সেটি অতিশয় সুসজ্জিত। দিন পাঁচ ছয় পরে একদিন অপরাহ্ন বেলায় সে সেই ঘরের বড় আয়নার সমূহে দাঁড়াইয়া দেখিতে যাইবার জন্য প্রস্তুত হইতেছিল, ললিতা ঘরে ঢুকলো! ক্ষনকাল নিঃশব্দে চাহিয়া থাকিয়া জিজ্ঞাসা করিল, বউ দেখতে যাবে, না ?
শিখর ফিরিয়া চাইয়া বলিল এই যে ?
কৈ, বেশ করে সাজিয়ে দাও ,দেখি বউ যাতে পছন্দ করে।
ললিতা হাসিল 😀। বলিল, এখন তো আমার সময় নেই শেখরদা__
আমি টাকা নিতে এসেছি, বলিয়া বালিশের তলা হইতে চাবি লইয়া একটা দেরাজ খুলিয়া গুনিয়া গুটি কয়েক টাকা আঁচলে বাধিয়া লইয়া যেন কতকটা নিজের মনেই বলিল, টাকা তো দরকার হলেই নিয়ে যাচ্ছি, কিন্তু, এ শোধ হবে কি করে ?
শেখর চুলের এক পাশ বুরুস দিয়া সযত্নে ওপরের দিকে তুলিয়া দিয়া ফিরাইয়া দাঁড়াইয়া বলিল শোধ হবে, না হচ্ছে!
ললিতা বুঝিতে পারিল না চাইয়া রইলো।
শেখর বলিল, বুঝতে রইলে পাইলে না ?
ললিতা মাথা মারিয়া বলিলো, না।
আরোও একটু বড় হও ,তখন বুঝতে পারবে,
বলিয়া শেখর জুতা পায়ে দিয়া বাহির হইয়া গেল।
রাত্রে শেখর একটা কোচের ওপর চুপ করিয়া শুয়েছিল, মা আসিয়া ঘরে ঢুকলেন। সে তাড়াতাড়ি উঠিয়া বসিল।
মা একটা চৌকির ওপর বসিয়া বলিলেন, মেয়ে কি রকম দেখে এলি রে ?
শেখর মায়ের মুখের দিকে চাহিয়া আসিয়া বলিল, বেশ।
শেখরের মায়ের নাম ভুবনেশ্বরী। বয়স প্রায় পঞ্চাশের কাছে আসিয়াছিল, কিন্তু এমনই
পরিণীতা
38
Views
0
Likes
0
Comments
0.0
Rating

কোন মন্তব্য নেই