তাই আমি সন্ধ্যার পর পরই রওনা দেই খাবার আনার উদ্দেশ্যে। কিন্তু কে জানে যে এখানে আমার জীবন পুরো পুরি এসে বদলে যাবে। আমি পাখির খাবার নিয়ে যখন চা বাগানের সামনে দিয়ে আসতাছিলাম হঠাৎ মনে হলো কে যেন আমার পিছু করছিলো। আমি পিছনে তাকালাম দেখলাম কেউ নেই।আমি আবার হাটছিলাম আবার মনে হলো কে আমার পিছু নিচ্ছে।আমি পিছনে তাকালাম দেখলাম একটা বিরাট আকারের লোক ছুরি হাতে আমার দিকে এগিয়ে আসসে।আমার বুঝতে বাকি রইলো না যে এ একজন ছিন্তাইকারি।
আমি বাচাও বাচাও বলে দৌড়াতে লাগলাম।আমার পিছু পিছু লোকটাও ছুটছিলো। আমার হঠাৎ মনে হলো এক খাম্বার মতো কার সাথে ধাক্কা খেলাম।সামনে তাকিয়ে দেখি একজন লম্বা মতো ছেলে আমার সামনে দারিয়ে আসে এবং পরনে সাদা পাঞ্জাবি সাদা পায়জামা এক মুঠো দাড়ি। চেহারার ও চোখের মধ্যে মায়াবি একটা ছাপ।আমি কেনো আমার জায়গায় অন্য কোনো মেয়ে হলে সেও মুগ্ধ হয়ে যেত।
যাই হক আমি ছেলেটাকে অনুরোধ করলাম যাতে আমাকে অই লোকের হাত থেকে মুক্তি দেয়। এর মধ্যেই ছেলেটা সালাম দিয়ে বলে উঠে 'সে তো অনেক আগেই চলে গেসে। আপনি সম্পুর্ন নিরাপদ। '
--আপনি চাইলে আমি আপনার বাসা পযন্ত এগিয়ে দিয়ে আসতে পারি।
--থাক লাগবে না,আমি একাই যেতে পারব। মনে মনে ভাবছিলাম ছেলেটা ভালো কিন্তু সেও মেয়ে মানুষ দেখে ভাব জমাতে আসছে।
-- আপনি কিছু বলছেন। এই রাস্তা কিন্তু ভালো না।আর এখন রাত ৮ টা বাজে, আপ্নিও ঠিক চা বাগানের সামনেই। আর আপনি হয়তো জানেন রাত করে চা বাগান দিয়ে যাওয়া ভালো না। আপনি চাইলে আমি আপনার সাহায্য করতে পারি।
--ধন্যবাদ।কিন্তু আপনাকে আর আমাকে কেউ এভাবে দেখলে খারাপ বলবে। আর আমি তো আপনাকে চিনিও না তবে কিভাবে আপনার সাথে যাই।আপনি আমার উপকার করেছেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমি এবার আসি।আসসালামু আলাইকুম।
এই বলে আমি সোজা বাসায় এসে পরলাম। পরের দিন খবরের কাগজ দেখলাম আর আমি অবাক। গতকাল রাতে যে লোক আমাকে তাড়া করছিলো তার লাশ চা বাগানের ঠিক সামনে পাওয়া গেছে। তার চোখ দুটো বের করা, মুখ আচড়ে রাখা।মনে হয় কোনো পশু নির্মমভাবে তাকে হত্যা করেছে।
মনে মনে বললাম এরকম লোকের সাথে এমনটাই হওয়া দরকার। এমন সময় মাথায় আসলো কালকের রাতের ছেলের কথা।
--ছেলেটা কে? কই থাকে? এত্ত রাতে সে অইখানে কি করছিলো? আর ছেলেটাকে দেখতেই অই লোকটা চলে গেলো কেনো?
এসব চিন্তা করতে করতেই কাকি ডাক দিলো- মায়া,,,,,,মায়া,,,,,এই মায়া,,,,এইদিকে আয়তো,,,
--জ্বী আসছি।। এই বলে চলে গেলাম কাকির কাছে। কাছে গিয়ে দেখি কাকা এসেছেন। তার চোখে কেমন যেন ক্লান্তি ক্লান্তি ভাব। আমি কাকাকে বিছানায় বসালাম তারপর তাকে পানি খাওয়ালাম। জিজ্ঞেস করলাম
--তোমার ব্যবসার কি অবস্থা? কল আসলো যে কেমন গেলো ব্যবসা। সব ঠিক ঠাক তো?
কাকা নিচু গলায় উত্তর দিলেন
-- হ্যা মা সব কিছু ঠিক ঠাক। তুই ভালো আসিস তো আম্মু?
--হ্যা আমিতো বেশ আছি।কিন্তু তুমি রাকিবের কথা কিছু জিজ্ঞেস না করেই আমার কথা জিজ্ঞেস করলা?আচ্ছা যাই হক,বাদ দাও।কাকা তুমি কিছু খাবা?
_না মা তুই আমার পাশে বস।তর কাকি নিয়ে আসুক খাবার।
হঠাৎ৷ কাকা এমন বলল কেন???(মনে মনে ভাবলাম)
চলবে,,,,,,,,,,,,,,
লেখকঃ ইয়াসিন আরাফাত মুবাশশির
জ্বিনের আছর ( season 1) Episode 2
1.35K
Views
37
Likes
11
Comments
3.7
Rating

সকল মন্তব্যগুলো (11)
আপনার আরও ভিডিও চাই
very scary.
অনেক সুন্দর একটা গল্প আমি এই গল্পটা দিয়ে কাটন বানাতে পারব
good
motamote
পাগল
baiya nxt part koi
great story
কিভাবে এতো ভেবে অবাক হয়ে যাই
story ta mon chuye jache😍👌
গল্পটি আমাী মোনের মতো এক কথায় অসাধারন /\_/\(< •)^ ~^