নিশি ওর চোখটা ধীরে ধীরে বন্ধ করছে। আমি বুঝতে পারলাম নিশি আমার নেশায় পা*গ*ল হয়ে গেছে তাই আমিও নিশির মাথায় হাত দিয়ে ওর মুখটা ধীরে ধীরে আমিও কাছে টানতেছি ।
দুজনে যখন প্রায় দুজনের মুখের কাছাকাছি
তখন নিশি ওর চোখ দুটো বন্ধ করা অবস্থায় আমার ঠোঁটে ওর ঠোঁট দুটোতে লাগিয়ে দিলো। আর যখনি ওর ঠোঁট আমার ঠোঁটে পড়লো তখন আমার সারা শরীরটা কেমন যেন একটা করে উঠলো। আর এই সময়ে আমি ওর ঠোঁট দুটো আমার ঠোঁট দিয়ে আরো জোরে চেপে ধরলাম।
নিশিও কেমন যেন পা*গ*ল এর মত করে আমাকে জড়িয়ে ধরলো । আমি ও ওকে খুব জোরে জড়িয়ে ধরলাম কিছুক্ষন এভাবে থাকার পর আমি নিজেই নিশিকে ডাক দিলাম ।
আমিঃ নিশি এই নিশি ।
নিশিঃ নিশ্চুপ ।
আমিঃ আরে এই পা*গ*লি ।
নিশিঃ নিশ্চুপ ।
আমিঃ আরে এই পা*গ*লি ছাড় এখন ।
নিশিঃ উহু ।
আমিঃ আরে এই পা*গ*লি আমাকে তো চলে যেতে হবে ।
নিশিঃ না গেলে হয় না ।
আমিঃ আরে আর পা*গ*লা*মি করিস না তো ছাড় এখন ।
নিশি আমাকে ছেড়ে দিয়ে বললো,,,,,
নিশিঃ ভালো ভাবে যাবে আর পৌছে ফোন করবা ।
আমিঃ ওকে বাই তুই চলে যা এখন...।
নিশিঃ না আগে তুমি যাও তারপর আমি....।
আমিঃ না আগে তুই যা ।
নিশিঃ না আগে তুমি যাও ।
আমিঃ আচ্ছা ওকে আল্লাহ্ হাফেজ ।
তারপর আমি এসে গাড়িতে বসলাম। এবং গাড়ি তার আপন গতিতে চলতে লাগলো । রাস্তার মাঝ পথে আমার পাশের সিটের ভাইটা বলে উঠলো,,,,,,
ভাইয়াঃ ভাই উনি কি আপনার বউ..?
আমিঃ না ।
ভাইয়াঃ তাহলে ।
আমিঃ আমি ওকে ভালবাসি আর ও আমাকে আমার চেয়ে ও বেশি ভালবাসে ।
ভাইয়াঃ তাহলে বিয়ে করতেছেন না কেন ?
আমিঃ করবো তো ।
ভাইয়াঃ কবে করবেন ?
আমিঃ পড়াশোনা শেষ করে বাড়ি ফিরেই বিয়ে করবো ।
ভাইয়াঃ শুভ কামনা রইলো ভাই ।
আমিঃ ধন্যবাদ ।
ভাইয়ার সাথে গল্প করতে করতে রাতে কখন ঘুমিয়ে গেছি নিজেও জানি না । খুব ভোরে গাড়ি ঢাকায় এসে পৌছালো ।
এই প্রথম বারের মতো ঢাকা শহরে এলাম । গ্রাম থেকে কখনো এরকম শহরে আসা হয় নি । অনেক আশা নিয়ে এই ঢাকা শহরে পা রাখলাম ।
তারপর বাস স্ট্যান্ড থেকে সিএনজি করে ঢাকা ভার্সিটিতে এলাম । প্রথমবারের মতো ঢাকা ভার্সিটি নিজ চোখে দেখলাম । অনেক স্বপ্ন ছিল এই ভার্সিটিতে পড়বো । আজকে সেই স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে ।
খুব ভালো লাগছে । কিন্তু ভার্সিটিতে প্রবেশ করতেই কেন জানি না আমাকে দেখে সবাই দূরে দূরে সরে যেতে লাগলো । আর সাথে নাক ও ছিটকাইতেছে ।
হয়তো গ্রামের ছেলে বলে এমন করছে । তাদের গায়ে অনেক দামি দামি পোশাক । দেখেই বোঝা যাচ্ছে তারা অনেক বড়লোক ঘরের সন্তান ।
একটা ভাইকে জিজ্ঞাসা করলাম,,,,,
আমিঃ ভাইয়া প্রিন্সিপালের রুমটা কোন দিকে একটু বলবেন ?
ছেলেটি আমার দিকে কেমন করে যেন তাকিয়ে হাত দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে উত্তর দিলো,,,,,,,
ছেলেটিঃ ওই দিকে যাও ।
আমিঃ ওকে ধন্যবাদ ভাই ।
তারপর আমি মাথা নিচু করে গুটি গুটি পায়ে প্রিন্সিপাল স্যারের রুমে গেলাম । দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আমি বললাম,,,,,,,
আমিঃ আসসালামু আলাইকুম স্যার ।
স্যারঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম ।
আমিঃ স্যার আসবো ?
স্যারঃ আসো ।
আমিঃ ধন্যবাদ স্যার ।
স্যারঃ কে তুমি ।
আমিঃ স্যার নতুন এডমিশন নিয়েছি । এই যে আমার এডমিশন লেটার ।
স্যার এডমিশন লেটার দেখে বললেন,,,,,
স্যারঃ হুমম । তুমি কোথায় থেকে এসেছো ?
আমিঃ স্যার আমি বগুড়া থেকে এসেছি ।
স্যারঃ ওহহ আচ্ছা । তোমাদের ক্লাস শুরু হয়ে গেছে তাহলে যাও ক্লাসে যাও ।
আমিঃ স্যার আরেকটা কথা ।
স্যারঃ কি বলো ?
আমিঃ ছাত্র হলে একটা রুম পেলে খুব ভালো হতো স্যার । এতো দূর বাসা । তাছাড়া ঢাকা শহরে আমার পরিচিত বলতে কেউ নেই ।
স্যারঃ ঠিক আছে হল প্রিন্সিপালকে আমি তোমার কথা বলে রাখবো ।
আমিঃ ধন্যবাদ স্যার ।
স্যারঃ হুমম এখন তুমি ক্লাসে যাও ।
আমিঃ ওকে স্যার । তবে আমি তো ক্লাস রুম চিনি না ।
স্যারঃ ঠিক আছে চলো আমি দেখিয়ে দিচ্ছি ।
আমিঃ ধন্যবাদ স্যার ।
তারপর আমি সেখান থেকে স্যারের সাথে সোজা ক্লাস রুমে চলে আসলাম । স্যারের সাথে সাথেই ক্লাস রুমে ঢুকলাম । তারপর স্যার বললেন,,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,
কপি করা কঠোর ভাবে নিষেধ । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
গ্রামের মেয়ের ভালোবাসা (Part 8)
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
306
Views
8
Likes
1
Comments
4.4
Rating