মামাতো বোন যখন রোমান্টিক বউ (পর্ব ০৯)

কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলে আমি তিথিকে বিছানার উপর ফেলে দিয়ে তার নরম ঠোঁটের সাথে আমার ঠোঁট ডুবিয়ে দিয়েছি এমন সময় কে জানি দরজায় কড়া নাড়লো। আমি একরাশ লজ্জা নিয়ে তিথির উপর থেকে উঠে পড়লাম। লজ্জা লজ্জা ভাব নিয়ে দরজার দিকে তাকাতেই দেখতে পেলাম আমার চাচাতো বোন মিম দরজার সামনে দাঁড়িয়ে মুচকি মুচকি হাসছে। তাকে দেখে কেন জানি আমি প্রচন্ড রেগে গেলাম। রাগের মাথায় মিমকে কিছু বলতে যাব এমন সময় অনুভব করলাম তিথি আমার কাঁধের উপর তার একটা হাত রেখেছে। তার দিকে ঘুরে তাকাতেই দেখি সে মাথা এপাশ থেকে ওপাশ করে আমি মিমকে যাতে কিছু না বলি তা ইশারা করছে। তিথির ইশারা অনুযায়ী আমি মিমকে কিছু না বলে নিচের দিকে মুখ করে বসে রইলাম। তিথিও নিশ্চুপ.. সেও মিমকে কিছু বলছে না। বোধহয় মিমের হঠাৎ করে চলে আসাতে সেও খুব লজ্জা পেয়েছে‌।
আমরা মিমকে কিছু বলছি না দেখে সে*ই আমাদেরকে উদ্দেশ্য করে মৃদু হেসে বলল-

মিম: ভাইয়া, নতুন ভাবি তাড়াতাড়ি এসো। এবার আমাদের বাড়ির দিকে রওনা দিতে হবে।

এই বলে সেখান থেকে এক দৌড়ে চলে গেল মিম। সে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর তিথি লজ্জা কাটিয়ে আমাকে উদ্দেশ্য করে তীক্ষ্ণ কণ্ঠে বলল-

তিথি: কিরে এখনো এখানে বসে রইলি যে।

আমি: তো কি করবো। (ম্লান হেসে)

তিথি: তো কি করবো মানে! আমি কি আমার শশুরবাড়িতে যাব না নাকি।

আমি: অবশ্যই যাবে আমার লক্ষী বউটি। (মজা করে)

তিথি: যাবো তো,, কিন্তু কখন?

আমি: এখন গেলে এখনি,,

তিথি: তাহলে চল,, ওদিকে নাকি গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। সবাই যাওয়ার জন্য প্রস্তুত।

আমি: হুম,, চল।

এই বলে আমি তিথিকে নিয়ে ঘরের বাইরে বেড়িয়ে এলাম। তিথি সবার কাছে বিদায় নিয়ে বাইরে এসে গাড়িতে উঠে বসলো। আমরাও বিদায় নিয়ে গাড়িতে উঠে বসলাম।


*************************


প্রায় আধঘণ্টা পর আমরা বাড়িতে এসে পৌঁছালাম। গাড়ি গ্যারেজে রেখে দিয়ে সবাই বাড়ির ভেতরের দিকে চলে গেলাম। বাড়ির ভেতরে আসতেই আব্বু আমাকে উদ্দেশ্য করে বললেন-

আব্বু: তিথি-অরণ্য তোমরা ঘরে যাও। আমরা আজ এখানে (ড্রয়িং রুমে) রাত জেগে আড্ডা দেব।

আড্ডা দেওয়ার কথা শুনে আমার মনটা প্রফুল্লে নেচে উঠলো। তাই আমি বললাম-

আমি: আব্বু আমিও থাকি না তোমাদের সাথে। প্লিজ!

আব্বু: আবার কথা বলে,, যা তিথিকে নিয়ে রুমে যা।

মিম: কেন বড় আব্বু! ভাইয়া থাকুক না আমাদের সাথে। ভাইয়া থাকলে খুব মজা হবে।

চাচচু: তোমাকে কে এখানে থাকতে বলেছে! তুমিও রুমে যাও।

চাচচুর ধমক খেয়ে মিম হালকা রেগে গিয়ে একটা রুমের দিকে চলে গেল। সে চলে যাওয়ার খানিকক্ষণ পর আমি তিথিকে নিয়ে নিজের রুমে প্রবেশ করলাম। রুমে ঢুকে আমি তো পুরো ফিদা। নানা রকম ফুল দিয়ে ঘরটা কি সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। আর যে কত শত রকমের আলো। ঘরটা দেখে আমার মনটা প্রফুল্লে নেচে উঠলো। আমি তিথিকে নিয়ে হঠাৎ ডুব দিলাম ভালোবাসার এক কল্পনার জগতে।
কল্পনার ছেদ কাটল তিথির ডাক শুনে।

তিথি: এই অরণ্য,,

আমি: কী?

তিথি: আমি কাপড় চেঞ্জ করবো।

আমি: কাপড় চেঞ্জ করবি তো কর না কে বাধা দিয়েছে তোকে।

তিথি: তুই রুম থেকে বাইরে যা,, আমি কাপড় চেঞ্জ করবো

আমি: আমি কেন বাইরে যাব!

তিথি: এই তুই এত লুইচচা কেন! একটা মেয়ে কাপড় চেঞ্জ করবে আর তুই তার দিকে ডেবডেব করে তাকিয়ে থাকবি। তোর কি লজ্জা শরম বলতে কিছু নেই।

আমি: অবশ্যই আছে।

তিথি: তাহলে পাঁচ মিনিটের জন্য বাইরে যা। আমি কাপড় চেঞ্জ করবো।

আমি: কেন কেন,, আমি বাইরে যাব কেন! তুই তো এখন আমার বউ। তোর সবকিছুর অধিকারী আমি।

তিথি: আসলে এখনো না আমি তোকে নিজের স্বামী বলে ভাবতে পারছি না,, আমার মনে হচ্ছে তুই আমার অরণ্য ভাইয়াই আছিস।

আমি: তাহলে তখন যে তোর ঠোঁট জোড়ার সাথে ঠোঁট জোড়া ডুবিয়ে দিচ্ছিলি! তখন কি তোর আমায় তোর স্বামী মনে হয়েছিল!

তিথি: এই এত কথা বলিস না,, "তাড়াতাড়ি বাইরে যা" নইলে কিন্তু আমি খালামণিকে ডেকে বলবো তুই আমায় বকছিস!

আমি: এই বাসর ঘরে তুই আবার আমার মাকে টানছিস কেন!

তিথি: খালামণি...... (চিৎকার দিয়ে..)

আমি কোনমতে তিথির মুখ চেপে ধরে ধিমে গলায় বললাম-

আমি: এই চুপ.. চুপ,, মাকে ডাকিস না। তাহলে মা কি না কি মনে করে!

তিথি: তাতে আমার কি! তুই না বাইরে গেলে আমি আবার খালামণিকে ডাকবো। (ওর মুখ থেকে আমার হাতটা সড়িয়ে দিয়ে)

আমি: আর মাকে ডাকতে হবে না! আমি বাইরে যাব না আর তুই কাপড় চেঞ্জ'ও করতে পারবি।

তিথি: কিভাবে?

