বান্ধবীরাঃ তোর সাথে এই ভাইয়াটা কে ?
নিশিঃ আমার চাচাতো ভাই । কেন ?
বান্ধবীঃ আগে তো কখনো দেখি নি ।
নিশিঃ ভাইয়া ঢাকায় থাকে । ওখানে পড়াশোনা করে ।
বান্ধবীঃ ওহহ আচ্ছা ।
ওই মেয়েটা হাত বাড়িয়ে আমাকে বললো,,,,,
মেয়েটিঃ হায় ভাইয়া । আমি রিয়া । নিশির ফ্রেন্ড ।
আমি ওর হাতে হাত রেখে বললাম,,,,,
আমিঃ হ্যালো আমি রাকিব । ওর কাজিন ।
মেয়েটিঃ ভাইয়া আপনি কিন্তু অনেক সুন্দর । আর পাঞ্জাবী তে আপনাকে আরো সুন্দর লাগছে ।
আমিঃ থ্যাংক ইউ ।
একটু পর নিশির দিকে তাকিয়ে দেখলে নিশি আমার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে । চোখ গুলো লাল হয়ে গেছে ।
আমি ওর এই রূপ দেখে মেয়েটার হাত সাথে সাথে ছেড়ে দিলাম । তারপর মেয়েটি নিশিকে বললো,,,,,,,
মেয়েটিঃ নিশি একটু এদিকে শুনবি তোর সাথে একটু কথা আছে ।
তারপর নিশি মেয়েটির সাথে গেল । আর বললো,,,,,,
নিশিঃ বলো কি বলবে ?
মেয়েটিঃ তোর ভাইয়ার নাম্বার দে না প্লিজ ।
নিশিঃ কেন ?
মেয়েটিঃ কেন আবার তুই তো বুঝিস ই ।
নিশিঃ ভাইয়া ফোন ইউজ করে না ।
মেয়েটিঃ মিথ্যা কথা বলিস কেন ?
নিশিঃ তুমি যাবে এখান থেকে নাকি আমি ভরা মেলায় সিনক্রিয়েট করবো । থাপ্পড় লাগাবো ?
মেয়েটি নিশির ভয়ে আর কিছু না বলে সেখান থেকে চলে গেল । একটু পর আমার কাছে আসতেই আমি বললাম,,,,,,
আমিঃ কি বললো রে ।
নিশিঃ সেটা তোমার না জানলেও চলবে ।
আমিঃ এতো রাগ করছিস কেন ?
নিশিঃ এমনি । আমি বাসায় যাবো । আমাকে বাসায় নিয়ে চলো ।
আমিঃ কেন । কেবল মাত্রই তো আসলাম একটু ঘুরি ।
নিশিঃ তুমি যাবা নাকি আমি একাই চলে যাবো ।
আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে যাচ্ছি ।
বলেই সেখান থেকে বাসায় চলে আসলাম । রাস্তায় নিশি আমার সাথে একটা কথাও বলে নি । বাসায় এসেও আমার সাথে কথা বলছে না ।
একটু পর আপু দুলাভাই ও বাসায় চলে আসলো । সন্ধ্যা নেমে গেলো । আমি রুম থেকে বের হয়ে নিশির রুমে উঁকি দিলাম ।
কিন্তু নিশি ওর রুমে নেই । কিচেন রুমেও উঁকি দিলাম । সেখানে আম্মু আর চাচি রান্না করছে । আমি চাচিকে বললাম,,,,,,,
আমিঃ চাচি নিশি কোথায় ?
চাচিঃ দেখো বাহিরে বসে আছে । কি হইছে নাকি ওর মেলা থেকে ঘুরে আসার পর মন খারাপ কেন ?
আমিঃ জানি না তো চাচি । আচ্ছা দেখছি ।
চাচিঃ আচ্ছা ।
তারপর আমি উঠানে এলাম । দেখলে নিশি একা একা পুকুরের ঘাটে বসে আছে । আমিও কাছে গিয়ে ওর পাশে গিয়ে বসলাম ।
তারপর বললাম,,,,,,,,,
আমিঃ কি রে একা একা এখানে বসে আছিস কেন ? আমাকে তো আজ ডাকলিও না ।
সন্ধ্যার আবছা আলোয় দেখলাম নিশি চোখের পানি মুছতেছে । তখন আমি অবাক হয়ে বললাম,,,,,,
আমিঃ কি রে তুই কান্না করছিস কেন ? কি হইছে বল আমারে ।
নিশি তবুও কিছু বলছে না । চুপ করেই আছে । তারপর আমি আবার বললাম,,,,,,,
আমিঃ কি হলো বল । আমি কি কিছু ভুল করেছি । সেটা বল আমাকে ।
নিশি কিছুই না বলে আমার পাশ থেকে উঠে চলে যেতে লাগলো । আমি ওর এরকম আচরণ দেখে অনেক অবাক হলাম । আমিও দাঁড়িয়ে গেলাম । তারপর আমি আবার বললাম,,,,,,
আমিঃ নিশি তুই আমার সাথে কথা না বললে আমি কালকেই ঢাকা চলে যাবো এই বলে দিলাম ।
আমার এই কথা বলাতে নিশির পা এক নিমেষেই আটকে গেল । আর উল্টা ঘুরে দৌড়ে এসে আচমকাই আমাকে অনেক শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো ।
আর অনেক জোরে কান্না করতে লাগলো । তারপর বললো,,,,,,,
নিশিঃ তুমি শুধু গিয়ে দেখো তোমাকে আমি মে*রে*ই ফেলবো । তারপর আমি নিজে ম*র*বো ।
আমিঃ তাহলে কথা বলছিস না কেন ? কি হইছে বল আমারে ?
নিশিঃ আগে বলো তুমি আমাকে ছাড়া ঢাকা যাবে না ।
আমিঃ আচ্ছা যাবো না । এখন বল কি হইছে ?
নিশিঃ তুমি আমার বান্ধবীর হাত ধরলে কেন । আর হেসে হেসে কিসের এতো আলাপ । তুমি জানো না আমি তোমার সাথে অন্য মেয়েকে কখনোই দেখতে পারবো না । তুমি শুধু আমার অধিকার । আর ওই কু*ত্তি ফা*জি*ল বেডি আমার কাছে তোমার নাম্বার চায় কত বড় সাহস ওর । আর তোমাকে এতো সুন্দর করে সাজতে কে বলেছে শুনি ?
আমিঃ তুই ই তো তোর সাথে ম্যাচ করে কাপড় পড়তে বললি ।
নিশিঃ হ্যাঁ সেটা শুধু আমার জন্য । অন্য মেয়ের তোমাকে ভালো লাগবে কেন ?
আমিঃ সেটাও কি আমার দোষ ।
নিশিঃ হ্যাঁ তোমারই দোষ । আমি আর তোমাকে একা কোথাও ছাড়বো না । বড়আব্বু কে বলে কয়েকদিনের মধ্যেই বিয়ে করবো । আমি রিস্কের মধ্যে থাকতে চাই না ।
আমিঃ তুই কি পা*গ*ল হয়ে গেলি ।
নিশিঃ হ্যাঁ আমি তোমার জন্য পা*গ*ল হয়েই থাকতে চাই ।
আমিঃ এখন কান্না থামা প্লিজ ।
নিশিঃ তাহলে আগে আদর দাও ।
আমিঃ সব সময়ই কি তোর এগুলো লাগে ।
নিশিঃ হ্যাঁ তোমার আদর সব সময় ই আমার লাগবে । বেশি কথা না বলে দাও ।
তারপর আমি নিশির কপালে আলতো করে ঠোঁটর স্পর্শ দিলাম । নিশি আমার স্পর্শ পেয়ে কেঁপে উঠলো । তারপর নিশি বললো,,,,,,,,
নিশিঃ ...................
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,
কপি করা কঠোর ভাবে নিষেধ । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
গ্রামের মেয়ের ভালোবাসা
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
87
Views
0
Likes
1
Comments
0.0
Rating