প্রেম আমার (পর্ব ১১)

প্রেম_আমার
পর্ব_১১
কানিজ ফাতেমা

হঠাৎ করে আরিয়ানের চোখ গেল গেটের দিকে। আরিয়ান দেখল গেট‌টা কোনরকমে লাগানো গেটে কোনো তালা নেই।

সঙ্গে সঙ্গে আরিয়ান মতিন কে একটা ধমক দিয়ে বলল,
------ কোন একটা কাজ তোমাকে দিয়ে ঠিক মত হয় না। গেটের তালা মারো নি কেনো। এই মুহূর্তে গেটে তালা মারো।

আরিয়ানের কথা শুনে রীতিমতো ঘাবড়ে গেল মতিন। আসলে তালা যে কোথায় সে নিজেও জানে না।

মতিন একটা ঢোক গিলে ঠোঁটটা একটু ভিজিয়ে কাঁপা কাঁপা গলায় বলল,
------ স্যার আসলে আমি যখন চা খাবার জন্য গেট খুলে ছিলাম তারপর থেকেই আমি আর গেটের তালা খুঁজে পাচ্ছি না।

দারোয়ানের কথা শুনে প্রচন্ড রাগ হচ্ছে আরিয়ানের। আরিয়ান জোরে একটা ঝাড়ি মেরে দারোয়ান কে বলল,
------তুমি আসলে একটা ছাগল।এই তোমার ডিউটির নমুনা গেটের তালা কোথায় আছে তা পর্যন্ত তুমি জানো না।কাল থেকে তোমার আর ডিউটি করতে হবে না আমি নতুন দারোয়ান রেখে নিচ্ছি।

মতিন আরিয়ানের হাতে পায়ে ধরে কান্নাকাটি শুরু করে দিল। শেষে আরিয়ান তাকে লাস্ট ওয়ার্নিং দিয়ে এবং নতুন তালা কেনার জন্য টাকা দিয়ে ওখান থেকে চলে গেল।

আরিয়ান চলে যেতে মতিন নিজেই নিজের দুই গালে দুটো থাপ্পড় মেরে বলতে লাগলো,
------ তুই আসলেই একটা ভেড়া, তুই আসলেই একটা ছাগল। কেউ তোকে চা খাইয়ে গাধা বানিয়ে ভিতরে ঢুকে গেল আর তুই দারোয়ান হয়ে কিছু বুঝতেই পারলি না।না না এখন থেকে ঠিকমতো ডিউটি করতে হবে। তা না হলে কপালে খুব দুঃখ আছে আমার।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

দেখতে দেখতে প্রায় দুই দিন কেটে গেল।মাইশা এখন অনেকটা সুস্থ আর স্বাভাবিক।তাই মাইশা আজ থেকে আবার অফিসে জয়েন করবে। মাইশা অফিসে ঢুকতেই দেখলো সবাই কেমন ভাবে জানি তাকাচ্ছে মাইশার দিকে।মাইশা এই সবে কোন গুরুত্ব না দিয়ে নিজের কেবিনে ঢুকতে যাবে তখনই শুনতে পেলো কেউ ওকে নিয়ে কিছু কানাঘুষা করছিল। সেই দিনের পার্টির বিষয় নিয়ে সবাই মাইশা কেই দোষারোপ করছে। মাইশা কোন কথা কানে না নিয়ে নিজের কাজে মন দিলো।

মাইশা নিজের কেবিনে কাজ করছিল তখনই পিয়ন এসে বলল,
------ ম্যাডাম স্যার আপনাকে ডাকছে।

মাইশার এমনিতেই মন মানসিকতা ভালো নেই। তার উপরে আরিয়ান ডাকছে শুনে তার আরো বিরক্ত লাগল। অবশ্যই আরিয়ান তার সাথে আবার কোন না কোন ফাজলামি শুরু করবে তার জন্যই তাকে ডাকছে। আরিয়ানের তো একটাই কাজ সারাক্ষণ ওর পিছনে লেগে থাকা। কিছুটা বিরক্তি নিয়ে আরিয়ানের রুমে গেল মাইশা। আরিয়ানের রুমের সামনে গিয়ে মাইশা দরজায় নক করল।

------ yes coming.

------ জি স্যার বলুন।

আরিয়ান কিছু ফাইল মাইশার সামনে দিয়ে বলল,
------ এই ফাইলগুলো কমপ্লিট করে আমাকে এক ঘন্টার ভিতরে সাবমিট করবেন।

মাইশার ইচ্ছে করছিল আরিয়ানের চুলগুলো টেনে ছিঁড়ে ফেলতে।এই এতগুলো ফাইল এক ঘণ্টার মধ্যে সাবমিট।

------ কি হলো দাঁড়িয়ে আছেন কেন ফাইল গুলো নিন
আর দ্রুত কমপ্লিট করে আমাকে সাবমিট করুন।

কেন রে আমাকে দিয়ে তোর কাজ গুলো না করিয়ে যে তোকে কিস করে তোর ঠোঁট ফুলিয়ে দিয়েছিল তাকে দিয়ে করা না। কত হাজার রুপ যে তোর তা তুই নিজেও জানিস না।শা*লা আইলার বাচ্চা বাসায় গেলে কত ভালোবাসা দেখায় আর অফিসে মনে হয় যেন ওর সাথে আমার কত তোর জনমের শত্রুতা। ডাই*নোসর কোথাকার (মনে মনে)।

মাইশা ফাইল‌গুলো নিয়ে ওর কেবিনের দিকে চলে গেল। মাইশা আরিয়ানের কেবিল থেকে চলে যেতে আরিয়ান একটা হাসি দিয়ে বলল,
------ তোকে আমি আর অন্য কিছু নিয়ে ভাবতে দেবো না সারাক্ষণ শুধু আমাকে নিয়েই ভাবভি তুই।

হঠাৎ আরিয়ানের ফোনে একটা কল আসলো। আরিয়ান ফোন রিসিভ করে বলল,
------ কাগজ গুলো তৈরি হয়ে গেছে।

ওপাশ থেকে কিছু বলার প্রেক্ষিতে আরিয়ান বলল,
------ গুড ভেরি গুড যত দ্রুত সম্ভব কাগজগুলো আমার কাছে নিয়ে এসো।

আরিয়ান ফোনটা রেখে ওর হাতের কলমটা ঘুরাতে ঘুরাতে বলল,
------তোর জন্য খাঁচা তৈরি হচ্ছে মাছরাঙ্গা পাখি। সেই খাতায় সারা জীবন তুই শুধু আমার হয়ে থাকবি।

কথাটা বলেই হাসতে লাগলো।

এদিকে সাব্বির ওই গ্যারেজে গিয়ে তদন্ত করে জানতে পারল রাফাত ঐ দিন ঠিকই বলেছিল। রাফাতের গাড়ি এই গ্যারেজে ছিল এবং এখান থেকেই মিসিং হয়েছে। কারণ রাফাতের গাড়ির নম্বর এখানকার রেজিস্টার খাতায় পেয়েছে সাব্বির। সাব্বির কে দেখে ওই গ্যারেজের একজন লেবার সুমন প্রচন্ড পরিমাণে ভয় পেয়ে গেল। ভয় পেয়ে সাব্বিরের চোখ এড়িয়ে পালাতে যাবে তখনি সাব্বিরের সাথে আশা কনস্টেবল মিলন ওকে ধরে ফেলল।

সাব্বির ওকে ঠাস ঠাস করে দুটো থাপ্পড় মেরে বলল,
------ কিরে কোথায় পালাচ্ছিলি। কথায় আছে জানিস তো, চোরের দশ দিন আর গৃহস্থের একদিন।

সুমন কেঁদে কেঁদে বলল,
------ বিশ্বাস করুন স্যার আমি কিছু করি নি, আমি কিছু জানি না।

------ বাহ তুই তো খুব এডভান্স।এখনো কোনো প্রশ্নই জিজ্ঞেস করলাম না আর উত্তর দিয়ে দিলি। তারমানে তুই সব কিছু জানিস।

তারপর সাব্বির ওর হাতটা সুমন কে দেখিয়ে বলল,
------ আমার এই হাতটা না খুব চুলকাচ্ছে জানিস তো। অনেকদিন ধরে কাউকে বেধড়ক মারতে পারি না। তাই ভাবছি তোকে দিয়েই শুরু করব।

সাব্বির ভয় পেয়ে কাঁপা কাঁপা গলায় বলল,
------ না স্যার মারবেন না স্যার।আমি যা জানি সব সত্যি সত্যি বলবো আপনাকে।

------ এইতো বুঝতে পেরেছিস তাহলে। তবে একটা কথা শুনে রাখ আমার না মিথ্যে কথায় আবার বদ হজম হয়। আর আমার যদি একবার বদহজম হয় তাহলে তোর যে কি অবস্থা হবে তার তুই নিজেও জানিস না।

------ না স্যার আমি সব সত্যি বলবো। আসলে স্যার কিছুদিন আগে মাক্স পড়া একজন লোক এসে আমার কাছে দুই/তিন দিনের জন্য একটা গাড়ি ভাড়া চেয়েছিল। তখন আমি আফজাল স্যারকে না জানিয়ে ওনাকে একটা গাড়ি ভাড়া দিয়েছিলাম। এর বেশি আমি আর কিছুই জানি না স্যার।

------ ওই মাক্স পড়ার লোকটার কোন ডিটেইলস দিতে জানিস বা ওকে কি তুই দেখিস নি।

----- না স্যার।

------ নাহ এই বার দেখছি আমার হাত টাকে কাজে লাগাতেই হবে। আমার হাতটা এখন আরও বেশি চুলকাচ্ছে।

এই বলে সাব্বির সুমনকে ঠাস ঠাস করে আরো কয়েকটা থাপ্পর লাগিয়ে দিল।

থাপ্পড় খেয়ে সুমন সাব্বিরের হাতে পায়ে ধরে বলতে লাগলো,
------- বিশ্বাস করুন স্যার আমি যা বলছি এর মধ্যে এক বিন্দু ও মিথ্যা নেই। আপনি আমাকে হাজার মারলেও আর একটা কথাও আমি আপনাকে বলতে পারবো না কারণ এর বেশি আমি কিছুই জানিনা।

------- তাহলে আমাদেরকে দেখে পালাচ্ছিলি কেন।

------ ভয়তে স্যার কারণ আমি যখন মুরাদ ভাইয়ের কাছে শুনেছিলাম যে গাড়িটা মিসিং হয়েছে সেই গাড়িতেই আফজাল স্যারের লাশ পাওয়া গেছে তখন খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।

সুমনের কথা শুনে অনেকটা অবাক হলো সাব্বির। এই গ্যারেজ থেকে যে গাড়ি মিসিং হয়েছে সেটা যদি মুরাদ জানে তাহলে কেন সাব্বিরকে সে ঐদিন এই কথাটা বলল না।

সাব্বির মনে মনে বললো,
"" ডার্মে কুচ কালা হে। এই মুরাদ কে তো খুব ভালোভাবে দেখতে হচ্ছে।

এক ঘন্টা পর সমস্ত ফাইল রেডি করে মাইশা আরিয়ানের কেবিনে গেল।

------ স্যার সবগুলো ফাইল রেডি হয়ে গেছে।

------ গুড এখানে রাখুন।

------ শুনুন আমি এক জায়গায় যাব আপনাকে আমার সঙ্গে যেতে হবে।

কথাটা শুনে মাইশা চোখ মুখ পিছে মাইশা আরিয়ানের দিকে তাকালো।
""ইন্দুর ,বান্দর, কুত্তা ,বিলাই আবার ও আমাকে নিয়ে গাড়ির মধ্যে বসিয়ে রাখবি তাই না। যাব না আজকে আমি তোর সাথে, তুই একাই যা। (মনে মনে)।

------ আসলে স্যার আমার একটু কাজ ছিল। আমাকে আজকের দ্রুত বাসায় ফিরতে হবে। তাই আমি আপনার সাথে যেতে পারবো না।

তোর যে বাসায় কি ঘোড়ার ডিমের কাজ আছে তা তো আমি ছাড়া আর কেউ জানে না। এখন তো গিয়েই সেই ছাই পঁচা কার্টুন দেখতে বসবি। দাঁড়া তোকে দেখাচ্ছি কার্টুন। (মনে মনে)

------এত বড় সাহস আপনার আপনি আমার মুখের উপর না করেন।আমি কিন্তু বেশি কথা বলা একদমই পছন্দ করি না।আমি আপনার বস আপনি আমার পি.এ সুতরাং আমি যেখানে বলবো আপনাকে ঠিকই সেখানেই যেতে হবে।

------ কিন্তু

আরিয়ান ওকে একটা ধমক দিয়ে বলল,
------ আমি যা বলেছি তাই করুন ওকে।

ডাই*নোসরের বাচ্চা দেখিস তোর কোনদিনও ভালো হবে না। মাইশা একটা ভেংচি মেরে ওখান থেকে চলে গেল।

কিছুক্ষণ পর মাইশা আর আরিয়ান অফিস থেকে বেরিয়ে গেল। ওরা অফিস থেকে বেরিয়ে যেতেই অফিসের কিছু লোক নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগলো,
------ এই মাইশার যে কতগুলো ছেলে লাগে তা ও নিজেও জানে না। আর আমাদের বস হয়েছে আরেক। মাইশা ছাড়া কি অন্য কোন পি.এ সে পেল না মাইশা কেই রাখতে হলো।

তখনই নীরা বলে উঠলো,
------ আমি কি মাইশার থেকে কোন দিক থেকে কম। কিন্তু স্যারের তো আমাকে চোখেই পড়ে না। সে তো সবসময় মাইশা কে নিয়েই ব্যস্ত করে থাকে। আমার দিকে যদি একটু নজর দিত আমার জীবনটা ধন্য হয়ে যেত।

সীমা কথাগুলো শুনে হাসতে হাসতে নিরা কে বলল,
------ নীরা তুমি না একটা কাজ কর জেগে জেগে স্বপ্ন দেখো। কারণ স্যার কখনো তোমার দিকে তাকাবে ও না আর তোমার জীবন টাও ধন্য হবে না তার থেকে বরং জেগে জেগে স্বপ্ন দেখো একটু যদি স্বপ্নে তোমার জীবন টা ধন্য হতে পারে।

------ নিচের বন্ধুর হয়ে সাফাই গাইছ। অবশ্য নিজের যোগ্যতা ছাড়া অন্যজনের সুপারিশে চাকরি হলে যা হয় আর কি।

------ ঐ রকম একজন বন্ধু পেতেও না যোগ্যতা লাগে, যা তোমার নেই। আর একটা কথা ভুলে যেও না এই অফিসে আমি তোমার উপরের লেভেলে আছি। সুতরাং ভদ্রভাবে সম্মান দিয়ে কথা বলবে ওকে।

কথাগুলো বলে সীমা ওখান থেকে চলে গেল। সিমা চলে যেতেই নীরা নিজে নিজে বলে উঠলো
----- ইস একবার যদি স্যার আমার দিকে তাকাতো, আমি না তোর থেকে ও অনেক উপরে চলে যেতাম। তখন আমিও বলতাম ভদ্রভাবে কথা বলো আমি তোমার থেকে অনেক অনেক উপরের লেভেলে আছি।

আরিয়ান থানার সামনে এসে গাড়ি দাঁড় করালো। আরিয়ানকে থানায় আসতে দেখে মাইশা বলল,
------ একি স্যার আপনি থানায় আসলেন কেন।

------ ভিতরে চল গেলেই বুঝতে পারবি।

মাইশা আর আরিয়ান থানার ভেতরে চলে গেল। গিয়ে দেখল ওখানে রাফাত ও আছে। রাফাত কে ওখানে দেখে মাইশা অবাক হল। মাইশা রাফাত কে জিজ্ঞেস করল,
------ একি রাফাত ভাই আপনি এখানে।

মাইশা কে দেখে রাফাত অনেক নার্ভাস হয়ে গেল। রাফাত ভাবছে,
"" একি মাইশা এখানে কেন। মাইশা যদি কিছু জানতে পারে তাহলে তো কথাটা আলিয়ার কাছে চলে যাবে।আর আলিয়া জানতে পারলে আমাকে অনেক ভুল বুঝবে। কি হবে এখন।

রাফাত নিজেকে কিছুটা স্বাভাবিক করে বলল,
------ না মাইশা একটু কাজ ছিল তো তাই আসলাম আর কি।

মাইশা কে দেখে সাব্বিরের কেন যেন খুব চেনা চেনা লাগলো। কিন্তু কিছুতে মনে করতে পারছিল না সাব্বির।

আরিয়ান সাব্বির কে মাইশার সঙ্গে ঘটে যাওয়া এতদিনের সমস্ত ঘটনা বলল। সব শুনে সাব্বির বলল,
------- আপনার কাছ থেকে সব শুনে আমি এতো টুকু বুঝলাম ওই গাড়িটা মিসিং হওয়া, ওই লোকটা বেশি হওয়া, গাড়িটা পুড়ে যাওয়া,গাড়িতে পোড়া লাশ পাওয়া আর মাইশার সঙ্গে ঘটে যাওয়া সমস্ত ঘটনা আমার মনে হচ্ছে কোনো না কোনো দিক থেকে একই সুতোয় গাঁথা।

সাব্বিরের মুখে কথাটা শুনে ওরা একে অপরের দিকে তাকাচ্ছে। মাইশা গাড়ি পোড়া আর পোড়া লাশের কথা শুনে তো কিছুটা ভড়কে গেল। সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলো,
------ পোড়া গাড়ি,পোড়া লাশ মানে আর এর সাথে আমার কি সম্পর্ক।

------ সম্পর্ক অবশ্যই আছে। সেটা তো তদন্ত সাপেক্ষে বোঝা যাবে। তবে আমার সিক্স সেন্স আমাকে যতটা বলল আপনি আপনাদেরকে তাই বললাম। আচ্ছা আমাকে আপনি একটা কথা বলুন তো। আপনাকে মনে হয় আমি কোথাও দেখেছি কিন্তু ঠিক মনে করতে পারছি না।

সাব্বিরের মুখে কথাটা শুনে আরিয়ান অবাক হল।
------ আপনার মনে হয় কোথাও ভুল হচ্ছে স্যার। মাইশা কে আপনি কোথায় দেখবেন।

না না এতটা ভুল হবার কথাটা ওকে আমি অবশ্যই কোথাও না কোথাও দেখেছি তা নাহলে প্রথম দেখাতেই একজন লোককে এতটা চেনা চেনা মনে হবার কথা নয়। কত মানুষ কে তো আমি প্রতিদিন দেখি কিন্তু কাউকে তো এত চেনা চেনা লাগে না তবে কেন এই মেয়ে টাকে দেখার পরে আমার এত চেনা চেনা লাগছে। (মনে মনে)

সাব্বিরের কথা শুনে মাইশা ও কেমন যেন একটু ঘাবড়ে গেল। সেটা সবার চোখ এড়ালেও সাব্বিরের চোখ এড়ালো না।

সাব্বির কথা ঘুরিয়ে বলল,
------ আচ্ছা শুনুন আমি আপনাদের অভিযোগ টা আমি নোট করে নিয়েছি। বিষয়টা আমি দেখব।

থানা থেকে ওরা সবাই বেরিয়ে গেল। কিন্তু আরিয়ানের মাথায় একটা কথাই ঘুরতেছে মাইশা কে সাব্বির কি করে চেনে।

ওরা চলে যেতে সাব্বির একজনকে ডেকে বলল পুরাতন কিছু ফাইল ওকে দিয়ে যেতে। কিছুক্ষণ পর একজন এসে সাব্বিরকে পুরাতন কিছু ফাইল দিলো। সাব্বির ফাইল গুলো দেখতে দেখতে হঠাৎ একটা জাগায় ওর চোখ আটকে গেল। সঙ্গে সঙ্গে ও বলে উঠলো,
------- ও আচ্ছা এখন বুঝলাম মাইশাকে কেন আমার এত চেনা চেনা লাগছিল।এই বার আমার কাছে মনে হচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি এই কেসের জট টা খুলতে চলেছে।

চলবে

947 Views
25 Likes
6 Comments
4.5 Rating
Rate this:
(11)

মন্তব্য

সকল মন্তব্যগুলো (6)

Reader photo
marufa
19-Apr-2024, 09:03 PM

next pat plz

Reader photo
Asmani
13-Apr-2024, 07:45 PM

apu next part kobe diben🤔🤔🤔,,,,please harry up..🥰🥰

Reader photo
angita
08-Apr-2024, 10:45 AM

আপু তাড়াতাড়ি পরবর্তী পার্ট দা‌ও

Reader photo
BTS army
06-Apr-2024, 02:56 PM

আপু তাড়াতাড়ি পরবর্তী পার্ট দাও। 🤗🤗🤗🤗🤗🤗দেরি হলে ভালো লাগে না 🥺🥺🥺🥺😇😇

Reader photo
Zara
05-Apr-2024, 06:36 PM

Apu next part plz

Reader photo
Sadiya Sultana
05-Apr-2024, 05:41 PM

Apu next part

সকল পর্ব