রহস্যময় ভালোবাসা

পর্ব১১

এই বলে আমি তাকে ফুল দিলাম এবং জড়িয়ে ধরে বাসর করা শুরু করলাম। সবশেষে তিন্নি আমার বুকের উপর শুয়ে থাকল এবং আমি তাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকলাম। এমন সময় তিন্নি বলতে লাগলো,,,,

- গতকাল কি হয়েছিল তোমার এরকম করেছিলে কেন?
- কই কিছু নাতো।

এই বলে আমি তাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়লাম। আমি তাকে মিশকাতের ব্যাপারটা জানিয়ে দিচ্ছে টেনশন দিতে চাচ্ছিলাম না। এইভাবে মিশকাতের ভয় কাটিয়ে আমাদের দিন চলতে লাগল। বলতে গেলে মিশকাতের কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। এইভাবে বলতে বলতে দুই মাস কেটে যায়। একদিন হঠাৎ তিন্নি আমাকে ফোন দিয়ে বলে,,,,,

- আসার সময় মিষ্টি নিয়ে এসো, কম তো আর জালাও নি।
- মানে? আর মিষ্টি কেন?
- আজকে হাসপাতালে গিয়েছিলাম, তুমি বাবা হতে চলেছ।

এই কথা শোনার সাথে সাথে আমার চোখ দিয়ে পানি এসে পড়ল এবং আমি ফোন কেটে দিলাম। আসলে এটা খুশির জল ছিল। জানেনইতো একটা ছেলের বাবা হওয়ার কথা শুনে কিরকম খুশি লাগে। আমি আমার খুশি ধরে রাখতে পারলাম না। আবে মিষ্টি কিনে সব অফিস স্টাফ কে খাওয়ানো শুরু করলাম। বাসায় যাওয়ার সময় মিষ্টি কিনে নিয়ে যাচ্ছিলাম এমন সময় নুসরাতের সাথে রাস্তায় দেখা পরে। নুসরাত আমাকে দেখে জিজ্ঞাসা করতে লাগলো,,,,

- কি ব্যাপার এত খুশি খুশি লাগছে এবং মিষ্টি নিয়ে কোথায় যাওয়া হচ্ছে?
- আসলে আমার ওয়াইফ প্রেগনেন্ট তো তাই একটু খুশি বেশি। এই নাও তুমিও একটা মিষ্টি খাও।
- মিষ্টি তো খাওয়াই লাগে।তাছাড়া আজকে দুই মাস পর আপনার সাথে দেখা। আসলে আমি আপনার সাথে দেখা করতে চাইনি পরে কিন্তু আজকে বাধ্য আমি। আর আমি সবকিছু ব্যাপারে জানলাম, মিশকাতের ব্যাপারেও। খুশিতে আবার মিশকাতের কথা ভুলে গেলেন নাকি?

আসলে আমি মিশকাতের কথা ভুলেই গিয়েছিলাম, মনে মনে বলতে লাগলাম। কিন্তু এই মেয়ে হঠাৎ এসব কথা কেন বলছে? এমন সময় নুসরাত আবার বলতে লাগল,,,,,

- মিশকাতের ঝামেলা কিন্তু এখনো শেষ হয়নি মশাই। তাড়াতাড়ি কোনো ব্যবস্থা না নিলে সে আপনার বাচ্চার ক্ষতি করতে পারে। তাই যাই করবেন দ্রুত করেন।

আমি এমন সময় তার হাতের দিকে খেয়াল করলাম দেখলাম তার হাতে আমি যে তাবিজটা বেঁধে দিয়েছিলাম সে তাবিজটা নেই। এমন সময় নুসরাত আবার বলতে লাগল,,,,

- এখন কিন্তু আপনার ওয়াইফ প্রেগনেন্ট, তাই আপনাকে সতর্ক করা আমার দায়িত্ব। যত দ্রুত সম্ভব মিশকাতের জানাজার ব্যবস্থা করুন। না হলে আপনারা কেউই রেহাই পাবেন না এবং কেউ বাঁচাতে পারবে না।

এই বলে সে চোখের সামনে থেকে নিমেষে উধাও হয়ে গেল। আমি খুব অবাক হলাম। কারণ একটা মানুষ কিভাবে ভেনিস হতে পারে। তাহলে কি এটা মিশকাত ছিল এবং আমাকে থ্রেট দিয়ে গেল? এর উত্তর আমি মিলাতে পারলাম না, আসলেই মিশকাত এবং নুসরাত এই দুজনের রহস্যটা কি?

[কমেন্ট বক্সে আসলে জানাবেন যে রহস্যটা কি ]

চলবে,,,,,,
36 Views
0 Likes
0 Comments
0.0 Rating
Rate this:
(0)

মন্তব্য

কোন মন্তব্য নেই

সকল পর্ব