আমি: ওয়াশরুমে গিয়ে। (ওয়াশরুমের দিকে আঙুল তাক করে দেখিয়ে)

আমার কথাটা শুনে তিথি আর কিছু না বলে তার সাথে করে নিয়ে আসা সুটকেসটা থেকে একটা পাতলা শাড়ি বের করে ওয়াশরুমের দিকে চলে গেল।
সে চলে যাওয়ার পর আমার মাথায় হঠাৎ একটা প্রশ্ন আসলো। তিথি কি আজ পার্ক থেকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার পর বাবা এবং মামুদেরকে বলেছে আমি ওর সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছি। কিন্তু সে কেন এমনটা বলল! ওকি একবারও ভাবলো না ওর এমন কথায় মামু এবং বাবা আমাকে সারা জীবন খারাপ ভাববে। কখনো আর ওনারা আমাকে নিজের সন্তানের চোখে দেখবেন না। ওনাদের চোখে আমি সারা জীবন চরিত্রহীন হয়ে থাকবো!

আপন মনে কথাগুলো ভাবছি হঠাৎ আবার তিথি এসে রাগান্বিত গলায় বলল-

তিথি: কিরে এখন এখানে দাঁড়িয়ে আছিস যে! যা কাপড় চেঞ্জ করে বিছানায় শুয়ে পর। কাল খুব ভোরে আমায় উঠতে হবে। সবার জন্য চা বানাতে হবে,, খাবার তৈরি করতে হবে আরো কত কাজ রয়েছে আমার।

আমি: তুই বিছানায় গিয়ে শুয়ে পর,, আমি খানিকক্ষণ পরে আসছি।

তিথি: কোথাও যাবি নাকি!

আমি: একটু ওয়াশরুমে যাব।

তিথি: যা।

এরপর আমি চলে এলাম ওয়াশরুমে। ফ্রেশ হয়ে রুমে যেতেই দেখি তিথি বিছানায় গা এলিয়ে দিয়েছে।
আমিও তার পাশে গিয়ে শুয়ে পড়লাম। আবার মাথায় সেই প্রশ্নগুলোই ঘুরপাক খাচ্ছে। কেন তিথি মামু আর বাবাকে বলল; আমি তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছি! আর চুপ করে থাকতে পারলাম না। তিথিকে কড়া গলায় ডাকতে লাগলাম। খানিকক্ষণ ডাকার পর তিথি সাড়া দিলো।

তিথি: কিরে,, ডাকছিস কেন! (ঘুমের ঘোরে)

আমি: তিথি আজ বাবা আমায় যা বলেছে তা কি সত্যি!

তিথি: কেন,, কি বলেছে আঙ্কেল! (অবাক অবাক ভাব দেখিয়ে)

আমি: আমি নাকি তোর সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছি। কেন তুই এমনটা বললি ওনাদের। আজ পর্যন্ত তোকে আমি একটা কিস পর্যন্ত করলাম না আর তুই কি না ওনাদের বলেছিস আমি তোর সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছি। তোর জন্য সবাই আমাকে এখন কতটা খারাপ ভাবছে জানিস। ওনাদের চোখে আমি এখন চরিত্রহীন পুরুষ। আজ বাবা এবং মা আমায় যে কথাগুলো বলেছে সেগুলো শুনে আমি তো আজ পৃথিবীর মায়া*ই ত্যাগ করতে চেয়েছিলাম। চেয়েছিলাম মরে যেতে।

আমার বলা শেষ কথাটা শুনে তিথি তার হাত দ্বারা আমার মুখটা চেপে ধরলো। খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে কান্না মিশ্রিত কন্ঠে বললো-

তিথি: কেন বলেছি তুই জানিস না! "আমি শুধু তোকে ভালোবাসি রে,, শুধু তোকে" আজ যদি আমি এভাবে অন্য কারো পাশে অন্য কারো বিছানায় শুয়ে থাকতাম তাহলে তুই খুশি হতিস! অবশ্যই না। শুধুমাত্র তোকে পাওয়ার জন্য আমি এমন করেছি। এছাড়া আমার হাতে আর কোন উপায় ছিল না। এর জন্য তুই আমাকে যা শাস্তি দিবি আমি তাই মাথা পেতে নেব। কিন্তু তুই আর বলিস না তুই মরে যেতে চেয়েছিলি। তুই মরে গেলে আমার কি হবে বল! তুই মরে গেলে তো আমার আর বেঁচে থাকার কোন মানেই থাকবে না। প্লিজ অরণ্য,, তুই আমায় ক্ষমা করে দে! প্লিজ.....

