নর্তকীর মহল (পর্ব ০২)

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
রাতটা কোনোরকম ভাবে পার হয়ে যায়৷ জানালা দিয়ে বাহিরে দেখা যাচ্ছে সূর্য কেবল উঠছে আকাশে৷ আস্তে আস্তে আলোকিত হচ্ছে সবকিছু৷ আর্য উঠে পড়ে৷ সে দ্রুত হাত মুখ ধুয়ে আসে৷
ক্ষুধায় তার পেটে ইঁদুর চো চো শব্দ করছে৷ সে প্রাসাদ থেকে বের হয়ে দোকানের উদ্দেশ্য রওনা হয়৷ গতকাল থেকে তার পেটে কোনো খাবার পড়েনি৷
হাঁটতে হাঁটতে তার সামনে পড়ে কৌশিক রায়৷ কৌশিক রায় হলো আর্যর খুব ভালো বন্ধু৷ কৌশিক তার থেকে বয়সে তিন কি চার বছরের ছোট হবে৷ কিন্ত বন্ধুত্ব কি আর বয়স মানে৷ তাদের দেখে মনে হয় তারা দুই ভাই৷ তাদের মধ্যে এতো মিল৷
আর্য আর কৌশিক একে অপর এর সাথে কথা বলতে থাকে রাস্তায়৷
আরে কৌশিক যে,কি খবর তোর?ভালো আছিস তো? পরিবারের সবাই ভালো আছে তো?
আর্যকে দেখে কৌশিক কিছুটা অবাক হয়৷
আমিতো ভালোই আছি৷ তোমার কি খবর?৷ তুমি গ্রামে এলে আমাকে বললে ও না৷ দেখা ও করলে না৷ কাহিনী কি? কোনো মেয়ের চক্করে পড়েছো নাকি? তো যাচ্ছো কোথায় এই সকাল সকাল?৷ আর কোথায় থাকছো?৷
আরে থাম বাবা থাম! আর কতো প্রশ্ন করবি?৷তোর সব প্রশ্নের জবাব দিবো৷ আগে চল আমার সাথে৷ বড্ড ক্ষুধা পেয়েছেরে ভাই৷
কৌশিক বলল,চলো চলো যেতে যেতে গল্প করি তাহলে৷ এখন বলো আমায়৷
আর্য বলে,আমি ও দিব্বি ভালোই আছি৷ কিন্ত কিছু কথা না বললেই নয়৷ আমি এসেছিলাম এক কাজে৷ তোদের এদিকে যে প্রাসাদটা রয়েছে মানে যেটাকে তোরা নর্তকীদের মহল বলিস আমি সেখানে উঠেছি গতকাল৷ আর সেখানেই থাকছি৷ তবে জানিস ভেতরে না খুবই গোলমাল পাকানো৷ আমি বোঝাতে চেয়েছি অনেক রহস্য এর ভেতর৷ কাল রাত খুব ভয়ে কেঁটেছে৷ আর প্রাসাদে আমি ছাড়া কেউ থাকছে না অথচ আমি সেখানে নাচ,গান সব কিছুর আওয়াজ শুনেছি, সাথে এক লোকের সাথে এক মেয়ের কথা হচ্ছিলো তাও শুনেছি৷
দরজা বন্ধ থাকা সত্ত্বেও ভেতর থেকে মিষ্টি সুঘ্রাণ ভেসে আসে৷ আর প্রাসাদে এক বিশাল আকারে অদ্ভুত এক দরজা আছে৷ যে দরজায় কারুকাজ করা রয়েছে৷ বিভিন্ন রাজাদের ছবি ও আঁকা রয়েছে৷ খুব অদ্ভুত সুন্দর যেটা তুই না দেখলে বুঝবি না৷
