সিনিয়র খালাতো বোন যখন বউ (পাঠ ৯)

পলাশ
পলাশ
লেখক
(৮ম পর্বের পর থেকে),,,,,,,,,

আমিঃহ্যালো।

অপর পাশেঃ হ্যালো,,

আমিঃ জি কে আপনি,, চিনতে পারলাম না যে????

অপর পাশেঃ হারামি কোথাকার আমি প্রিয়া,

আমিঃ তুই? তুই নাম্বার কোথাই পেলি?????

প্রিয়াঃ ফেসবুকে তোর গল্পে ।

আমিঃ ওহ। কিছু বলবি?????

প্রিয়াঃ শুন আজকে রাতে আমাদের বাসায় আসবি।

আমিঃ কেন????

প্রিয়াঃ তোর দাওয়াত থাকলো।

আমিঃ কিন্তু কিসের দাওয়াত সেটা তো বললি না।

প্রিয়াঃ সারপ্রাইজ।

আমিঃ রানাকে বলেছিস????

প্রিয়াঃ না রে ওর নাম্বার নেই। ফেসবুকে আইডিও পেলাম না।

আমিঃ ও না গেলে তো আমিও যাব না।

প্রিয়াঃ কেন আসবি না?? তুই ওকে বলে দে।

আমিঃ ঠিক আছে।

প্রিয়াঃ বা বাই।

প্রিয়ার কলটা কাটলাম রানাকে কল দিলাম,,,

রানাঃ হ্যাঁ দোস্ত বল।

আমিঃ প্রিয়া ওর বাসায় দাওয়াত দিয়েছে। যাবি কি?

রানাঃ না রে দোস্ত আমি আজ যাবো না। শরিরটা একটু খারাপ।

আমিঃ আচ্ছা বাই।

আমি বুঝতে পারলাম রানার মনটা খারাপ হয়ে গেল। ওর ধারনা প্রিয়া ওকে কেন কল দিল না। যাইহোক প্রিয়াকে জানিয়ে দি আজ যেতে পারবো না, ওর বাসায়। প্রিয়াকে কল দিলাম,,

প্রিয়াঃ হুম বল।

আমিঃ আজ যেতে পারবো না রে।

প্রিয়াঃ তুই না আসলে কিন্তু আমি খুব কষ্ট পাবো।

আমিঃ সরি রে।

প্রিয়ঃ না তোকে আসতেই হবে।

প্রিয়া অনেক জোরাজুরি করলো তাই যেতে রাজি হলাম।

একটু পর রুহি এসে,,,,

রুহিঃ কোথায় যাবা????

আমিঃ প্রিয়ার বাসায়,,

রুহিঃ প্রিয়া কে????

আমিঃ যার জন্যে সেদিন আমায় মারলে,,,

রুহিঃ মারবো না তো কি করবো গায়ের উপর পড়ছিলি কেন??? (রেগে)

আমিঃ আমি কি পড়েছি । পড়েছে তো ওই।

রুহিঃ তাহলে তুই ওকে সরালি না কেন????

আমিঃ ও ধরেছে আর তুমি মেরেছে।

রুহিঃ হুম বাদ দে।

রুহিঃ তোকে ওর বাসায় যেতে হবে না।

আমিঃ কেন????

রুহিঃ ওর হাবভাব ভালো না।

আমিঃ ও অনেক জেদ করছে।

রুহিঃ তাহলে আমিও তোর সাথে যাব।

আমিঃ ঠিক আছে।

বাপরে এতো কথা,,তার উপর কখন কিভাবে কথা বলে। একবার তুই আরেকবার তুমি। পাগল হয়ে যাব মনে হয়। এখন প্রিয়াকে বলে দিই সাথে আরো ২ জন যাচ্ছে,,,

২ জন বুঝলেন না তো। একটা রুহি আরেকটা রানা । ওকে ছাড়া যাব,,,কোনো মতেই না,,,

দুপুরটাও আমার আর রুহির খুনশুটিতে কেটে গেলো,,

সন্ধ্যা হয়ে গেছে,, মানে প্রিয়াদের বাসায় যেতে হবে,,,

আমিঃ কি হলো এসো।

রুহিঃ এইতো আরেকটু।

রুহি সিঁড়ি দিয়ে নামছে তো মনে হচ্ছে কোনো এক পরি আমার সামনে দিয়ে হেটে আসছে,

নিল রাঙের শাড়ি মুখে হাল্কা মেকাপ ঠোটে লাল লিপস্টিক,, চোখে কাজল আর কপালে ছোট করে একটা কালো টিপ,,

কিন্তু ওর টিপটা বাকা হয়ে আছে। ও আমার কাছে আসতেই আমি ওর কপালের টিপটা ঠিকমতো লাগিয়ে দিলাম আর সে মুচকি এবটা হাসি দিল যা ওর সৌন্দর্যটা আরো বাড়িয়ে দিল,,,

রুহিঃ চলো।

আমিঃ হুম চলো।

আমি বাইক স্টার্ট দিলাম আর রুহি পিছন থেকে আমায় জড়িয়ে ধরলো,,

তখন এতটাই খুশি লাগছিল যেন মনে হচ্ছিলো রাস্তাটা যেন শেষ না হয়,,,

এসব ভাবতে ভাবতে রানার বাসায় পৌঁছে গেলাম,,,

শালা যেতে চাচ্ছিল না জোর করে উঠিয়ে নিয়ে এসেছি। রানা তার বাইকে এবং আমি ও রুহি এক বাইকে,,, আমি বাইক স্টার্ট দিলাম আর রুহি পিছন থেকে আবারো আমায় জড়িয়ে ধরল,,,

প্রিয়াদের বাসায় পৌছে গেলাম,,,,

প্রিয়ার বাসায় ভালই মজা হলো । মনে হয় বৃষ্টি হবে,,,

তাই আমরা তাড়াতাড়ি বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।

কিন্তু তারপরেও আমি আর রুহি ভিজে গেলাম।

তারপর আমরা দুজনে ভিজতে ভিজতে বাসায় এলাম,,

বাসায় পৌঁছেই,,,,

চলবে......
(পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন)
173 Views
10 Likes
0 Comments
4.7 Rating
Rate this:
(3)

মন্তব্য

কোন মন্তব্য নেই

সকল পর্ব