শুনলেন, তারপর বললেন দেখো বাবা ,এ পর্যন্ত অনেক ছেলে এসেছে দেখেছে কিন্তু সবাই চলে গেছে কিন্তু নীলাকে বিয়ে করতে কেউ রাজি হয়নি ।
তুমি যেহেতু আসছো তোমাকেও দেখাবো তবে আশা করি তোমার ও পছন্দ হবে না । এ মেয়েটাকে নিয়ে আছি বিপদে, বাপ মা মরে গিয়ে আমার উপর আপদটা দিয়ে গেছে, উদাস মুখে চোখ থেকে চশমাটা খুলতে খুলতে বললেন।
আমি একটু বুঝলাম না ওর মা বাবা কি হয়েছে?
তার সাথে সাথে
ভদ্র লোক থেকে মেয়ের নামটাও জানলাম নিলা ওর নাম,
মনে মনে ভাবলাম নামটা বেশ সুন্দর কিন্তু সবাই তাকে রিজেক্ট করে দিয়েছে কেনো?
ভদ্র লোক বললো ৫ বছর আগে রোড দুর্ঘটনায় ঢাকা চট্টগ্রাম রোডে তার মা বাবা মারা যায়, কিন্তু একমাত্র নীলাই বেঁচে ফিরেছে
সে থেকেই আমার কাছে,কথা শেষ করে ভদ্র লোক তার স্ত্রী কে বললেন যাও যাও তোমার রাজরানী কে দেখাও এনে দেখিয়ে উদ্ধার করো,
আর কত দিন বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াবো।
বলার সাথে সাথে ভদ্র মহিলা উঠে চলে গেলেন
আর এদিকে ভদ্র লোক আমার আরো গভীর পরিচয় জিগ্গেস করতে থাকলেন,মিনিট পনেরো পরে দেখলাম ভদ্র মহিলার সাথে একটা নীল শাড়ী
পরে মেয়েটা আসছে ঘোমটা টা অনেক দূর পর্যন্ত টানা তাই চেহারা দেখতে পারলাম না,তবে চোখ গেলো তার পায়ের দিকে,তবে পায়ের দিকে তাকিয়ে আবার হলাম আমি ,তার পা দুখানা দুধের মতো সাদা ,মনে ভয় ধরলো ভুল ঠিকানায় এসে পরলাম নাতো ?
শুনেছি তাকে অনেকে রিজেক্ট করেছে , তাহলে অবশ্যই তার কালো হওয়ার কথা ।
আমি ঠিকানাটা আবার ভালো করে দেখলাম না ঠিকই আছে সঠিক ঠিকানায় এসেছি , কিন্তু যার পা এতো ফর্সা তার চেহারা কীরকম সুন্দর আল্লাহ জানে, ভাবতে ভাবতে তারা সামনে আসলো আমাকে শরবত দিলো খেলাম কিন্তু চেহারা দেখলাম না,আমি বার বার তার পা দেখছি ,আর ভাবছি কোথায় এসে ফেসে গেলাম।
অবশেষে তাদের কথায় আমার হোশ ফিরলো ,
বললো বাবা তোমরা দুজন কথা বলো বলেই তারা দুজন চলে গেলো ,আমি আর নিলা বসে আছি কি দিয়ে শুরু করবো বুঝতে পারছিলাম না ,আমি প্রথমে সালাম দিলাম, প্রায় দশ পনেরো সেকেন্ড পরে সালামের উত্তর দিলো,মনে হলো অনেক চিন্তা ভাবনা করে উত্তর দিয়েছে নাম জিজ্ঞেস করলাম আরো কিছু জিজ্ঞেস করলাম কিন্তু তার প্রতিটা উত্তর অনেক সময় নিয়ে দিচ্ছিলো , আমার মনে সন্দেহ হলো।
একমাত্র আত্ম তাদের কে উজা দিয়ে ডেকে এনে কথা বলে তখন তারা উত্তর অনেক সময় নিয়ে দেয় ছোটবেলায় আমি এরকম কথা বলতে দেখেছি, পরবর্তীতে ভাবলাম দূর কি ভাবেছি?
আমি এসব সামনে জীবন্ত একজন মানুষ বসে আছে আর আমি কি ভাবছি।অনেক কথা বললাম কিন্তু চেহারা এখনো দেখা হয়নি তাকে অবশেষে অনুরোধ করলাম ঘোমটাটাকে একটু উপরে টানার জন্য, অনুরোধ রাখলো , ঘোমটাটা সরালো তবে তার চেহারা দেখে আমার জ্ঞান হারানোর অবস্থা হলো , খুশি হবো নাকি ভয় পাবো বুঝতে পারলাম না ,তার চেহারা দেখতে এতটাই ফর্সা ছিলো তা কখনো একজন মানুষের হওয়ার কথা নয় যা একেবারে অসম্ভব বলা যেতে পারে ।
চোখ দুটির মনি নিল,চোখের উপরের কোটার ভরূ গুলো ও সাদা এতটাই সাদা তা বলা অসম্ভব
বরফ কন্যা পার্ট -২
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
574
Views
14
Likes
1
Comments
4.7
Rating