অবশেষে তোমাকে পাওয়া (পর্ব ৫+৬)

শুভ্র এগিয়ে এসে বন্ধুদের উদ্দেশ্যে বলল কী রে এভাবে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে আছিস কেন? কিছু কী হয়েছে?

তন্ময় বোকা বোকা ফেস করে বলতে লাগল তুই এতক্ষন ধরে একটা মেয়ের সাথে এভাবে গায়ে পড়ে ঝগড়া করছিলি শুভ্র ৷

তারমধ্যে আকাশ বলে উঠল ভাই তুই শুধু মেয়েটার সাথে ঝগড়া করবি বলে এভাবে পড়ি কী মরি বলে দৌড় দিলি ৷

শুভ্র তুই ঠিক আছিস তো ভাই ? নাকি ভুতে টুতে ধরল তোকে? নীলাদ্রর বলা কথাটা শুনেই শুভ্র ভ্রূ কুঁচকে তাকালো ওদের দিকে ৷

রাহুল পরিস্থিতি বুঝে শুভ্র কে জিজ্ঞেস করল - তোর কী হয়েছে রে শুভ্র একটু খোলসা করে বলতো আমাদের ৷ গত চারদিন ধরে খেয়াল করছি তোকে তুই আগের থেকে অন্য রকম বিহেভ করছিস ৷ কারনটা কী বলতো?

রাহুল এর সাথে তাল মিলিয়ে বাকিরাও জিঞ্জেস করল ৷ সবাই উৎসুক দৃষ্টিতে শুভ্রর দিকে তাকিয়ে আছে কথাটা শোনার জন্য ৷ শুভ্র কিছুক্ষন চুপ থেকে কোনো ভণিতা ছাড়াই বলে উঠল " I am in love"

আকাশ তখন সবে জলটা মুখে দিয়েছে খাবে বলে ৷ শুভ্রর বলা কথাটা কর্ণগোচর হওয়ার সাথে সাথে মুখের সব জল ছিটকে সোজা গিয়ে পড়ল তন্ময়ের গায়ের ওপর৷ নীলাভ্র যেন কথা বলতেই ভুলে গেছে ৷ রাহুল তো ভূত দেখার মতো চমকে উঠল ৷ দুই মিনিট চলল নিস্তব্ধতা। হঠাৎই নিস্তব্ধতা ভেঙে একসাথে চেঁচিয়ে উঠল সবাই ৷ সাথে সাথে নিজের কান চেপে ধরল শুভ্র ৷

রাহুল অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল কবে ?কখন? কোথায়? কীভাবে?

সাথে সাথে নীলাদ্র তাল মিলিয়ে বলতে লাগল শুভ্র ভাইরে তুই সত্যি সত্যি প্রেমে পড়লি? এ অসম্ভব সম্ভব কেমনে হল?

আকাশ বুক ফুলিয়ে বলে উঠল বোম্বাই মরিচের হাতে চ* র খেয়ে ধপাস করে চিৎপটাং হয়ে তার প্রেমে পড়ে গেল ৷ আমি আগেই তোদের বলেছিলাম কিন্তু তোরা বিশ্বাস করিস নি এখন মিলল তো আমার কথা ৷ আমার কথা মিলে গেছে এখন দে পুরস্কার ৷

তন্ময় আকাশ কে ফোড়ন কেটে বলল হ্যাঁ তোকে তো নোবেল ছুঁড়ে মারা উচিৎ ৷

রাহুল বিরক্ত হয়ে বলল এই তোরা থামত । আগে পুরোটা তো শুনতে দিবি ৷ আচ্ছা শুভ্র এবার বল মেয়েটার নাম কী? নামটা জানিস তো?

