প্রায় ২ মাস হয়ে গেছে তিশাকে পড়াচ্ছি। প্রতিদিনের মতো আজকেও অফিসের কাজ শেষ করে সন্ধ্যাবেলা ওদের বাসায় গেলাম। কয়েকটা অংক করতে দিয়েগেছিলাম। শুধু একটা অংক করতে পারেনি। আমাকে বললো ওই অংকটা বুঝিয়ে দিতে। খাতা কলম টা নিয়ে খাতার দিকে তাকাতে বললাম। আমি অংকটা করে বুঝিয়ে দিচ্ছি। হঠাৎ খেয়াল করলাম তিশা খাতার দিকে না তাকিয়ে আমার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।
একটা ধমক দিয়ে বললাম , খাতার দিকে তাকাও। পরেরবার না অংকটা না করতে পারলে কিন্তু পিটানি দিবো। ওর মা কয়েকদিন আগে আমার কাছে একটা কাঠের স্কেল দিয়ে বলেছে পড়া না পারলে এটা দিয়ে পিটাতে। তাই স্কেল টা দিয়ে একটু ভয় দেখালাম। আমার দিকে ঐভাবে তাকানোকে স্বাভাবিক তাকানো ধরে নিলাম। কিছুক্ষন পর আবার দেখলাম একটু অন্যভাবে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আজ কয়েকবার খেয়াল করলাম ওর তাকানো।
মনে মনে ভাবতে লাগলাম ,
ও আমার দিকে ওভাবে কেন তাকাচ্ছে। আমি ওকে পছন্দ করি এটা তো ওকে আমি বুজতে দেইনি বা বলিনি এখনো। তাহলে ও আমাকে এভাবে কেনো দেখে। তাহলে কি তিশাও আমাকে পছন্দ করে। না এটাতো সম্ভব না। ও এসব পছন্দ অপছন্দের কি বুজবে। এখনো ছোট্ট মেয়ে।
এসব ভাবতে ভাবতে রাত কেটে গেলো।
পরের দিন আবার পড়াতে গেলাম। আমি আজ একটু আড়চোখে তাকাচ্ছি ওর দিকে। দেখতে চাই ও কি করে। কিছুক্ষণ পরে আবার খেয়াল করলাম তিশা আমার দিকে একনাগাড়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে যখন আমি খাতায় কিছু লিখি।
একটু আস্তে করে জিজ্ঞেস করলাম, এভাবে আমার দিকে তাকাও কেনো? তিশা বললো, কই নাতো। আমি তো স্যার খাতার দিকেই তাকিয়ে ছিলাম।
এভাবে কয়েকদিন কেটে গেলো। একদিনে আমি ঠিক বুঝে গেলাম তিশাও হয়তো আমাকে পছন্দ করে। মনে মনে ডিসিশন নিলাম আজ ওকে জিজ্ঞেস করবো ও আমাকে পছন্দ করে কিনা।
চলবে......
একটা মিষ্টি প্রেমের গল্প (পর্ব ৩)
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
632
Views
21
Likes
2
Comments
4.8
Rating