কৌশিক এর চোখ আসমানে উঠে যায়৷ ভ্রু কুচকিয়ে তোতলাতে তোতলাতে বলে তুমি ঐ মহলে কেনো গিয়েছো৷ তুমি কি জানো না মহল যে অভিশপ্ত৷ আমি যতটুকু জানি এই মহলে অনেক মানুষের আত্মা ঘোরাফেরা করে৷ কেউ ভেতরে গেলে ও নাকি ফিরে আসে না৷ আর মহলের কোনো এক কক্ষে অনেক স্বর্ন, অলংকার রয়েছে৷ এই কিছুদিন আগে ও কোনোভাবে হয়তো গ্রামের কিছু চোর চুরি করতে গিয়েছিলো মহলে আর সেটা দেখে ফেলে আমাদের বাড়ির কাছের এক কাকু৷ ভেতরে যেই চোর গুলো গিয়েছিলো তারা ও অদৃশ্য হয়ে যায়৷ তারা কি মরে গেছে না বেঁচে আছে কেউ জানে না৷ আর সেই কাকু কি দেখেছে জানি না সে আর কথা বলতে পারে না৷ তার চোখ দুটো ও অন্ধ হয়ে গেছে সাথে কানে ও কিছু শুনতে পায় না আর৷ তাকে অনেক কবিরাজ অনেক ডাক্তার দেখানো হয়েছে লাভ হয়নি৷ সময় থাকতে ওখান থেকে বেড়িয়ে আসো৷ জায়গাটা ভালো নয়৷
আর্য বেশ চিন্তায় পড়ে৷ কথা বলতে বলতে খাবারের দোকানে গিয়ে বসে৷ দোকানের মালিক আর্যকে দেখে বলে সাহস ভালো কিন্তু সবকিছুতে দুঃসাহস ভালো না৷ সে তোমায় ছাড়বে না এই বলে হেসে উঠলো৷
আর্য হতভম্ব হয়ে যায়৷ সে এই লোকটিকে চেনে ও না৷ তাহলে কি করে সে এসব বলছে৷
মালিকের ছেলে বলে,সাহেব আপনি আমার বাবার কথায় কিছু মনে করবেন না উনি পাগল হয়ে গেছে, আর সবাইকেই যা তা বলে আপনি মনে দুঃখ নেবেন না৷
তারা দুজন টেবিলে বসে খাবার এর তালিকা দেখছে৷
তারা খাবার এর অর্ডার দিতে না দিতেই তাদের খাবার এসে হাজির হয়৷ সেখানে ছিলো লুচি,খাসির মাংস,আলুর দম আর মিষ্টি দই৷
আর্য খুব পছন্দ করে এ খাবার গুলো৷
আবারো এই লোকটি কিভাবে জানলো৷ লোকটির মুখে এক অদ্ভুত হাসি ফোটে৷ খাও খাও খেয়ে নাও সব৷ এই বলে লোকটি কোথায় যেনো চলে গেলো৷
খাবার যেহেতু এসেই পড়েছে আর্য আর দেরি করে না৷ আর্য আর কৌশিক দুজন মিলে খেতে থাকে৷
খাবারগুলো খেতে এতো সুস্বাদু৷ অনেক দিন পর খাচ্ছে খুব মজা করে৷
খাবার খাওয়া শেষ করে এখন বিল দেবার পালা৷ দুজন তর্ক করছে বিল দেওয়ার জন্য৷
আর্য বলছে, "বিল আমি দেবো"৷
কৌশিক বলছে, আমি দেবো৷
ছেলেটি এসে বললো সাহেব আপনাদের বিল দেওয়া দরকার নেই৷ আপনার যখন মনে হবে আপনি তখন এসে আমাদের দোকানে খেয়ে যেতে পারেন৷
কৌশিক এসব দেখে ওর কাছে ঠিক লাগছে না কিছু৷ কি থেকে কি হচ্ছে ও ভেবে উঠতে পারছে না৷
কৌশিক এর ইচ্ছে হচ্ছে প্রাসাদের ভেতর কি হচ্ছে তা জানার৷ মনে ভয় ও জাগছে৷
কৌশিক আর্য কে বলে, চলো তুমি যেকদিন গ্রামে আছো ততোদিন আমিও তোমার সাথে থাকবো৷
আর্য শুনে মহাখুশি সে আর না করলো না৷ এখন তারা দু'জন মিলে যাবে বাজার করতে৷
আর্য ভেবেছিলো সকালে সে বাজার করতে পারবে না৷ বাজারে যেয়ে সে দেখে এই সকালে ও বাজার ভীষণ জমজমাট৷ মানুষের ভীড়ের জন্য সামনে এগোতে পারছে না৷ এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে৷
তারা দুজন খুব ক্লান্ত দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে৷ দুই থেকে তিন ঘন্টা সময় তাদের এদিকেই লেগেছে৷ খুব কষ্টে বাজার করতে পেরেছে৷ মাছ,শাক,সবজি,মাংস সব কিনেছে৷ এবার তারা দুজন রওনা দেয় প্রাসাদ এর দিকে৷
কৌশিক বলে উঠে, আচ্ছা শোনো আমি বাড়ি যেয়ে জামা কাপড় নিয়ে আসি ব্যাগে করে৷
আচ্ছা যা তাড়াতাড়ি চলে আছিস৷ অনেক কাজ পড়ে আছে৷
আর্য মহলে প্রবেশ করে৷ সেখানে সে দেখলো এক মেয়ে কাজ করছে৷ পিছন থেকে আর্য ডাক দেয় সেই মেয়েকে৷
শুনছেন,
কে আপনি, মহলে কেনো এসেছেন?৷ আর আপনাকে কে বলেছে কাজ করতে?৷
মেয়েটি ঘুরে তাকায়৷ আর্যর প্রশ্নের জবাব দেয়,"সাহেব আমার নাম মিতালি৷ আমি ছোট থেকেই এই মহলে বড় হয়েছি৷ আমি এতোদিন চেয়ারম্যান এর বাড়ি ছিলাম তার বউ অসুস্থ ছিলো বলে এখন সে সুস্ত তাই আমাকে পাঠিয়ে দিয়েছে চেয়ারম্যান৷ সে বলল আপনি এই গ্রামে নতুন আর মহলে একা থাকছেন৷ তাই আমাকে বলল ভালো করে আপনার সেবা যত্ন করতে৷
আমিতো শুনিনি তোমাদের এই গ্রামের চেয়ারম্যান এর কথা,না আমি তাকে দেখেছি৷
মিতালি বলে, চেয়ারম্যানকে সচরাচর দেখা যায় না৷ সে মাঝেমধ্যে আসে দেখাশোনা করতে৷
আর্য আর কথা বাড়ায় না সে চলে যায় তার কক্ষে৷ আর মিতালিকে বলে খাবার রান্না করতে৷ মিতালি তার কথার সম্মতি জানায়৷
মিতালি খুব সুন্দরী এক মেয়ে৷ মাথায় ঘন কালো লম্বা চুল৷ তার ডাগর ডাগর চোখ,পড়নে রয়েছে সাদা এবং লাল শাড়ি৷ শ্যামবর্নের চেহারা দেখার মতো৷ দেখে মনে হয় বয়স বাইশ কি তেইশ হবে৷
কিন্ত এই মেয়েকে কাজ করতে দেখে আর্যর ভালো লাগছে না৷ এতো সুন্দর মেয়ে কেনো কাজ করবে৷
আর্য হাত মুখ ধুয়ে আসে৷ সে আজ ক্লান্ত অনেক কিছুখনের জন্য সে বিছানায়া শুয়ে পড়ে৷ কখন যে তার চোখ লেগে যায় সে নিজে ও জানে না৷
তার এক ঘুমে বিকাল হয়ে আসে৷ আর্য তাড়াতাড়ি উঠে৷ মিতালিকে ডাকছে,
মিতালি, এই মিতালি কোথায় আপনি? মিতালির কোনো সাড়াশব্দ নেই৷ মনে হয় বাহিরে গিয়েছে৷ কিছুক্ষন পর কৌশিক এসে হাজির হয়৷
কিরে এতো দেরি করলি যে,আমিতো ভেবেছিলাম আর আসবি না
আরে আর্য দাদা কি যে বলো, একটু কাজ ছিলো তাই সেড়ে আসলাম৷
আচ্ছা খেয়েছিস?
হ্যা খেয়েই এসেছি৷
আমিতো এখনো খাইনি৷ ঘুমিয়ে পড়েছিলাম৷ আমি তাহলে যেয়ে খেয়ে আসি তুই যা করার কর৷
এই বলে আর্য চলে যায় খেতে৷
কৌশিক ঘুরে ঘুরে সব কিছু দেখছে৷ এই ঘরের ফার্নিচার গুলো কতো পুরনো এখনো কতো সুন্দর৷
কৌশিক খেয়াল করে বাহিরে হয়তো কেউ দাঁড়িয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে৷ পেছন ফিরে তাকাতেই দেখলো কেউই নেই৷
সে মনের ভুল ভাবে৷ আচমকা তার সামনে মিতালি এসে দাঁড়ায়৷ কৌশিক ভয় পেয়ে যায়৷
তুমি কে? কিভাবে আসলে এদিকে এতোক্ষণতো ছিলে না৷
মিতালি মুচকি হাসে৷পা টিপ টিপ করে কৌশিক এর খুব কাছে চলে আসে৷
আমি এদিকেই ছিলাম৷ আপনি আমায় দেখেননি৷ আপনি আমাকে দেখে ভয় পাবেন না৷ আমি কোনো ভূত নই৷ মিতালি আর কৌশিক গল্প করতে থাকে৷
আমি জানি না, আপনি শুনতে চাইবেন কি না, তবে আমার জীবনের গল্পটা বেশ দীর্ঘ আর বেদনায় ভরা।"কৌশিক মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। "তুমি বলতে পারো, আমি শুনতে রাজি।"মিতালি একটু বিরতি নিয়ে শুরু করল, "আমার জন্ম এক ছোট গ্রামে। বাবার ছিলো ছোট্ট জমি আর মা গৃহিণী। আমি যখন আট বছর বয়সি, আমার মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়লেন। বাবার পক্ষে এত খরচ চালানো সম্ভব হয়নি। একদিন এক অপরিচিত লোক এসে বলল, শহরে গেলে ভালো কাজ পাওয়া যাবে। বাবা বিশ্বাস করে আমায় তার সাথে পাঠিয়ে দিলেন।"কৌশিক মনোযোগ দিয়ে শুনতে থাকল। মিতালি কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে বলল, "সেই লোক আসলে আমাদের প্রতারণা করেছিল। সে আমাকে বিক্রি করে দিয়েছিল এই মহলে। প্রথমে খুব ভয় পেয়েছিলাম। বুঝতে পারিনি কী করতে হবে। ধীরে ধীরে সব খারাপ কাজ করতে বাধ্য করা হলো আমায়৷ নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে।"কৌশিকের চোখে জল চলে এল। "তারপর?" সে জিজ্ঞেস করল।"তারপর," মিতালি নিশ্বাস নিয়ে বলল, "এই মহলেই কাটিয়ে দিয়েছি জীবনের বহু বছর। প্রথমে ঘৃণা করতাম, তবে এখন এটা আমার জীবন হয়ে গেছে। কষ্টের মাঝেও কিছু সুখ খুঁজে নিয়েছি। সবচেয়ে বড় দুঃখ, পরিবারকে আর কখনো দেখা হয়নি। জানি না তারা কেমন আছে।"কৌশিক মিতালির গল্প শুনে নীরব হয়ে গেল। "তুমি খুব সাহসী মেয়ে, মিতালি। তোমার কষ্টের কথা শুনে খুব দুঃখিত হলাম। কিন্তু আশা করি, একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে।"
আর্য খাওয়া দাওয়া শেষ করে এসে দেখতে পায় মিতালিকে৷
