প্রায়ই বাংলা সিনেমায় দেখা যায় মারাত্মক ওজনের নায়িকা কে খুব সহজে নায়ক কোলে তুলে ফেলে।
একটা তরুন খুব সহজেই বিপুল পরিমাণ ভারী তরুণীকে কোলে তুলতে পারে কিন্তু সামান্য একটু ভারী বালতি বা গ্যাসের সিলিন্ডার কাঁধে তুলতে হিমশিম খায়।
কিন্তু এর কারণ কি?
তরুণীকে কাঁধে তোলার ক্ষেত্রে কি কোন ধরনের জৈবিক শক্তি কাজ করে।
তা না হলে কেন বিপুল পরিমাণ ভারী তরুণীকে কাঁধে তুলে পেয়ারা পারতে যাবে।
এই ব্যাপারটা একটু খুঁচিয়ে দেখা যাক,
৫০ থেকে ৬০ কেজি ভারী ওজনের তরুণী যখন লাফ দিয়ে তরুণের কোলে উঠে যায় তখন তরুণীর সারা শরীরে ভর তরুণের সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে৷
ঘাড় থেকে শুরু করে পা পর্যন্ত সবখানেই ওজন সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
যেহেতু সারা শরীরে ওজন সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে তাই ভরকেন্দের তেমন একটা পরিবর্তন হয় না৷
যদি সামান্য একটু হয়েও থাকে তা এদিক সেদিক করে ভরকেন্দ্র দু পায়ের মাঝখানে নিয়ে আসে।
ভরকেন্দ্র যখন দু পায়ের মাঝ বরাবর তখন আর ভয় কিসের?
এমন তরুণীকে কোলে নিয়ে দৌড়ানো যায়।
কিন্তু অপরদিকে সিলিন্ডার বা বালতি কাঁধে নিতে গেলে অনেক হিমশিম খেতে হয়।
কিন্তু এগুলো হচ্ছে তরুণী থেকে অনেক হালকা।
সাধারণত একটা সিলিন্ডার তুলতে গেলে একটু কুজো হয়ে তুলতে হয়।
এই কুজো হবার ফলে দু পায়ের মাঝ বরাবর থেকে ভরকেন্দ্র সরে যায়।
আর ভরকেন্দ্র দুপায়ের মাঝ বরাবর থেকে সরে গেলে হাঁটতে চলতে হয় বিপত্তি।
এই দুটো ব্যাপারে আসলে কোন জৈবিক শক্তি কাজ করে না।
সবই বৈজ্ঞানিক, তাই যত দোষ পদার্থবিদ্যার।

কোন মন্তব্য নেই