আর সে খাট থেকে পরে মাটিতে লটিয়ে পরে। তার মাথা থেকে অজস্র রক্ত পরা শুরু করে।।।।।।
এমন সময় আমি চিতকার দিয়ে উঠি। আমার চিৎকার শুনে কাকি পাশের রুম থেকে দৌড়ে আসে আমার রুমে। আর এসেই দেখে রাকিব মাটিতে লুটিয়ে আছে মাথা থেকে অজস্র রক্ত পড়ছে। আর আমি অর্ধ নগ্ন হয়ে বিছানায় পড়ে আছি। এসব দেখে কাকি কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। সে তারাতাড়ি রাকিবের কাছে যায়। এবং দেখে রাকিব আর এই দুনিয়ায় নেই। আমি তারাতারি করে নিজেকে ঠিক করে যাই কাকির কাছে। কিন্তু কাকি কোন কথা বলছেন না। আমি ডাক্তারকে কল করি। ডাক্তার এসে জানান রাকিব মারা গেছে। আর এই খবর শুনে আমি আকাশ থেকে পরি এমন অবস্থা শুধুমাত্র আমার জন্য।
কাকি কাকাকে কল করে জানালে কাকা তারাতাড়ি এসে দেখে রাকিবের মৃত দেহ। কাকাও কান্নায় ভেঙে পড়েন। আমি তাদের কাছে যাওয়ার সাহস পেলাম না। নিজেকে খুব অপরাধী মনে হচ্ছিলো। মনে মনে শুধু ভাবসিলাম কেন মারলাম। শারীরিক সম্পর্কই ত করছিলো। আবার ভাবতে লাগলাম কিন্তু রাকিব আমাকে এই নজরে দেখে কবে থেকে। এমন সময় কাকি আমার কাছে রাগান্বিত হয়ে এসে বললেন,,,,
-কেন মারলি তুই আমার ছেলেকে কি দোষ করেছিলো সে? আর তুই এই অবস্থায় কেন ছিলি? একে বাচানোই ভুল ছিলো আমাদের। কে জানতো শেষ সময়ে তুই আমার কাছ থেকে আমার রাকিবকে কেরে নিবি?😭😭
-(আমি কিছু বললাম না শুধু মাথা নিছু করে কান্না করছি আর সব শুনছি)
-আজকে তোর জন্য আমার রাকিব এই দুনিয়ায় নেই। বের হয়ে যা তুই আমার চোখের সামনে থেকে।
-(আমি বাহিরে চলে যাব এমন সময় কাকা আমাকে বাধা দেয়)
-তুমি যদি ওকে বাধা দাও তাহলে তুমিও বের হয়ে যাও।।।।😡😡
কাকা কিছু বলবেন ইতিমধ্যে কার যেনো হাসির আওয়াজ শুনা গেলো। আর এইবার সবাই শুনতে পাচ্ছে। হঠাৎ কেউ বলে উঠে মাত্র একজনের মৃত্যু হয়েছে। একে একে সবাই মারা যাবি।😂😂😂
আমি খেয়াল করে দেখলাম এটা আর কারো না বরং আলজার আওয়াজ। তার আমি আমি ঠিক ছিলাম আলজা ফিরে এসেছে তাও ভয়ানক শক্তি নিয়ে। আর এখন আমার দেখা সপ্নগুলো একে সত্যি হচ্ছে। ভয়ে আমার হাত পা কাপাকাপি লেগে গেল। এমন সময় কাকা কাকি 2 জনেই আমার কাছে এসে জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন,,,,,
-এই আওয়াজ কার?
-(আমি শুধু চুপ করে রইলাম)
-আমরা কিছু জিজ্ঞেস করছি,,, এই আওয়াজ কার?
-আলজার।
-আলজা কে? দারা তার মানে সেই খারাপ পরি আবার ফিরে আসছে?
