আম্মুঃ বলেছিলাম না সব চাইতে বেশি ও খুশি হবে ।
তারপর আব্বু চাচ্চুকে বললো,,,,,,,,
আব্বুঃ ভাই তোর কাছে একটা জিনিস চাইবো দিবি ।
চাচ্চুঃ আরে ভাইজান এভাবে বলছো কেন । একবার চেয়েই তো দেখো ।
আব্বুঃ দ্যাখ আমি খুব ভালো করেই বুঝতে পারি তোর মেয়ে আমার ছেলে কে অনেক ভালোবাসে । আর আমার ছেলেও তোর মেয়ে কে পছন্দ করে । তাই আমি তোর মেয়েকে এ বাড়ির বউ বানাতে চাই । বল তুই রাজি কি না ?
চাচ্চুঃ ভাইজান সত্যি বলতে রাকিবকেও ছেলে হিসেবে আমাদের অনেক পছন্দ । আর ওর সাথে বিয়ে হলে আমাদের মেয়ে আমাদের চোখের সামনেই থাকবে । এর চেয়ে ভালো প্রস্তাব আর হতেই পারে না । আমরা রাজি । কি বলো নিশির আম্মু ।
চাচিঃ হ্যাঁ অবশ্যই । আমরা রাজি ভাইজান ।
আব্বুঃ আলহামদুলিল্লাহ ।
বেশ কিছুক্ষণ পর নিশি ছুটে এলো । সাথে রেখা আপু আর দুলাভাই ও আসছে । ওকে দেখেই আম্মু বললো,,,,,,
আম্মুঃ নিশি এতো জলদি কেমনে আসলি ।
নিশি কোনো কথার উত্তর না দিয়ে সরাসরি বললো,,,,,,,,
নিশিঃ রাকিব কোথায় ।
আম্মুঃ আরে উত্তেজিত হোস না । ও আছে ।
তখন দুলাভাই বললো,,,,,,
দুলাভাইঃ আমার শালিকা উত্তেজিত হবে না ? সারা রাস্তা ওর নাম জবতে জবতে আসছে । কেমন হইছে,,আমাকে মনে আছে কি না,,এই সেই ।
নিশিঃ দুলাভাই থামেন তো । বড়আম্মু বলো না রাকিব কোথায় ?
আম্মুঃ ও ওর রুমে ঘুমায় ।
বলা মাত্র নিশি আর এক মুহুর্ত দেরী না করে আমার রুমে হাটা দেয়া শুরু করলো । সবাই আজব দৃষ্টিতে নিশির দিকে তাকিয়ে আছে ।
আমার রুমের দরজার সামনে আসতেই নিশির হার্টবিট চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে লাগলো । তারপর নিশি আস্তে করে দরজা খুলে আমার রুমে প্রবেশ করলো ।
আমার খাটের কাছে এসে আমাকে দেখেই নিরবে চোখের পানি ফেলতে লাগলো । আমাকে ঘুম থেকে না তুলেই আমার পাশে বসে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে লাগলো ।
মনে হয় কত বছরের আমাকে দেখার তৃষ্ণা আজ মেটাচ্ছে । কিছুক্ষণ পর কপালে নিশির ঠোঁটের স্পর্শ পেতেই আমার ঘুম ভেঙে গেল ।
চোখ মেলতেই দেখি নিশি আমার কপালে তার ঠোঁটের স্পর্শ দিচ্ছে । আমি লাফ দিয়ে উঠে বললাম,,,,,,,
আমিঃ নিশি তুই এখানে । এগুলো কি করতেছিস ।
নিশি আমার কথার কোনো উত্তর না দিয়ে শুধু দেখতেই আছে । তারপর আমি আবার বললাম,,,,,,,
আমিঃ কি হলো হা করে তাকিয়ে আছিস কেন । কিছু বল ।
নিশিঃ কেমন আছো ভাইয়া ।
আমিঃ আমি ভালো আছি । তুই কেমন আছিস ?
