আমিঃ আচ্ছা তোর জন্য কি আনবো বল ।
নিশিঃ যা চাই তাই দিবে ।
আমিঃ হুমম বল কি চাস ।
নিশিঃ সত্যিই ।
আমিঃ এরকম করছিস কেন ? বল না কি চাস ?
নিশিঃ তুমি শুধু তোমাকে নিয়ে আসবে ।
আমিঃ মানে ।
নিশিঃ মানে যেভাবে যাইতেছ আমি চাই সে ভাবেই ফিরে আসো ।
আমিঃ শুধু এত টুকুই ।
নিশিঃ আমার কাছে এটাই অনেক বড় ।
আমি শুধু অবাক হয়ে ভাবছি এতো ছোট মানুষ এতো হার্টটাচিং কথা কেমনে বলে । তারপর নিশি বললো,,,,,,
নিশিঃ কি হলো চুপ কেন ?
আমিঃ না এমনি । ওকে কথা দিলাম নিয়ে আসবো আমাকে ।
আমরা দুজনে হাঁটতে হাঁটতে যেখানে গাড়ি পাওয়া যায় সেখানে এসে আব্বু আর চাচ্চু এক রিকশায় আমি আর নিশি আরেক রিকশা নিলাম ।
নিশি আজকেও আমাকে ধরে বসলো । আজকে আমি আর বাধা দিলাম না । অবশেষে পৌছে গেলাম বাস টার্মিনালে ।
এখান থেকে আমাকে একাই যেতে হবে । আব্বু আথ চাচ্চুর থেকে বিদায় নিলাম । উনারা একটু দূরে দাঁড়িয়ে আছে । আর নিশি আমার কাছেই আছে ।
তারপর আমি নিশিকে বললাম,,,,,,
আমিঃ আচ্ছা যাই তাহলে নিশি । ভালো থাকিস । নিজের যত্ন নিবি ।
নিশিঃ যাবে তাহলে ।
আমিঃ যেতে মন না চাইলেও তবুও যে যেতে হবে ।
নিশিঃ ওকে ভাল ভাবে যেও । নিজের যত্ন নিবে ।
আমিঃ ওকে বাই ।
নিশিঃ বাই ।
তারপর আমি ঘুড়ে চলে আসতেছি । প্রায় গাড়ির কাছে চলে আসছি । এমন সময় নিশি আবার ডাক দিলো পিছন থেকে ।
নিশিঃ রাকিব ভাইয়াআআআআ.... ।
আমি হাটা বাদ দিয়ে থমকে দাড়ালাম যে নিশি এভাবে আবার ডাকতেছে কেন । কি হলো আবার ওর ?
এসব ভাবতে ভাবতে যখনি সামনে থেকে নিশির দিকে ঘুরে তাকাবো তখনি নিশি এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে খুব জোরে কান্না করতেছে কান্না করতে করতে আমার শার্ট টাই ভিজিয়ে দিয়েছে ।
নিশির এই অবস্থা দেখে আমি নিশিকে বললাম........
আমিঃ এই পা*গ*লি এই কি হয়েছে কাঁদতেছিস কেন ?
নিশিঃ না আমি তোমাকে যেতে দিব না। আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারব না ।
আমিঃ ওই পা*গ*লি আমি কি একে বারেই চলে যাইতেছি নাকি আমি তো আবার ও আসবো ।
নিশিঃ তারপরেও ।
আমিঃ ওকে বাবা এখন তো কান্নাটা থামা । আর মুখটা একটু উপরে উঠা তো ।
নিশিঃ কেন । (কান্না করতে করতে)
আমিঃ দেখবো তুই কান্না করলে তোকে কেমন দেখায় তাই ।
নিশিঃ আমার কষ্ট হচ্ছে আর তুমি মজা নিতেছো তাই না ।
আমিঃ আরে না তোর কষ্ট হলে তো আমার ও কষ্ট হয় ।
নিশিঃ কষ্ট হলে তো আর এই কথা বলতা না ।
আমিঃ সরি । এখন একটু কান্নাটা থামিয়ে তোর মুখটা উপরে তোল তো ।
নিশিঃ হুম তুললাম বলো কি বলবে ।
নিশি যখনি এই কথাটা বললো তখনি আমি ওর কপালে একটা ছোট করে ভালবাসার স্পর্শ এঁকে দিলাম । আর নিশি আমার এই স্পর্শ পেয়ে ওর চোখ দুটি বন্ধ করে ফেললো মনে হলো ওর ভিতর দিয়ে কারেন্ট বয়ে গেল ।
নিশি আমার মাথাটা ধরে ওর কপাল থেকে নামিয়ে ধীরে ধীরে আমার মাথা টা উপরে তুলে ওর মুখের সামনে ধরলো । নিশির শ্বাস প্রশ্বাস আমি সম্পূর্ণ রুপে শুনতে পাচ্ছি।
নিশির নিঃশ্বাসের গতিটা ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে ও আমার মাথা টা ধীরে ধীরে ওর মুখের কাছে নিয়ে যাচ্ছে । আমিও কিছুটা ঘোরের মধ্যে চলে যাচ্ছি ।
নিশি ওর চোখটা ধীরে ধীরে বন্ধ করছে। আমি বুঝতে পারলাম নিশি আমার নেশায় পা*গ*ল হয়ে গেছে তাই আমিও নিশির মাথায় হাত দিয়ে ওর মুখটা ধীরে ধীরে আমিও কাছে টানতেছি ।
দুজনে যখন প্রায় দুজনের মুখের কাছাকাছি
তখন নিশি ওর চোখ দুটো বন্ধ করা অবস্থায় আমার ঠোঁটে ওর ঠোঁট দুটোতে লাগিয়ে দিলো। আর যখনি ওর ঠোঁট আমার ঠোঁটে পড়লো তখন আমার সারা শরীরটা কেমন যেন একটা করে উঠলো। আর এই সময়ে আমি ওর ঠোঁট দুটো আমার ঠোঁট দিয়ে আরো জোরে চেপে ধরলাম।
নিশিও কেমন যেন পা*গ*ল এর মত করে আমাকে জড়িয়ে ধরলো,,,,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,
কপি করা কঠোর ভাবে নিষেধ । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
গ্রামের মেয়ের ভালোবাসা
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
436
Views
6
Likes
0
Comments
4.5
Rating