তিথির এমন যুক্তিসঙ্গত কথাগুলো শুনে আমার দু-চোখ বেয়ে দু-এক ফোটা জল গড়িয়ে পড়লো বালিশের উপর। আমিও কান্না মিশ্রিত কন্ঠে বললাম-

আমি: ঠিক আছে,, ক্ষমা করে দিলাম‌। জীবনে আর যেন এই ভুল কখনো না হয়।

তিথি: আর কখনো হবে না, তুই এখন ঘুমা।

এই বলে তিথি অন্যপাশে ঘুরে শুয়ে পড়লো। আমি বারবার তিথির বলা কথাগুলো ভাবছি,, মেয়েটা আমাকে কতই না ভালোবাসে। আর তার উপর আমি কতটাই না রেগে ছিলাম। সত্যি এই মেয়েটার মত আমায় আর কেউ ভালবাসতে পারবে না।
কথাগুলো ভাবতে ভাবতে আমার মাথায় একটা দুষ্ট বুদ্ধি চেপে বসলো। কেন জানি তিথিকে একটু ভালোবাসতে ইচ্ছে করছে। আমাদের ভালোবাসার একটা নাম দিতে ইচ্ছে করছে।
এসব আরো কিছু সাত-পাঁচ ভাবার পর আমি তিথিকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরলাম। তিথি তা বুঝতে পেরেই ধরপরিয়ে শোয়া থেকে উঠে বসলো আর কর্কশ গলায় বলল-

তিথি: এই,, তুই কি করছিস এসব!

আমি: কি করছি মানে!

তিথি: আমাকে জড়িয়ে ধরেছিলি কেন?

আমি: আমি আমার আদরের বউটাকে একটু ভালোবাসতে চেয়েছিলাম। তাই এভাবে জড়িয়ে ধরেছি। কোন অপরাধ তো করিনি।

তিথি: এটাই অপরাধ। কারণ- তুই এখন একজন বেকার। বেকার হয়ে স্ত্রী এবং সন্তানের দায়িত্ব তুই কি করে নিবি বল তো।

আমি: কে বললো আমি বেকার!

তিথি: ও...... তাহলে আপনি বেকার নন। কাজ করেন আপনি,, তা কি কাজ করেন বলুন তো।

আমি: তিথি,, "আমি চাকরি পেয়ে গেছি" কাল থেকেই জয়েন করতে বলেছে।

তিথি: কি! তুই সত্যি বলছিস তো!

আমি: এমন আকাশ থেকে পড়লি যে! চাকরি পেয়েছি শুনে খুশি হোস নি নাকি!

তিথি: না,, খুব খুশি হয়েছি। কিন্তু তুই ইন্টারভিউ কবে দিতে গেলি! আর আমাকে তো কিছু বলিস'ও নি।

আমি: আজ'ই ইন্টারভিউ দিয়েছি।

তিথি: আজ কখন,, কোন অফিসে,, কি পদে চা....... (পুরোটা বলতে না দিয়ে)

আমি: আরে রাখতো তোর উল্টোপাল্টা প্রশ্ন। আমি চাকরি পেয়েছি। প্রতি মাসে ত্রিশ হাজার টাকা করে নাকি স্যালারি। আশা করি এই টাকা দিয়ে আমি আমার আদরের বউ আর আমার অনাগত সন্তানদের ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিতে পারবো।

