১৯৮৮ সালে জন্ম নেয়া একটি মেয়ে । তার বাবার নাম মুনতাজ। মায়ের নাম আরজুমান্দ দাদীর নাম আমমতি । দাদার নাম আবু খায়ের। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাগল হয়ে গেছে।
একটি চাচা ছিল নাম তার ঈদরীস
জন্মের আগেই সন্তানের কথা চিন্তা করে মা খেতা বালিশ জামা কাপড় তৈরি করে রেখেছে। জন্মের পর বাবা তার জন্য একটি গরু কিনে নিয়ে আসে যাতে সে গরুর দুধ খেতে পারে।
মধ্যেবৃত্ত পরিবারটি সুখে ছিল। মেয়েটিকে নিয়ে বাবার ভালোবাসা ছিল। মেয়েটির নাম রাখে শারমিন
একদিন এক প্রতিবেশী খালা সম্পর্কের হয় মুনতাজের সে বলে তোমার ছোট ভাইয়ের সাথে তোমার বউয়ের সম্পর্ক ।
কিন্তু এই কথা সত্য ছিল না । এই কথা শুনে মুনতাজ আরজুমান্দ কে অনেক মারে।
আরজুমান্দ আর ঈদরীস হাসা হাসি করে কথা বলতো। তাই প্রতিবেশী এই খারাপ ধারণা করে । আর তাদের সুখি পরিবার দেখে তার হিংসা হতো ।
আরজুমান্দ তার ছোট মেয়েকে নিয়ে জিনিসপত্র গুছিয়ে বের হচ্ছে। সেই সময় আমমতি বলে যাও অনেক দিন পরে আসবা যত দিন ও ভালো না হয়। আরজুমান্দ চলে যায়।
মুনতাজ: মা তুমি আরজুমান্দ কে নিয়ে আসো অনেক দিন হলো শারমিন কে দেখিনি।
আমমতি: ও আর আসবে না। আর তুই আনতে গেলে তোর মুখে জুতা মারবে।
ঈদরীস: ভাইয়া তুমি কেমন করে এই কথা বিশ্বাস করলে। আমি তাকে বোনের মতো দেখি। আসলে তুমি একটা নিচ মনের মানুষ।
মুনতাজ মনের কষ্ট নিয়ে আনতে যায়। কিন্তু আরজুমান্দ কোনো কথা বলে না। অন্য দিকে চলে যায়। মেয়ের সাথেও দেখা হয় না। তাই সে মনের কষ্টে বাড়ি এসে মাঠে গিয়ে বিষ খাই ।
মাঠে সবাই মনে করে সে মজা করছে। কারণ গ্রামের সবার সাথে সে অনেক মজা করতো ।
কিছু সময় পর সবাই বুঝতে পারে সে মজা করছে না। তখন সবাই ধরা ধরি করে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়।
১৯৮৮ সালে জন্ম
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
442
Views
6
Likes
0
Comments
2.3
Rating