গ্রামের মেয়ের ভালোবাসা

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
রাইসাঃ আব্বু আরেক টা কথা ?

আঙ্কেলঃ কি ?

রাইসাঃ আমিই রাকিবকে সেদিন চোর সাবস্থ্য করার জন্য টাকা গুলো ওর ব্যাগে রেখে ছিলাম ।

আঙ্কেলঃ কিহ বুঝি নি ।

রাইসাঃ তোমরা ওকে অনেক ভালোবাসতে আর ও গ্রামের ছেলে বলে আমি ওকে সহ্য করতে পারতাম না । তার উপর ওকে তুমি এই বাড়িতে রেখেছো । তাই আমি প্লান করে রাতে টাকা গুলো নিয়ে ওর ব্যাগে রেখে ছিলাম যাতে ওকে তোমরা এই বাসা থেকে বের করে দাও ।

আঙ্কেল সব কিছু শুনে মাথায় হাত দিয়ে অবাক হয়ে বললো,,,,,,,,,

আঙ্কেলঃ এটা আমি কি ভুল করলাম । ছিঃ । আর তোমার এসব করতে লজ্জাও লাগলো না ।

রাইসাঃ সরি আব্বু । আমি বুঝতে পারি নি । এখন আমি আমার ভুল বুঝতে পারছি ।

আঙ্কেলঃ আমাকে সরি বলে কি হবে । যার কাছে ভুল করেছো তাকেই সরি বলবে । আর আমিও তো অনেক বড় ভুল করেছি । যে আমাদের জন্য এতো কিছু করে গেছে তাকে সন্দেহ করাটা মোটেও ঠিক কাজ হয় নি । এখন ওর কাছে ক্ষমা চাইবো কি করে । ও কোথায় থাকে কিছুই তো জানি না ।

রাইসাঃ ও কোথায় থাকে আমি জানি ।

আঙ্কেলঃ কোথায় থাকে ?

রাইসাঃ একটা গাড়ির গ্যারেজে থাকে ।

আঙ্কেলঃ কিহহহ গ্যারেজে । কত কষ্টই না আছে । কালকেই আমরা সবাই যাবো ওর কাছে ক্ষমা চাইতে । আর এই বাসায় ফিরিয়ে আনতে ।

রাইসাঃ ঠিক আছে আব্বু ।

আঙ্কেলঃ হুমম এখন তুমি তোমার রুমে যাও ।

বলেই যে যার রুমে চলে গেল ।

এদিকে,,,,,,,,,,,

আমি গ্যারেজে এসে ফ্রেশ হয়ে কিছু খেয়ে কাজে লেগে পড়লাম । আজকে বাসার সবার কথা অনেক মনে পড়ছে ।

জানি না তারা কেমন আছে । নিশিই বা কেমন আছে । হয়তো আমাকে ভুলে গেছে । কিছুক্ষণ চিন্তা ভাবনার পর একটা ডিসিশন নিলাম ।

তাই হাতের কাজ গুলো সারার পর মহাজনের কাছে গেলাম । যেতেই তিনি বললেন,,,,,

আমিঃ আসসালামু আলাইকুম ।

মহাজনঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম । আরে রাকিব যে তুমি তো আসোই না গ্যারেজ ছাড়া । তা আজ কি মনে করে ।

আমিঃ একটা কথা বলতাম যদি অনুমতি দিতেন ।

মহাজনঃ আরে পা*গ*ল ছেলে অনুমতি নেয়ার কি আছে । বলে ফেলো তো । টাকা লাগবে ?

আমিঃ না সেরকম কিছু না ।

মহাজনঃ তাহলে ?

আমিঃ আসলে আমি কালকে সকালে গ্রামের বাড়িতে যেতে চাই । বাড়ির কথা অনেক মনে পড়ছে । দুই বছর হলো বাসায় যাই নি । আর তাদের সাথে যোগাযোগ ও নেই । ফোন ছিনতাই হওয়ার জন্য । আপনাকে তো সব বলেই ছি ।

মহাজনঃ হ্যাঁ মনে আছে । তাহলে তোমার ভার্সিটির ক্লাস ।

আমিঃ ভার্সিটি গরমের কিছুদিন বন্ধ আছে ।

মহাজনঃ আচ্ছা ঠিক আছে যেও । কিন্তু যাওয়ার আগে কাল সকালে আমার সাথে দেখা করে যেও ।

আমিঃ আচ্ছা ঠিক । ধন্যবাদ মহাজন ।

উনি মুচকি হাসলেন । আমিও সেখান থেকে চলে আসলাম । কত দিন পর গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছি । ভেবেই অনেক ভালো লাগছে ।

চাচা চাচিকেও বলতে হবে । না হলে উনারা চিন্তা করবেন । চাচাকে তো এখন পাবো না রিকশা নিয়ে বের হইছে । তাই ভাবলাম রাতে যাবো ।

গ্যারেজে এসে টুকটাক কাজ করে সন্ধ্যায় ফ্রেশ হয়ে চাচার বাসায় চলে গেলাম । গিয়ে দেখি চাচি চুলায় রান্না করতাছে । চাচা তার পাশেই বসে আছে ।

আমিঃ আসসালামু আলাইকুম চাচা চাচি ।

চাচাঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম বাপজান । আরে তুমি হঠাৎ এখানে । খুব খুশি হইছি বাপজান তুমি আইছো । তোমার চাচি তোমার কথাই বলছিল ।

আমিঃ কেমন আছেন আপনারা ।

চাচাঃ ভালো আছি বাপজান । তুমি কেমন আছো ?

আমিঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি ।

চাচিঃ তুমি কিন্তু খেয়ে যাবা বাবা ।

আমিঃ অবশ্যই খাবো চাচি । আপনার হাতের রান্না মিস করতেছি বলেই তো এসেছি ।

চাচিঃ অনেক খুশি হইলাম ।

আমিঃ চাচা একটা কথা বলতে আসছি ।

চাচাঃ কি কথা বাপজান কও ? কিছু বিপদ হইছে ?

আমিঃ না চাচা সেরকম কিছু না ।

চাচাঃ তাহলে ?

আমিঃ কাল সকালে আমি গ্রামের বাড়িতে যেতে চাচ্ছি । আপনি যানেন ই তো দুই বছর হলো পরিবারের কাউকে দেখি না । তাই আজ খুব মনে পড়ছে ।

চাচাঃ তুমি আইবা কবে ?

আমিঃ কয়েকদিন পরেই চলে আসবো ।

চাচাঃ ঠিক আছে বাপজান যেও ।

তারপর রাতে চাচা চাচির আর আমি একসাথে ডিনার করে নিলাম । উনার হাতের রান্নার মজাই আলাদা ।

তারপর আরো কিছুক্ষণ উনাদের সাথে আড্ডা দিয়ে রাতে গ্যারেজে ফিরলাম । এসেই ঘুমিয়ে পড়লাম । সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে নিলাম ।

তারপর ব্যাগ গুছিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিলাম । মহাজন দেখা করতে বলেছিল তাই সেখানে চলে গেলাম । গিয়ে বললাম,,,,,

আমিঃ আসসালামু আলাইকুম মহাজন । আমি যাচ্ছি । দেখা করতে বলেছিলেন ।

মহাজনঃ একটু দাঁড়াও ।

বলেই মহাজন ভিতরে চলে গেল । কিছুক্ষণ ফিরে এসে যা বললেন শুনে তো আমি অবাক । কারন উনি বললেন,,,,,,,,,,,,,

মহাজনঃ ..............
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,,

কপি করা কঠোর ভাবে নিষেধ । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
127 Views
2 Likes
0 Comments
0.0 Rating
Rate this: