গ্রামের মেয়ের ভালোবাসা

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
আমিঃ চাচি নিশি নাকি ঘুরতে যাবে । ও কি রেডি হইছে ।

চাচিঃ আমি তো রান্না করছি । কেমনে বলবো । তুই গিয়ে দেখ রেডি হইছে কি না ।

তারপর আমি নিশির রুমে গিয়ে দেখি নিশি শাড়ী পড়তেছে । ওকে দেখে আমার চোখ কপালে উঠলো । কারন শাড়ীর অনেকটাই নিচে পড়ে আছে । তাই নাভি সহ পুরো পেটের অংশ দেখা যাচ্ছে ।

আর ও শাড়ী পড়ার বৃথা চেষ্টা করছে । আমি রুমে ঢুকেই এক প্রকার বোকাবনে গেলাম । নক করে ঢোকা উচিত ছিল । তারপর আমি বললাম,,,,,,

আমিঃ সরি ।

নিশিঃ সরি কেন ?

আমিঃ নক করে ঢোকা উচিত ছিল । আর তোকে এভাবে দেখলাম তাই সরি ।

নিশিঃ আরে সমস্যা নেই তুমিই তো । আর তো কেউ দেখেনি । আমি তো তোমাকেই বিয়ে করবো । আর বিয়ের পর তো.......

আমি ওকে পুরোটা বলতে না দিয়ে বললাম,,,,,,,

আমিঃ নিশি কি বলছিস এগুলো । বড্ড পেকে গেছিস কিন্তু ।

নিশিঃ তোমার কাছে একটু পাকলে কিছুই হবে না হিহি ।

আমিঃ বেশি পাকনামো না করে শাড়িটা ঠিক ভাবে পড়ে আয় । আমি বাহিরে অপেক্ষা করছি ।

নিশিঃ দেখছো না শাড়ী পড়তে পারছি না । একটু পরিয়ে দাও না প্লিজ ।

আমিঃ তো তোকে পাকনামো করে শাড়ী পড়তে কে বলেছে ।

নিশিঃ তুমি কালো পাঞ্জাবী আর আমি কালো শাড়ী । দুইজনকে অনেক মানাবে তাই পড়তেছি ।

ওহহ এবার বুঝলাম কালো পাঞ্জাবী কেন পড়তে বললো । তারপর নিশি বললো,,,,,

নিশিঃ কি হলো পড়িয়ে দাও না ।

আমিঃ আমি পারবো না ।

নিশিঃ ঠিক আছে দিতে হবে না যাও । রাতে আমাকে কে খাওয়ার কথা বলে সেটাও দেখবো ।

নিশি অনেক জেদি মেয়ে । যদি বলে এটা করবে তাহলে সেটা করেই ছাড়ে । আর রাগ করে থাকলে খাওয়া বন্ধ করে দেয় আর অসুস্থ হয়ে পড়ে । তাই আর কি করার ওকে শাড়ী পড়াতে লাগলাম ।

শাড়ী পড়ানোর শেষ পর্যায়ে কুচি গুলো ওর হাতে দিয়ে বললাম,,,,,,

আমিঃ নে ধর এটা গুজে চুপচাপ বাহিরে আয় ।

নিশিঃ না কোথাও যাওয়া নেই তোমার । পুরোটা যখন পড়িয়েছো এটাও তুমিই গুঁজে দাও ।

আমিঃ এই তুই কি পা*গ*ল ।

নিশিঃ হ্যাঁ তোমার জন্য ।

আমিঃ এসব ডাইলগ কই থেকে যোগাড় করিস যে আল্লাহই জানে ।

নিশিঃ বেশি কথা না বলে গুঁজে দাও ।

তারপর শাড়ীর কুচি গুলো ওর পেটের ওখানে গুঁজে দিলাম । গুঁজে দেয়ার সময় নিশির নাভিতে আমার হাতের স্পর্শ পেয়ে ও কেমন যেন কেঁপে উঠলো ।

আর আমার মধ্যেও কেমন যেন অন্য রকম অনুভূতি কাজ করলো । নিশি আমাকে সাথে সাথেই জড়িয়ে ধরলো । এখন আমিও কিছু বললাম না ।

এভাবে কিছুক্ষণ থাকার পর আমি নিশিকে বললাম,,,,,,,,

আমিঃ চল এবার অনেক দেরী হয়ে যাচ্ছে ।

নিশিঃ হুমম চলো ।

যাওয়ার সময় নিশি বললো,,,,,

নিশিঃ দাড়াও আম্মু আর বড়আম্মুর থেকে শুনি আমাকে কেমন লাগছে ?

আমি মনে মনে বললাম,,মেয়েরা পারেও বটে ।

নিশিঃ আম্মু,,বড়আম্মু,,বড়আব্বু আমাদের দুজনকে কেমন লাগছে ।

সবাই আবার মুচকি হাসলো । তারপর আম্মু বললো,,,,,,,,

আম্মুঃ খুব সুন্দর লাগছে নিশি মামুনি । তা কই যাচ্ছো তোমরা ।

নিশিঃ আমরা একটু ঘুরতে যাচ্ছি ।

আব্বুঃ ঠিক আছে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরিও ।

নিশিঃ ওকে বড়আব্বু । রাকিব ভাইয়া চলো ।

বলেই নিশি সবার সামনে আমার হাতের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে দিয়ে চলতে শুরু করলো । ওর এই কান্ড দেখে সবাই আবার মুচকি হাসলো ।

তারপর গ্রাম থেকে একটু মেঠো পথ দিয়ে হেঁটে যেখানে গাড়ি পাওয়া যায় ওখানে দাঁড়ালাম । নিশি বললো,,,,,,

নিশিঃ একটা রিকশা ডাক দাও ।

আমিঃ ঠিক আছে ।

তারপর একটা রিকশা নিলাম । নিশি বললো সে নাকি পার্কে যাবে । তারপর ওকে পার্কে নিয়ে এলাম ।

অনেক কিছু ওকে খাওয়ালাম । আরো অনেক জায়গায় ঘুরালাম । ও আমার ক্লোজ হয়ে অনেক সেলফি তুললো ।

প্রায় সন্ধ্যা নেমে আসছে । আমি নিশিকে বললাম,,,,,,

আমিঃ নিশি এখন কিন্তু আমাদের বাড়ি ফেরা উচিত ।

নিশিঃ হুমম ঠিক আছে চলো ।

তারপর আবার একটা রিকশা নিলাম । আমি ওর থেকে একটু দূরেই বসে আছি । তারপর নিশি বললো,,,,,,

নিশিঃ ভাইয়া তুমি আমার থেকে এভাবে দূরে বসেছো কেন ?

আমিঃ এমনি ।

নিশিঃ কাছে এসে বসো বলছি ।

আমিঃ না ।

নিশিঃ না বসলে আমি কিন্তু চিৎকার করবো ।

পিচ্চি মানুষ কখন কি করে আল্লাহই জানে । তাই আর রিস্ক নিলাম না । ওর কাছে গিয়ে বসলাম । আমি কাছে গিয়ে বসতেই ও আমার হাতের মধ্যে হাত রেখে কাঁধে মাথা এলিয়ে দিলো ।

আমিও আর কিছুই বললাম না । হঠাৎ নিশি,,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,

কপি করা কঠোর ভাবে নিষেধ । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
450 Views
7 Likes
1 Comments
5.0 Rating
Rate this: