রাইসাঃ এই কি বললি তুই । আমরা ননসেন্স ।
বলেই রাইসা আমার গায়ে হাত তুলতে চাইলো । আর তখনি রুমে স্যার আসলেন । আর হাত তুলতে পারলো না ।
শুধু বললো,,,,,,
রাইসাঃ তোকে পরে দেখছি দাঁড়া ।
আমি ওর কথা শুনে আর কিছুই বললাম না । চুপচাপ একাই পিছনের বেঞ্চে গিয়ে বসে পড়লাম । তারপর মনোযোগ দিয়ে দুইটা ক্লাস করলাম ।
তৃতীয় ক্লাসে রাইসা সহ ওর সকল বান্ধবী উঠে চলে গেল । কেন জানি না । আমি ওদিকে ধ্যান না দিয়ে আমার মতো আমি ক্লাস করতে লাগলাম ।
ক্লাস শেষে আমি ক্যাম্পাসের বাহিরে আসতেই রাইসা আর ওর বান্ধবী সহ কিছু গুন্ডা টাইপের ছেলে আমাকে ঘিরে ধরলো ।
তারপর রাইসা বললো,,,,,,,,,,
রাইসাঃ ক্লাসে কি বলেছিলি । আমরা ননসেন্স তাই না । তাহলে আর একটু ননসেন্স গিরি দেখ ।
তারপর রাইসা ছেলেগুলোকে ইশারা করতেই আমাকে অনেক মা*র*লো । প্রায় দশ মিনিট মা*রা*র পর ওরা এখান থেকে চলে গেল ।
যাওয়ার সময় রাইসা আমাকে বললো,,,,,,,
রাইসাঃ আমার সাথে তর্ক করার ফল তোকে বুঝিয়ে দিয়ে গেলাম । যাতে ভবিষ্যতে আমার সামনে না আসিস । মাইন্ড ইট ।
তারপর কোনোরকম আমি রিকশা নিয়ে গ্যারেজে পৌছালাম । দুপুরে আর কিছু খাইলাম না । ফ্রেশ হয়ে সরাসরি ঘুমিয়ে পড়লাম ।
গ্যারেজেও আর কাজ করলাম না সারাদিন । রাতের বেলা মা*ই*রে*র জন্য গায়ে অনেক জ্বর আসলো ।
জ্বর নিয়ে আবার কয়েকদিন ভার্সিটিতে গেলাম না । এই কয়েকদিন চাচা চাচি মহাজন সবাই আমার কেয়ার করে সুস্থ করে তুলেছে ।
এভাবে ভার্সিটিতে রাইসার অত্যাচার কাজের চাপ আর চাচা চাচির ছেলের মতো ভালোবাসার খুনসুটিতে আরো এক বছর কেটে গেল ।
২য় বর্ষেও অনেক ভালো রেজাল্ট করছি । চাচা চাচি মহাজন সবাই অনেক খুশি । এখন আমি ৩য় বর্ষে আছি ।
এদিকে গ্রামের বাড়িতে,,,,,,,,,,
নিশির আজকে এসএসসির রেজাল্ট বের হইছে । সেও অনেক ভালো রেজাল্ট । কিন্তু আমি থাকতে পড়ায় ফাঁকি দিতো ।
এখন আমি নেই তাই পড়ায় মনোযোগী হতে পেরেছে । আব্বু আম্মু চাচ্চু চাচি সবাই তাকে নিয়ে অনেক খুশি ।
এই দুই বছরে সবাই আমার শোক প্রায় কেটে উঠতে পারছে । নিশিও মধ্যে আগের চেয়ে অনেক ম্যাচিওরিটি আসছে ।
সে এখন আর সেই পিচ্চি মেয়েটা নেই । নিশিও জেদ ধরলো সে ঢাকা শহরে পড়াশোনা করতে চায় । কিন্তু আমাকে হারানোর পর আব্বু আম্মু চাচ্চু চাচি কেউই তাকে ঢাকা পাঠাবে না ।
তাই নিশি অনেক মন খারাপ করে রুমে চুপচাপ বসে আছে । সে অনেক জেদি । একবার যেটা বলে সেটা করেই ছাড়ে । এখন তারা কি করবে ভেবে পাচ্ছে না ।
এদিকে,,,,,,,,,,,,
একদিন ভার্সিটিতে ক্যাম্পাসে বসে আছি । অনেক্ষন একা একা বসে থাকার পর ক্লাসে সময় হয়ে গেলে ক্লাসে চলে গেলাম ।
কিন্তু আজকে রাইসার বান্ধবীদের দেখলাম কিন্তু রাইসাকে কোথাও দেখতে পেলাম না । যাই হোক আজ ভালোই হলো । শান্তি মতো ক্লাস করতে পারবো ।
ওর অত্যাচার থেকে তো একদিন বাঁচা গেল । খুশি মনে ক্লাস করতে লাগলাম । ক্লাসে নোটিশ দিয়ে গেল গরমের জন্য কিছুদিন ভার্সিটি ছুটি থাকবে । যাক ভালোই হলো । তিনটা ক্লাস শেষ করে ক্লাস থেকে বের হয়ে এলাম ।
ক্লাস থেকে বের হয়ে ক্যাম্পাসের দিকে আসতেই আমাদের অডিটরিয়াম রুম সামনে পরে । তো অডিরিয়াম রুমের পাশ দিয়ে যেতেই ভিতর থেকে কেমন যেন এক অদ্ভুত আওয়াজ আসলো ।
প্রথম বার আমি আমলে নিলাম না । আবার হাঁটা শুরু করলাম । একটু পর আবার একই রকম আওয়াজ আসলো ।
এবার আমি সিরিয়াসলি নিয়ে ওখানেই থমকে গেলাম । তাই ভিতরে কি আছে সেটা দেখার জন্য দরজার কাছে গেলাম ।
ওমা এ দেখি দরজা ভিতর থেকে লক । এ সময় তো দরজা লক থাকার কথা না । ভিতরে ডাল মে কুচ কালা হে ।
তাই অনেক ধাক্কা দেয়ার পর খুলেও গেল । দরজা খুলার পর আমি ভিতরে প্রবেশ করলাম । ভিতরে প্রবেশ করার পর চারদিকে দেখলাম কিন্তু কিছুই তো নেই ।
তাহলে এই আওয়াজ কোথা থেকে আসলো । হয়তো বা ভুলই শুনেছি । এভাবে নিজের উপর ই দোষ দিয়ে চলে আসছি ।
দরজার সামনে আসতেই হঠাৎ আবার একটা আওয়াজ ভিতরে শুনতে পেলাম । কিন্তু এই আওয়াজ টা আগের থেকে আলাদা ।
আওয়াজ টা শুনতেই এবার আমি এক ঝটকায় পিছনে তাকালাম । আর পিছনে তাকাতেই আমি যা দেখলাম সেটা দেখার জন্য আমি মোটেই প্রস্তুত ছিলাম না ।
কারন আমি দেখলাম,,,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,,
গ্রামের মেয়ের ভালোবাসা
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
142
Views
2
Likes
0
Comments
0.0
Rating