চিরদিনই তুমি যে আমার (পর্ব ০১)

চিরদিনই তুমি যে আমার (পর্ব ০১)
অগোছালো একটি বিছানার উপর বিয়ের সাজে বসে আছে একটি মেয়ে। এত সুন্দর একটি দিনেও মেয়েটির দু-চোখে নোনা জলের শ্রাবণ। মেয়েটি কাঁদছে আর আপন মনে বলছে-

ছায়া: আপু, তুই কেন এমনটা করলি বল তো! তোর জন্য আমার জীবনটা আজ এভাবে তছনছ হয়ে যাচ্ছে। তুই যদি এই বিয়েটা না'ই করতে পারবি তাহলে কেন সেদিন পাত্রপক্ষের সামনে বললি তুই এ বিয়েতে রাজি। তুই তো সেদিন বলতে পারতিস যে তুই অন্য একজনকে ভালোবাসিস এবং তাকেই নিজের জীবন সঙ্গী হিসেবে চাস। সেদিন কিছু না বলে চুপ করে থেকে আজ এভাবে তুই আমার জীবনটা শেষ করে দিলি। এর জন্য তোকে আমি কোনদিনও ক্ষমা করব না। "কোনদিনও না"

মেয়েটি আপন মনে কথাগুলো বলছিলো হঠাৎ কেউ দরজায় কড়া নাড়ল। আওয়াজ শুনে মেয়েটি দরজার দিকে তাকাতেই দেখতে পেল তার ছোট বোন শিখা দাঁড়িয়ে। শিখাকে দেখে মেয়েটি কিঞ্চিত বিরক্ত হয়ে তীক্ষ্ণ কণ্ঠে বলতে লাগলো-

ছায়া: এখানে কি চাই তোর,, নিশ্চয়ই এখানে তোকে মা পাঠিয়েছে তাই না। মাকে গিয়ে বল- ছায়া আপু নিজের জীবন দিতেও রাজি আছে কিন্তু এই বিয়েটা সে কিছুতেই করতে পারবে না।

ছায়ার কথাগুলো শুনে শিখা মূর্তির মত এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে কাঁপা কাঁপা গলায় বলল-

শিখা: কি. কি. কিন্তু......... (পুরোটা বলতে না দিয়ে)

ছায়া: কোন কিন্তু নয়। যেটা বললাম সেটা সোজাসুজি মাকে গিয়ে বল,, আমার কানের কাছে এভাবে বকবক করিস না। তাহলে কিন্তু আমি উল্টোপাল্টা কিছু করে বসবো।

"কোন উল্টোপাল্টা কিছু করে বসতে হবে না তোকে। তাড়াতাড়ি চল। পাত্রের বাড়ির লোকেরা চলে এসেছে। সাথে কাজী সাহেবও চলে এসেছেন।

কথাগুলো বলে সেই রুমে প্রবেশ করলেন একজন মাঝবয়সী মহিলা। ইনি হলেন আলো, ছায়া এবং শিখা তিন বোনের মা আফিয়া ইসলাম। আজ বিয়ে হওয়ার কথা ছিল আফিয়া ইসলামের বড় মেয়ে আলো'র। কিন্তু আলো এ বিয়ে করতে পারবে না বলে ভোরবেলা তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। এরপর আফিয়া ইসলাম ও ওনার স্বামী রাজীব ইসলাম মিলে সিদ্ধান্ত নেন রৌদ্রের (বিয়ের পাত্র) সাথে ছায়ার বিয়ে দেবেন। কারণ- তারা কিছুতেই এমন বড়লোক পাত্র হাতছাড়া করতে চান না। তবে পাত্রের বাড়ির কেউ জানে না যে আজ এভাবে কনে বদল করা হয়েছে। পাত্রের বাড়ির লোকেরা জানে আজ আলো-রৌদ্রের বিয়ে হবে।

মাকে রুমের ভেতর ঢুকতে দেখে ছায়া আরো কিছুটা রেগে গিয়ে বলল-

ছায়া: বারবার বলছি আমি এ বিয়েটা করতে পারব না তাও কেন তোমরা আমায় এত জোর করছো বলো তো।

