-এটা জানার জন্য আপনাকে আবারও ৩ মাস আগে যেতে হবে যখন আমি আলজাকে নিয়ে এখান থেকে চলে যাই।
-কেন এই ৩ মাস আগে এমন কি হয়েছিলো। (সারফারাজের হাত ধরে বলতে লাগলাম)
-এমন এক কাহিনি ঘটে যা হয়তো কেউ আশা করেনি। (হালকা চোখের জল মুছে)
আমি ভাবতে লাগলাম এমন কি হয়েছিলো যে সারফারাজ কেদে দিল।
-আপনি বলুন কি হয়েছিলো?
-আমি যখন আপনার এখান থেকে আলজা কে নিয়ে যাই তারপর আমার মন প্রচন্ড খারাপ ছিলো। কারন আমি আপনাকে আমার কলিজাকে এখানে ছেড়ে চলে যাই। এদিক দিয়ে আমার বাবা প্রচন্ড অসুস্থ হয়ে পড়েন যার কারনে আমাদের সেখানের সব দায়িত্ব আমার কাধে এসে পড়ে। আব্দুল্লাহ আমার আপন ছোট ভাই। বাবা আমাদের ২ জনকে সব দায়িত্ব সমানভাবে দিলেও সেইখানের বাদশাহ আমাকেই বানিয়েছেন। তখন দেখলাম সবাই খুব খুশি মনে আমাকে আপ্যায়ন করতে লাগে। তারপরও আমি আব্দুল্লাহ কে জিজ্ঞাসা করি যে আমার বাদশাহ হওয়াতে তার কোন সমস্যা আছে নাকি। কিন্তু সে কিছু বলে না। তখন আমি ভাবলাম হয়তো সে খুব খুশি। তাই আমিও আর কিছু বলি নি।এভাবে আমাদের দিন যেতে থাকে। এখানে আমিও আপনাকে প্রতিদিনি মনে করতাম।
-আলজা আপনার আটক থেকে কিভাবে ছাড়া পেল?
--আপনি শান্ত হন। আমি আপনাকে সব বলছি।
-কিভাবে শান্ত হব আমি ২ ২ বার ধর্ষনের শিকার হয়েছি।
-আমি বলছি।
আমার এদিক দিয়ে শুধু মেজাজ গরম হচ্ছিলো। আর হবেই না কেন? একটা মেয়ে যদি ২ বার একটা জ্বিনের মাধ্যমে ধর্ষিত হয় তাহলে সেই মেয়ে মানসিক ভাবে কিভাবে সুস্থ থাকে?
-আমি একদিন আমার প্রাসাদে বসে আলোচনা করছিলাম আলজার শাস্তির ব্যাপারে, কিন্তু তখন দেখলাম আব্দুল্লাহ অন্য এক জায়গায় আনমনা হয়ে বসে আছে।আমি আব্দুল্লাহ এর কাছে যাই এবং তার পাশে বসে বলতে থাকি,,,,,
-কিরে ভাই আমার? কি হয়েছে তো?
-কই কিছু নাতো ভাইয়া?
-তাহলে এভাবে আনমনা হয়ে বসে আসিছ কেন?
-না ভাইয়া এমনি? আচ্ছা ভাইয়া তুমি না পৃথিবীর এক মানুষকে পছন্দ কর? সে কই থাকে দেখতে কেমন সে? তার পরিবারে কে কে আছে?
-তুই এসব যেনে কি করবি ভাই?
-কেন ভাবির সম্পর্কে যানার কি অধিকার নেই আমার?
-কে বলছে নাই অবশ্যই আছে? কিন্তু এসব বলে কি লাভ সে হয়তো আমার জন্য নারে?
-আরে এসব কি বলছো তুমি? এসব আমার উপর ছেড়ে দাও।
-আমি তখন হাসতে হাসতে ওকে তোমার ঠিকানা দিয়ে দেই। তারপর আমি আবার আলোচনা সভায় যাই। এর কিছুদিন পর শুনি সে পৃথিবীতে আসছে।
-আপনি ওকে আমার ঠিকানা দিছেন কেন?
-আরে আমি কি তখন জানতাম নাকি যে এমন হবে? আমি যখন শুনি সে এখানে আসছে আমি ভাবলাম তখন এমনেই হয়তো আপনার খোজ নেয়ার জন্য আসছে। এভাবে প্রায় ১ মাস চলে যায়। এদিক দিয়ে আমি আলজার মৃত্যুর ঘোষনা দিয়ে দেই। একদিন হঠাৎ করে দেখি আলজা কারাগার থেকে পালিয়ে যায়। কোথায় যায় কেউ জানে না। আমি সব জায়গায় খুজি। তারপর আমি আব্দুল্লাহ কে পাঠাই তার খোজের জন্য। কিন্তু কিছুদিন পর তারও কোন খোজ পাই না। এদিক দিয়ে আমার সেখানে কাজের প্রেশার পরে যায় অনেক?
-তারপর কি হলো?
- ওদের খুজতে খুজতে ২ মাসের মতো পার হয়ে যায়। তারপর একদিন খবর পাই যে আলজাকে আর কেউ না আব্দুল্লাহ ই পালিয়ে নিয়ে গেসে কারন সে নাকি আলজাকে ভালোবাসতো। এদিক দিয়ে আমার কানে আরো একটা খবর আসে যে আপনার পরিবারের একজন তাদের ২ জনের সাথে মিলিত ছিলো।।।।
চলবে,,,,
[গঠনমূলক কমেন্ট করে জানাবেন কে সেই মানুষ ]
জ্বিনের আছর (Season 2) Episode 12
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
393
Views
7
Likes
3
Comments
3.7
Rating