বাহিরে এসে সিগারেটে একটা সুখটান দিলাম । কিন্তু টান টা সুখের না দুঃখের সেটা একটু পরেই টের পেলাম । সুখটান হলেও সুখ বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না ।
কথায় আছে যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধ্যা হয় । আমার ক্ষেত্রেও তাই ই হলো । কারন সিগারেটে টান দিয়ে পিছনে ঘুরতেই তাকিয়ে দেখি নিশি পিছনে দাঁড়িয়ে আছে ।
আমি নিশির দিকে তাকাতেই নিশি আমার দিকে রাগি চোখে চোখ বড় বড় করে তাকালো । ওর তাকানো দেখে আমি ভয় পেয়ে গেলাম । মনে মনে বললাম আজ আমারে খাইছে ।
তারপর নিশি রাগি গলায় আমাকে বললো,,,,,,,
নিশিঃ ভাইয়া এসব কি ?
আমিঃ কি...কি..কিছু না বইন (তোতলাতে তোতলাতে) ।
নিশি আমার কথা শুনে আরো রেগে গিয়ে আমার দিকে অগ্নিদৃষ্টি নিক্ষেপ করে বললো,,,,,,,
নিশিঃ ওই কে তোর বইন । কিসের বইন ।
আমিঃ কেন আপন চাচাতো বইন ।
নিশিঃ খবরদার বইন বললে খবর আছে । আমি কারো বইন না । আর খারাপ ছেলেদের সাথে মিশে সিগারেট খাওয়া হচ্ছে তাই না দাঁড়াও এক্ষুণি বড় আব্বুকে ডাকছি ।
আমিঃ এইই না প্লিজ । তুই যা বলবি তাই ই করবো । প্লিজ আব্বুকে কিছু বলিস না । তাহলে আব্বু আমাকে মে*রে*ই ফেলবে ।
নিশিঃ যা বলবো তাই ই করবে ।
আমিঃ এভাবে বলছিস কেন ?
নিশিঃ আহহ আগে বলো না যা বলবো তাই ই করবে ।
আমিঃ হ্যাঁ । বল কি করতে হবে ।
নিশিঃ ঠিক আছে আমাকে শক্ত করে তোমার বুকে জড়িয়ে ধরো ।
আমি ওর কথা শুনে অবাক হলাম । পিচ্চি মেয়ে বলে কি । তারপর আবার নিশি বললো,,,,,,
নিশিঃ কি হলো ধরো ।
আমিঃ বেশি পাকনামো হইছিস ।
নিশিঃ তুমি ধরবে কি না বলো ।
আমিঃ নাহ পারবো না ।
নিশিঃ ঠিক আছে আমি এক্ষুনি বড়আব্বু কে ডাকছি ।
এই বেডি দেখি ব্লাকমেইল করার ওস্তাদ । তারপর আমি বললাম,,,,,,
আমিঃ থাক আর ন্যাকামো করে ডাকতে হবে না । ধরছি ।
আমার কথা শুনে নিশি লজ্জা পেল । তারপর আমি ওর কাছে গিয়ে আসতে করে ওকে জড়িয়ে ধরলাম ।
নিশি আমার বুকে কান পেতে চুপচাপ হৃদস্পন্দন শুনতে লাগলো । ওকে জড়িয়ে ধরার সাথে সাথে আমারো অনেক ভালো লাগা কাজ করছিলো ।
এভাবে জড়িয়ে ধরে পাঁচ মিনিট থাকার পর নিশিকে আমি ছেড়ে দিলাম । তারপর আমি বললাম,,,,,,,
আমিঃ হইছে তোর । এবার খুশি ।
নিশিঃ নাহ হয়নি ।
আমিঃ আবার কি ?
নিশিঃ আর একটা ছোট্ট আবদার ।
আমিঃ কি ?
নিশি লজ্জা মাখা মুখ নিয়ে বললো,,,,,,,
নিশিঃ এবার কিস করো🙈 ।
আমিঃ কিহহহহ😮 ।
নিশিঃ উফফ তুমি কি শুনো না । কিস করো ।
আমিঃ থাপ্পড় কোন দিকে খাবি । তুই কিস এর কি বুঝিস ।
নিশিঃ আমি অনেক কিছু বুঝি ।
আমি ওর কথা শুনে থ হয়ে দাড়িয়ে আছি । পিচ্চি পাকনা দেখেছি । এতোটা পিচ্চি পাকনা কখনো দেখিনি । তারপর নিশি আবার বললো,,,,,
নিশিঃ কি হলো করবে কি না ।
আমিঃ না পারবো না ।
নিশিঃ ঠিক আছে কইরো না । বড়আব...........
বলার আগেই আমি ওর মুখ চেপে ধরলাম । কি ভাবছেন হাত দিয়ে । নাহহ । বড়আব্বু বলার আগেই আমি ঠোট আমার ঠোট দিয়ে চেপে ধরলাম । মানে কিস করলাম ।
আমার ঠোঁটের স্পর্শ পেয়ে নিশি আচমকাই চমকে উঠে আর সাথে সাথে কেঁপে উঠলো । আমি ছেড়ে দিতে চাইলেও নিশি কোনো মতেই আমার ঠোঁট ওর ঠোঁট থেকে আলাদা করতে দিচ্ছে না ।
এভাবে আরো পাঁচ মিনিট থাকার পর জোর করেই নিশির থেকে নিজেকে ছাড়ালাম । ছাড়ার পর নিশি আর আমি দুজনেই হাঁপাতে লাগলাম ।
কিছুক্ষণ পর নিশি আমাকে বললো,,,,,,
নিশিঃ ভাইয়া কেমন টেস্ট লাগলো ।
আমিঃ খুব পাকনামো শিখে গেছিস না দাঁড়া দেখাচ্ছি মজা ।
বলেই ওকে একটা তাড়া দিলাম । আর তাড়া খেয়ে নিশি এক দৌড়ে বাসার ভিতরে চলে গেল । আমিও কিছুক্ষণ বাহিরে থেকে বাসার ভিতরে চলে আসলাম ।
তারপর সরাসরি আমার রুমে চলে আসলাম । এসে একটু ফেসবুকিং করলাম । একটু পর রাতের খাওয়ার জন্য নিশি এসে ডেকে গেল ।
খাওয়ার সময় আমার পাশেই আবার নিশি বসলো । নিশি এসেই আমাকে বললো,,,,,
নিশিঃ ভাইয়া আমি তোমাকে খাইয়ে দেই ।
ওর কথা শুনে সবাই মুচকি হাসছে । তারপর আমি বললাম,,,,,,
আমিঃ কেন আমার হাত নেই । আমি কি খেতে পারবো না ।
নিশিঃ প্লিজ দেই না (মায়া করে) ।
আব্বুঃ এতো করে বলছে খেতে তোর কি সমস্যা (রাগ করে) ।
সব সময় আব্বু ওর সাপোর্ট নেয় কেন জানি না ।
তারপর আমি বললাম,,,,
আমিঃ ঠিক আছে দে ।
তারপর নিশি আমাকে নিজের হাতে খাবার খাইয়ে দিচ্ছে । খাওয়ার সময় হঠাৎ আমি একটা কথা বললাম যেটা শুনে সবাই হতভম্ব হয়ে গেলো ।
কারন কথাটি হলো,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,
কপি করা কঠোর ভাবে নিষেধ । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
গ্রামের মেয়ের ভালোবাসা
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
328
Views
7
Likes
0
Comments
5.0
Rating