_কী তুই আমারে ঝাড়ু দিয়ে মাড়ার ভয় দেখাস।(পিচ্চি)
--হা আমার কথা না শুনলে তাই করব যে রকম করে চুল আচরাই দিছি এরকম চুলেই অফিস থেকে আসার পড় যেন দেখি হা।
--ওই এটা কেমন ধড়নের চুলের স্টাইল দেখে মনে হচ্ছে সবগুলো ঘুমাচ্ছে।এই রকম করে আমি আমি যাব না একদম আবালদের মতন লাগছে।
--ও তার মানে পরী ঠিকী বলেছিল তোর আর একটা বিয়ে করার মতলব আছে তাই।
--মানে।
--যে ছেলের বিয়ে হয় তার আর কোন স্টাইল থাকে না।আপনার এত স্টাইল কেন হা আজ থেকে আমি যা বলব তাই শুনতে হবে।এই নিন ব্যাগ এখন যান পরী নিচে দাড়িয়ে আছে।
নিচে নামতেই
বাবা, মা😱😱
--ভাইয়া একদম আব্বুল্লার মতন লাগছে হা হা।(বোন)
--এই বেশি কথা বলিস কেন চল।বেড় হইছি হঠাৎ পিছন থেকে।(আমি)
--এই যে শুনছেন কালকের কথা মনে আছে না থাকলে কিন্তু আবার কান ডলা খেতে হবে।(পিচ্চি)
আর কিছু না বলে চলে আসলাম।বাইরে এসে রিকশা নিয়ে দুজন রও না দিলাম।তুই ওকে কি শিখাইয়া দিয়েছিস রে।
--কই কিছু না তো।
--সত্যি করে বল ও কিন্তু বলেছে তুই শিখাইছিস।
--আরে ভাইয়া রাগস কেন একটু চালাক করতে চাই আর কী এজন্য।একদিনের প্যারায় তোর যে হাল করেছে না জানি সমানে আরো কত কী করে।
--আগেই ভাল ছিলাম বিয়ে করে পড়েছি আর এক জ্বালায়।ওমা রে ওই ডাইনিগুলো আজও গেটে দাড়িয়ে আছে।পরী এখানে নেমে তুই হেটে যা এইটুকুৃ।ওদের বাচালের মত ফেদলা আর ভাল লাগে না।
--আরে ওরা তোর জন্যই দাড়িয়ে আছে তোকে কি জানি বলবে।
--মানে আমাকে আবার কি বলবে।
--গেলেই বুঝবি।কাছে যেতেই।
--কি ব্যাপার পিচ্চির হাজবেন্ড কেমন আচেন।আর চুলের একি হাল করেছেন একদম আবাল দের মতন লাগছে।(বান্ধবী)
৫ জন মেয়ে একসাথে আমি কী বলব ভেবে পাচ্ছি না।
--কতবাড় করে বললাম আমার সাথে প্রেম করেন আজ কতই না রোমাঞ্চ করতাম দুজন এতদিনে বাচ্চার বাপ হয়ে যেতেন হা হা।
--ইস বেচারার মুখ দেখেই বুঝা যাচ্চে খুব ক্ষুদার্ত হি হি।(অন্যজন)
--ওমন বউ হলে তো এমনি থাকা লাগবে কবে যে একটু সুখ পাবে।অবশ্য আমাকে সরি বললে আমি বিয়ে করতে এখন রাজি আছি যদি তুমি।(বান্ধবী)
--এই ছেমড়ি এ কেমন পড়ছ ৮ এ আমার সাথে রোমাঞ্চ করলে কেদে ফেলবি বুঝেছিস তোর থেকে আমি ১২ বছরের বড় পাড়লে বড় ভাইয়ের মত সম্নান দে হা।(আমি)
--৬ পড়া মেয়ে একজন অফিসারের সাথে প্রেম করে হ্যান্ডেল করে আর তো আপনি।হহহ ১০ এ পড়া বউয়ের কাছে আজো যেতে পাড়লেন না আপনি ছেলে নাকি অন্য কিছু সন্দেহ লাগছে হা হা।
--হ এরা আমাকে পাগল করে ফেলবে।এই মামা যাও তো তুমি মেজাজ খারাপ। (আমি)
--ওয়েট আপনাকে একটা কথা বলি।কাল আমার জম্নদিন আপনি আর আপনার পিচ্চি বউ সহ দুজনেই আসবেন।আর সাথে আপনার বোনকেও আনবেন।(বান্ধবী)
--আমারে তো পাগলা কুওায় কামড়াইছে তোমার জম্নদিনে আমি আসবো।ওখানে আসলে আমাকে পাবনা মেন্টাল হাসপাতালে ভর্তি করান লাগবো।
এই মামা যাও ওখান থেকে রওনা দিলাম।সালা ছোট ছোট মেয়েরা সব বুঝে।আর একটা বুড়া ধেমড়া মেয়ে কিছু বুঝে না।আজ থেকে ওর সবসময় ওর কাছাকাছি থাকবো আর ক্রাশ করর চেষ্টা করব। এদের লজ্জার কথা আর ভাল লাগে না একটা সেলুন থেকে চুলগুলো আবার আগের মতন স্টাইল করে অফিসে গেলাম আজ একটু লেট হইছে যেতে।বসেই কাজ করতে লাগলাম দুপুড় হয়ে গেল কলিগের সাথে ক্যান্টিনে গেলাম।
--তা কেমন চলছে দিনকাল।
--আর ভাই দিনকাল যেমন ছিল ওমনি আছে।আজকাল আরো পাগলামি টা বেড়ে গেছে কথায় কথায় রাগ দেখায় মাড়ের ভয় দেখায়।
--শোন আমি তোকে একটা বুদ্ধি দেই আমি যেমন করে আমার বউয়ের কাছে গিয়ে অবোশ করেছিলাম।
--তাই নাকী তোর বউ তো তোকে দিয়ে ঘড়ের কাজ করায়।এমন কী টয়লেট টাও তোকে দিয়ে পরিষ্কার করে নেয়। তুই কি বুদ্ধি দিবি আমায়।তবুও বল শুনি
--দিলি তো মনটা খারাপ করে সালা যা আর বলবো না।
--আচ্ছা বন্ধু সরি বল প্লিজ।
--অফিসে এসে একটু কষ্ট গুলো ভুলে থাকতে চাই তুই সালা মনে করিয়ে দিলি।শোন যখন দেখবি বউ শুয়ে আছে বা মনটা অনেক ভাল ওই সময় পিছন থেকে গিয়ে জড়িয়ে ধড়বি পেট বড়াবড়।একটু কথা বলবি আর কিস করবি দেখবি পটে যাবে।
--যাক ভালই বলেছিস ট্রাই করবো নি কিন্তু যদি না হয়।
--একবার না পড়িলে দেখ শতবাড় কথায় আছে না। দড়কার পড়ে রান্নাঘরে ধড়বি ছাদে ধড়বি টিভি দেখতে বসে ধড়বি সময় পেলেই ধড়বি।
--ওকে ঠিক আছে।
--এখন ট্রিট দে।
--কিসের ট্রিট দিব।
--এতবড় একটা উপকার করলাম ট্রিট দিবি না হে।
--সালা যদি কাজ না হয় ডবল নিব তোর থেকে দেখিস।
যাইহোক খেয়ে এসে কাজ করতে করতে অফিসের সময় হয়ে গেছে ফেরার পথে চকলেট আর ফুচকা নিলাম না হলে আবার কান ডলা দিব নি।বাসায় গিয়ে ওর জিনিসগুলো হাতে দেওয়ার সাথেই।
--মনে করে নিয়ে আসলে প্রতিদিনই দিব।(পিচ্চি)