নিশিঃ এতোদিন ভালো ছিলাম না । তোমাকে দেখার পর অনেক ভালো হয়ে গেছি ।
আমিঃ এখনো ডাইলগ ছাড়িস নি দেখছি ।
নিশিঃ আমার কথা কি একবার ও মনে পড়েনি এই দুই বছরে ।
এবার আমি চুপ হয়ে গেলাম । মাথা নিচু করে আছি । তারপর নিশি বললো,,,,,,
নিশিঃ কি হলো উত্তর দাও ।
আমিঃ তোদের সবার কথা অনেক মনে পড়েছে ।
নিশিঃ তাহলে কেন আর যোগাযোগ করো নি ।
তারপর আমি নিশিকে ঘটে যাওয়া সব ঘটনা খুলে বললাম । সব শুনে নিশি একদম থ হয়ে গেল । তারপর বললো,,,,,
আমিঃ ভাইয়া একটা কথা বলবো ?
আমিঃ হুমম বল ।
নিশিঃ আমি তোমাকে একবার জড়িয়ে ধরতে চাই ।
এইটার অপেক্ষাই তো আমিও করছিলাম । সেটা নিশিই প্রকাশ করলো । যাইহোক আমি শুধু মাথা নেড়ে হ্যাঁ সূচক উত্তর দিলাম । আর সাথে সাথে নিশি আমাকে জড়িয়ে ধরলো ।
আমিও তাকে জড়িয়ে ধরলাম । বুঝতে পারছি নিশি কান্না করছে । তারপর আমি বললাম,,,,,,,
আমিঃ এই পা*গ*লি কান্না করছিস কেন ?
নিশিঃ ফ্যামিলির সবাই ভাবছে তুমি আর নেই । কিন্তু আমি কখনোই বিশ্বাস করি নি । আমি বিশ্বাস করি একদিন তুমি আমার জন্য হলেও ফিরে আসবে । আমার ভালোবাসা তোমাকে ফিরিয়ে আনবেই ।
আমিঃ আচ্ছা এখন তো ছাড় ।
নিশিঃ নাহহ ছাড়বো না ।
আমিঃ কেউ আসলে কি হবে ।
নিশিঃ কেউ আসবে না ।
আমিঃ তুই একটা পা*গ*লি ।
নিশিঃ হুমম শুধু তোমার জন্য । আমি তোমাকে আর কোথাও যেতে দিবো না ।
আমিঃ তাহলে দুই বছরের কষ্ট আমার বিফলে যাবে । তুই কি চাস আমার কষ্ট বিফলে যাক ।
নিশিঃ নাহ । তাহলে আমিও তোমার সাথে যাবো ।
আমিঃ সে দেখা যাবে । এখন ছাড় অনেক হইছে ।
নিশিঃ ভাইয়া ।
আমিঃ হুমম বল ।
নিশিঃ ভালোবাসি । অনেক বেশি ।
আমিঃ শোন ।
নিশিঃ হুমম ।
আমিঃ আমিও 😊 ।
নিশিঃ সত্যিই ।
আমিঃ হুমম । এখন রুম থেকে যা আমি ফ্রেশ হবো ।
নিশিঃ না আমি এখানেই থাকবো তুমি ফ্রেশ হয়ে আসো ।
আমিঃ তুই গেলি এখান থেকে ।
নিশিঃ ঠিক আছে যাবো তবে একটা শর্তে ।
আমিঃ কি শর্ত ?
নিশিঃ .................
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,,,
কপি করা কঠোর ভাবে নিষেধ । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
গ্রামের মেয়ের ভালোবাসা
168
Views
2
Likes
2
Comments
0.0
Rating

সকল মন্তব্যগুলো (2)
next part Kobe pabo??
vaiya porer part ta taratari diyen apni to Abar 15 din por por golpo den apnar golpo Amar khub valo lage tai taratari porer part diben ar boro Kore diben.