-(আমি শুধু হ্যাঁ সূচক মাথা নারলাম)
আমার এই কথা শুনে কাকি আমার হাত শক্ত করে ধরে বলেন,,
-তুই কোথাও যাবি না, তোর উপর আমার মনে হচ্ছে অনেক বড় বিপদ আসতে চলেছে। আমার ছেলেকে হারিয়েছি এখন আবার মেয়েকেও হারাতে চাই না।
-কিন্তু কাকি রাকিব তো আমার হাতেই মারা গেলো।
-এটা তুই মারিস নি সেই দুষ্টু পরি মেরেছে। আমি বুঝেছি সে আমার ছেলের উপর ভর করে তর সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে গিয়েছিল তাই না?
-হ্যাঁ।
-এই শয়তানের এবার ব্যবস্থা করা লাগবে।
এটা বলতে বলতেই দেখি রাকিবের মরদেহ উঠে দাড়ালো এবং আমাদের কাছে তেড়ে আসছে। আমি দেখে চিতকার দিতেই কাকা কাকি পিছনে তাকায় আর একি ঘটনা দেখে। আসলে রাকিব আমাকে মারতে আসছিলো। কাকা এটা বুঝতে পারে আর কাকা সামনের দিকে এগিয়ে যায়। যেই কাকা সামনে আগান অমনি রাকিবের মরদেহ কাকার গলা চেপে ধরে। সাথে সাথেই কাকাকে উপরে তুলে নেয় এক হাতে।
রাকিবের আক্রিতি বড় হতে থাকে। আমি আর কাকি চেয়েও কিছু করতে পারছিলাম না। এরি মধ্যে কাকারও মরদেহ মাটিতে লুটিয়ে পরে। আমি শুধু কাকার মরদেহ এর দিকে চেয়ে রইলাম।
কাকি আমাকে নিয়ে সেখান থেকে নিমিষেই পালিয়ে আসেন কাদতে কাদতে। আমি কাকিকে বললাম তুমি আমার সাহায্য করতে এসো না নাহলে সে তোমাকেও মেরে ফেলবে। কিন্তু কাকি আমার কোন কথা শুনলেন না আর আমাকে নিয়ে পালাতে থাকেন। যখন আমরা চা বাগানের সামনে আসি দেখি ভয়ানক এক বাতাস বইতে শুরু করলো। আর তখনি দেখি কাকির সে রাতের প্রতিচ্ছবি আমার আর কাকির পিছনে তাড়া করছে। আবার দেখি সে আবার সেই রাতের প্রাণীতে পরিনত হলো। আমি আর কাকি সামনে এগিয়ে যেতে লাগলাম। আর তখনি দেখি সামনে আব্দুল্লাহ দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে আর কাকিকে আব্দুল্লাহ দেখে বলে ভয় পাবেন না আমি আপনাদের এসব জানতে পারেছি তাই আপনাদের কাছে চলে আসলাম। এখন আপনারা নিরাপদ। এমন কাকি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন,,,,,
-এই ছেলে কে?
-উনি আব্দুল্লাহ।
-কে আব্দুল্লাহ?
-উনি আমাকে সে চা বাগানে হারিয়ে যাওয়ার পর থেকে আমাকে রক্ষা করছেন। উনি সারফারাজের ভাই।
-কি?? সেও জ্বিন?
-হুম।
-আর কোন জ্বিনের দরকার নাই তুই চল আমার সাথে।
-আপনারা ভয় পাবেন আমি আপনাদের সাহায্যের জন্যই এসেছি। মনে আছে সেই দিন যে হুজুর মারা গেছিলো তারপর আপনাদের তাবিজ আর পানি আমি দিয়েছিলাম। আমাকে সারফারাজ ভাইয়াই পাঠিয়েছে আপনাদের সাহায্যের জন্য। দয়া করে আমাকে আপনি ভয় পাবেন না।।।
[ খুব শীঘ্রই অনেক বড় রহস্যের উদঘাটন হতে যাচ্ছে, আপনাদের কি মনে হয় কোন রহস্যের উদঘাটন হতে যাচ্ছে ]
চলবে,,,,,
জ্বিনের আছর (Season 2) Episode 9
555
Views
14
Likes
2
Comments
4.7
Rating

সকল মন্তব্যগুলো (2)
amr ei porbo ta pore khub kanna asce😥
আমার কাছে গল্পটি ভালো লেগেছে 🥰