(৩য় পর্বের পর থেকে...........)
যাবার সময় আমি ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা একজন গোলাপ ফুল বিক্রেতার কাছ থেকে কটা গোলাপ ফুল কিনে নিলাম। গোলাপ ফুল তিথির সবচাইতে বেশি পছন্দের ফুল। এমনিতেই ও যা রেগে আছে, গোলাপ ফুল দেখলে হয়তো ওর রাগ কিছুটা কমতে পারে!
তবে একটা ব্যাপার আমি কিছুতেই বুঝতে পারছি না "তিথি কেন অযথা রেগে আছে!" আর আমাকেই বা হঠাৎ সানি আঙ্কেলের বাড়ির পাশের পার্কটাতে আসতে বলল কেন ? ও কি আমায় কিছু বলবে নাকি অন্য কোন কাজের জন্য সে আমাকে ডেকেছে!
মনে মনে এসব সাত - পাঁচ ভাবছিলাম। ভাবতে ভাবতে কখন যে পার্কের সামনে এসে পৌঁছালাম বুঝতেই পারলাম না! বাইকটা পার্কের গ্যারেজে রেখে দিয়ে আমি ফুলগুলো হাতে নিয়ে তিথিকে খুঁজতে আরম্ভ করলাম। কিন্তু আমি তিথিকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না। ভাবলাম আমার দেরি হওয়ায় কারণে ও হয়তো পার্ক থেকে চলে গেছে! তাই আমি আবার পার্কের গ্যারেজের দিকে ফিরে যাচ্ছিলাম। এমন সময় দেখতে পেলাম তিথি পার্কের একটা বেঞ্চে মাথা নিচু করে বসে আছে। ওকে চিনতে আমার কোন ভুল হলো না। তাই আমি ওর দিকে এগিয়ে গিয়ে নরম গলায় ওকে একটা ডাক দিলাম-
আমি: তিথি!
আমার ডাক শুনতে পেয়ে তিথি নিজের মাথাটা ওপরের দিকে উঠাল! ওর চোখ - মুখ দেখে স্পষ্ট বুঝতে পারলাম ও কোনোকিছু নিয়ে খুবই চিন্তিত। কিন্তু বুঝতে পারছি না ও কি নিয়ে চিন্তিত হয়ে রয়েছে। ওর এমন চিন্তিত মুখটা দেখে আমিও কিছুটা চিন্তিত হয়ে ওকে উদ্দেশ্য করে আবার বললাম -
আমি: কি হয়েছে রে তিথি, আমায় হঠাৎ এখানে আসতে বললি কেন?
তিথি: নিশ্চুপ.........
আমি: কিরে তিথি, চুপ করে আছিস কেন? কিছু তো বল! (অস্থির হয়ে)
তিথি: অরণ্য, তুই কি আমায় সত্যিই ভালোবাসিস?
আমি: এটা আবার কেমন প্রশ্ন! (অবাক হয়ে)
তিথি: বল না, তুই কি আমায় সত্যিই ভালোবাসিস নাকি আমি শুধু তোর টাইমপাস ছিলাম।
আমি: এত বছর ধরে তুই আমায় এই চিনলি (কিছুটা কষ্ট পেয়ে)
তিথি: এই, তোর এই অযথা প্যাচাল পাড়া বন্ধ কর। যেটা প্রশ্ন করছি শুধুমাত্র সেটার উত্তর দে! (কিছুটা রেগে গিয়ে)
আমি: আমি তোকে খুব ভালোবাসি রে তিথি! নিজের থেকেও বেশি!
তিথি: সত্যিই তুই আমায় খুব ভালোবাসিস!
আমি: হ্যাঁ রে বাবা হ্যাঁ, তুই আমাকে যতটা ভালোবাসিস আমি তার হাজার গুণ বেশি তোকে ভালবাসি! শুধু তোকেই আর কাওকে নয়!
তিথি: আমি একটা কথা বলবো যদি তুই পারমিশন দিস তবে!
আমি: পারমিশন নেয়ার কি আছে তুই বল।আমি শুনছি।
তিথি: আমায় আজকেই বিয়ে করতে পারবি!
আমি: বিয়ে তো আমি তোকে অবশ্যই করব কিন্তু আজই কেন? (অবাক হয়ে)
তিথি: আজ আমায় পাত্রপক্ষ দেখে গেছে!বিয়ের দিন তারিখও ঠিক করে ফেলেছে। আর মাত্র পাঁচদিন পর আমার বিয়ে।
(পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন। এই পর্বটা কেমন হলো জানাবেন। আমি গল্প সমাহারের একজন নতুন লেখক, তাই জানিনা কেমন লিখছি। ভুলত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন আর এখন থেকে পর্ব ছোট হলে বলবেন পরের পর্বগুলো আরো বড়ো করে দেয়ার চেষ্টা করব)
মামাতো বোন যখন রোমান্টিক বউ পর্ব (০৪)
499
Views
37
Likes
5
Comments
5.0
Rating

সকল মন্তব্যগুলো (5)
খুব সুন্দর হয়েছে
দারুন দারুন লেখার ধরন আপনার
Nice story 👍👍👍👍
অনেক ভালো লেগেছে
দারুণ লেগেছে