আমি একটু ভয়েই পেলাম কারণ মানুষ এতো ফর্সা কিভাবে হয়। বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়ার কারণ আমার কাছে আবিষ্কার হয়ে গেলো, তবে ছোট মেয়েটা কথা মনে পরে মনে মনে হাসি আসছিলো কারণ সে নিলাকে ভূত বলছিলো। ভূত অবশ্য বলতেই পারে কারণ সে যে ফর্সা তাকে পরি বললে হয়তো ভুল বলা হবে না, নীলাকে জিজ্ঞেস করলাম এবাড়ি লোকরা তোমার কি হয়?
বললো এটা আমার মামার বাড়ি। আমার বাবা মা মারা যাওয়ার পর থেকে এখানেই থাকছি, তবে মনে মনে খুশি হলেও ম
ভয়টা মনে রয়ে গেলো,তার ভয়ংকর চোখ দুটো মনে হচ্ছে গিলে খাবে।
আমি তাকে জানালাম তাকে আমার পছন্দ হয়েছে, সে ও সেম উত্তরে বললো আমাকে ও তার পছন্দ হয়েছে। তারপর তার কাছ থেকে তার মোবাইল নাম্বারটা চাইলাম কিন্তু অবাগ করা বিষয় হলো
সে বললো সে নাকি মোবাইল ব্যবহার করে না !
তবে ভাবলাম আধুনিক যুগে মোবাইল চালায় না ?
তবে মনে মনে খুশি হলাম যাক ভালো একজন ভালো মেয়ে বউ হিসেবে পাওয়া যাবে ।
তবে তার অদ্ভুত চরিত্র আমার মনের মাঝে ভয়টা রয়ে গেলো, আমি তাদের থেকে বিদায় নিলাম এই বলে মেয়ে আমার পছন্দ হয়েছে আমি পরবর্তীতে বিয়ের তারিখ জানিয়ে দিবো ।
সময় নেয়ার কারণ হচ্ছে এই অদ্ভুত চরিত্রের কারণ কি তা জানা ,আর নাহলে তাকে আমি তখনি সাথে নিয়ে আসতাম।
আমার মনে হচ্ছিলো এ মেয়েটার দিকে তাকিয়ে আমি সারা জীবন কাটিয়ে দিতে পারবো ।
বাড়িতে এসে মাকে জানালাম নীলার ব্যপারে,আর অন্যদিকে দুইজন ছেলে নিযুক্ত করলাম নিলার পূর্বের তথ্য উদঘাটনের জন্য ।
এদিকে আমার রাতের ঘুম হাড়ালাম,এতো সুন্দর মেয়ে ঘরে আনতে পারলে আর কি চাই, কিন্তু এ মেয়েকে এতো ছেলেরা রিজেক্ট করেছে কেন বুঝতে পারলাম না ?
মাকে কোন রকম খাবার খাওয়ায়ে তারপর ঔষধ খাওয়ায়ে ঘুম পরিয়ে দিয়ে নিজের রূমে চলে আসলাম ঘুম আর হলো না, নীলাকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে রাত শেষ হলো।
সকালে চলে আসলাম কুচিংয়ে ,আফিসে ঢুকতেই সাহেদ সাহেব হাজির বললো কি ব্যাপার শামিম সাহেব খুশি খুশি মনে হচ্ছে?
মেয়ে দেখতে গেলেন কি খবর ?
পছন্দ হয়েছে?
আমিতো খুশিতে বললাম পরী আবার পছন্দ না হয় ।
ভাই এতো সুন্দর মেয়ে আমি জীবনেও দেখিনাই শুধু প্রশংসা আর প্রশংসা, দেখলাম সাহেদ সাহেবর মুখটা হতাশ হয়ে গেলো কিন্তু কেনো তা বুঝে উঠতে পারলাম না, জিজ্ঞেস করলাম কি ব্যাপার সাহেদ সাহেব মুখ চুপশে গেলেন যে?
ওনি কিছু না বলে উঠে চলে গেলেন আমি বুঝলাম না আমি কি নীলার প্রশংসা বেশি করে ফেললাম?
আর যত প্রশংসা করিনা কেনো যে সুন্দর তার বর্ণনা দেয়া আমার পক্ষে সম্ভব না। দূর এতো কিছু ভেবে লাভ নাই কোচিং ক্লাসে চলে গেলাম ফুরফুরে মেজাজে ক্লাস শেষ করলাম, সারাদিনের ব্যস্ততা শেষ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলাম তবে রাত হয়ে গেলে মনটা বড় একা যায়, কবে যে নীলাকে কাছে পাবো ভাবতে ভাবতেই রিক্সাটা বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ালো রিক্সা ভাড়া চুকিয়ে ঘরে ঢুকলাম, দেখলাম মা ঘরে বিছানায় বসে আছে আমাকে দেখেই উঠে দাড়াতে চাইলো কিন্তু আর পেরে উঠতে পারলো না আমি একটু দ্রুত হেঁটে গিয়ে মাকে ধরে বসিয়ে দিলাম
বরফ কন্যা পার্ট -০৩
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
440
Views
10
Likes
2
Comments
4.7
Rating