আমিঃ ছিঃ ছিঃ আঙ্কেল এগুলো কি বলছেন । আমি আপনাদের কাছে আরো অনেক গুন ঋনি । আপনি আমাকে আশ্রয় না দিলে কোথায় গিয়ে থাকতাম । উনি তো আমার মায়ের মতোই । এটা তো সন্তানের কর্তব্য মাকে রক্ষা করার তাই না ।
আঙ্কেল কোনো কথা না বলে সরাসরি আমাকে জড়িয়ে ধরলো । আমিও একটু মুচকি হাসলাম ।
কিছুক্ষণ পর আঙ্কেল বললো,,,,,,,,,
আঙ্কেলঃ রাইসা কোথায় ও আসে নি ।
আমিঃ না আঙ্কেল । ওর একটা এক্সট্রা ক্লাস আছে সেটা করেই আসবে ।
আঙ্কেলঃ ওহহ আচ্ছা ।
তারপর আমি আর আঙ্কেল আন্টির বেডে গেলাম । আমি আন্টিকে বললাম,,,,,,,,
আমিঃ এখন কেমন আছেন আন্টি ।
আন্টিঃ এখন একটু ভালো । তুমি যদি সময় মতো না আসতে । সত্যিই আমি তোমাকে দেখতে পারতাম না । কিন্তু তুমিই আমার বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছো । আমাকে প্লিজ ক্ষমা করে দাও ।
আমিঃ ছিঃ ছিঃ আন্টি এগুলো কি বলছেন । আমি তো ছেলের মতোই । ছেলের কাছে মা কখনো ভুল করতে পারে ।
আন্টিঃ যে তোমাকে জন্ম দিয়েছে সে অনেক ভাগ্যবতি মা ।
আন্টির কথায় আমার আম্মুর কথা মনে পড়ে গেল । কিছুক্ষণ পর আমি বললাম,,,,,
আমিঃ আচ্ছা বাদ দিন না আন্টি । আপনি রেস্ট নিন । কিছু লাগলে আমাকে বলবেন আমি আপনার পাশেই আছি ।
আন্টিঃ ঠিক আছে বাবা ।
তারপর আন্টি চুপচাপ রেস্ট নিতে লাগলো । আঙ্কেল ফোন করে রাইসা কে জানালো । কিন্তু তবুও তাড়াতাড়ি এলো না । বরং আজকে আসতে বেশিই লেট করেছে । রাইসা হসপিটালে পৌঁছাতেই আঙ্কেল বললো,,,,,,,,,
আঙ্কেলঃ রাইসা এতোক্ষন কোথায় ছিলে । তোমাকে আমি কখন ফোন করেছি । আর তুমি কখন আসছো । নিজের বাবা মায়ের প্রতি তোমার কোনো দায়িত্ব আছে নাকি নেই ।
রাইসাঃ বললাম তো এক্সট্রা ক্লাস ছিলো ।
এটা বলার সাথেই,,,,,,,
আঙ্কেলঃ ঠাসসস ঠাসসসস ।
হ্যাঁ ঠিক ই বুঝেছেন । আঙ্কেল রাইসার গালে দুইটা থাপ্পড় বসিয়ে দিলো । আমি আঙ্কেলের এরকম করতে দেখে বসা থেকে উঠে দাঁড়ালাম । তারপর আঙ্কেল বললো,,,,,,,,
আঙ্কেলঃ মিথ্যা কথা বলার জায়গা পাও না । এতো রাতে তোমার কিসের এক্সট্রা ক্লাস । রাকিব কখন আসছে আর তুমি কখন আসছো ।
রাইসাঃ সরি ।
আঙ্কেলঃ আর যেন এরকম করতে না দেখি ।
বলেই আঙ্কেল আন্টির বেডের কাছে গেল । আমি ওখানেই থ হয়ে দাড়িয়ে রইলাম । তারপর রাইসা আমার কাছে হনহনিয়ে এসে রাগি চোখে বললো,,,,,,,
রাইসাঃ তুই আব্বুকে এগুলো বলেছিস তাই না । আজ তোর জন্য আব্বু আমার গায়ে হাত তুললো । এর প্রতিশোধ আমি নিবোই তোর থেকে । মনে রাখিস গাঁইয়া ক্ষ্যাত ।
আমিঃ আমি কিছুই বলি নি মেডাম । শুধু শুধু আমাকে ভুল বুঝতেছেন ।
রাইসাঃ চুপ কর তুই । তোর আর কোনো কথাই শুনতে চাই না ।
বলেই রাইসাও আন্টির বেডের কাছে গেল । কিছুক্ষণ পর আমিও সেখানে গেলাম । তারপর বললাম,,,,,,,,,
আমিঃ আঙ্কেল এখানে সবার থাকা প্রয়োজন নেই । আপনি আর রাইসা বাসায় চলে যান । আমি আন্টির সাথে আছি ।
আঙ্কেলঃ সেটা কেমনে হয় । তুমি একাই থাকতে পারবে না । আমিও থাকবো । রাইসা বাসায় যাক ।
আমিঃ না আঙ্কেল ও একটা মেয়ে এতো রাতে একা ছাড়া উচিত হবে না । তাই আপনিও ওর সাথে যান । আমি এখানে আছি সমস্যা নেই ।
আঙ্কেলঃ কিন্তু ......
আঙ্কেল পুরো কথা বলার জায়গা আগেই আন্টি বলে উঠলো,,,,,,,,
আন্টিঃ রাকিব তো ঠিক কথাই বলেছে । এখানে ও থাকলেই হবে তুমি চিন্তা করো না । এখন ওর প্রতি আমার পুরো বিশ্বাস আছে । তুমি আর রাইসা বাসায় যাও ।
আঙ্কেলঃ আচ্ছা ঠিক আছে । তাহলে আমরা গেলাম ।
আমিঃ জ্বি আঙ্কেল সাবধানে যাবেন ।
বলেই রাইসা আর আঙ্কেল বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিল । আমি আন্টির পাশে বসে আছি । উনাকে ঘুমানোর চেষ্টা করতে বললাম ।
আমি সারারাত ই জেগে ছিলাম । খুব সকালে আঙ্কেল হাসপাতালে চলে আসলো । আজকে আর রাইসা এলো না ।
আঙ্কেল এসেই বললো,,,,,,,,
আঙ্কেলঃ রাকিব তুমি এখন বাসায় যাও রেস্ট নাও । আমি আজকে অফিসে যাবো না ।
আমি যেতে না চাইলেও আঙ্কেল আন্টির জোরাজুরিতে বাসায় চলে আসলাম । সারারাত ঘুমাই নি । বাসায় এসে দেখি রাইসা ঘুম থেকেই উঠে নি ।
তাই ওর জন্য নাস্তা তৈরী করে বাসার যাবতীয় সব কাজ করে ফ্রেশ হয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম । ঘুম ভাঙলো রাইসার থাপ্পড়ে ।
কেন মা*র*লো বুঝলাম না,,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,
আজকে দুই পার্ট দিয়েছি । তাই ছোট শুনতে বাধ্য নই ।কপি করা কঠোর ভাবে নিষেধ । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
গল্পঃ গ্রামের মেয়ের ভালোবাসা
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
318
Views
5
Likes
0
Comments
5.0
Rating