--ঠোটে ঠোট লাগালে ভাল লাগত।(আমি)
--যা দুষ্টু ।
ফ্রেশ হয়ে এাসে টিভিতে খেলা দেখতেছি।টানটান উওেজনা খেলা এর মধ্যে
--কী এসব আবোল তাবোল খেলা দেখছেন দেন রিমোট দেন তো।
--কেন তুই রিমোট নিয়ে কী করবি।
-- সেমা দেখব।
--সেমা আবার কী
--সেমা আবার কী ফেসবুকেও দেখি সেমা সেমা বাসায় এসে ও সেমা এই সেমাটা আসলে কী রে।
--আপনি বুঝবেন না আপনি এখন ছোট আছেন।দেন তো রিমোট দেন সময় চলে গেল তাড়াতাড়ি দেন।
ররওই গেছস এখান থেকে দেখছিস না খেলার এখন টান টান উওেজনা আমি এখন খেলা দেখব যা এখান থেকে।
--ওমন করে তাকিয়ে আছেন কেন খেয়ে ফেলবেন নাকী
--তোকে আমি তাই খেয়ে ফেলবো গাধার বাচ্চা দে রোমোট দে
স্টার জলসা বেড় করে বলিস খুন হইছে আন্দোলন হচ্ছে
--না আমি রোমোট দিব না।আমি নাটক দেখব এখন ।
--রিমোট দিবি না সালী দাড়া জোড় করে হাত কাড়াকাড়ি করতে দিল হাতে একটা কামুড়।আহহহহহ কামুড় দিছে ওমা গো।
--কেমন আর লাগবী আমার সাথে রিমোট ও ভাঙ্গবো দাড়া।(দিল রিমেটে কামুড় শেষ। )
--কিরে কি হল চিল্লাছিস কেন।।(মা)
--মা ভ্যা ভ্যা।(পিচ্চি)
--কি হইছে চিল্লালো ও তুই কাদিস কেন।(মা)
--আমি নাটক দেখছি উনি দেখতে দিবে না তাই হাতে কামুড় দিছি।(পিচ্চি)
--কই দেখি চল হাতে বরফ লাগিয়ে দেই।(মা)
--মা তুমি ওকে কিছু বলবে না।(আমি)
--কি বলবো আমিও তো নাটক দেখার জন্যই আসছি।(মা)
--দেড় বিছানায় এসে বরফ লাগিয়ে বসে থাকলাম।সালা কুওার মতন কামুড় দিছে রে কী বিষ একটু পড় পিচ্চি আসলো ।
--লাগছে কী খুব।
--না লাগবে কেন লাগার জন্য তো কামুড় মাড়িস নি।নাটক দেখেও তো কিছু শিখতে পাড়িস হে।
--আমি সবকিছু ভালই জানি হে।শড়েন ঘুমাবো এখন
--আমিও ঘুমিয়ে গেলাম।
--একটু জড়িয়ে ধড়েন না।
--কেন।
--আপনি জড়িয়ে না ধড়লে আমার ঘুম হয় না।
--দড়তে পাড়ি তাহলে তোমার নাভিতে হাত দিব আমি।
--হুম দেন না।
শাড়ীটা শড়িয়ে পুরো পেট ওমাই গড এও সুন্দর পেটে একটা তিল থাকায় আরো সুন্দর লাগতিছেন ওয়াও আমি ৫ টা আঙ্গুল পেটের দেওয়ার সাথেই পিচ্চি টা চমকে উঠে চুলগুলো ঝাপটে ধড়লো। আমি উপরে তাকিয়ে পিচ্চি টা চোখ বন্ধ করে আছে কেমন জানি জোড়ে জোড়ে নিঃশ্বাস নিচ্ছে এ তো আমায় পাগল করে দিচ্ছে। নিলাম। পিচ্চি টা না দিচ্ছে কোন বাধা না লড়াচড়া কড়ছে একদম চুপ হয়ে শুয়ে আছে।চুলের গন্ধ টাও আজ যেন নেশায় ফেলে দিচ্ছে।কী করব এখন ঠোটের দিকে তাকিয়ে না আর থাকতে পাড়ছি না দিলাম ঠোটে ঠোট লাগিয়ে পিচ্চি চোখ খুলেই অবাক।হাত দিয়ে আরো জোড়ে চেপে ধড়লো আমায় দুজনেই কাজ করতে লাগলাম।