কোথায় ছিলে তুমি?৷ আমি তোমাকে কতোবার ডেকেছি৷
মিতালি বলে,সাহেব আমি উপরে কাজ করছিলাম তাই শুনতে পাইনি৷ ক্ষমা করবেন আমায়৷
ঠিকাছে যাও এখন৷
মিতালি চলে যায়৷ আর্য কৌশিককে জিজ্ঞেস করে,"কি গল্প করছিলি তোরা"?৷ আমাকে ও শোনা৷ আমি ও শুনতে চাই৷
কৌশিক বলল, মেয়েটার খুব কষ্ট৷ ওকে নাকি এই মহলে বিক্রি করা হয়েছিলো৷
এটা শুনে আর্যর মনে মায়া হলো তাই আর কিছু জানতে চাইলো না৷
কৌশিক বলল, আমার খুব ঘুম পাচ্ছে আমি বরং একটু ঘুমাই পাশেই একটা ঘর আছে ঐদিকে গিয়ে শুয়ে পড়ি তোমার সাথে আমার পরে কথা হবে৷
আর্য বলে যা তাহলে৷ আমি আজ দেখবো কি আছে এই মহলে তুই ঘুমা৷
কৌশিক চলে যায়৷ আর আর্য যায় সেই দরজার দিকে৷ আজ সে খুঁজে বের করবেই কি আছে এই দরজার পেছনে লুকানো৷
মহলের পশ্চিম প্রান্তে এই পুরানো কাঠের দরজা রয়েছে যা চিরতরে বন্ধ। কথিত আছে, এই দরজার পেছনে রয়েছে এমন কিছু যা খোলার সাহস কারও নেই। একবার এক কর্মচারী সেই দরজা খোলার চেষ্টা করেছিল, তারপর থেকে তার মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে।
কিন্তু আর্য আজ এটা খুলেই ছাড়বে৷ আর্যর হাতে এক হাতুড়ি৷ সে হাতুড়ি দিয়ে দরজা ভাঙার চেষ্টা করে৷ অনেক বাড়ি দেওয়ার পর অনেক কষ্টে সে দরজা খুলতে সক্ষম হয়৷
এ কি দেখছে সে, নিজের চোখকে সে বিশ্বাস করতে পারছে না৷ কিভাবে সম্ভব?
এই দরজা খুলতেই দেখা যায় একটি প্রাচীন ঘর। ঘরটি তার ইতিহাসের গল্প বলার মতো বিভিন্ন জিনিসপত্রে ভরপুর। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বস্তু হল মাধুরী দেবীর ডায়েরি, যা ঘরের এক কোণে একটি পুরানো টেবিলের উপর পড়ে আছে। ডায়েরিটি অনেক গোপন রহস্য ও প্রাসাদের অজানা ঘটনা সম্পর্কে তথ্য ধারণ করে।ডায়েরির পৃষ্ঠাগুলোতে মাধুরি দেবীর জীবনের বিবরণ, তার ভালবাসার কথা, দুঃখ-কষ্ট, এবং প্রাসাদের রহস্যময় ঘটনার কথা লেখা রয়েছে। এই ডায়েরিতে এমন কিছু ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায় যা আজও রহস্যময় এবং যেগুলোর সমাধান কেউ করতে পারেনি।এছাড়াও, ঘরটিতে রয়েছে কিছু প্রাচীন শিল্পকর্ম, রত্ন, এবং বিভিন্ন ধরনের মূল্যবান বস্তু। এদের মধ্যে কিছু বস্তু এমন রয়েছে যা দেখে মনে হবে সেগুলো কোনো যাদুকরী ক্ষমতার অধিকারী। এছাড়াও, কিছু পুরানো মানচিত্র ও প্রাচীন পাণ্ডুলিপি রয়েছে যেগুলো প্রাসাদের ইতিহাস সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য প্রদান করে।

চলবে!
457 Views
10 Likes
2 Comments
4.8 Rating
Rate this: