রাতে একটু ফেসবুকিং করলাম । ইমেইল চেক করলাম । দেখি ঢাকা ভার্সিটিতে আমার অনার্স এডমিশনের ইমেইল আসছে ।
অনেক খুশি হয়ে রাতে ঘুমিয়ে পড়লাম । সকালে ঘুম থেকে উঠতেই আমি চমকে গেলাম ।
কারন,,দেখি নিশি আমার বিছানায় বসে আমার দিকে একপ্রানে তাকিয়ে আছে । আমি বিছানা থেকে লাফ দিয়ে উঠে ওকে বললাম,,,,,,,
আমিঃ কি রে নিশি এতো সকালে তুই আমার রুমে কেন ?? আর এভাবে তাকিয়ে আছিস ই বা কেন ??
নিশিঃ আসলে আমি তোমাকে ডাকতে আসছিলাম । কিন্তু তুমি এমন ভাবে ঘুমাইছিলে শুধু দেখতে থাকার ই ইচ্ছে হলো তাই আর কি ডাকি নি হিহি ।
আমিঃ হইছে আর দেখতে হবে না । পাকনা পিচ্চি । যা এখান থেকে আমি ফ্রেশ হবো ।
নিশিঃ যাচ্ছি এতো ধমকাইতে হবে না ।
যাওয়ার সময় নিশি আবার পিছনে ফিরে বললো,,,,,
নিশিঃ ওই ভাইয়া ।
আমিঃ কি ?
নিশিঃ একবার বউ বলো না ।
আমিঃ তুই গেলি এখান থেকে । দাঁড়া তোকে দেখাচ্ছি মজা ।
আমার একথা শুনতেই নিশি এক দৌড়ে আমার রুম থেকে চলে গেল । আমি ওর কথা শুনে মুচকি হাসলাম ।
তারপর ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করতে গেলাম । নিশিও আমার পাশেই বসলো । আমি নাস্তা খাচ্ছি । আর নিশি চুপচাপ আছে । চাচি নিশিকে জিজ্ঞাসা করলো,,,,,,
চাচিঃ নিশি খাচ্ছিস না কেন ?
নিশিঃ রাকিব ভাইয়ার হাতে খাবো ।
আমি অবাক হয়ে বললাম,,,,,
আমিঃ কিহহ আমি পারবো না ।
নিশিঃ দিতে হবে না আমিও খাবো না । আমি গেলাম ।
তখন আব্বু আমাকে বললো,,,,,
আব্বুঃ রাকিব দে না একটু খাইয়ে ।
আমি আব্বুর কথা ফেলতে পারি না । তাই আব্বুর কথায় নিশিকে নিজের হাতে খাওয়াতে লাগলাম । নিশি আমার দিকে তাকিয়ে মিটমিটিয়ে হাসছে । আমি ওর দিকে চোখ বড় বড় করে তাকালাম । ও চুপ হয়ে গেল ।
খাওয়ার মাঝখানে হঠাৎ আমার আঙুলে নিশি কামড় বসিয়ে দেয় ।
আমিঃ আউউউচ ।
নিশিঃ সরি সরি ।
আমিঃ আব্বু আমি আর খাইয়ে দিতে পারবো না । শয়তান্নি কামড় দিয়েছে ।
নিশিঃ বললাম তো সরি ।
আমাদের এরকম কান্ড দেখে আব্বু আম্মু চাচা চাচি সবাই মুচকি হাসছে । খাওয়ানো শেষে আমি আমার রুমে চলে আসলাম ।
দুপুরে খাওয়া শেষ করে এসে ঘুমাইছি । ঘুম ভাঙলো নিশির ডাকে ।
নিশিঃ রাকিব ভাইয়া । এই রাকিব ভাইয়া উঠো না প্লিজ ।
আমিঃ কি হইছে । আমি এখন উঠতে পারবো না ।
(চোখ ডলতে ডলতে) ।
নিশিঃ অলস ছেলেদের মতো সারাদিন পড়ে থেকে ঘুমাও কেন ?
আমিঃ কি বলবি তাড়াতাড়ি বলে বিদায় হ ।
নিশিঃ ঘুরতে যাবো । উঠো এখন ।
আমিঃ আমি যেতে পারবো না ।
নিশিঃ না গেলে কিন্তু আমি বড়আব্বু কে ডেকে আনবো ।
আমিঃ সব সময় এমন ভয় দেখাস কেন ?
নিশিঃ সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে কিভাবে ঘি উঠে সেটা এই নিশি ভালোই জানে ।
আমিঃ বেশি কথা না বলে যা রেডি হয়ে আয় । আমিও ফ্রেশ হয়ে নেই ।
নিশিঃ শোনো ।
আমিঃ কি ।
নিশিঃ কালো পাঞ্জাবী পড়বা ।
আমিঃ কেন ।
নিশিঃ ওইটা পড়লে তোমাকে অনেক সুন্দর লাগে ।
আমিঃ হইছে যা ভাগ ।
তারপর নিশি চলে গেল রেডি হতে । আর আমিও ফ্রেশ হয়ে ওর কথা মতো কালো পাঞ্জাবী পড়ে অনেক্ষন ধরে অপেক্ষা করতেছি ।
তারপর চাচিকে বললাম,,,,,,
আমিঃ চাচি নিশি নাকি ঘুরতে যাবে । ও কি রেডি হইছে ।
চাচিঃ আমি তো রান্না করছি । কেমনে বলবো । তুই গিয়ে দেখ রেডি হইছে কি না ।
তারপর আমি নিশির রুমে গিয়ে দেখি,,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,
কপি করা কঠোর ভাবে নিষেধ । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
গ্রামের মেয়ের ভালোবাসা
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
562
Views
6
Likes
0
Comments
5.0
Rating