আফিয়া ইসলাম: এই একদম চুপ,, আর একটা কথাও নয়। রেডি হয়েছিস,, এখন চল, ওদিকে পাত্রের বাড়ির লোকেরা তাড়া দিচ্ছে কনে নিয়ে আসার জন্য।

ছায়া: আমি উনাদের সামনে গেলেই তো উনারা আমায় চিনে ফেলবে। তাতে আমি সহ তোমরাও প্রচুর অপমানিত হবে। তার চেয়ে ভালো হয় ওদের সত্যিটা জানিয়ে দাও,, এরপর যা হবার তা হবে।

আফিয়া ইসলাম: আমাদেরকে নিয়ে তোকে কিছু ভাবতে হবে না। এই শিখা,, ওর মাথার ঘোমটাটা ফেলে দিয়ে ওকে বাইরে নিয়ে আয় তো। আর এই মেয়ে,, "খবরদার" ওরা যে যাই বলুক না কেন তুই ঘোমটা ওঠাবি না। ওদের আমি ঠিক ম্যানেজ করে নিতে পারবো। আর যদি তুই ওদের সামনে ঘোমটা উঠিয়ে ওদের সব কথা বলে দিস তাহলে কিন্তু আমার মরা মুখ দেখবি,, এই আমি বলে রাখলাম।

এই বলে ছায়ার রুম থেকে চলে গেলেন আফিয়া ইসলাম। উনি রুম থেকে চলে যেতেই ছায়া এবার জোরে জোরে কাঁদতে লাগলো। ছায়াকে এভাবে কাঁদতে দেখে শিখা তাকে উদ্দেশ্য করে করুণ স্বরে বলতে লাগলো-

শিখা: আর কাঁদিস না রে আপু! এভাবে কেঁদে কি কোন সমস্যার সমাধান বের হবে বল। তুই বরং মেঘ ভাইয়াকে আরেকবার কল দে। দেখ সে কলটা রিসিভ করে কিনা!

এই বলে ছায়ার দিকে একটা ফোন এগিয়ে দিল শিখা। ছায়া কান্না থামিয়ে তড়িঘড়ি করে শিখার হাত থেকে ফোনটা নিয়ে কললিস্টে মেঘের নম্বর বের করে তাকে কল দিয়ে কানে ফোনটা ধরলো।

(মেঘ হলো ছায়ার বয়ফ্রেন্ড। পাঁচ বছর ধরে মেঘ আর ছায়ার রিলেশন। )

কিছুক্ষণ রিং হওয়ার পর ওপাশ থেকে কলটা রিসিভ করলো মেঘ।

মেঘ: কি হয়েছে ছায়া,, এই অসময়ে হঠাৎ ফোন করলে কেন? আজ না তোমার বোনের বিয়ে।

ছায়া খানিকক্ষণ চুপ করে থাকার পর ধীরে ধীরে বলতে লাগলো-

ছায়া: মেঘ,, আজ আমার বোনের নয় আমার বিয়ে হয়ে যাচ্ছে।

মেঘ: এই ছায়া,, কি উল্টোপাল্টা বকছো তুমি। আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না! একটু ঝেড়ে কাসো তো!

ছায়া: আজ ভোরবেলা আপু বিয়ে করতে পারবে না বলে বাড়ি থেকে পালিয়েছে। সে পালিয়ে যাওয়াতে এখন বাবা-মা ওই ছেলের সাথে আমার বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে।

মেঘ: কি, তুমি আমায় আগে জানাও নি কেন এসব!

ছায়া: কি করে জানবো বলো। সকাল থেকে প্রায় পাঁচশবারের মতো তোমায় কল দিয়েছি। কিন্তু তুমি তো কল রিসিভ'ই করছিলে না।

মেঘ: আসলে সকাল থেকে আমি একটু ব্যস্ত ছিলাম। বাদ দাও এখন ওসব কথা। এখন তুমি কি করতে চাচ্ছো বলো আমায়!

ছায়া: আমি কি করে বলবো। আমার মাথা আর কাজ করছে না। যা করার এবার তোমাকেই করতে হবে।

ছায়ার কথা শুনে মেঘ কিছুক্ষণ মনে মনে কিছু ভেবে মৃদু গলায় বলল-

মেঘ: ছায়া, আমার মাথায় একটা অসাধারন আইডিয়া এসেছে। তুমি যদি পারমিশন দাও তাহলে আমি বলছি।

ছায়া: হুম বলো। এতে আবার আমার কাছ থেকে পারমিশন নেওয়ার কি আছে।

ছায়ার কথাটা শুনে মেঘ ধীরে ধীরে তাকে (ছায়াকে) নিজের আইডিয়াটা জানাতে লাগলো। মেঘের আইডিয়াটা শুনে ছায়া মুচকি হেসে আনন্দে আত্মহারা হয়ে বলল-

ছায়া: বাহ, এটা তো দারুণ আইডিয়া। মেঘ, তুমি তোমার আইডিয়া অনুযায়ী মাঠে নেমে পড়ো। আর আমি বাইরে গিয়ে দেখি ওদিকে কি হচ্ছে।

মেঘ: Ok My Sweetheart. তাহলে এখন ফোনটা রাখি। আর খুব শিঘ্রই আমাদের দেখা হচ্ছে।

এই বলে মেঘ কলটা কেটে দিলো। ছায়ার সেই কান্না মিশ্রিত চেহারাটা এখন আনন্দে ভরপুর হয়ে উঠেছে। তার মন চাইছে এখন তার সবচেয়ে পছন্দের গানটা বাজিয়ে ডান্স করতে। কিন্তু ওদিকে পাত্রপক্ষ প্রায় অনেকক্ষণ ধরে ড্রয়িং রুমে বসে আছে। তাই সে মাথার লম্বা ঘোমটাটা ফেলে দিয়ে শিখার সাথে ড্রয়িং রুমের দিকে চলে গেল। পাত্রের বাড়ির লোকেরা কনের মাথায় এত বড় ঘোমটা দেখে অবাক দৃষ্টিতে ছায়ার দিকে তাকিয়ে রইলেন। পাত্রের মা অত্যন্ত অবাক হয়ে ছায়াকে উদ্যেশ্য করে বললেন-

সানজিদা চৌধুরী: কি হয়েছে মা,, মাথায় এত লম্বা ঘোমটা দিয়ে রেখেছো কেন?

ছায়াকে কিছু না বলতে দিয়ে আফিয়া ইসলাম মৃদু হেসে বললেন-

আফিয়া ইসলাম: আসলে বেয়ান,, হয়েছে কি বলুন তো,, আমাদের বংশের একটা আদি নিয়ম আছে,, মেয়ের বিয়ে শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত পাত্রের বাড়ির কেউ কনের মুখ দেখতে পারবে না। মুখ দেখলে কনের মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে।

আফিয়া ইসলামের কথাগুলো শুনে ওনার দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকালেন সানজিদা চৌধুরী সহ সেখানে উপস্থিত বাকি সবাই। এই স্মার্ট যুগেও মানুষ সেই পুরনো যুগের নিয়ম নীতি মেনে চলেছে দেখে সবাই ভারি আশ্চর্য হলেন। সানজিদা চৌধুরী খানিকক্ষণ অবাক হয়ে আফিয়া ইসলামের দিকে তাকিয়ে থেকে ধিমে গলায় বললেন-

সানজিদা চৌধুরী: কি বলছেন এসব বেয়ান! এই স্মার্ট যুগে এসেও আপনারা সেই আদি নিয়ম নীতি নিয়ে পড়ে আছেন। এমন মানুষ তো এখন দেশে আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবে.... এমন নিয়মের কথা তো আমি আগে কখনোই শুনিনি।

আফিয়া ইসলাম: কিছু মনে করবেন না বেয়ান,, আসলে এটা তো বংশের নিয়ম। এটা আমাদের পালন করতেই হবে। আমার মনে হয় তাতে আপনারা আমাদেরকে কোনরকম বাধা প্রদান............ (পুরোটা বলতে না দিয়ে)

দারোয়ান: ম্যাডাম,, সর্বনাশ হয়ে গেছে।

বাড়ি ভর্তি লোকের মাঝে দারোয়ানের এমন কথা শুনে সবাই আফিয়া ইসলামকে ছেড়ে দারোয়ানের দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকালেন। তা দেখে আফিয়া ইসলাম কিছুটা ভয় পেয়ে গিয়ে সবাইকে উদ্দেশ্য করে বললেন-

আফিয়া ইসলাম: আরে এটা তেমন কিছু না,, হয়তো আমার কোনো গেস্ট বিয়েতে আসেনি তাই ও এমন ভাবে বলছে।

দারোয়ান: না ম্যাডাম,, তেমন কিছু.............(পুরোটা না বলতে দিয়ে)

আফিয়া ইসলাম: এই দারোয়ান,, সবার আনন্দের মাঝে তুমি এখন এখানে বিস্বাদের স্বাদ ঢুকিয়ে দিয়ো না তো। কি হয়েছে সোজাসুজি বলো।

দারোয়ান: ম্যাডাম,, মেঘ এসেছে। ওকে আমি আর লতিফ (অন্য দারোয়ান) মিলে অনেক কষ্টে আটকিয়ে রেখেছি। আপনি তাড়াতাড়ি চলুন।

মেঘের নাম শুনে আফিয়া ইসলাম প্রচন্ড রেগে গেলেন। "সাথে ভয়ও পেতে লাগলেন" যদি সে বাড়িতে এসে সবাইকে সবটা জানিয়ে দেয়। কিন্তু উনি যে রৌদ্রের সাথে ছায়ার বিয়ে দিয়ে দিচ্ছেন এটা মেঘ কি করে জানল! উনি তো সকালবেলাই ছায়ার কাছ থেকে তার ফোনটা কেড়ে নিয়েছিলেন তাহলে সে মেঘকে এসব জানালো কিভাবে। খানিকক্ষণ মনে মনে এসব সাত-পাঁচ ভাবার পর আফিয়া ইসলাম সবাইকে উদ্দেশ্য করে মৃদু গলায় বললেন-

আফিয়া ইসলাম: সবাই একটু বসুন,, আমি দশ মিনিটের ভেতর আসছি। আসলে আমার আরেকজন গেস্ট এসেছে তো,, ওনাকে বাসায় নিয়ে আসি।

এই বলে আফিয়া ইসলাম বাড়ির বাইরে বেড়িয়ে এলেন। দ্রুত পায়ে হেঁটে এসে দাঁড়ালেন গেটের সামনে।
মেঘ তখনো ভেতরে প্রবেশ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু লতিফ বাঁধা দেওয়ায় সে ভেতরে ঢুকতে পারছে না।
আফিয়া ইসলাম মেঘকে দেখে প্রচন্ড রেগে গিয়ে তাকে (মেঘকে) উদ্দেশ্য করে তীক্ষ্ণ বলতে লাগলেন-

আফিয়া ইসলাম: "এই ফকিরের বাচ্চা ফকির" তুই এখানে এসেছিস কেন? আমার মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যাবি বলে। কিন্তু তোর সেই আশা আমি কোনদিনও পূরণ হতে দেব না। তুই আমার মেয়েকে নয় আমার সয়-সম্পত্তিকে ভালোবাসিস বলে আমার মেয়েকে বিয়ে করতে চাস,, আমি কি তা বুঝি না ভেবেছিস।

মেঘ: আপনি ভুল করছেন আন্টি,, আমি আপনার মেয়েকে খুব ভালোবাসি। আমি শুধু তাকেই চাই,, আপনার এই রাজত্বকে নয়।

আফিয়া ইসলাম: হু, হাসালি রে হাসালি। তোদের মতো "ফকিরের বাচ্চারা" কেন যে বড়লোকের মেয়েদের বিয়ে করে তা কি আমি জানি না ভেবেছিস। (হাসতে হাসতে)

মেঘ: অনেকক্ষণ ধরে সহ্য করছি কিন্তু আন্টি,, শেষবারের মতো বলছি; আমায় ছায়াকে নিয়ে আসতে দিন। নইলে কিন্তু খুব খারাপ হয়ে যাবে বলে রাখলাম।

আফিয়া ইসলাম: এই যা.. যা.. তুই কি খারাপ করতে পারিস আমি দেখে নেব।

মেঘ: ঠিক আছে,, সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙ্গুল কি করে বাঁকাতে হয় সে আমার ভালো করে জানা আছে।

এই বলে মেঘ জোরে জোরে গেটে ধাক্কা দিতে লাগলো। গেট ভেতর থেকে লক করা ছিল না। মেঘের এমন ধাক্কাধাক্কিতে দুই দারোয়ান আর কিছুতেই পেরে উঠছিল না। একসময় আর গেট না আটকিয়ে রাখতে পেরে হঠাৎ দু'জন দারোয়ান হালকা সড়ে গেল। এই সুযোগে মেঘ গেটের ভেতরে প্রবেশ করে হনহনিয়ে বাড়ির সদর দরজার দিকে এগিয়ে যেতে লাগলো।



মেঘ কি তাহলে এই বিয়ে আটকাতে পারবে? ছায়াকে কি তাহলে আলোর জন্য ঠিক করা পাত্রকে বিয়ে করতে হবে না? পাত্রের বাড়ির লোকেরা সবকিছু জানার পর কেমন রিয়েক্ট করবে ইসলাম বাড়ির সদস্যদের ওপর?
জানতে হলে অবশ্যই চোখ রাখুন পরবর্তী পর্বে।...........
১ম পর্ব কেমন হয়েছে অবশ্যই আপনাদের মূল্যবান মতামত দ্বারা আমায় জানাবেন। ১ম পর্ব ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই লাইক রেটিং মন্তব্য দিয়ে যাবেন আর আমায় ফলো করতে একদমই ভুলবেন না।
233 Views
22 Likes
9 Comments
5.0 Rating
Rate this:
(21)

মন্তব্য

সকল মন্তব্যগুলো (9)

Reader photo
পাঠক
20-Sep-2024, 11:10 AM

দারুণ হয়েছে সূচনা পর্ব

Reader photo
গল্প প্রেমী
19-Sep-2024, 08:15 PM

শুরুটা দারুণ হয়েছে

Reader photo
রাজশ্রী
18-Sep-2024, 10:39 PM

চমৎকার

Reader photo
কথা
17-Sep-2024, 01:22 PM

চমৎকার

Reader photo
সালমা ইসলাম
28-Aug-2024, 07:16 AM

আপনার গল্পটি অসাধারন চমৎকার আমার খুব ভালো লাগলো ধন্যবাদ

মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
28-Aug-2024, 01:33 PM

ধন্যবাদ আপু। আমার সকল গল্পগুলো পড়ার অনুরোধ রইলো। সাথে রিভিউ রেটিং লাইক দিয়ে যাবেন প্লিজ

Reader photo
সাকিপ ইসলাম
27-Aug-2024, 12:24 PM

খুব সুন্দর হয়েছে

মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
27-Aug-2024, 01:11 PM

ধন্যবাদ

Reader photo
Shafiqul Islam
21-Aug-2024, 07:59 AM

অনেক সুন্দর হয়েছে

মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
21-Aug-2024, 05:14 PM

ধন্যবাদ আপনাকে

Reader photo
আমি তোমায় ভালোবাসি
20-Aug-2024, 07:35 PM

চমৎকার হয়েছে

মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
21-Aug-2024, 11:05 PM

ধন্যবাদ

Reader photo
ফাতেমা আক্তার
20-Aug-2024, 01:48 PM

খুব সুন্দর লিখেছেন,,, আমার লেখাগুলোর‌ মধ্যে রিভিউ লাইক দেওয়ার অনুরোধ র‌ইলো‌ ❤️

মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
20-Aug-2024, 02:24 PM

অবশ্যই