স্যারঃ আপনার ছেলের কোনো ছবি আছে ?
আব্বুঃ হ্যাঁ স্যার আছে ।
স্যারঃ দেখি ।
তারপর নিশির ফোন থেকে আমার ছবি দেখিয়ে দিল । আমার ছবি দেখে স্যার বললেন,,,,,,,,,
স্যারঃ হ্যাঁ এই ছেলেকে আমি চিনি কিন্তু ।
সবাই অবাক হয়ে বললো,,,,,,,
সবাইঃ কিন্তু কি স্যার ।
স্যারঃ আমিও কয়েকদিন ধরে ওকে ভার্সিটিতে দেখতে পাচ্ছি না ।
স্যারের কথা শুনে তো নিশি ওখানেই কান্না করতে লাগলো । তারপর কিছুক্ষণ পর আব্বু বললো,,,,,,,,,
আব্বুঃ ঠিক আছে স্যার । ও ভার্সিটিতে এলে আমাদের একটু জানাবেন ।
স্যারঃ আচ্ছা ঠিক আছে ।
বলেই সবাই স্যারের রুম থেকে বেরিয়ে আসলো । নিশি এখনো কান্না করছে । আব্বু আর চাচ্চু নিশিকে শান্তনা দিতে লাগলো ।
এরকম ভাবে আরো তিন দিন কে*টে গেলো । এই দিন দিনের প্রতিটা দিন ই আব্বু চাচ্চু আর নিশি ভার্সিটিতে এসে আমার খোঁজ করেছে ।
চার দিনের মাথায় তারা ব্যর্থ হয়ে বগুড়ায় ফিরে গেল । যাওয়ার সাথে সাথে আম্মু জিজ্ঞাসা করলো,,,,,,,
আম্মুঃ রাকিবের খোঁজ পাইছো ? কেমন আছে সে ? আমার কথা কিছু বলেছে ?
তারপর নিশি আম্মুকে জরিয়ে ধরে সব ঘটনা খুলে বললো । আম্মুও অনেক কান্না করতে লাগলো । আব্বুও অনেক ভেঙে পড়েছে । কিন্তু কান্না করছে না ।
এদিকে,,,,,,,,,,
আমি চার দিনে অনেকটা সুস্থ হয়ে গেছি । হাত টাও অনেকটাই ঠিক হয়ে আসছে । তাই ভাবলাম কালকে ভার্সিটিতে যাবো ।
তাই রাতেই খাওয়া দাওয়া করে সব কাজ করে রাখলাম । রুমে এসে একটু পড়াশোনা করে তাড়াতাড়িই ঘুমিয়ে পড়লাম ।
সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে সবার জন্য আগে নাস্তা তৈরী করলাম । তারপর সেগুলো টেবিলে পরিবেশন করে আমি আমার রুমে চলে আসলাম ।
আমি রেডি হয়ে ভার্সিটিতে যাচ্ছি এমন সময় খাবার টেবিল থেকে আঙ্কেল বলে উঠলো,,,,,,
আঙ্কেলঃ রাকিব,,,
আমিঃ জ্বি আঙ্কেল ।
আঙ্কেলঃ কোথায় যাচ্ছো ?
আমিঃ ভার্সিটিতে আঙ্কেল ।
আঙ্কেলঃ তুমি তো পুরোপুরি সুস্থ হও নি ।
আমিঃ সমস্যা নেই আঙ্কেল আমি যেতে পারবো ।
আঙ্কেলঃ নাস্তা করছো ?
আমিঃ বাহিরে থেকে কিছু খেয়ে নিবো সমস্যা নেই ।
আঙ্কেলঃ বাহিরে থেকে কেন ? আমাদের সাথে এখানে বসো বলছি ।
দেখলাম রাইসা আমার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছি আর ইশারায় না করছে । তাই আমি বললাম,,,,,,
আমিঃ আঙ্কেল আমি মজা করলাম । আমি খেয়ে নিয়েছি ।
আঙ্কেলঃ আচ্ছা ঠিক আছে ।
তারপর আবার আঙ্কেল বললো,,,,,,,,
আঙ্কেলঃ রাইসা তুমি ভার্সিটি যাবে না ?
রাইসাঃ হ্যাঁ আব্বু যাবো ।
আঙ্কেলঃ তাহলে রাকিবের সাথেই যাও । আর গাড়ি করে যেও ।
রাইসা আবার আমার দিকে অগ্নিদৃষ্টি নিক্ষেপ করলো । তারপর আমি বললাম,,,,,,,,
আমিঃ আঙ্কেল আমার জরুরি কাজ আছে । এখনি যেতে হবে ।
আঙ্কেলঃ নাহহ । আমি যা বলেছি সেটাই হবে ।
তারপর সবাই চুপ হয়ে গেল । আঙ্কেল খাওয়া দাওয়া করে অফিসে যাওয়ার সময় আমাকে বললো,,,,,,,,,
আঙ্কেলঃ আমি জানি তুমি সকালে নাস্তা করো নি । আমার মেয়ের জন্য মিথ্যা বললে ।
আমিঃ আরে না আঙ্কেল সেরকম কোনো ব্যাপার না ।
আঙ্কেলঃ থাক হয়েছে আর মিথ্যা বলতে হবে না । এই নাও কিছু টাকা । কিছু খেয়ে নিও । আর তোমার তো জামা কাপড় ও নেই তাই আসার সময় শপিং করে নিও ।
আমি শুধু আঙ্কেলের দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছি । এরকম মানুষ ও পৃথিবীতে আছে । তারপর আঙ্কেল বললো,,,,,,,
আঙ্কেলঃ কি হলো এভাবে তাকিয়ে আছো কেন ?
আমিঃ নাহহ কিছু না ।
আঙ্কেলঃ তাহলে আমি অফিসে গেলাম ।
আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে ।
আঙ্কেল অফিসে চলে গেল । রাইসা রেডি হচ্ছে । আমি রাইসার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম । একটু পর রাইসা তার রুম থেকে বেরিয়ে আসলো ।
এসেই আমাকে বললো,,,,,,,
রাইসাঃ এই ক্ষ্যাত তুই এখনো দাঁড়িয়ে আছিস কেন ?
আমিঃ ভার্সিটিতে যাবেন না ?
রাইসাঃ অবশ্যই যাবো । কিন্তু তুই কিভাবে ভাবলি আমি তোর সাথে এক গাড়িতে যাবো ।
আমিঃ তাহলে আমি কেমনে যাবো ?
রাইসাঃ তুই কেমনে আসবি সেটা তোর ব্যাপার । আর শোন বাবা যদি এগুলো জানতে পারে তাহলে তোর খবর আছে ।
আমিঃ ঠিক আছে মেডাম জানতে পারবে না । আপনি যান ।
তারপর,,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,,
কপি করা কঠোর ভাবে নিষেধ । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
গ্রামের মেয়ের ভালোবাসা
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
218
Views
2
Likes
1
Comments
5.0
Rating