শুভ্র একবার অসহায় দৃষ্টিতে সবার দিকে তাকালো তারপর বলল নামটাই তো জিজ্ঞেস করতে ভুলে গেছি ৷

সাথে সাথে সবার মাথায় হাত ৷ তন্ময় একটু আশ্চর্য হয়েই বলল এতক্ষন তুই পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া করে আসলি আর এখন বলছিস তুই মেয়েটার নামটাই জানিস না।

- ঝগড়া করতে গেলে নাম জানা লাগে নাকি? আমার তো মনে হয় ওর নাম মিস ঝগড়ুটে রাখাটাই বেস্ট ৷

যাই বল শুভ্র মেয়েটা কিন্তু ভীষন মিষ্টি। কথাগুলোই শুধু মরিচের মতো বলে এই আর কি ৷ (নীলাদ্র)

- ওর মায়াবী মুখটাই তো বেশি আকর্ষন করে আমায় ৷ চোখ গুলো যেন সমুদ্রের চেয়েও বেশি গভীর ৷

ভাইরে মানুষ প্রেমে পড়লে সবার আগে গিয়ে নামটা জিজ্ঞেস করে ৷ আর তুই কিনা নামটাই জিজ্ঞেস করতেই ভুলে গেছিস ৷ (রাহুল)

বেচারা শুভ্র তো চ* র খেয়ে প্রেমে পড়ছে ৷ আর সেই চ*রের সাইড এফেক্টেই নাম জিঞ্জেস করতে ভুলে গেছে ৷ আকাশ কথাটা বললেই সবাই হাসতে শুরু করে ৷

শুভ্র এবার জু*তো খুলে ওদের দিকে ছুঁড়ে মারে ৷ শুভ্র গম্ভীর হয়ে বসে আছে দেখে আবারও হাসিতে ফেটে পড়ল সবাই ৷

- কিছু জানাতে পারলি সিয়াম ? (রাতুল)
রাতুল মেয়েটির নাম আয়াদ্রিতা শর্মা ৷ অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী ,কেমিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টে ৷ এখানে ওর মামার বাড়িতে থাকে ৷ ব্যাস এটুকুই ইনফরমেশন পেয়েছি ৷

- এটুকুই যথেষ্ট আমার জন্য। আজকে কি মেয়েটি ভার্সিটিতে এসেছে?
জানিনা এখনো পর্যন্ত দেখতে পাইনি আমি৷ যদি এসে থাকে তাহলে আমি তোকে জানাবো এখন ক্লাসে চল৷

এই আয়ু শুভ্র চৌধুরী তখন তোকে কী বলছিল রে? উল্টোপাল্টা কিছু বলছে কী? তুই যেভাবে রাগ দেখিয়ে আসলি ৷

ওই শুভ্র চৌধুরী এসেছিল ঝগড়া করতে ৷ কি ঝগডুটে রে বাবা ৷ মেয়েরাও মনে হয়না এত ঝগড়া করতে পারে ৷

এটা একটু বেশি বললি তুই আয়ু ৷ শুভ্রর মতো হ্যান্ডসাম চার্মিং শান্ত একটা ছেলে কখনোই ঝগড়া করবে না রে ৷

আয়ু সরু দৃষ্টিতে তিথির দিকে তাকিয়ে বলল বাই এনি চান্স তুই কি আমায় মিথ্যাবাদী বলছিস ? তোর একটুও কৃজ্ঞতাবোধ নেই বল , এত ঝামেলা তো হতোই না যদি তোকে কেউ খারাপ কথা না বলত ৷ আর নাই আমি ভুল করে চ*র টা মারতাম ৷ সব ঝামেলার মূলে তুই ৷ বলেই দ্রুত গতিতে হাটতে লাগল ৷

আরে আমি ওভাবে তোকে বলতে চাইনি আয়ু ৷তুই ভুল ভাবছিস ৷ আরে আমার কথাটা তো শোন এই আয়ু ৷ দারা মা আমার ৷ আরে শুনবি তো ৷ ডাকতে ডাকতে তিথি একপ্রকার দৌড় দিল ৷ হঠাৎই ওর সামনেকয়েকজন এসে দাড়ালো আকস্মিক ঘটনায় তাল সামলাতে না পেরে উলটে পড়ে যাচ্ছিল তখনই একজোড়া হাত তাকে আগলে নেয় ৷

এভাবে পাগলের মতো দৌড়াচ্ছ কেন? এখুনি তো পড়ে হাত পা ভাঙতে ৷ কিছুটা ক্রোধের সাথেই কথা গুলো বলে উঠল নীলাদ্র ৷

নিজেকে কিছুটা ধাতস্থ করে তিথি বলল আপনারা যদি হঠাৎ আমার রাস্তায় না আসতেন তাহলে আমিও পড়তাম না ৷ কথাটা বলেই তিথি সামনের দিকে তাকালো কিন্তু আয়াদ্রিতাকে আর দেখতে পেল না।

আকাশ এগিয়ে এসে জিঞ্জেস করল তা এরকম দৌড়ে কোথায় যাচ্ছিলে তুমি? আর তুমি একা কেন ? তোমার ওই বোম্বাই মরিচের মতো বান্ধুবীটা কোথায় ?

আরে ধুর আমি তো আয়ুর পেছনেই দৌড়াচ্ছিলাম ও রাগ করে বেরিয়ে গেছে তাই ওর পিছু পিছু যাচ্ছিলাম ৷ কিন্তু আপনার খাম্বার মতো বন্ধু এসে পথটা আটকে দিল ৷

নীলাদ্র চেচিয়ে বলে উঠল এই মেয়ে তুমি খাম্বা কাকে বলছ ?

জ্বি আপনাকেই বলেছি শুনতে পাননি আপনি, কানে কালা নাকি?

এই মেয়ে তুমি....... কথাটা সম্পূর্ন করতে না দিয়েই শুভ্র বলে উঠল তোরা কী ঝাগড়া করা থামাবি নাকি আমার হাতের থা*প্পর খাবি। শুভ্রর কথা শুনে দুজনেই চুপ করে গেল ৷ এবার শুভ্র শান্ত ভঙ্গিতে তিথির সামনে গিয়ে প্রশ্ন করল তোমার নাম কী? আর কোন ডিপার্টমেন্ট?

তিথি অকপটেই উত্তর দিল আমার নাম তিথি ঘো্ষ, আনার্স প্রথম বর্ষ , কেমিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টে ৷

সেদিন তোমার সাথে যেই মেয়েটি ছিল তার নাম কী? তিথি আবার ও ভাবলেশহীন ভাবে বলল ওর নাম তো আয়ু মানে "আয়াদ্রিতা শর্মা" ৷ কেন ভাইয়া কোনো দরকার ?

না কিছু না ৷ এবার তুমি আসতে পার। আর সাবধানে চলাফেরা কর না হলে আবার হোঁচট খেয়ে পড়ে যাবে ৷ কথাটা বলেই শুভ্র নীলদ্রর দিকে তাকালো ৷ তিথিও আর কিছু না চলে চলে গেল ৷

ভার্সিটির গেট থেকে কিছুটা দূরে রাস্তা পার হওয়ার জন্য এগোচ্ছিল হঠাৎই হাতে টান অনুভব হওয়ায় পেছন দিকে হেলে পড়ল ব্যক্তিটি ,ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব সে ৷ সামনে তাকিয়ে দেখে মেয়েটি জোড়ে জোড়ে শ্বাস নিচ্ছে ৷ কিছু কড়া কথা শোনাতে যাবে তার আগে মেয়েটি বলে উঠল আপনি কি পাগল নাকি? দেখে চলতে পারেন না? নাকি সেদিন আপনাকে চ*র মে*রেছিলাম বলে এখন সু*ইসাইড করতে যাচ্ছেন ? কোনটা? আর একটু হলেই তো ট্রাকটা আপনাকে পিষে দিয়ে চলে যেত ৷ কথাগুলে একদমে বলে থামল আয়ু ৷

রাতুল কথগুলো শুনেই ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছে ৷ সত্যি ও ট্রাকটাকে খেয়াল করেনি ৷ সামনে তাকিয়ে এবার মেয়েটিকে ভালো করে দেখল কি মায়াবী মুখ ডাগর ডাগর চোখ গোলাপের পাপড়ির ন্যায় কোমল গোলপি ঠোঁট ৷ মেয়েটিকে দেখতে দেখতেই যেন হারিয়ে গেল সে ৷ হঠাৎ মেয়েটির কন্ঠ শুনে ধ্যান ভাঙল তার , কী হল কিছু বলেছেন না কেন? বাকশক্তি হারালেন নাকি?

