(প্রথম পর্বের পর থেকে),,,,,,,
ভালই খেলা হচ্ছে ওপেনিংয়ে নেমেছি এবং এখনও টিকে রয়েছি,,,
খেলা পুরো জমজমাট,,,
এখন আমাদের আর মাত্র ৪ বলে ২ রান লাগবে,,
কিন্তু এ কি হঠাৎ......
কোথা থেকে যেন রুহি চলে এল,,,
আরে এসেই রুহি আমাকে সবার সামনে থাপ্পড় দিল।
আমি তো ভয়ে শেষ।
যে রাগি লুক নিয়ে তাকিয়ে আছে
দেখেই তো আমার সব হাওয়া
বের হয়ে যাওয়ার অবস্থা....
রুহিঃ এটা তোর ইমপরটেন্ট কাজ তাই না।???
আমিঃ.........
রুহিঃ কি হলো কথা বল।
আমিঃ........এবারো চুপ।
রুহিঃ চল বাসায় আজ তোকে ঠিক করেই ছাড়বো,,
এই বলেই রুহি আমাকে ওখান থেকে টানতে টানতে বাসায় নিয়ে যাচ্ছে ,,
মাঠের সবাই আমাদের এ দৃশ্য দেখছে
তাতে আমার কোনো খেয়াল নেই,,,
আমি ভাবছি এখন আমার কি হবে,,,
রুহি যে পরিমান রেগে আছে
আজ তো ভাগ্যে খারাপি আছে,,,
আমি মনে মনে ভাবছি এখন কি করা যায়,,,
রুহি আমাকে ওদের বাসায় নিয়ে এলো ,,,
তারপর আমাকে ওর রুমে ভরে দিয়ে বাইরে থেকে তালা মেরে দিল।,,,
আমিঃ রুহি দরজা খুলো। (চেঁচিয়ে)
রুহিঃ ........
আমিঃ প্লিজ দরজা খুলো,,
বুঝেছি এভাবে ও দরজা খুলবে না,,
খালাকে একবার ডেকে দেখি।
আমিঃখালামুনি ও খালামুনি প্লিজ দরজা টা খুলো,,
রুহিঃ বাসায় কেউ নেই।
অযথা চেঁচাস না।
আমিঃএবারের মতো মাফ করে দাও।
আর কোনদিন তোমায় মিথ্যা কথা বলবো না।
রুহি তুই প্রত্যেকবার একই কথা বলিস।
এবার অন্য কিছু ট্রাই কর।
আমিঃআমি ঘরে থাকতে পারছি না।
আমি আম্মুর কাছে যাব।
রুহিঃ ওলে আমার মায়ের খোকা রে।
চুপচাপ ঘরে বসে থাক এটাই তোর শাস্তি,,,
কি আর করার এতবড় বাহানা দেবার পরেও যদি দরজা না খুলে।
বিছানায় শুয়ে শুয়ে গেম খেলছি।
অনেক খিদা লেগেছে,,
কিন্তু রুহি তো এখনো দরজা খুলছে না।
খিদার জ্বালায় প্রান যায় যায় অবস্থা।
মন খারাপ করে শুয়ে থাকলাম,,
কে যেন দরজা খুলে ভিতরে এলো।
দেখলাম রুহি হাতে খাবার নিয়ে এসেছে।
রুহিঃ নে খাবার টা খেয়ে নে।
ওর আওয়াজ শুনে তো মনে হচ্ছে না ও রেগে আছে,,
একটু বাজিয়ে দেখা যাক...
আমিঃখাব না।
রুহি আমার পাশে এসে বসলো,,
রুহিঃ রাগ করিস না প্লিজ,,
তোর শরির খারাপ ছিল তারপরেও খেলতে গেলি।
তা ও আবার আমাকে মিথ্যা বলে গেলি,
আমিঃ......
রুহিঃ নে হা কর।
অনিচ্ছা সত্বেও কেন জানি ওর হাতে খেতে লাগলাম।
খাওয়া শেষে একটু রেস্ট নিতে লাগলাম।
একটু পর রুহি এলো,,,
আমার পাশে এসে বসলো,,,
রুহিঃ চড় টা কি খুব জোরে লেগেছে রে????
আমিঃচড় মেরে আবার সিমপ্যাথি দেখাতে আসছে। ( মনে মনে)
রুহিঃ কি হলো বল।
আমিঃনা ঠিক আছে। ( যদিও ঠিক নেই কিন্তু ওর মন রাখতে কথাটা বললাম)
রুহিঃ আচ্ছা রাত হয়ে গেছে তুই ঘুমা।
আমিও ঘুমের দেশে যাওয়ার প্রস্ত্তুতি নিলাম।
আমি ঘুমিয়ে গেলাম,,,
একটুপরে রুমে কারো ঢুকার শব্দ পেলাম।
চোর টোর এলো নাকি????
এই কি ও তো আমার কাছেই এলো,,
আমাকে আবার মেরে টেরে ফেলবে নাকি????
যাহ আমার আর প্রেম করে বিয়ে করার ইচ্ছেটা আর পূরন হবেনা মনে হয়,,,,
ভয়ের মাএাটা আরো বেড়ে গেল।
কিন্তু একি সে আমার উপর এসে বসে পড়লো,,
এখন আবার আমাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পড়লো,,,
এতক্ষনে বুঝে গেলাম সে একটা মেয়ে,,,
এখন সে আমার অনেক কাছে চলে এসেছে,,
এতটায় কাছে যে ওর নিঃশ্বাস আমার মুখে এসে পড়ছে,,,
এবার তো বুঝে গেলাম কে ও,,,
ও হচ্ছে রুহি ।
কারণ,,ও আমার সাথে ছোটবেলা থেকেই খুবই ফ্রেন্ডলি এই মেয়েটার চুলের ঘ্রান আমার খুব পরিচিত,,
রুহি আমার আরো কাছে এলো,,,
এখন আমার ঠোটের থেকে রুহির ঠোটের দুরত্ব কয়েক সে.মি.
এখন আমার কনট্রোল করতে খুব কষ্ট হচ্ছে।
আর পারলাম না,,,আমি রুহির ঠোটকে আমার নিজের আয়ত্বে করে নিলাম।
এমন ভাবে ধরে আছি যেন ও বুঝতে না পারে আমি জেগে আছি।
আমি ওকে কিস করা বন্ধ করে দিলেও ও আমাকে কিস করেই যাচ্ছে।
একটু পর আমাকে কিস করা বন্ধ করে দিল আর আমার বুকে শুয়ে পড়লো
একটুপরই রুহি উঠে বাইরে যাচ্ছিল,,,
কি মনে করে যেন আবার আমার কাছে এলো,,
এসে আমার মাথায় হাত বুলাল,,
তারপর আমার কপালে একটা চুমু দিয়ে বাইরে চলে গেল,,,
আমার চোখে ঘুমে উধাও হয়ে গেল।
আমার এখন নিজেরই লজ্জাবোধ হচ্ছে,,,
হাজার হলেও বড় আপু,,,
যদিও আমি তাকে পছন্দ করি,,,,
কিন্তু আমি তাকে বৈধ ভাবে পেতে চায়।
ফজরের সময় আমার ঘুম এলো,,,,
ঘুম থেকে উঠে দেখি বেলা ১০ টা বাজে।
আজ আমাকে রুহি ডাকলো না কেন????
ফ্রেশ হয়ে ঘর থেকে বের হবো
ঠিক তখনি..........
চলবে......
(পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন)
সিনিয়র খালাতো বোন যখন বউ (পাঠ ২)
262
Views
14
Likes
0
Comments
5.0
Rating

কোন মন্তব্য নেই