অহংকারী কাজিন

,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

আমি রিকশা ভাড়া দিয়ে বাসার ভেতরে প্রবেশ করি,, প্রবেশ করতেই চাচি বলল।


চাচি :: এই নিরব এইদিকে আয়।


আমি :: হুম বল।



চাচি :: কিরে তোরে ফারজানার সাথে পাঠালাম হেল্প করার জন্য,, আর তুই ওকে দিয়ে সারা পথ বই টানিয়ে ছিস কেন।।



আমি :: আমি কখন ওকে দিয়ে বই আনালাম।
সারা রাস্তা তো।

(আমাকে বলতে না দিয়ে ফারজানা বলল)


ফারজানা :: কি বলবে তুমি হ্যা। এখন এই তো বলবে যে সারা রাস্তা তুমি বই নিয়ে এসেছ আর গেটের সামনে থেকে আমাকে বই দিয়ে তুমি রিকশা ভাড়া দিতে গেছ।



আমি :: হ্যা এটাই তো সত্যি।


ফারজানা :: দেখছ খালা কি মিথ্যা কথা বলে।


চাচি :: থাম তোরা। আর নিরব তুমি দিন দিন বেশি বেড়ে যাচ্ছ আর যেন এসব না শুনি।


আমি :: ওকে।


এই বলে ওয়াশ রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে লাঞ্চ করে ঘুমিয়ে গেলাম।

ঘুম থেকে উঠে দেখি সন্ধ্যা হয়ে গেছে তাই দেরি না করে ফ্রেশ হয়ে আদিবা কে পড়াতে বসালাম।

আদিবা কে পড়াইতেছি তখন শাকচুন্নি টার আগমন।


ফারজানা :: কি করতেছ।


আমি: ঘোড়ার ঘাস কাটতেছি।


ফারজানা :: হুম তুমার দারা এর বেশি হবেনা।


আমি :: আপনি এখান থেকে যান তো আমরা ড্রিস্টাব ফিল করতেছি।


ফারজানা :: আমার ইচ্ছা আমি যাবনা।


আমি:- চাচি,,,, চাচি এদিকে আসো।


চাচি :: কি হলো ডাকতেছিস কেন।



আমি:: এই শাকচ্চুন্নি কে যেতে বল
ও আমাদের ড্রিস্টাব করতেছে.।


চাচি :: এই তুই যা রুমে গিয়ে পড় এদের ড্রিষ্টাব করতেছিস কেন।

ফারজানা রাগে ফুলতে ফুলতে চলে গেল।
আমিও আদিবা কে পড়াতে শুরু করলাম।

আর এদিকে ফারজানা ভাপতে লাগলো।


ফারজানা :: মনে মনে (ও যদি এই বাসায় থাকে তাহলে আমি এখানে নিজের সাধীন ভাবে থাকতে পারবনা। ওকে এখান থেকে তারাতেই হবে। কিন্তু কিভাবে তারাবো।৷ কিভাবে,,,,,,,, কভাবে ,,,,,,, আইডিয়া)

ওইদিকে ফারজানা কিভাবে নিরব কে বাসা থেকে তারাবে সেই চিন্তা করতে লাগল।


আমি : আদিবা যা আজকের মতো শেষ। আজ অনেক ঘুম পাইছে।

আমি আদিবা কে রুমে দিয়ে আসলাম এসে আমি শুয়ে পরলাম।

রাত প্রায় 2 টা 30 বাজে তখন হঠাৎ কে আমকে ডাকতেছে।
আমি তারাতাড়ি উঠে দেখি ফারজানা।


আমি ::তুমি এতো রাতে এখানে কেন।



ফারজানা :- তুমি আজকে আমার রুমে শোও যাও।



আমি -- কেন আমি ওখানে কেন শুব।



ফারজানা :- তুমার তো এখানে অনেক মশা লাগে।
তাই বলতেছি চল।
চললে চল না চললে নাই।


আমি :: এই না না না,,, চল (আসলে এখানে আসলেই অনেক মশা)



ফারজানা :: ওকে চল।



আমি ফারজানার সাথে সাথে রুমে গেলাম গিয়ে খাটে বসে পরলাম।
হঠাৎ দেখি ফারজানা নিজে নিজেই তার শরীরের কাপর ছিরতে ছে।


আমি :: এই,, এই,, কি করতেছ এসব আরে,,,,,।


আমার ডাক ওর কানেই গেল না। কাপড় ছিরে চিৎকার করতে লাগল।
আমি কিছুই বুঝতেছিনা কি হইতেছে।

ফারজানার চিৎকার শুনে,,,,, চাচা,চাচি রুমের দিকে ছুটে এল।


চাচা :: ফারজানা,,,,, ফারজানা,,,, কি হইছে মা দরজা খোলো।

ফারজানা তখন আমাকে চোখ টিপ দিয়ে দরজা খুলে বাহিরে চলে গেল।

আমি খাটে বসে আছি

ফারজানা ছুটে গিয়ে চাচিকে জরিয়ে ধরল।

চাচা চাচি রুমে ঢুকে দেখে আমি খাটের ওপর বসে আছি।

ফারজানা কে চাচা জিজ্ঞেস করলেন।


চাচা :- কি হয়েছে মা আমাকে বল৷


ফারজানা:: খালু৷৷ নিরব আমাকে।

এই বলে কান্না শুরু করলো।


চাচা আমার কাছে এসেই বলল।

চাচা : তোর কাছে আমি এইসব আসা করিনি।
ছিহ আজ তোকে আমার ভাতিজা বলতেও লজ্জা লাগে।


আমি :: চাচা আমি কিছু করিনি বিশ্বাস কর আমি কিছুই করিনি।


চাচা :: একদম চুপ কোনো কথা বলবিনা।,,, যা বেরিয়ে যা আমার বাসা থেকে।
আর কোনো দিন যেন তোরে আমার বাসায় না দেখি। যা,,,,,,




আর কি করব আমি যত কথাই বলি না কেন ওরা বিশ্বাস করবেনা তাই বাসা থেকে বেরিয়ে আসলাম।

এতো রাতে কই যাব কোথায় থাকব কিছুই বুঝতেছিনা।

শেষ ভরষা এই রাস্তা। কারন রাস্তা ছাড়া এখন আমার আর কোনো যাওয়ার মতো যায়গা নাই।

তাই শেষ মেষ রাস্তায়ই শুয়ে পরলাম।
কখন ঘুমিয়ে গেছি মনে নেই।

সকালে ঘুম থেকে উঠে পাসেই একটি পুকুর আছে সেখান থেকে হাত মুখ ধুয়ে নিলাম।

দোকানে গিয়ে কলা আর কিনে রাস্তার এক পাশে বসে খেতে লাগলাম।

কারন আমার কাছে মাত্র 345 টাকা আছে এখন আমার তো যাওয়ার কোনো যায়গা নাই তাই আগে ভালো কাজ খুজতে হবে।,,,

আর যত দিন কাজ না পাই ততদিন এই 345 টাকা দিয়েই চলতে হবে।

রাস্তার পাশে বসে খাইতেছি। তখন হঠাৎ কে যেন আমার সামনে আসলো।

আমি মাথা উঁচু করতেই দেখি,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,




(পরের part এর জন্য অপেক্ষা করুন ধন্যবাদ)


অনেক কষ্ট করে গল্প গুলো লিখি তো আপনাদের সাপোর্ট আসা করতেই পারি।
1.87K Views
25 Likes
3 Comments
3.9 Rating
Rate this:
(10)

মন্তব্য

সকল মন্তব্যগুলো (3)

Reader photo
salma
12-Sep-2024, 09:38 PM

please porer pert gulo dien joldi

মো: আমিরুল ইসলাম নিরব
মো: আমিরুল ইসলাম নিরব
17-Sep-2024, 08:34 AM

হুম

Reader photo
Chowdhury Tamanna
10-Sep-2024, 09:18 AM

very nice.

মো: আমিরুল ইসলাম নিরব
মো: আমিরুল ইসলাম নিরব
17-Sep-2024, 08:33 AM

শুকরিয়া

Reader photo
Shafiqul Islam
09-Sep-2024, 07:01 PM

kichu korte hole koshto korei korte hoy.next part dite beshi deri korbenna.

মো: আমিরুল ইসলাম নিরব
মো: আমিরুল ইসলাম নিরব
09-Sep-2024, 07:09 PM

শুকরিয়া,,, আর লেখক হিসেবে নতুন তো তাই কষ্ট করেই লিখতে হয়