ক্ষেত ছেলেটি যখন হ্যাকার

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
(。♥‿♥。)পর্ব ৬ ♣♠♥

যখন মাহির আব্বু আমাকে মারতে আসতেছিল হটাৎ ইই কলেজ গেট দিয়ে কতগুলা গাড়ি প্রবেশ করতেছিল। আমি তাকিয়ে দেখি কি গাড়ি গুলো আমার খুব চেনা তাহলে কিই আমি যা ধারনা করছি তাই ঠিক?? গাড়ি গুলো হঠাৎ থেমে গেল এবং একজন নেমে আসল৷ যে নেমে আসল তাকে দেখে তো আমি শিহরিত। কারন সে আর কেউ না সেই ব্যক্তি টি হচ্ছে আমার আব্বু। আব্বু মাহির আব্বুর সামনে এসে দাড়িয়ে বলল,,,,,

---- কেমন আছেন রেজা সাহেব? আর এইসব কি? এই ছেলেটাকে এইভাবে মারছেন কেন?

---- আরে তেমন কিছুই না এই ফকিন্নির বাচ্চা টা আমার মেয়ের গায়ে হাত তুলেছে পুরা কলেজের সামনে। তাই একে এখন মেরে হাত পা সব ভেঙ্গে দিব

---- ওহহহহ,,,,আচ্ছা আচ্ছা। তা আপনি কি এই ছেলের ফেমিলি ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে জানেন?

তখনি মাহি বলল,,,,,,,,

---- এই ফকিন্নির ব্যাকগ্রাউন্ড আর কি জানব। এটা একটা রিক্সাওয়ালার ছেলে। এইটার লেভেল ইই নাই আমাদের সাথে পড়ার।

---- ওহহহহহহ,,,,,,আচ্ছা আচ্ছা। তা রেজা সাহেব এ নিশ্চয় আপনার মেয়ে।

---- জিইহহহ স্যার। এ আমার একমাত্র মেয়ে মাহি৷

---- ওহহহ আচ্ছা। তা মাহি তুমি তো ওর সম্পর্কে এত কিছু বললা। তুমি কি ওর লেভেলের??

---- স্যার,,,,,, আপনি কি বলছেন কিছুই তো বুজতে পারতেছিনা। ( মাহির আব্বু বলল)

---- এখনি ক্লিয়ার করে দিতেছি। এইখানে এই ক্ষ্যাত মার্কা ছেলেটা আর কেউ না কে.বি গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর নতুন চেয়ারম্যান ও সিইও। মানে এই ক্ষ্যাত মার্কা ছেলে যাকে সবাই ফকিন্নি বলে ডাকে সে আমার ছেলে। রফিক চৌধুরির একমাত্র ছেলে আরিফ চৌধুরি যাকে এখন আপনারা ক্ষ্যাত,,,,,বস্তির ছেলে বলে ডাকছেন। পুরো চৌধুরি এম্পায়ার মালিক এই আরিফ চৌধুরি। ওহহহ,,,,, মাহি তুমি তো বলছিলা না আরিফ এর এত লেভেল নাই এইখানে পড়ার। সত্যি কথা কি জানো তুমি আরিফ এর লেভেলের না। আর এইখানে এই কলেজের ৮০% ডোনেশন আমি দেই।

আব্বু,,,,,হইছে এইবার থামো। আর বাদ দাও এইসব কথা। আমার তো কিছু ইই হই নাই দেখ। তাই এত টেনশন করিও না। ( দাড়াতে দাড়াতে আমি বললাম)

---- না কেন থামব আমি দাড়া আমি এদের সাথে কথা বলছি। তুই একদম চুপ থাকবি। এদের উচিত শিক্ষা না দিলে এরা শুধরাবে না।

স্যার আমরা সত্যি ইই জানতাম না যে এ আপনার ছেলে। আমাদের মাফ করে দিন স্যার। ( মাহির আব্বু এইসব বলে আব্বুর কাছে মাফ চাচ্ছিল)।

---- রেজা সাহেব শুনুন। আমার ছেলে আরিফ সবসময় নরমাল ভাবে চলাচল করতে পছন্দ করে। তাই তো দেখুন ওর গায়ে সব নরমাল কাপড়। যেখানে আমার ছেলের কোনো সম্মান নেই সেখানে আমার ছেলে পড়বে না। আমি আরিফকে অন্য কোথাও এডিমশন করাব। আর এই কলেজের ফান্ডিং টাও আমি বন্ধ করে দিব। কারন যেখানে মেধার থেকে জামা কাপড় কে প্রাধান্য দেয়া হয় সে সব জায়গায় আমি আমার টাকা ব্যয় করি না।

