নাল্লাপাড়া গ্রামটা ছোট হলেও রহস্যের কোনো অভাব নেই। দিনের বেলা সব কিছু স্বাভাবিক, কিন্তু রাত হলেই গ্রামের এক কোণে দাঁড়িয়ে থাকা পুরনো বাড়িটা যেন অন্যরকম হয়ে যায়। কেউ বলে, বাড়িটার জানালায় নীলচে আলো জ্বলে ওঠে, আবার কেউ বলে, গভীর রাতে কান্নার আওয়াজ ভেসে আসে।
গ্রামের বয়স্করা বলে, ওই বাড়িতে একসময় বসবাস করত এক ধনী পরিবারের মেয়ে, যার পরিণতি খুবই করুণ। তবে কাহিনি কী, সেটা কেউ স্পষ্ট করে বলে না। শুধু সাবধান করে— "সন্ধ্যার পর ওখানে যেও না!"
কিন্তু কৌতূহল কি এত সহজে দমে?
পলাশ, রাহাত, তানিম আর মুকুল—এই চার বন্ধু ঠিক করল, সব গুজবের সত্যতা যাচাই করা দরকার।
— "ভূতটুত বলে কিছু নেই। গ্রামবাসীরা কেবল মিথ্যা রটায়!"
— "তাহলে চল, কাল রাতে ঢুকে দেখি আসি," পলাশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলল।
সবাই একটু দ্বিধাগ্রস্ত হলেও শেষ পর্যন্ত রাজি হলো।
রাতের অভিযান
পরের দিন রাত ১২টা। পুরো গ্রাম ঘুমিয়ে আছে। চাঁদের আলো মেঘের আড়ালে লুকিয়ে, চারদিক কেমন যেন ভৌতিক নীরব।
চার বন্ধু আস্তে আস্তে বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াল। বাইরে থেকে দেখতে বাড়িটা আরও ভয়ানক লাগছে—দেয়ালের ফাটল, জানালার ভাঙা কাঁচ, আর ভেতর থেকে আসা এক অদ্ভুত গন্ধ।
— "চল, ঢুকি!" রাহাত চাপা গলায় বলল।
পলাশ দরজায় হাত রাখতেই একটা ঠান্ডা অনুভূতি হলো। দরজাটা একটুও শব্দ না করে আপনাআপনিই খুলে গেল।
ভেতরে ঢুকে তারা অবাক! বাড়ির আসবাবপত্র সব ঠিকঠাক, ধুলো জমেছে, কিন্তু মনে হয় যেন কেউ অনেক বছর আগেও এখানে বসবাস করত।
কিন্তু হঠাৎ করেই, দূরের একটা ঘর থেকে একটা ছায়া দ্রুত সরে গেল!
মুকুল গলা শুকিয়ে বলল, "ওটা কি ছিল?"
কেউ কোনো উত্তর দিল না। সবাই অনুভব করল, কিছু একটা ঠিক নেই...
(চলবে...)
পরের পর্বে: সত্যিই কি ভূতের অস্তিত্ব আছে, নাকি এটা অন্য কোনো রহস্য?
নাল্লাপাড়ার ভূতের বাড়ি
331
Views
7
Likes
1
Comments
5.0
Rating

সকল মন্তব্যগুলো (1)
এরকম গাজাখড়ি বুদ্ধি কই পান আপনি যতসব গল্পের নাই কোনো মাথা মন্ড ।