আমার নিঃশাষ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তবুও ছাড়ছে না।আমিও আবার শুরু করে দিলাম ভালবাসার রাত বাসর রাত আজ সম্পন্ন হল সারাটা রাত ভালবাসায় লেপটে থাকলাম দুজন।সকালে উঠে দেখি পিচ্চি এখন ঘুমাচ্ছে অনেক সুন্দর লাগছে এলোমেল শুকনা চুলে(অবশ্য শুকনা চুলে মেয়েদের দেখতে আমার ভালই লাগে) চুলে সাথে গালগুলো যেন মোটা মোটা হয়ে আছে।কপাল থেকে চুলগুলো শড়িয়ে দিলাম একটা উম্নাহহহহহ উঠে ফ্রেশ হয়ে গোছল তো করতেই হবে। এসে নিচে আসলাম।
--কিরে নীলা কোথায়।(মা)
--ও ঘুমাচ্ছে মা।(আমি)
--ভাইয়া তুই যাবি না তাহলে সত্যি।(বোন)
--হুম যাব না।গেলে মান সম্নান সব শেষ করে ফেলবে।(আমি)
--ওকে ঠিক আচে।আমিও দেখব তুই কেমনে না যাস দাড়া(মনে মনে)উপরে এসে ভাবী এই ভাবী।
--হুম।(পিচ্চি)
--এই ভাবী ওঠনা আরো কত ঘুমাবা হুম।(বোন)
--যাও তো তোমার ভাই এমনি সারারাত ঘুমাতে দেয় নি।(পিচ্চি)
--হা হা কি বলে।একটা জরুরি কথা আছে ভাইয়া না আমার এক বান্ধবীর সাথে প্রেম করে এটা কী তুমি জান।রাতে তোমাকে ঘুমাতে দেয়না আবার দিনে বান্ধবীকে নিয়ে ঘুড়ে বেড়ায়।
--লাফ দিয়ে ঘুম থেকে উঠে কী হুফ হুফ ।
--একি ভাবী তুমি কাদতাছো কেন।
--আমি কী তাহলে সতীনের ঘড় করবো নাকী ওই মেয়েটা কে ওকে আমি মেড়েই ফেলবো।
--আরে ওই মেয়ের তো দোষ নেই ভাইয়া পটিয়েছে।বলেছে আপনি নাকি পচা দেখতে কেমন চুলগুলো কেমন ভালবাসেন না কথায় কথায় রাগ দেখান আপনার ব্যাপারে আরো অনেক কিছু বলেছে এজন্যই তো মেয়েটা পটেছে।বলেছে ওকে নাকী বিয়েও করবে হা।
--কী আমি তোর ভাইয়াকে আজ মেড়েই ফেলবো। এই বলে কোমড়ে শাড়ী আচল পেচিয়ে। আমার ঝাড়ুটা কোথায় গেল রে ওই তো দড়জায় কোনায় লাফ দিয়ে ঝাড়ু নিয়ে তোকে আজ আমি মেড়েই ফেলবো লুচ্চা।
--এই রে অঘটন তো বেজে দিলাম।কি করি এখন কি করে রাগ থামায়।
এমন আর ভাল লাগছে না আর এক পর্ব পড় থেকে পিচ্চিকে বড় করে দিব।
(Next.....)
পিচ্চি বউ (পর্ব 11)
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
802
Views
23
Likes
4
Comments
4.1
Rating