কোরআন পাঠের উপকারিতা

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
যে ব্যক্তি কুরআন কে অনুসরণ করবে, কোরআন তাকে জান্নাতে পৌঁছে দিবে, সুতরাং এমন ভাবে চলুন, যেনো (কিয়ামতের দিন) কোরআন আপনাদের জন্য সুপারিশকারী হয় এবং নালিশকারী না হয়। কারণ কোরআন যার জন্য সুপারিশ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং কোরআন যার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে । আর আপনাদের এই কথা জানা দরকার যে, কোরআন হেদায়েতের ঝর্ণাধারা এবং জ্ঞান বিজ্ঞানের উৎস। এর দ্বারা আল্লাহ তা'আলা অন্ধ চোখের জ্যোতি ফুটিয়ে তোলেন, বধির কানে শ্রবন শক্তি দিয়ে থাকেন, এবং অন্তরসমূহে পড়ে থাকা পর্দা পরিস্কার করে থাকেন। আর আপনাদের এই কথাও জানা চাই যে, বান্দা যখন রাতে গোত্রথান করে এবং মেসওয়াক সহ ওযু করে তারপর "আল্লাহু আকবার" বলে  এবং কোরআান পাঠ করতে থাকে, তখন ফেরেশতা নিজের মুখ তার মুখের উপর রেখে দেয় এবং বলতে থাকেঃ তেলওয়াত কর, তেলওয়াত কর তুমি কতই না ভালো। সুতরাং যা কিছু কল্যাণ তোমার জন্য রয়েছে,, আর যদি মেসওয়াক না করে শুধু অজু করে তবে এই রকম করে না, শুধু হিফাজত করতে থাকে তাকে,,

হাদিসে এসেছে------
(১) হযরত আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেন ----- কোরআান হিফাজত কারীকে (কিয়ামতের দিন)  বলা হবে - কোরআন পড়তে থাকো এবং বেহেশতের এক স্তর থেকে অন্য স্তরে উপরের দিকে আরহন করতে থাকো।  আর বিরতি দিয়ে পড়তে থাকো। যেরূপ দুনিয়াতে বিরতি দিয়ে দিয়ে পড়তে। কারণ তোমার তেলওয়াত যে আয়াতে গিয়ে শেষ হবে, সেখানেই তোমার মনজিল, ( আহমদ, তিরমিজি,আবূ দাউদ, নাসায়ী ও ইবনে মাজাহ)  
উপরোক্ত হাদীস থেকে এই কথা প্রমানিত হচ্ছে যে, বেহেশতে উচ্চ মর্যাদা পাওয়ার মাধ্যম হচ্ছে আল কোরআন,,,,,
(২) অন্য হাদীসে এসেছে, হযরত উসমান যিননূরাইন (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেন,, তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি যে কোরআন মাজিদ শিক্ষা করে এবং অপরকে শিক্ষা দেয় ,, ( বোখারী, আবু দাউদ, তিরমিজি,)  
(৩) অন্য হাদিসে এসেছে, হযরত ইবনে মাসউদ (রা) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব তথা কোরআন মাজিদ থেকে একটি হরফ পাঠ করবে, তার জন্য একটি নেকী পাবে। আর সেই নেকীটি হবে দশটি নেকীর সমান, (তিরমিজি) 
277 Views
9 Likes
1 Comments
5.0 Rating
Rate this: