প্রেম আমার

প্রেম আমার
সিজন-২
পর্ব-৯

আরিয়ান নাস্তা করছিল আর নিজের পা দিয়ে মাইশার পায়ের সাথে ঘোষছে আর চিমটি কাটছে। মাইশা যত পা সরিয়ে নিয়ে নিচ্ছে আরিয়ান তত তার পা মাইশার দিকে আগাচ্ছে।

মাইশা উঠে যেতে নেবে তখনই আরিয়ান মাইশার হাত চেপে ধরে আস্তে করে বলল,
------ একদম উঠবি না। আমার খাওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখানেই বসে থাকবি। my dear sweet বউ।


নাস্তার টেবিলে সবার সামনে মাইশা কিছু বলতেও পারছে না আর সহ্য ও করতে পারছে না।

আরিয়ান নাস্তা শেষ করে চলে যেতে নিয়ে আবার আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে মাইশা কে বলল,
------- মাইশা রেডি হয়ে থাকবি বিকালের দিকে তোকে নিয়ে আমি মার্কেটে যাব।

------- মার্কেটে যাবে কেন।

------- ফুটবল খেলতে।

-------- আমি ফুটবল খেলতে পারি না তুমি একাই খেলো।

আরিয়ান চোখ গরম করে তাকালো মাইশার দিকে। মাইশা আর কোন কথা বলল না। আরিয়ান ভাষাকে এক গ্লাস পানি দিতে বলল। মাইশা আরিয়ানের হাতে পানির গ্লাস দিল। আরিয়ান পানির গ্লাস নেয়ার বাহানায় মাইশার হাত চেপে ধরল।

মাইশা আস্তে করে বলল,
------ কি করছো কি ছাড়ো এখানে সবাই আছে।

আরিয়ান মাইশার হাত ছেড়ে দিলো। পানি খেতে খেতে আরিয়ান মাইশাকে একটা চোখ টিপ মারলো। মাইশা কিছুটা লজ্জা পেয়ে গেল। আরিয়ান কিছুটা আড়ালে গিয়ে মাইশাকে একটা ফ্লাইং কিস করে বাসা থেকে বেরিয়ে গেল।

আলিয়া একটু মুচকি হেসে মাইশার কানের কাছে এসে আস্তে করে বলল,
------- আমি কিন্তু সব দেখেছি।

------- কি দেখেছিস।

------- ভাইয়া তোকে কি, কি করেছে আর কি দিয়েছে সবটাই আমি দেখেছি। ডুবে ডুবে আর কত পানি খাবি মাইশা।

মাইশা আলিয়াকে চুপি চুপি বলল,
------- তাই না ডুবে ডুবে যে আর কে কে পানি খায় সেটা কিন্তু আমি ভালোই জানি।

-------- কি জানিস তুই।

------- রাফাত ভাইয়ের সাথে তোর যে কি চলছে তা কিন্তু আমি ভালই জানি।

------- কচু জানিস।

কথাটা বলে আলিয়া দ্রুত ওখান থেকে চলে গেল। সবার খাওয়া হয়ে যাবার রেহানা বেগম টেবিল গুছিয়ে রাখছিলেন। রেহানা বেগম সকালেও ভালো করে নাস্তা করেননি সেটা মাইশার চোখ এড়ালো না। রেহানা বেগম হাতের কিছু টুকিটাকি কাজ করছিলেন।

মাইশা রেহানা বেগমের হাত টান দিয়ে ধরে বলল,
-------- মামি কথা বলবে না আমার সাথে।

রেহা নামে কোন মাইশার দিকে ঘুরে তাকালেন। মাইশা একটা করুণ দৃষ্টি নিয়ে দেখা না বেগমের দিকে তাকিয়ে আছে। রেহানা বেগম যেন মাইশা পুরো মুখে আর দৃষ্টিতে কিছু একটা খুঁজে চলেছে। কিছুক্ষন মাইশার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন।

নিজের হাতটা মাইশার হাত থেকে ছাড়িয়ে বললেন,
------- আমার কথা বলা না বলাতে কি কারো কিছু আসে যায় মাইশা।

কথাটা বলে রেহানা বেগম চলে যাচ্ছিলেন তখনই মাইশা পিছন থেকে তার মামীকে জড়িয়ে ধরল। কাঁদো কাঁদো স্বরে বলল,
-------- মামি আমি তো তোমার আরো একটা মেয়ে। ছেলে মেয়েরা ভুল করলে বুঝি মা মাফ করে না।

রেহানা বেগম কিছু বলছে না চুপ করে দাঁড়িয়ে আছেন। রেহানা বেগম মাইশার সাথে রাগ করেছে আজকে প্রায় কয়েকটা দিন হয়ে গেছে এর মধ্যে মাইশা একবারের জন্য রেহানা বেগমের কাছে আসেনি তার সাথে কথাও পর্যন্ত বলে নি। আজকে হঠাৎ মাইসা তার কাছে আসছে কথা বলছি কেমন যেন একটু অন্যরকম মনে হচ্ছে তার কাছে।

রেহেনা চুপ করে আছে বেগম কথা বলছে না। মাইশা খুব নরম কন্ঠে রেহেনা বেগমকে বলল,
------- ও মামি কথা বলোনা আমার সাথে প্লিজ। দরকার হলে আমাকে তুমি মারো বকো যা ইচ্ছা তাই কর তবুও আমার সাথে কথা বলো প্লিজ।

রেহানা বেগম মাইশার সাথে কথা না বলে আর থাকতে পারলো না। তিনি মাইশার দিকে ঘুরে বললেন,
------- পাগলি একটা মা কি কখনো মেয়ের উপর রাগ করে থাকতে পারে বল।

-------- সত্যি তুমি আমার উপরে রাগ করে নেই তো।

-------- না রে মা। তোকে সেই ছোটবেলা থেকে মায়ের আদর দিয়ে বড় করেছে তোর উপর কি আমি রাগ করে থাকতে পারি বল।

মাইশা খুশি হয়ে তার মামীকে আবারো জড়িয়ে ধরল। মাইশার মনটা যেন অর্ধেক ভালো হয়ে গেল তার মামী তার ওপর রাগ করে নেই এটা জানতে পেরে।

মাইশা তার মামির সাথে হাতে হাতে কাজ করতে চাইলো কিন্তু তার মামী বাঁধা দিয়ে বলল,
-------- না তোর কোন কাজ করতে হবে না সামনে বিয়ের অনুষ্ঠান। তুই রুমে যেয়ে বিশ্রাম নে।

কথাটা বলে রেহেনা বেগম চলে গেলেন।মাইশা যাওয়ার পানে তাকিয়ে থেকে একটু মুচকি হাসলো আর নিজ মনে বলল,
------- কিছু মানুষ সব পেয়ে ও ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সব হারায়।আর কিছু মানুষ আছে যারা সব পেয়ে ও নিজের করে নিতে পারে না এটাই নিয়তি।

কথা গুলো বলে মাইশা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

**********

আরিয়ান অফিসে গিয়ে রিয়াদ কে দেখতে পেলো না।ও বেশ খুশি হলো এই ব্যাপার টা তে।আজ ওর মনে হচ্ছে ওর গলার কাঁটা টা এতো দিন পরে সরে গেছে। খুব শান্তির একটা নিঃশ্বাস নিতে পারছে আরিয়ান আজকে। এতদিন ওর মনে হচ্ছিল মাইশা কে নিয়ে ও যেন একটা যুদ্ধে নেমেছে। যে যুদ্ধে দুইজন যোদ্ধা আর একটা ট্রফি। যে জিতবে ট্রফি তার। এখন থেকে মাইশার জীবনের সবকিছু আরিয়ান। এখন থেকে না আছে রিয়াদ নামের কাটা আর না আছে কোন যুদ্ধ। আরিয়ান মনের আনন্দে পকেটে হাত দিয়ে শিস বাজাতে বাজাতে নিজের কেবিনে দিকে চলে গেল।

*************

সীমা রিয়াদের কেবিনের বাহিরে বসে কেঁদে যাচ্ছে।ও বুঝতে পেরেছে না কি করে কি হলো।গত কালকে ও তো সব ঠিক ছিলো। সীমার এখন নিজের নিজের প্রতি রাগ হচ্ছে।গত কালকে যদি ও রিয়াদের সাথে থাকতো তাহলে হয় তো এমন কিছু হতো না।

