশিঃ হুমম ঠিক আছে চলো ।
তারপর আবার একটা রিকশা নিলাম । আমি ওর থেকে একটু দূরেই বসে আছি । তারপর নিশি বললো,,,,,,
নিশিঃ ভাইয়া তুমি আমার থেকে এভাবে দূরে বসেছো কেন ?
আমিঃ এমনি ।
নিশিঃ কাছে এসে বসো বলছি ।
আমিঃ না ।
নিশিঃ না বসলে আমি কিন্তু চিৎকার করবো ।
পিচ্চি মানুষ কখন কি করে আল্লাহই জানে । তাই আর রিস্ক নিলাম না । ওর কাছে গিয়ে বসলাম । আমি কাছে গিয়ে বসতেই ও আমার হাতের মধ্যে হাত রেখে কাঁধে মাথা এলিয়ে দিলো ।
আমিও আর কিছুই বললাম না । হঠাৎ নিশি,,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,
কপি করা কঠোর ভাবে নিষেধ । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
গ্রামের মেয়ের ভালোবাসা
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
450
Views
7
Likes
1
Comments
5.0
Rating