---- স্যার,,,,স্যার স্যার,,,,স্যার এত বড় সিদ্ধান্ত রাগের মাথায় নিয়েন না স্যার প্লিজ স্যার। আমি হাত জোড় করে আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি প্লিজ স্যার প্লিজ। আমি কথা দিচ্ছি আজকের পর থেকে আরিফ এর সাথে কেউ কোনোরকম বাজে ব্যবহার করবে না। প্লিজ স্যার লাস্ট সুযোগ টা দিন স্যার প্লিজ স্যার। ( মাহির বাবা কান্নার সুরে এইসব কথা বলল)।

---- আচ্ছা ঠিক আছে দিলাম শেষ সুযোগ। কিন্তু এইবার যদি আপনি আমায় নিরাশ করেন আপনার কি অবস্থা হবে সেটা কল্পানও করতে পারবেন না রেজা সাহেব। আর আপনি এদের নিয়ে এসেছেন আমার ছেলেকে মারতে ( মাহির আব্বুর পিছনে হাত দেখিয়ে কয়েকজন লোক কে বলল),,,,,,, আর আমার লোকেদের যদি আমি একটা ইশারা দেই তারা আপনার এইসব লোকের কি অবস্থা করবে যেটা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। এইবারের মত মাফ করলাম আপনাকে।

---- ধন্যবাদ স্যার। আর এইরকম ভুল দ্বিতীয় বার হবে না।

---- ওকে,,,,, এই বলে আব্বু চলে গেল। আর এতক্ষন পুরা কলেজের সবাই স্যার,,,ম্যাডাম সব স্টুডেন্টরাও একনজরে তাকিয়ে ছিল আমাদের দিকে। তারপর সব বেজাল শেষ করে ক্লাসে চলে আসলাম। আর শুধু একটা কথাই ভাবতেছিলাম আব্বু হঠাৎ কলেজে আসল কোনো দরকার না কেউ আব্বু কে জানিয়েছে???? সব প্রশ্ন মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিল। এমন সময় কয়েক জন ক্লাসমেট আমার দিকে এসে বলল,,,,,

---- আরিফ We are extremly sorry,,,, plz forgive us

---- আরে,,,,,,, আরে তোমরা মাফ চাচ্ছ কেন? আমি কিছুই মনে করি নাই। বাদ দাও এইসব কথা।

---- ওকে। লেটস ফ্রেন্ডস

---- ওকে৷ ( হায়রে যারা আমার সাথে কথাও বলত না আমি ক্ষ্যাত ছিলাম আজ তারাই আমার আসল পরিচয় পেয়ে বন্ধুত্ব করতে আসে। হায়রে দুনিয়া। সবই টাকার খেলা। আমি মনে মনে বললাম)

তারপর সব ক্লাস করে,,,, বাসায় আসতেছিলাম সবাই আমার দিকে কেমন ভাবে যেন তাকিয়ে আছে। সবই টাকার খেলা। তারপর বাসায় এসে সোজা আব্বুর কাছে চলে গেলাম,,,,,,,

---- আব্বু,,,, তুমি আজ কলেজে গেলে কেন?

---- কেন,,,,, গিয়েছি বলেই তো আসল দৃশ্য নিজের চোখে দেখতে পেরেছি। আমার ছেলেকে কেউ মারবে আর তা আমি সহ্য করব......( অনেকটা রেগে বলল কথা গুলা)

---- আব্বু,,,,, কে তোমায় ফোন দিয়েছিল???

---- কেউ না। আর তোর সাথে আমার কিছু কথা আছে।

---- কথা সব পরে। আগে বল কে কল দিয়েছিল তোমায়। তুমি সত্যি টা বলবে না আমি আমার নিয়মে বের করতাম???