সীমা কথা গুলো ভাবছে আর চোখের পানি মুচছে।সেই মুহূর্তে ডাঃ আসলো রিয়াদের কেবিন থেকে। ডক্টর কে দেখে সীমা হন্তদন্ত হয়ে ডাক্তারের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল,
--------- এখন উনার কি অবস্থা ডক্টর।

ডক্টর কিছুক্ষণ চুপ থেকে সীমাকে বলল,
-------- দেখুন ওনাকে কেউ প্রচুর পরিমাণে অ্যালকোহল মিশ্রিত কফি খাইয়েছিল। উনার পেট ওয়াশ করে ফেলা হয়েছে। উনার এখনো জ্ঞান ফিরে নি। কিছুটা সময় লাগবে। বাই দ্যা ওয়ে আপনি উনার কি হন।

ডক্টরের কথা শুনে সিমা খানিকটা চুপ করে রইল। কারণ সীমা রিয়াদকে তার মনে প্রানে তার জীবনের সবকিছু ভাবলো রিয়াদ থাকে তেমন কিছুই ভাবে না। তাই সীমা কিছু একটা বলতে গিয়েও থেমে গেল। কিছুটা নির্লিপ্ত গলায় বলল,
------- উনি আমার পরিচিত আমরা এক অফিসে জব করি।

ডক্টর কিছুটা গম্ভীর হয়ে সীমা কে বলল,
--------- দেখুন এই মুহূর্তে ওনার বাড়ির লোককে খুব দরকার। কারণ উনার হয়তোবা কিছু টেস্ট করাতে হতে পারে কিছু ওষুধ আনতে হতে পারে টাকা পয়সারও ব্যাপার আছে এখানে।

-------- সমস্যা নেই যা যা দরকার সবটা আমি করব।

ডক্টর সীমার হাতে একটা প্রেসক্রিপশন ধরিয়ে দিয়ে বলল,
------ এখানে কিছু ওষুধের নাম লেখা আছে এগুলো নিয়ে আসুন

সীমা ডক্টরের কাছ থেকে প্রেসক্রিপশন নিয়ে ঔষুধ আনতে চলে গেল।

****************

আলিয়া আর রাফাত একটা কফি সাথে বসে আছে। আলিয়া অনেকক্ষণ যাবৎ এটা সেটা গল্প করে যাচ্ছে কিন্তু রাফাত এক দৃষ্টিতে আলিয়ার দিকে তাকিয়ে আছে।

আলিয়ার রাফাতের দিকে চোখ পড়তেই রাফাত কে আলতো করে একটা ধাক্কা মেরে বলল,
------- কি হলো এভাবে তাকিয়ে আছো কেন মনে হয় যেন এই প্রথম দেখলে আমাকে।

আলিয়ার কথায় রাফাতের ধ্যান ভাঙলো। রাফাত আলিয়ার গালটা হালকা করে টেনে দিয়ে বলল,
------- আমার এই জান টাকে দেখে আমি যেন সব কিছু ভুলে যাই।

আলিয়া খিলখিল শব্দে হেসে দিল। রাফাত আলিয়ার সে হাসির দিকে এক নজরে তাকিয়ে আছে। রাফাতের যেন চোখের পলকই পড়ছে না। রাফাত নিজেও জানে না এই আলিয়া তাকে কি যাদু করেছে। আলিয়াকে ছাড়া আরাফাতের পুরো জীবনটাই যেন একটা মরুভূমির মত। কত মেয়ের রাফাতের পিছনে ঘুরতো এমনকি এখনো ঘোরে কিন্তু আলিয়া ছাড়া রাফাতের জীবনটা পুরাটাই যেন শূন্য।

রাফাত আলিয়ার হাতে হাত রেখে ওর দুটো হাত শক্ত করে ধরে বলল,
-------তোমাকে আমি বড্ড বেশি ভালোবাসি। আমার এই হাত দুটো কখনো ছেড়ো না। তাহলে আমি একদিন নিঃস্ব হয়ে যাব।

------- বললেই হল আমি থাকতে তোমাকে নিঃস্ব হতেই দেব না। আমার তো শুধু ভাইয়াকে নিয়েই ভয়। ভাইয়া যে তুই সবটা জানতে পারবে সেদিন যে কি হবে সেটা ভেবে আমি খুব আতঙ্কিত।

-------- কিছু হবে না বিশ্বাস করো তো আমাকে।

------- হুম

------- তাহলে আমাদের ভালবাসার উপর বিশ্বাস রেখো।

কথাটা বলে রাফাত আলিয়ার হাতের আঙ্গুলের ভেতর নিজের আঙ্গুল গুলো ঢুকিয়ে দিল। আলিয়া সঙ্গে সঙ্গে হাতটা সরিয়ে রাফাতের একটা চিমটি কেটে বলল,
-------- কি করছো কি, এটা কফি শপ মাথায় রেখো।

-------- জি আমার মহারানী।

রাফাত একটা ওয়াটার কে দেখে কিছু খাবার অর্ডার করলো।

**************

বিকালের দিকে,
আরিয়ানের সাথে মার্কেটে যাবার জন্য রেহানা বেগম মাইশা কে সুন্দর একটা শাড়ি পরিয়ে দিয়ে রেডি করে দিল। মাইশার শাড়ি পরার তেমন অভ্যাস নেই তাই খুব আনইজি লাগছিল।

মাইশা তার মামীকে বলল,
------- মামি আমি থ্রি পিস পড়লে ভালো হতো আমার শাড়ি পড়তে একদম ভালো লাগে না।

মাইশার কথা শুনে রেহানা বেগম মাইশার দিকে আশ্চর্যজনক চাহনিতে তাকিয়ে আছে। কারণ তিনি যতটা জানেন মাইশা শাড়ি পড়তে খুব পছন্দ করে। এমনকি মাইশা প্রায় সময় তার মামীর শাড়ি পরে বান্ধবীদের সাথে এখানে সেখানে ঘুরতে যেত। সেই মাইশা কিনা আজ বলছে তার শাড়ি পড়তে ভালো লাগে না।

রেহানা বেগম কৌতুহলী কন্ঠে মাইশা কে জিজ্ঞেস করল,
------- মাইশা তোর কি হয়েছে বল তো।

ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে শাড়ির আঁচল আর কুচি ঠিক করতে করতে মামীর প্রশ্নের উত্তরে বলল,
------- কেন মামী আমার আবার কি হবে।

------- তুই তো শাড়ি পড়তে অনেক পছন্দ করতে কিন্তু আজ হঠাৎ শাড়ির প্রতি এত অনীহা হল কেন তোর।

মামীর মুখে এমন কথা শুনে মুহূর্তের মধ্যে কিছুটা থমকে গেল মাইশা। তার চোখমুখে কেমন যেন একটা আতঙ্কে এসে ভর করল।

মাইশা নিজেকে সামলিয়ে নিয়ে কথা ঘুরিয়ে বলল,
-------- আরে না মামী তেমন কিছু না অনেক গরম পড়েছে তো তাই আর কি।

রেহেনা বেগম বিষয়টা নিয়ে আর তেমন কোন গুরুত্ব দিলেন না স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টা নিলেন।

কিছুক্ষণ পর, আরিয়ান বাসায় আসলো। আরিয়ান মাইশা কে দেখে যেনো চোখ সরাতেই পারছে না। হালকা গোলাপি রঙের একটা জামদানী শাড়ি, ম্যাচিং করার কানের দুল, চুরি, টানা করে চোখে কাজল দেয়া, হালকা লিপস্টিক।চুল গুলো সুন্দর করে খোঁপা করা।সব মিলিয়ে অসাধারণ লাগছে মাইশা কে। আরিয়ানের মনে হচ্ছে যেন তার সামনে একটা জীবন্ত পুতুল দাঁড়িয়ে আছে। বাসার দিকে এভাবে তাকিয়ে থাকাতে মাইশার একটু অস্বস্তি ফিল হচ্ছিল।

মাইশা একটা গলা খাকানি দিয়ে আরিয়ান কে বলল,
------ কি হলো কি, কি দেখছো এইভাবে। আমি তো সম্পূর্ণ রেডি যাবে না।

মাইশার কথায় আরিয়ানের ঘোর ভাঙলো। আরিয়ান মাইশাকে নিয়ে বেরিয়ে গেল। আরিয়ান গাড়ি ড্রাইভ করছে আর আড় চোখে মাইশার দিকে তাকাচ্ছে।মাইশার এই মায়াবী আর লাবণ্যময় চেহারাই তো আরিয়ানকে এতটা আকৃষ্ট করেছে। তা না হলে আরিয়ানের পিছনে শতাধিক মেয়েরা সবসময় ঘুরঘুর করত। আরিয়ান কাউকে কখনো পাত্তা দেয়নি কারণ তার মনে প্রানে একমাত্র মাইশা নামক মেয়েটাই বাসা বেঁধে ছিল। মাইশা কে পাওয়ার এক অদম্য লোভ আরিয়ানের মনে এমন ভাবে জেকে বসে গেছে যে মাইশা কে ছাড়া তার পুরো দুনিয়া যেন শূন্য।

আরিয়ান একটা ফুলের দোকানের সামনে গাড়ি থামালো। আরিয়ান গাড়ি থেকে নেমে কিছু গোলাপ ফুল আর বেলি ফুল কিনলো।

ফুলগুলো মাইশার কাছে নিয়ে গিয়ে মাইশা কে বলল,
------- দেখি ফুলগুলো তোর খোঁপায় গুঁজে দি।

------- এইগুলোর আবার কি দরকার ছিল।

------ আমার বউয়ের জন্য আমার যেটা দরকার মনে হবে আমি কিনব তুই এত কথা কেন বলছিস তোকে যেটা বলছি সেটা কর।

মাইশা ঘরে বসে আরিয়ানের দিকে তার খোপা টা এগিয়ে দিল। আরিয়ান খুব সুন্দর করে যত্ন সহকারে মাইশার খোঁপায় গোলাপ গুলো গুঁজে দিল। আর বেলি ফুল গুলো খুব সুন্দর করে খোঁপায় পেচিয়ে দিল।

মাইশার কপালের ছোট একটা ভালোবাসার পরশে কি দিয়ে বলল,
------- আমার এই পিচ্চি বউটার দিকে যেন কখনো কারো নজর না লাগে। আমার প্রেম যেন সবসময় আমারই থাকে।

মাইশা তাকিয়ে আছে আরিয়ানের দিকে। আসলে অনেক ভাগ্য করলে এই রকম ভালোবাসা পাওয়া যায়। কিন্তু কিছু কিছু মানুষের ভাগ্য তার সাথে সহায় হয় না। তাই অনেক সময় তার ভাগ্য তাকে অনেক কিছু থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। মাইশা জানে না তার ভাগ্যে কি আছে। তবে এটা ঠিক মাইশা একটু একটু করে আরিয়ানের এক কেয়ার শাসন দুষ্টু মিষ্টি ঝগড়া ভালবাসা এই সবের প্রেমে পড়ে গেছে। আরিয়ান আস্তে আস্তে মাইশার জীবনের প্রেম হয়ে উঠেছে। কিন্তু মাইশা জানেনা তার ভাগ্য তাকে ঠিক কোন জায়গায় নিয়ে ঠেকাবে।

চলবে......

635 Views
10 Likes
5 Comments
3.8 Rating
Rate this:
(6)

মন্তব্য

সকল মন্তব্যগুলো (5)

Reader photo
golpo lover
23-Jun-2024, 12:07 PM

taratari golpo den apu

Reader photo
BTS army
14-Jun-2024, 06:45 PM

আপু গল্প তাড়াতাড়ি দেন প্লিজ প্লিজ প্লিজ । অনেক দেরি হচ্ছে 😟😟🥺🥺🥺

Reader photo
Picchi
13-Jun-2024, 08:48 PM

apu plz porer part taratari diben..ai holpo ta amar onek vlo lage...apni onek dery kore golpo upload koren😔 taratri deoyer chesta korben plz😊

Reader photo
Shafiqul Islam
10-Jun-2024, 02:52 PM

আপু পরের পার্ট তাড়াতাড়ি দিবেন প্লিজ

Reader photo
মউমিতা
09-Jun-2024, 11:07 PM

plz as soon as possible next part🥺🥺🥺🥺🥺

সকল পর্ব