তিথি: হুম,, অবশ্যই।

আমি: তাহলে একটু কাছো এসো। তোমায় একটু আদর করি।

আমার কথা শুনে দেখি তিথির মুখ পুরো লজ্জায় লাল হয়ে গেছে। আমি তাকে হেচকা টান দিয়ে আমার বুকের উপর ফেলে দিলাম। তাতে তিথির লজ্জার মাত্রা আরো বেড়ে যাচ্ছে। খানিকক্ষণ তাকে আমার বুকের উপর ফেলে রেখে আমরা দুটি দেহ,, দুটি আত্মা, দুটি মন এক হতে লাগলাম। আর ভেসে যেতে লাগলাম ভালোবাসার এক অন্য নগরে।


(পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন। আশা করি খুব শিঘ্রই পেয়ে যাবেন পর্ব দশ। এই পর্বটা যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই লাইক রেটিং দিতে ভুলবেন না,, আর আমায় ফলো করতে তো একদমই না।
আজ আরো দুটি ধারাবাহিক গল্পের প্রথম পর্ব পাবেন। গল্প দুটির নাম:

১. কি করে বলবো তোমায় [বাবা অবসর গ্ৰহণ করার পর মেয়ে নিয়েছে অফিসের দায়িত্ব। কিন্তু মেয়েটির খুব অহংকার! সে নিজের দম্ভ, প্রতিপত্তিকে নিয়ে সবাইকে পায়ে পিষে এগিয়ে যাচ্ছে।
তার দম্ভ, অহংকার, প্রতিপত্তি ভাঙার জন্য আসছে এক মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। সে কি সত্যিই মেয়েটির অহংকার ভাঙতে পারবে। নাকি সেও মেয়েটির কাছে হেরে যাবে।]

২. চিরদিনই তুমি যে আমার [বিয়ের দিন ভোরবেলা বিয়ের কনে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। এরপর বাবা-মা মিলে সিদ্ধান্ত নেন বিয়ের পাত্রের সাথে ওনাদের মেজো মেয়ের বিয়ে দেবেন । কিন্তু পাত্রের বাড়ির লোকেরা তা জানে না।
কি থাকবে মেয়েটির কপালে। পাত্রের বাড়ির লোকেরা কি তাকে পাত্রের বউ হিসেবে মেনে নেবে। নাকি দূর দূর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেবে।]

৩. সংসার (শত্রু যখন ঘরে)

জানতে হলে অবশ্যই চোখ রাখতে হবে এই তিনটি গল্পে। আজই গল্প তিনটির প্রথম পর্ব পাবেন। আশা করি আপনাদের খুব ভালো লাগবে। তিনটি ভিন্ন স্বাদের ভিন্ন শ্রেণীর গল্প।

186 Views
25 Likes
4 Comments
4.9 Rating
Rate this:
(25)

মন্তব্য

সকল মন্তব্যগুলো (4)

Reader photo
আয়েশা আক্তার মিম
23-Aug-2024, 07:04 AM

অনেক ভালো লাগলো তাড়াতাড়ি পরের পর্ব দেও ☺️☺️

মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
23-Aug-2024, 08:18 AM

খুব তাড়াতাড়ি আসবে

Reader photo
আমি তোমায় ভালোবাসি
20-Aug-2024, 07:35 PM

osadaron

মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
21-Aug-2024, 11:05 PM

ধন্যবাদ

Reader photo
ফাতেমা আক্তার
20-Aug-2024, 10:13 AM

খুব খুব সুন্দর লিখেছেন ❤️

মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
20-Aug-2024, 02:24 PM

অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

Reader photo
আইয়ূব আলী
18-Aug-2024, 06:07 PM

খুব সুন্দর হয়েছে। পরবর্তী খুব তাড়াতাড়ি দেবেন প্লিজ

মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
18-Aug-2024, 08:20 PM

ধন্যবাদ আপনাকে,, আপনিই আমার গল্পের প্রধান পাঠক,, আরো ক'জন রয়েছে। আর বাকিগুলো শুধু তাড়াহুড়ো করে পড়ে আর লাইক, রেটিং, মন্তব্য না দিয়ে চলে যায়। তাতে আমার খুব খারাপ লাগলো।

সকল পর্ব