রাতুল এবার বলে উঠল আমার প্রান বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ ৷ পরেরবার থেকে খেয়াল রাখব ৷ মেয়েটি কিছু না বলে চলে যাওয়ার জন্য সামনে পাবড়ালেই পেছন থেকে রাতুল ডেকে ওঠে ' শুনুন ' মেয়েটি থেমে পেছনে তাকায় ৷ রাতুল বলে উঠল আপনার নামটা জানতে পারি?উত্তরে মেয়েটি বলল আয়াদ্রিতা শর্মা৷ সেদিন মেয়েটিকে ঠিক ভাবে দেখেনি রাতুল তাই চিনতে একটু অসুবিধা হয়েছিল ৷ যদি কিছু মনে না করেন তাহলে একটা কথা বলতে চাই ৷ অনুমতি আছে?

- অনুমতি নেওয়ার কী আছে আপনি বলুন ৷
সেদিনের জন্য আমি দুঃখিত সেদিন আমাদের জন্যই আপনার ফ্রেন্ডকে হ্যারাস হতে হয়েছিল তার জন্য আমি অনুতপ্ত ৷ আমায় ক্ষমা করা যায় না?

আপনি যখন আপনার ভুল বুঝতে পেরেছেন তখন আমি আপনাকে ক্ষমা করে দিয়েছি ৷
আপনি যে আমায় ক্ষমা করে দিয়েছেন এটা আমি কীভাবে বুঝব? প্রমান লাগবে তো ৷

-কী করলে আপনি বুঝবেন আমি ক্ষমা করে দিয়েছি আপনাকে ?

যদি ক্ষমা করে দিয়ে থাকেন তাহলে আমরা কী বন্ধু হতে পারি? আপনি যদি আমার বন্ধুত্ব একসেপ্ট করেন তাহলে আমি বুঝব আপনি আমায় ক্ষমা করেছেন ৷

- ঠিকাছে আমি আপনার বন্ধুত্ব একসেপ্ট করলাম। এবার খুশি ৷

তাহলে চলুন এক কাপ কফি খেয়ে আসি ৷
আজ না অন্য কোনো দিন ৷ আজ অনেক লেট হয়ে গেছে আমার বাড়ি ফিরতে হবে ৷

আচ্ছা ঠিক আছে ৷ সাবধানে যাবেন ৷ আর বলছিলাম যে আমি যদি তুমি করে ডাকি তাহলে কী সমস্যা হবে ?

- জ্বি না কোনো সমস্যা নেই ৷ বলেই আয়ু চলে গেল ৷ পেছন ফিরে যদি একবার তাকাতো তাহলে হয়তো দেখতে পেত একজোড়া দৃষ্টি এতক্ষন ওর দিকেই নিবন্ধ রয়েছে ৷

প্রথমবার কোনো মেয়ের স্পর্শে রাতুলের মনে এক অজানা অনুভূতিরা জানান দিচ্ছে ৷ সে একদৃষ্টে আয়ুর যাওয়ার পথে তাকিয়ে আছে।

কিরে শুভ্র কী ভাবছিস এত ? শুভ্রর মা কথাটা বলে পাশে এ্সে বসল ৷ ছোট থেকেই শুভ্র সব কিছু তার মাকে বলে ৷ আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি৷
মা আজ দ্বিতীয়বারের মতো আমি ওকে দেখেছি ৷ এই চারদিন তো ঠিক ভাবে ঘুমাতেই পারিনি ওর চিন্তায় ৷

তা আমার বউমাকে কবে আনবি আমাদের বাড়িতে ? আচ্ছা শুভ্র মেয়েটা কেমন রে? আর নামই বা কী?

এখনো নিজের মনের কথা জানাতে পারলাম না আর তুমি বউমা বানিয়ে বসে আছ ৷ মেয়ে তো নয় যেন এটম বোম ৷

আচ্ছা শুভ্র তুই কি সত্যি মেয়েটার হাতে চ* র খেয়ে তার প্রেমে পড়লি বাবা ৷ তোকে চ* র মেরেছে ভাবাযায় বলেই হেসে দিল শুভ্রর মা আশালতা চৌধুরী ৷

মা এখন তুমিও শুরু করলে, আমি যখন প্রথম বার ওই মায়াবী মুখখানি দেখলাম তখন যেন আমার পুরো দুনিয়া থেমে গেল। তোমাকে বলে বোঝাতে পারবো না মা ৷

সবই বুঝলাম এবার বল আমার বউমার নামটা কী? নাকি আজকেও নাম না জেনেই চলে এসেছিস?

উফ.... মা তাহলে শোনো ওর নাম আয়াদ্রিতা শর্মা৷ আনার্স প্রথম বর্ষ ৷

বাহ: খুব মিষ্টি নাম তো ৷ কথা বলেছিস ওর সাথে ?

হ্যাঁ মা বলেছি ৷ এখন খেতে দাওতো খুব খিদে পেয়েছে ৷ সেই সকালে খেয়েছি আর খাইনি ৷

এই শোনো ছেলের কথা , উফ তুই কোনোদিনই সুধরাবি না বল ৷ তাড়াতাড়ি নীচে আয় এসে খেয়ে যা আমি তোর জন্য খাবার বেরে দিচ্ছি ৷ আর তোর বাবা আজকে বাড়ি আসলে বউমার কথাটা বলিস ৷ তোর বাবা তো খুশিতে আত্মহারা খবর টা শোনার সাথে সাথে ৷

- বাবা কি সিঙ্গাপুর থেকে ফিরছেন ?
হ্যাঁ রে সে তো তার ঘরের লক্ষ্মীকে দেখার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে ৷ আমি যখনই বলেছি ছেলে আমার বউমা ঠিক করেছে তখনই ফ্লাইট এর টিকিট কেটেছেন তিনি ৷

এবার তাড়াতাড়ি খেয়ে ঘুমিয়ে পড় বাবা কাল তো আবার ভার্সিটি যাবি ৷ বলেই চলে গেলেন ৷

শুভ্র ও বাধ্য ছেলের মতো খেয়ে শুয়ে পড়ল ৷ যেন অনেক দিন পড় শান্তিতে ঘুমাতে পাড়বে ৷ নিজের মনে গুনগুন করে গাইতে লাগল......

রাতেরই আধারে অজানা ছোঁয়া
মায়াবী চোখে কী মায়া যেন গোধুলী আবির মাখা
রাতেরই আধারে অজানা ছোঁয়া
মায়াবী চোখে কী মায়া যেন গোধুলী আবির মাখা ৷৷

কী নেশা ছড়ালে কী মায়ায় জড়ালে
কী নেশা ছড়ালে কী মায়ায় জড়ালে ৷

চোখে চোখে চেয়ে থাকা কবে হবে বলো কথা বলা
আবেগী মন বাঁধা মানে না
তুমি ছাড়া কিছু চাই না
জানি তুমি আছো একা তবে কেন বলো দূরে থাকা
সময় তো থেমে থাকে না দ্বিধা ভেঙে কাছে এসো না
কী নেশা ছড়ালে কী মায়ায় জড়ালে
কী নেশা ছড়ালে কী মায়ায় জড়ালে ৷৷

মায়াবী মুখ খানি ভেসে উঠল শুভ্রর সামনে মুচকি হেসে চোখ জোড়া বন্ধ করল ৷ একসময় গভীর তন্দ্রায় আচ্ছন্ন হয়ে যায় সে ৷
604 Views
8 Likes
5 Comments
5.0 Rating
Rate this:
(3)

মন্তব্য

সকল মন্তব্যগুলো (5)

Reader photo
Unknown
13-Jul-2025, 08:20 PM

golpo ta sondor lagtise. next part taratari den

Reader photo
Hima Talukder
21-Apr-2025, 04:44 PM

next part

Reader photo
Sushant Singh Rajput
24-Sep-2024, 11:46 PM

পরবর্তী অংশ গুলো দেন প্লিজ

Reader photo
দ্বীনা
28-Aug-2024, 10:10 PM

প্লিজ একটু তাড়াতাড়ি বাকি পর্বগুলো দিন।

Reader photo
golpo lover
07-Aug-2024, 05:11 PM

next part taratari diyrn plz