আমিঃ তুই গেলি এখান থেকে ।
নিশিঃ ঠিক আছে যাবো তবে একটা শর্তে ।
আমিঃ কি শর্ত ?
নিশিঃ যতদিন আছো আমি তোমাকে নিজ হাতে খাইয়ে দিবো । আর প্রতিটা নিঝুম সন্ধ্যার পরিবেশ দুইজন একসাথে উপভোগ করবো । কথা দাও ।
এই পিচ্চিটা দেখি খুব বড় হয়ে গেছে । অনেক পাকা পাকা কথা বলে । আমার চুপ থাকা দেখে নিশি আবার বললো,,,,,,
নিশিঃ কি হলো চুপ করে আছো কেন ?
আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে যাহ ।
নিশিঃ সত্যিই (অনেক খুশি হয়ে) ।
আমিঃ হুমম । এখন তো যা ।
নিশিঃ আচ্ছা ঠিক আছে । তুমি ফ্রেশ হয়ে আসো আমি তোমাকে খাবার দিচ্ছি ।
আমিঃ ঠিক আছে ।
তারপর নিশি খুশি মনে রুম থেকে চলে গেল । আমিও ফ্রেশ হতে ওয়াশরুম চলে গেলাম । ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি নিশি আমার রুমে খাবার নিয়ে আসছে ।
আমিঃ কি ব্যাপার তুই আমার রুমে খাবার আনছিস কেন ?
নিশিঃ সবাই এখানেই নিয়ে আসতে বললো তাই ।
আমিঃ সবাই আনতে বলছে নাকি তুই জোর করে আনছিস ।
আমার কথা শুনে নিশি হাসতে লাগলো । এতেই বুঝে গেছি ওই এই শ*য়*তানি বুদ্ধি বের করছে । তারপর বললো,,,,,,
নিশিঃ বেশি কথা না বলে চুপচাপ এখানে এসে বসো ।
আমিও আর কোনো কথা না বলে চুপচাপ খাটে বসে পড়লাম । তারপর নিশি বললো,,,,,
নিশিঃ নাও হা করো ।
আমিঃ আমার হাত থাকতে আমি তোর হাতে খাবো কেন ?
নিশিঃ এতো তাড়াতাড়ি শর্তের কথা ভুলে গেলে ।
আমিঃ ওহহ সরি ।
নিশিঃ হুমম এবার হা করো ।
তারপর নিশি আমাকে খাইয়ে দিতে লাগলো । আমি ওকে জিজ্ঞাসা করলাম,,,,
আমিঃ তুই খাইছিস ।
নিশিঃ কখন খেলাম । এসেই তো তোমার রুমে আসলাম ।
আমিঃ তাহলে তুই ও খা ।
নিশিঃ কেউ তো খাইয়েও দেয় না ।
আমিঃ থাক আর ন্যাকামো করতে হবে না । নে হা কর ।
তারপর আমিও নিশিকে খাইয়ে দিলাম । খাইয়ে দেয়ার সময় হঠাৎ আপু আর দুলাভাই আমার রুমে আসলো । আর কাশি দিলো,,,,
আপুঃ উহুম উহুম ।
তখনই আমি খাওয়ানো বন্ধ করে দিলাম । আর নিশিকে আপু বলতে লাগলো,,,,,
আপুঃ বাবাহ এসেই আমার ভাইটার সাথে রোমান্স শুরু করে দিলি ।
নিশিঃ সেটা আর করতে দিলে কই আপু ।
আমিঃ আপু কেমন আছো ।
আপুঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো । তুই কেমন আছিস ?
আমিঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো । এইটা কে দুলাভাই নাকি ?
আপুঃ হুমম ।
আমিঃ আসসালামু আলাইকুম দুলাভাই ।
দুলাভাইঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম । তুমিই তাহলে আমার শালা বাবু ।
আমিঃ জ্বি দুলাভাই ।
দুলাভাইঃ তা শালা বাবু আমার এই নিশি শালিকাকে একটু বেশিই আদর কইরো । তোমার জন্য বেচারি অনেক কান্না করছে । আমাদের বাসায় গিয়েও মনমরা হয়ে থাকছে । এখন এখানে এসে তো আমি অবাক । এর চেয়ে খুশি আর কেউ নেই ।
নিশিঃ দুলাভাই যান তো আপনি । খালি লজ্জা দেন ।
দুলাভাইঃ থাক আর লজ্জা পেতে হবে না । কন্টিনিউ....
আপুঃ তাহলে থাক পরে কথা হবে ।
আমিঃ ঠিক আছে আপু ।
বলে আপু আর দুলাভাই চলে গেল । তারপর আমি নিশিকে বললাম,,,,,
আমিঃ কি রে তুই কান্না করছিস আমার জন্য ।
নিশিঃ সেটা তোমার না জানলেও চলবে ।
আমিঃ না বললে আদর ও পাবি না । অফার সীমিত ।
নিশিঃ হ্যাঁ করেছি । হ্যাঁ করেছি । এখন আদর দাও ।
ওর এরকম কান্ড দেখে আমি জোরে হেসে উঠলাম । তারপর নিশি বললো,,,,
নিশিঃ কি হলো হাসলে কেন ।
আমিঃ কিছু না এমনি । খাওয়া শেষ করে প্লেট টা রেখে আয় ।
নিশিঃ আদর দিবা না ?
আমিঃ তুই গেলি এখান থেকে ।
নিশিঃ ঠিক আছে আমিও আমার টা আদায় করে নিতে জানি ।
বলেই নিশি প্লেট রাখতে গেল ।
সন্ধ্যা বেলা,,,,,
আমি যার জন্য যেটা আনছিলাম তাকে সেটা দিয়ে দিলাম । নিশিকে কি দিবো সেটা নেয়ার জন্য নিশি অধীর আগ্রহ নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে ।
তারপর আমি বললাম,,,,,,,
আমিঃ সরি নিশি তোর জন্য কিছুই আনতে পারি নি ।
নিমেষেই নিশির মুখ থেকে হাসির ছাঁপ টা উধাও হয়ে গেল । মন খারাপ করে উঠানের বাহিরে চলে গেল । আব্বু বললো,,,,,,
আব্বুঃ কি করলি এটা তুই । সবার জন্য আনলি আর ওর জন্য আনলি না ।
আমিঃ আরে আনছি । ওরে একটু রাগালাম ।
আব্বুঃ তোরা পারিস ও বটে ।
আমিঃ আমি একটু আসছি ।
বলেই বাহিরে চলে আসলাম । এসে দেখি নিশি একাই উঠানে দাঁড়িয়ে আছে । আমি এসে বললাম,,,,,
আমিঃ নিশি ।
নিশিঃ হুমম ।
আমিঃ চল বাহিরের ওই পুকুর ঘাটটায় বসে সন্ধ্যা উপভোগ করি ।
নিশি কোনো কথা না বলে চুপচাপ আমার সাথে গিয়ে নিঝুম সন্ধ্যা উপভোগ করতে লাগলো । একটু পর আমি বললাম,,,,,,
আমিঃ ............
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,
কপি করা কঠোর ভাবে নিষেধ । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
গ্রামের মেয়ের ভালোবাসা
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
117
Views
3
Likes
3
Comments
4.0
Rating