রাত তখন ঠিক ৩টে।
এই সময়টাকে তারানাথ তান্ত্রিক বলতেন—
“তৃতীয় ঘণ্টা… যেখানে জীবিত আর মৃতের মাঝখানের দেওয়াল সবচেয়ে পাতলা।”
বীরভূমের এক প্রাচীন শ্মশান।
চারদিকে শাল-গজারি গাছ, বাতাসে পোড়া কাঠ আর ধূপের গন্ধ।
শ্মশানের মাঝখানে বসে আছেন তারানাথ—
পরনে মলিন গেরুয়া কাপড়, গলায় রুদ্রাক্ষ, চোখ দুটো আধখোলা।
হঠাৎই বাতাস থমকে গেল।
চিতা আগুনের শব্দ বন্ধ।
কুকুরের ডাক থেমে গেল।
আর সেই নিস্তব্ধতার ভেতর থেকে ভেসে এলো একটা মেয়ের কান্না।
“বাবা… আমাকে বাঁচাও…”
তারানাথ চোখ খুললেন।
কান্না আসছে শ্মশানের দক্ষিণ কোণ থেকে—
যেখানে বহু বছর ধরে কেউ যায় না।
তিনি উঠে দাঁড়ালেন।
হাতে নিলেন ভৈরব মুদ্রা খচিত কাঠের দণ্ড।
দক্ষিণ কোণে পৌঁছেই দেখলেন—
একটি অদ্ভুত দৃশ্য।
এক তরুণী, শ্বেত শাড়ি পরা,
চুল এলোমেলো, পায়ে কোনো ছাপ নেই।
সে মাটির একটু ওপরে ভাসছে।
তারানাথ বুঝলেন—
এ...