---- আচ্ছা যা আকিব কল দিয়ে বলেছিল আমায়। আর কল দিয়েছে একদম ভালো কাজ করেছে। নাহলে তো আমি জানতেই পারতাম না আজ আমার ছেলেকে মারতে এসেছিল।

আমার সন্দেহ টাই ঠিক ছিল। আকিব ইই আব্বুকে কল দিয়ে সবটা বলেছে। আর আব্বু কলেজে গেল। এইজন্যই তো আব্বু আসার পরে শালারে কোথাও দেখলাম না।

---- এই শুন আরিফ,,,,,তোকে খুব শীগ্রহ অফিসে জয়েন করতে হবে। আর এটাই আমার লাস্ট ডিশিশন।

---- কিন্তু আব্বু,,,,,আমার তো পড়া কম্পলিট হই নাই এখনো।

---- যাই হোক । তোকে অফিস জয়েন করতে হবেই। আর তোকে কাল থেকে সুন্দর ভাবে চলতে হবে। মানে এইসব নরমাল ভাবে আর চলা যাবে না।

---- ওকে আব্বু। ( এই বলে আমি রুমে চলে আসলাম। রুমে এসে মোবাইলটা হাতে নিয়ে ইই দেখলাম যে রিমির ম্যাসেজ তাই কল দিলাম,,,,,

---- হেলো রিমি কেমন আছ?

---- আমি কেমন আছি সেটা আপনার না জানলেও চলবে। আপনি আমায় আর কখনও ম্যাসেজ বা কল দিবেন না।

---- এই তুমি কি বলতেছ এইসব।

---- জিইইইই,,,,,আমি যা বলতেছি তা সব ঠিক ইই বললাম যে আমার সাথে মিথ্যা বলে তার সাথে আমি কখনও কথা বলি না।

---- কি মিথ্যা বললাম আমি একটু আমায় বলবা?

---- কি মিথ্যা বলছেন জানেন না আপনি?

----- না জানি না বল আমায়। তারপর যা বলল আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ল কারন,,,,,,,,,

----- না জানি না বল আমায়। (রিমি একটু রাগী কন্ঠে বললাম)

---- আচ্ছা বলতেছি। কেন আমার আপনি এত বড় নাটক করছিলেন? আজ কলেজে কি কি হয়েছে তা আমি সব নিজের চোখে দেখেছি। আপনি এত বড় অভিনয় টা আমার সাথে না করলেও পারতেন।

---- মানেইইইই ( একটু অবাক হয়ে)

---- মানে হল এই যে,,,, আজ কলেজে মাহির আব্বুর সাথে আপনার কি কি হয়েছে সেটা সবটা আমি নিজের চোখে দেখেছি। কেন এত বড় নাটক করছিলেন আমার সাথে??

---- রিমি দেখ তুমি যেটা ভাবছ সেটা না। আসলে আমি সবসময় নরমাল হয়ে থাকতে পছন্দ করি। ছোট থেকেই আমি এইভাবে চলাচল করেছি । কারন আমার কাছে দুনিয়ার কেউ বড়লোক বা ছোটলোক না সবাই মানুষ।

---- কিন্তু,,,,,আমায় তো বলতে পারতা একবার।

---- তোমায় আমি বলতাম ঠিক সময় আসলে। কিন্তু,,,,,, কি আর বলব আসলে আমি বুজতে পারতেছি না। আমার জন্য যদি কষ্ট পেয়ে থাক আই এম সরি প্লিজ আমায় মাফ করে দাও।

---- না তোমায় এইভাবে মাফ করা যাবে না। আমি যা বলব তাই শুনতে হবে তাইলেই মাফ করব তোমায়।

---- ওকে। কি করতে হবে আমায় বল আমি সব করব। তবুও তুমি রাগ করে থেক না। প্লিজ

---- ওকে। আজ বিকাল ৫ টায় নদীর পাড়ের সামনে আসবা। ঠিক বিকাল ৫ টায়। কি পারবা তো?

---- কিন্তুইইই আমার আজকে ম্যাচ আছে। ক্রিকেট ম্যাচ। নাহলে কালকে আসি?

---- যা তোর আর আসাই লাগবে না। থাক তুই তোর ক্রিকেট নিয়ে। ( অনেক রাগে কথাটা বলল আর ফোন কেটে দিল।)

না ওকে এইভাবে রাগানো ঠিক হই নাই। তাই আবার কল দিলাম ১ বার রিং হতেই রিসিব করল। মনেই ফোনের কাছে বসে ছিল,,,,,

---- হেলো রিমি। এর রাগ কর কেন? আচ্ছা যাও আসব।

---- না আসা লাগবে না তুই তোর ম্যাচ নিয়ে থাক। ( এখনো রেগে আছে মনে হই)

---- সত্যি আসব। তাও ঠিক বিকাল ৫ টায়।

---- ওকে,, যাতে দেরি না হই সেইদিকে খেয়াল রাখবা।

---- ওকে। (তারপর আরও কিছুক্ষন কথা বলে ফ্রেশ হতে চলে গেলাম। তারপর ফ্রেশ হয়ে খাবার খেয়ে দিলাম শান্তির ঘুম।

অপরদিকে,,,,,,

---- পাপা,,,কে ওই রফিক চৌধুরি। পুরো শহর তোমার নামে কাপে। তাহলে কেন তুমি ওই রফিক চৌধুরিকে স্যার স্যার বলে ডাকলা?

---- দেখ রে মা,,,,,, এই শহর আমার নামে কাপে ঠিক আছে কিন্তু পুরো দেশ ওনার নামে কাপে। কারন রফিক চৌধুরি বাংলাদেশের টপ বিজন্যাসমেন। আর এটাও সত্যি যে উনি আমাদের কলেজে ৮০% ডোনেশন দেয়। উনি আমার মত হাজারটা নেতাকে পকেটে রাখে।


---- পাপা তাহলে কি তুমি কিছুই করতে পারবে না। ওই আরিফ সবার সামনে আমাকে যে থাপ্পড় মারল তার কি? পুরো কলেজের সামনে আমার যে প্রেস্টিজ ডাউন হয়েছে তার কি? তুমি কি এমনেই ছেড়ে দিবে ওই আরিফ কে?

---- দেখিরে মা কি করা যায়। এখন যদি কিছু করি তাহলে রফিক চৌধুরি আমাদের জানে মেরে ফেলবে। তবুও দেখি আমি কি করা যায়।

অন্যদিকে আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। কে যেন কল দিয়ে আমার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাল,,,আমিও না দেখে রিসিব করে বললাম,,,,,

---- হেলো কে? (ঘুম ঘুম ভাবে)

---- ভুত। তোর ঘার মটকামু।

এই কথা শুনার সাথে সাথে লাফ দিয়ে উঠলাম স্ক্রীনে তাকিয়ে দেখলাম এইটা রিমির কল,,,,,,

---- রিমিইই ( কাপা কন্ঠে বললাম)

---- হ্যাঁ রিমি,,,,,তুই কোথায় নিশ্চয়ই ঘুমাইতেছস তাই না।???

---- আরে না না,,,,, আমি বাইরে এইত ৫ মিনিটের মধ্যে আসতেছি।

---- মোট কথা ৫ টার মধ্যে তুমি নদীর পাড়ে আসবা কিভাবে আসবা সেটা তোমার ব্যাপার। আমি ওয়েট করতেছি৷

---- ওকে। (তারপর কল কেটে দিয়ে তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে একদম সিম্পল ড্রেস পরে তাড়াতাড়ি নদীর পাড়ে গেলাম।কাছে যেতেই দেখলাম রিমি সুন্দর একটা নীল শাড়ি পরে দাড়িয়ে আছে। আমি তার কাছে যেতেই সে বলে উঠল,,,,,

---- কয়টা বাজে?

---- (এইরে তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে তো ঘড়ি আনতে মনে নেই) আমার ঘড়ি আনতে মনে নাই। কয়টা বাজে?

---- ৫ঃ০১ তোমারে বলছিলাম ৫ টায় আসার জন্য কিন্তু তুমি আসছ ৫ঃ০১ এ মানে ১ মিনিট লেট। সো তোমাকে শাস্তি পেতে হবে।

---- ওকে। কি শাস্তি বল।

---- পরে বলব। আগে আস একটু ঘুরব।

---- আমি বললাম ওকে। (তারপর আমরা অনেকক্ষন পর্যন্ত সময় কাটালাম। অনেক কথা বললাম। রিমির সাথে সময় কাটালে সময় কিভাবে শেষ হয়ে যাই বুজতেই পারি না। কিভাবে যে বলব যে আমি রিমি কে অনেক ভালোবেসে ফেলেছি। কিন্তু ও মনে হই আমাকে শুধু ওর বন্ধু ভাবে এর বেশি কিছুই না। এই কথা ভাবতে ভাবতে হাটছিলাম। হঠাৎ দেখি একটি ফুচকার দোকান,,,,,,

---- এই আরিফ চল না চল না ফুচকার দোকানে যায়। কতদিন হল ফুচকা খায় না প্লিজ প্লিজ চল না চল না।

---- ওকে ওকে চল।

তারপর রিমি আমায় টেনে নিয়ে গিয়ে ফুচকার দোকানে বসালো,,,, তারপর নিজেই অর্ডার দিল,,,,

---- জানো আরিফ আমার না ফুচকা খুব ভালো লাগে। ফুচকা,,চকলেট এইগুলা আমার ফেবারিট।

---- আমার ফুচকা তেমন ভালো লাগে না। আমি খাব না।

---- না খাইতে তো তোমাকে হবেইইই। নাহলে আমি জোর করে খাওয়াবো তোমায়।

---- আচ্ছা আচ্ছা খাবো নি।

কিছুক্ষন পরেই ফুচকা দিয়ে গেল আমাদের। তারপর ফুচকা খেয়ে তার বিল টা দিয়ে আবার হাটা শুরু করলাম। আমি রিমিকে বলে উঠলাম,,,,

---- রিমি জানো,,,, আমি কখনো এই দিনগুলোর কথা ভুলব না ৷ এইদিন গুলো সবময় আমার স্মৃতি হয়ে থাকবে।

---- হুম। ঠিক বলছ। এই দিনগুলোর জীবনে সবময় স্মরনীয় হয়ে থাকবে।

---- রিমি আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই। প্লিজ আমায় খারাপ ভেবো না।

---- না না বল কি বলবা।

---- রিমি তোমাকে আমি অনেকদিন থেকেই বলার ট্রাই করতেছি কিন্তু ভয়ে বলতে পারি নাই।

---- আরে বাবারে,,,,,বলো তো কি হয়েছে কি বলবা বলো।

---- রিমি আমি ( যখনি বাকিটা বলতে যাব তখনি রিমি বলল)

---- আরিফ ওইটা তোমার ফ্রেন্ড আকিব না গাছের পাশে যে দাড়িয়ে আছে?

---- আরে সত্যি তো। ওইটা তো আকিব। বাট ওর পাশে মেয়েটা কে? ওরে তো চিনি না।

---- আরে গাধা,,,,,ওইটা ওর গিএফ হবে দেখছ না হাত ধরে কিভাবে দাড়িয়ে আছে।

---- ওয়েট একটা কল দেয় দাড়াও। শালা তলে তলেএতদূর গেল আর আমায় জানালো না। তারপর দিলাম আকিবকে কল,,,,,,

---- হেলো আকিব তুই কই রে?

---- আমি তো একটু কাজে রংপুর গেছি। কাল চলে আসব।

---- ওওও আচ্ছা তাই না। তা বন্ধু রংপুর টা কি তোর শিউলি গাছের নিচে?

---- মা মা মানে,,,,, কি বলস তুই আমি রংপুর। শিউলি গাছের নিচে জামু কেন?

---- ওওও। তা বন্ধু একটু ডানে ঘুরো তো....

---- কেন?

---- এই শালা তোরে ডানে ঘুরতে কইতেছি ঘুর তুই

তারপর আকিব ডানে ঘুরতেই এমন একটা শকড খেল। মনে হই ৪৪০.ভোল্টের শকড খাইছে।

তারপর আমি কাছে গিয়ে বললাম,,,,,এইটা তোমার রংপুর মামা,,,,,,

---- আরেহ দোস্ত রাগ করস কেন। আমরা আমরাই তো।

---- হুম শালা তলে তলে এতদূর গেলা আর আমারে জানাও নাই।

---- আচ্ছা বাদ দে। এইসব

---- হুম,,,,তারপর আরও কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে বাসায় চলে আসলাম। বাসায় এসে দেখলাম একটা নিউজ চলতেছে তাও ব্রেকিং নিউজ তাই একটু উৎসাহ নিয়ে দেখতেছিলাম হঠাৎ ইই দেখলাম,,,,,,,,,,,

চলবে..???
কেমন হলো কমেন্ট করে জানিয়ে দিন এবং একটি লাইক দিয়ে পাশে থাকুন। ধন্যবাদ

গল্পের নাম ক্ষেত ছেলেটি যখন হ্যাকার
638 Views
11 Likes
1 Comments
5.0 Rating
Rate this: