অচেনা মেয়ে (পাঠ ৭)

পলাশ
পলাশ
লেখক
গল্পঃ অচেনা মেয়ে
পর্বঃ ০৭
লেখকঃ পলাশ
তারপর আরো কিছুক্ষণ কথা বলে সেখান থেকে বাসায় চলে এলাম । এসে অনেক ক্লান্ত লাগলো তাই ঘুমিয়ে পড়লাম । ঘুম থেকে উঠে আমি তো অবাক,,,,,,,,

কারন দেখি অনেক সন্ধ্যা হয়ে গেছে টেরই পাই নি । ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখি জান্নাত ৪৫ বার ফোন আর ২০+ ম্যাসেজ দিয়েছে ।

হায় হায় আমারে আজ খাইছে । কি যে বলবে আল্লাহ্ জানে । ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে এসে জান্নাতকে ফোন দিলাম,,,,,

আমিঃ হ্যালো ।

জান্নাতঃ ফোন ধরেই কাঁদতে লাগলো ।

আমিঃ জান্নাত তোমার কি হইছে আমারে বলো প্লিজ কেঁদো না ।

জান্নাতঃ কুত্তা,,,বিড়াল,,,হনুমান,,,বাঁদর দেখ আমি তোকে কতবার ফোন দিয়েছি ।

আমিঃ আমি ঘুমিয়ে ছিলাম বউ ।

জান্নাতঃ রাখ তোর বউ । তুই ঘুমিয়ে ছিলি আর আমি কত টেনশনে ছিলাম জানিস । তুই জানিস না তোকে আমি কতটা ভালোবাসি । তোর কিছু হলে আমি কেমনে থাকবো । আর কখনো এরকম করলে আমি নিজেরই একটা ক্ষতি করবো দেখিস ।

আমিঃ সরি ।

জান্নাতঃ সরি দিয়ে কি ধুয়ে পানি খাবো ।

আমিঃ তাহলে কি করবো বলে দাও ।

জান্নাতঃ সারা রাত আমার সাথে তুমি কথা বলবে ।

আমিঃ সারারাত কেমনে বলবো ?

জান্নাতঃ তোর বলা লাগবে না যা ।

আমিঃ আচ্ছা আচ্ছা বলবো তবুও রাগ কইরো না সিনিয়র বউ ।

জান্নাতঃ হুমম এখন আসছে সিনিয়র বউকে ভালোবাসতে । আচ্ছা এখন একটা পাপ্পি দাও ।

আমিঃ পারমু না আমার লজ্জা করে ।

জান্নাতঃ তোর লজ্জা নিয়ে তুই থাক আমি গেলাম ।

আমিঃ আচ্ছা আচ্ছা দিতাছি ।

কি মেয়েরে বাবা । এদিক থেকে ওদিক হলেই রাগ করে আর না হলে কান্না করে । মেয়েরা এমনই নাকি (মনে মনে)

জান্নাতঃ কি হলো দাও ।

আমিঃ হুমম উমমমমমমাহ 🙈🙈

জান্নাতঃ 🙈🙈🙈

এভাবে জান্নাতের সাথে অনেক্ষন কথা বলে অনেক রাতে ঘুমিয়ে পড়লাম ।

এভাবে জান্নাতের সাথে প্রেমের খুনসুটি আর তাসফিয়ার সাথে বন্ধুত্বের খুনসুটি তে আমার জীবন অনেক ভালোই কাটছে । কিন্তু একটাই আফসোস এখনো আমি জান্নাত কে দেখি নি ।

না দেখে ভালোবাসার ফিলিংস ই অন্যরকম ।
👇
👇
একদিন কলেজে ক্লাস শেষে সবার সাথে আড্ডা দিতাছি । তখন তাসফিয়াও আমাদের দিকে আসতেছে,,,,

আজকে তাসফিয়া নীল শাড়ি পড়েছে । ওকে যেন জান্নাতের নীল পরী মনে হচ্ছে । হালকা সাজুগুজু করছে । ওকে আরো সুন্দরতা আরো সুন্দর করে তুলেছে ।

এসে আমাকে ডেকে নিয়ে চলে গেল সেই জায়গায় ।

আমিঃ কি ব্যাপার এখানে আনলে যে ।

তাসফিয়াঃ এমনি আড্ডা দেওয়ার জন্য ।

আমিঃ কিন্তু দেখে তো তা মনে হচ্ছে না (মনে মনে)

তাসফিয়াঃ কিছু বললে

আমিঃ না ।

এতোক্ষন অন্যদিকে তাকিয়ে ছিলাম । তাসফিয়ার দিকে তাকিয়ে দেখি ও এমনভাবে বসে আছে আর শাড়ীটা এমন ভাবে হয়ে আছে যার জন্য আমার সবথেকে আট্রাকটিভ জায়গাটা দেখা যাচ্ছে ।

মানে তাসফিয়ার শাড়ি টা সরে গেছে আর নাভীটা দেখা । নাভির নিচে কালো তিলটা জায়গাটার সৌন্দর্যটা আরো বাড়িয়ে তুলেছে ।

আমার এমনিতেই পছন্দ ওই জিনিসটা 🙈 । সেজন্য আমি শুধু আড়চোখে দেখছি । ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে করছে । তাসফিয়া মনে হয় বুঝতে পারছে ।

তাসফিয়াঃ এই দুষ্টু ছেলে কোথায় তাকিয়ে আছো ।

আমিঃ নিজে বের করে রেখে বলে কোথায় তাকিয়ে আছি 😄 (মনে মনে)

তাসফিয়াঃ কি হলো

আমিঃ কিছু না ।

আজকে তাসফিয়াকে এতো সুন্দর লাগছে এর আগে কখনো এমন হয় নি । জান্নাতকে না ভালোবাসলে আমি আজকেই তাসফিয়াকে প্রোপোজ করতাম ।

তাসফিয়াঃ এই পলাশ কি এতো ভাবছো ?

আমিঃ কই কিছু না তো ।

তাসফিয়াঃ আচ্ছা একটা কথা বলতাম । বলবো,,,,??

আমিঃ আরে তার জন্য আবার জিজ্ঞেস করার কি আছে,,,করো ।

তারপর তাসফিয়া যা বললো শুনে আমার চোখ কপালে উঠলো,,,,,,,,,,,

কারন তাসফিয়া বলছিল,,,,,,,,,,,,

চলবে,,,,,,,,,,,,

কি বলতে পারে সবাই গেস করেন,,,,,
334 Views
11 Likes
0 Comments
4.8 Rating
Rate this:
(8)

মন্তব্য

কোন মন্তব্য নেই