ষাট গম্বুজ মসজিদ

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
হালকা শীত মৌসুমে ঝাপসা কুয়াশা । চারিদিকে ফজরের আযান শোনা যাচ্ছে ‌। ফজরের নামাজ পড়ে আমরা বের হলাম । ষাট গম্বুজ মসজিদ দেখার জন্য । যাওয়ার পথে বাসের ভিতরে একাক জন গজল গাইছে , অনেক মজা লাগছে !

নতুন রাস্তাঘাট , যেন এক নতুন বাংলাদেশ দেখছি ! কারণ এর আগে আমি দূরে কোথাও যায়নি ‌। অনেক ভালো লাগছে ! সাথে আছে আমার বন্ধুরা ।

বেনাপোল থেকে যশোর পার হওয়ার পর । মনে হচ্ছে কখন ষাট গম্বুজ মসজিদ দেখবো ! টাকায় বইতে ছবি দেখেছি , কিন্তু জীবনে প্রথম দেখবো সামনে থেকে । খান জাহান এর গল্প পড়েছি । ষাট গম্বুজ মসজিদ নিয়ে। মনে উত্তেজনা ।

অবশেষে পৌঁছানোর পর ‌। বিদেশ থেকে এবং দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা অনেক মানুষ ‌‌ দেখলাম। আমরা টিকিট কেটে ভিতরে ঢুকলাম । ঢুকে দেখি মসজিদের জায়গাটা অনেক সুন্দর । মসজিদের চারপাশে সবুজ ঘাস । মসজিদের পিছনে একটি দিঘি আছে ‌। চার পাশে সবুজ গাছপালা । মসজিদের সামনে একটি জাদুঘর আছে । সেখানে ৫০০ বছর আগেকার অনেক জিনিসপত্র আছে ‌। অনেক ক্যামেরাম্যান আছে । যারা টাকার বিনিময়ে ছবি তুলেদেয়।

মসজিদের চারপাশ ঘুরে দেখছিলাম । একটি খারাপ দৃশ্য সামনে পড়লো । চায়না থেকে আসা দুইটা মেয়েকে বিরক্ত করছে বাংলাদেশের কিছু ছেলেরা । অনেক খারাপ লাগলো । ঐদিন তো শেষ হয়েছে। কিন্তু ওই দিনের কথা এখনো মনে আছে ।

আমাদের বড় ভাইয়েরা । নানা রকম খেলার আয়োজন করে । মসজিদের উত্তর পাশে । খেলা শেষে যোহরের নামাজ পড়ি । তারপর খাওয়া দাওয়া হয় ।

আসরের নামাজ পড়ে খান জাহানের মাজার দেখতে যায়। অনেক ভন্ডরা মাজার দেখার জন্য টাকা তুলছে । বলছে ভক্তরা খাবে এই টাকা ‌। এবং আরো অনেক ভন্ডামী যা না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না ।

মাগরিবের আযান দিলে নামাজ পড়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
314 Views
11 Likes
1 Comments
4.0 Rating
Rate this: