নিশিঃ সালামি কিন্তু পেলাম না ।
আমিঃ আচ্ছা দিতাছি ।
বলেই আমি নিশিকে কোলে নিলাম । তখন নিশি আমাকে বললো,,,,,,,
নিশিঃ আরে ভাইয়া কি করছো ?
আমিঃ কেন সালামি নিবি না ।
নিশিঃ হুমম নিবো তো ।
আমিঃ তাহলে চুপচাপ থাক ।
তারপর নিশি চুপ হয়ে গেল । আমি আবার নিশিকে কোলে নিলাম । ও আমার বুকের মধ্যে মাথা লুকালো আর আমাকে জড়িয়ে ধরলো ।
তারপর আমি রুম থেকে বের হয়ে নিশিকে কোলে নিয়ে উঠানের পাশে একটা দোলনা আছে ওখানে নিয়ে আসলাম । তারপর কোল থেকে নামিয়ে নিশিকে বসালাম ।
আর বললাম,,,,,
আমিঃ নিশি
নিশিঃ হুমম
আমিঃ দ্যাখ আজকে আমাদের বাসাটা ছোট্ট বাতিগুলো দিয়ে কি সুন্দর সাজিয়েছে । মনে হচ্ছে একটা রাজ্য । আর সেই রাজ্যের আমি রাজা আর তুই আমার রাণী ।
নিশিঃ হুমম একদম ।
আমিঃ আজকে পূর্ণচন্দ্রিমা । আকাশে পুরো চাদটাই উঠেছে দেখ । ছোট্ট বাতির আলো আর চাদের স্নিগ্ধ আলো আমাদের উঠানের এই বাগানটা জান্নাতের টুকরা মনে হচ্ছে তাই না ।
নিশিঃ হুমম ভাইয়া । আমার অনেক ভালো লাগছে এখানে ।
আমিঃ তাই আমি আমার রাণীর সাথে এই জান্নাতের টুকরায় এখন চন্দ্রবিলাস করবো । আর এটাই হলো তোর বাসর ঘরের সালামি ।
নিশিঃ ভাইয়া তুমি এতো রোমান্টিক সেই জন্যই তো তোমাকে আমি এতো ভালোবাসি ।
আমিঃ সালামি টা কেমন লাগছে সেটা বল ।
নিশিঃ হুমম আমার অনেক পছন্দ হইছে ভাইয়া । আমার পাশে বসো প্লিজ ।
তারপর আমিও নিশির পাশে দোলনায় বসে পড়লাম । তারপর নিশি বললো,,,,,,,
নিশিঃ ভাইয়া
আমিঃ হুমম
নিশিঃ আমার প্রতিটা চন্দ্রবিলাসে তোমাকে আমার পাশে চাই । কি থাকবে তো ।
আমিঃ সব সময় তোর পাশে ছায়া হয়ে থাকবো ।
তারপর নিশি আমার কাঁধে মাথা রাখলো । কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করার পর আমি নিশিকে বললাম,,,,,,
আমিঃ নিশি আজ তুই এতো সেজেছিস কেন ?
নিশিঃ কেন ভাইয়া পছন্দ হয় নি ?
আমিঃ আরে পা*গ*লি এতো সুন্দর হইছে যে আজ চাঁদটা তোকে দেখলেও লজ্জায় মুখ লুকাবে । আমি আজ সৌভাগ্যবান বলে মনে করছি ।
নিশিঃ কেন ।
আমিঃ এক চাঁদ আকাশে যেটা দেখতে পাচ্ছি । আরেক চাঁদ আমার কাঁধে মাথা রেখে আছে । ভাবতেই অনেক ভালো লাগছে এই চাঁদটা একান্তই শুধু আমার ।
নিশি আমার কথা শুনে কাঁধ থেকে মাথা তুলে আমার বুকে মাথা লুকালো । মনে হচ্ছে লজ্জা পেয়েছে । কিছুক্ষণ ওকে এভাবেই বুকে ধরে রাখলাম ।
তারপর নিশি একটুপর মাথা তুলে বললো,,,,,,,
নিশিঃ আমি একটা ডিসিশন নিছি ।
আমিঃ কি ডিসিশন বল ।
নিশিঃ আজ থেকে তো আমরা স্বামী স্ত্রী ।
আমিঃ হুমম তো ।
নিশিঃ তাই তুমিও আমাকে তুই করে বলবে না । আর আমিও ভাইয়া বলে ডাকবো ।
আমিঃ তাহলে কি বলবো ?
নিশিঃ কেন স্বামী স্ত্রী কত সুন্দর করে কথা বলে দেখো না তুমি তুমি করে ।
আমিঃ এখন আমাকে তোকে তুমি করে বলতে হবে ।
নিশিঃ হুমম (লজ্জা মাখা মুখ নিয়ে)
আমিঃ পারবো না যা ভাগ ।
নিশিঃ কি বললে পারবে না । কালকের কথা মনে আছে তো । সেটা করবো কিন্তু ?
আমিঃ কি করবি তুই ?
নিশিঃ দেখাতে বলছো দাঁড়াও ।
বলেই নিশি আমার দিকে এগিয়ে আসতে লাগলো । তাই আমিও বললাম,,,,,,,
আমিঃ পারবো পারবো । তুমি করেই বলার চেষ্টা করবো ।
নিশিঃ এই তো আমার লক্ষ্মী জামাই ।
আমিঃ হুমম ।
আরো অনেকক্ষণ ওখানে কাটানোর পর নিশি কে বললাম,,,,,
আমিঃ নিশি চলো রুমে যাই ।
নিশিঃ আচ্ছা ঠিক আছে চলো ।
বলেই আমি হাটতে লাগলাম । আর নিশি পিছন থেকে বলে উঠলো,,,,,
নিশিঃ কি হলো আমাকে রেখে যাচ্ছো কেন ?
আমিঃ আসো ।
নিশিঃ কিভাবে যাবো ।
আমিঃ কিভাবে আবার যেভাবে এসেছো ।
নিশিঃ তো কিভাবে এসেছি মনে নেই ?
আমিঃ অবশ্যই আছে । আমার কো......... ।
ওহহ এই কথা । নিশি আমার কোলে করে যেতে চায় । তারপর নিশি বললো,,,,,
নিশিঃ কি হলো থামলে কেন । বলো ?
তারপর আমি আর কোনো কথা না বলে মুচকি হেসে নিশির কাছে গিয়ে আবার নিশিকে কোলে নিলাম । তারপর কোলে নিয়ে আবার ওকে আমার রুমে নিয়ে আসলাম ।
রুমে নিয়ে এসে আবার খাটের উপর বসালাম । তারপর বললাম,,,,,
আমিঃ নিশি তুমি এখানে ড্রেস চেঞ্জ করে নাও । আমি ওয়াশরুম থেকে চেঞ্জ করে আসছি ।
নিশিঃ কেন তুমিও এখানে করে নাও না । সমস্যা কি । আমরা তো স্বামী স্ত্রী ।
তারপর আমি নিশিকে বললাম,,,,,,
আমিঃ ...................
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,
কপি করা কঠোর ভাবে নিষেধ । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
গ্রামের মেয়ের ভালোবাসা
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
55
Views
2
Likes
0
Comments
0.0
Rating