---- না,,,,আমার সন্দেহ ইই ঠিক রাতের আগে এই Dark Queen এ্যাটাক করবে না। তাও রাত ১১ টা পর্যন্ত বসে রইলাম ল্যাপটপের সামনে। রাত তখন ১১.২০ হঠাৎ দেখলাম আমার ল্যাপটপে বাংলাদেশ স্পেস রিসার্চ অরগানাইজেশন এর সার্ভার থেকে একটা Red Warning দিচ্ছে। মানে কেউ এই সার্ভারে এক্সেস নেয়ার জন্য চেষ্টা করতেছে। আমার আর বুজতে বাকি রইল না এইটা নিশ্চয়ই Dark Queen এর কাজ। আমিও চুপচাপ বসে রইলাম Dark Queen কে এক্সেস নিতে দিলাম। তারপর Dark Queen যে এক্সেস নিয়েছে তার একটা প্রমান রেখে দিলাম।
অন্যদিকে,,,,,,,
---- কি হলো ঘটনা। আমাকে তো বলেছিল হ্যাক করতে দিবে না সার্ভার। আমি কিভাবে এত সহজে হ্যাক করে ফেললাম?? নাকি এইটা কোনো একটা প্ল্যান আমাকে ধরার জন্য? ( Dark Queen নিজের মনে এইসব ভাবনা ভাবতেছিল)
---- হা হা হা Dark Queen কাল তুমি দুনিয়ার সামনে তামাশা দেখবে। এই কথা ভাবতে ভাবতে Dark Queen এর হ্যাক করা সার্ভারে আমি রিপ্লাই এট্যাক দিলাম। এট্যাক চলাকালীন আমি কল দিলাম রাকিব ভাইকে,,,,,,
---- হেলো ভাই। সার্ভার হ্যাক করে ফেলেছে Dark Queen।
---- হুম। কিন্তু এই কাজ কিভাবে করল বুজতেছিনা। আমাদের হায় সিকিউরিটি বাইপাস করে কিভাবে হ্যাক করল তা ইই বুজতে পারতেছিনা। আমাদের লোকেরা চেষ্টা করতেছে ব্যাক আনার। তুমিও একটু দেখ কারন এইটা আমাদের সিকিউরিটির প্রশ্ন।
---- হুম ভাই। ১০ মিনিটের মধ্যে সার্ভার ব্যাক চলে আসবে। আই প্রমিস ইউ।
---- গুড জব। ওকে চেষ্টা কর তুমি আমরাও করি।
---- ওকে ভাই। বলে কল কেটে দিলাম। কথা বলা শেষ করে দেখতেছি এট্যাকা সাকসেসফুল হয়েছে। তারপর আরেকটু কাজ করে করে সার্ভার আমার আয়ত্তে নিয়ে আনলাম। এখন আরেকটা কাজ বাকি। Darl Queen এর লোকেশান ট্রেক করা।
অন্যদিকে,,,,,
---- সার্ভার এর ডেটা মুছে ফেলার সময় হঠাৎ ই সব কিছুই উল্টাপাল্টা হয়ে গেছে । তার মানে কি এই সার্ভার ব্যাক নিয়ে গেছে? হাউ ইস দিস পসিবল??? (চেচিয়ে Dark Queen বলল)। কিভাবে আমার কাছ থেকে এই সার্ভার ব্যাক নিয়ে গেল। আমি টেরও পেলাম না। না এ কোনো সাধারন মানুষ না। কে এই ব্যক্তি? যে এই Dark Queen থেকেও ১০০ পা এগিয়ে। না আমাকে এখনি এই সার্ভার থেকে বের হয়ে যেতে হবে। নাহলে আমার লোকেশন ট্র্যাক করে ফেলবে। ( এই বলে Dark Queen বেরিয়ে গেল সার্ভার থেকে)
অপরদিকে,,,,,,,
---- ইসসসস,,,,,,ওওও গড আর মাত্র ৫ সেকেন্ড থাকলে এই Dark Queen এর লোকেশান ট্র্যাক হয়ে যেত। এই Queen তো অনেক চালাক। নিজের লোকেশন ট্র্যাক না হওয়ার জন্য বেরিয়ে গেল। সমস্যা নাই আজ বেচে গেলেও পরের বার আর বাচতে পারবে না। এই কথা ভাবতে ভাবতে আবার কল দিলাম রাকিব ভাইকে,,,,,,
---- হেলো ভাই একটা খুশির খবর আছে।
---- কি খবর?
---- ভাই সার্ভার এখন আমার আয়ত্তে। Dark Queen সার্ভার এর কোনো ক্ষতি করার আগেই ব্যাক নিয়ে আসছি।
---- ওয়াটটটট,,,,,,আর ইউ কিডিং মি?
---- না ভাই,,,,,আই এম নট কিডিং। ইটস ট্রু।সার্ভার এখন আমার আয়ত্তে। খুব শীঘ্রহি সার্ভার আপনাদের কন্ট্রোলে দিয়ে দিতেছি।
---- সাবাশশসশস আরিফ সাবাশশশশ,,,,,আই এম প্রাউড অফ উ। বেরি গুড জব। তোমার প্রাইজ এমাউন্ট তোমার একাউন্টে চলে যাবে।
---- না ভাই দরকার নাই৷ আমি এই কাজ টাকার জন্য না দেশের জন্য করেছি। আমার টাকার দরকার নাই।
---- না,,,,তুমি যা করেছ তার সামনে এই প্রাইজ এমাউন্ট কিছুই না। তোমার টাকা চলে যাবে ঠিক সময়ে। ভাল থাকিও বাই।
---- ওকে ভাই। এই বলে কল কেটে দিলাম। তারপর ইউটিউবে লাইব একটা ভিডিও আপলোড দিলাম।
আসসালামু আলাইকুম। Dark Queen চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল যে সে আজ আমাদের বাংলাদেশ স্পেস রিসার্চ অরগানাইজেশন এর সার্ভার হ্যাক করে তার আয়ত্ত্বে আনবে। আমিও তাকে চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম যে মাত্র ১০ মিনিটে আমিও সেই সার্ভার ব্যাক আনব। এই দেখুন Dark Queen যে সার্ভার হ্যাক করেছিল তার প্রমান। তারপর একটা ভিডিও দেখালাম। আমিও প্রমিস করেছিলাম যে সার্ভার ব্যাক আনবই। এই বলে আরেকটা ভিডিও দেখালাম। এই যে দেখুন Dark Queen এর আয়ত্ত থেকে আমাদের দেশের সার্ভার ব্যাক নিয়ে এনেছি মাত্র ১০ মিনিটে। Dark Queen একটা কথা মনে রাখবা বাপেরও বাপ আছে। তুমি এখনো আমার সামনে ছোট। তোমাকে আমি ফাস্ট এন্ড লাস্ট ওয়ার্নিং দিচ্ছি তুমি যদি আবারো আমার দেশের ক্ষতি করার চেষ্টা করো তাহলে আই উইল বি ব্যাক। একটা ডেবিল মার্কা হাসি দিয়ে ভিডিও শেষ করে দিলাম
--- আশা করি এই ভিডিও Dark Queen অবশ্যই দেখবে।মোবাইলে চার্জ না থাকায় মোবাইল চার্জে দিয়ে আমি ঘুমিয়ে গেলাম
অপরদিকে,,,,,,
রিমি রাত থেকে ফোনে কল দিয়েই যাচ্ছে কিন্তু সবসময় একটা কথা নাম্বার টি এই মূহুর্তে বন্ধ আছে।
---- আল্লাহ,,,,আরিফের কি কোনো কিছু হল নাকি। কেন ও ফোন বন্ধ করে রেখেছ। না ট্রাই করে যেই।
সকালে ঘুম থেকে উঠে ফোন চার্জার থেকে খুলে ওপেন করতেই মনে হই বাজ পড়েছে আমার মাথাই। কাল রাত থেকে রিমির প্রায় ১৫০+ কল আর ৫০০+ মেসেজ। না আজ আমার আর রেয়াই নেই। তারপর আল্লাহর নাম করতে করতে দিলাম রিমিরে কল। বাহ কল দেয়ার সাথে সাথেই রিসিব মনে হই ফোন নিয়ে বসে ছিল,,,,,
---- হেলো রিমি,,,,,,ভয়ে ভয়ে বললাম
---- শালা কুত্তা,,,,বান্দর,,,ফালতু,,,বেয়াদপ আরও অনেক গালি দিলল। এই তোর ফোন বন্ধ কেন ছিল রে?? তুই আজ কলেজে আই তোর একদিন কি আমার একদিন। এই বলে ফোন কেটে দিল,,,,,,
লে হালুয়া। আজ আমার অবস্থা টাইট হবে। তারপরে নাস্তা করে কলেজে চলে গেলাম। গিয়ে দেখি রিমি আমার আগে কলেজে এসে বসে আছে।
---- হাই রিমি,,,,,ভয়ে ভয়ে বললাম
---- রিমি কিছু না বলে,,,,,কলেজের পিছনে আমাকে টানতে টানতে নিয়ে গেল।
---- এখানে কেন এনেছ?
---- তারপর দিল ঠাসসসসসস করে একটা,,,, রিমির এই থাপ্পর খেয়ে টাল সামলাতে নে পেরে পড়ে গেলাম।
তারপর রিমি আমায় তুলে দিল আরেকটা,,,,,, এবার আমার ডান আর বাম গালে ৫ টা করে মোট ১০ টা আঙ্গুলের ছাপ পড়ে গেল।
---- এই কুত্তা তোর খুব ভালো লাগে না আমায় কষ্ট দিতে আমায় কাদাতে। তোর তো ভালো লাগেই আমায় কষ্ট দিতে।
---- এতক্ষন খেয়াল করি নাই,,,,,,,আসলে রিমির চোখ দুইটা ফুলে গেছে। মুখটা কেমন যেন হয়ে গেছে। মনে হয় কাল অনেক কেদেছে।
---- কি হল কথা বল চুপ করে আছিস কেন?
---- আসলে রিমি সরি,,,,,,আমার কাল ফোনে চার্জ শেষ হয়ে গেছিল তাই বন্ধ ছিল। আই এম সরি। আর হবে না এইরকম।
---- আরও কতক্ষন গালাগালি করে বলল,,,,,, আচ্ছা ভবিষ্যতে যেন এইরকম না হই। প্রমিস দাও।
---- হুম প্রমিস। আর হবে না। চল এখন ক্লাসে যাই। ক্লাসের টাইম হয়ে যাইতেছে।
---- হুম ওকে চলো।
তারপর একে একে সব ক্লাস করলাম। ক্লাস শেষে বাসায় আসার সময়,,,,,
---- আরিফ তুমি কি কিছু শুনেছ??
---- না কি শুনব?
---- আল্লাহ,,,,,,এই ছেলে মনে হই মঙ্গলগ্রহে থাকে।
---- দেখ,,,,,,কাহিনি না করে সোজাসাপ্টা ভাবে বলো কি হয়েছে।
---- Devil Queen তো বলেছিল যে সে নাকি বাংলাদেশ স্পেস রিসার্চ অরগানাইজেশান এর সার্ভার হ্যাক করবে। আর কেউ ইই তাকে থামাতে পারবে না।
---- হুম জানি তো। তা হ্যাক করে ফেলেছে নাকি??
---- আরে শুনো তো পুরা ঘটনা। সে হ্যাক করলেও কে যেন একজন সেই সার্ভার মাত্র ১০ মিনিটে আবার ব্যাক নিয়ে এসেছে আবার Dark Queen কে ওয়ার্নিং ও দিয়েছে সে যদি আর এইরকম কাজ করে তাইলে তার নাকি খবর আছে।
---- হায় হায় কি বলো Dark Queen নাকি বাংলাদেশের এক নাম্বার হ্যাকার তার ওপরে নাকি কেউ নাই তাহলে এই ব্যক্তি কে? যে মাত্র ১০ মিনিটে সার্ভার ব্যাক নিয়ে আসে? ( একটু মজা করে)
---- হুম সেটাই তো কথা। আল্লাহ জানে এ আবার কে আসছে। আচ্ছা বাদ দাও এইসব।
---- হুম। চল বাসায় যাই।
----- না এখন বাসায় যাবো না। একটু মার্কেটে যাব আর তুমি যাবে আমার সাথে।
---- না না আমি যাব না। বাসায় কাজ আছে।
---- ওহ হ্যালো। আমি তোমার থেকে পারমিশন নিতেছি না তোমাকে জানাইতেছি।
---- আচ্ছা চলো। তোমার সাথে তর্ক করে পারব না।
তারপর আমরা মার্কেটে গেলাম। তারপর রিমি আমায় ৩ টা ব্যাটারি ১ টা পাওয়ার ব্যাংক কিনে দেয় আর বলে,,,,,
---- শুন এইগুলা এইজন্য তোমায় দিতেছি যাতে তোমার মোবাইল সবসময় অন থাকে।
---- এই দেখ এইসব লাগবে না। আমি কি করব এইগুলা দিয়ে।
রিমি আমার কোনো কথাই শুনল না। সব কিনে আমার হাতে দিল। বলল,,,,,
---- এই নাও। এইগুলা আমার পক্ষ থেকে ছোট গিফট।
---- দেখ,,,,,,আমি এইসব দিয়ে কি করব বলো তো?
---- এই কথা বলার সাথে সাথে রিমি চোখ গুলা বড় বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে থাকে।
---- আচ্ছা আচ্ছা দাও। এইভাবে ভয় দেখাও কেন?
---- এইতো গুড বয়। এই নাও আর বাসায় যাও।
পরে আমি বাসায় চলে আসলাম। বাসায় এসে আম্মু জিজ্ঞেস করল,,,,,
---- কিরে এইগুলা কে দিল তোরে?
---- আম্মু আমার এক ফ্রেন্ড দিছে।
---- আচ্ছা ভালো। তা বাবা দেখ আমাদের তো সম্পত্তি কোনো কম নেই। তুই কেন এই ভাবে চলাচল করস?
---- আম্মু দেখ,,,,,,আমি আগেও বলেছি এখনও বলছি আমার নরমাল থাকতে ভালো লাগে। এই বলে রুমে চলে আসলাম। এসে একটু ফেসবকেতে ডুকলাম। দেখলাম এক মাইয়া মেসেজ দিছে,,,,,,,,,
---- হা কেমন আছেন ভাইয়া ?
---- হেলো কে আপনি?
---- জিইই,,,,,আমার নাম মায়েশা। আর আমি আপনাকে একটা কথা বলতে চাই।
---- আচ্ছা বলুন কি বলবেন। ( আমি তো বুজতে পারছি এটা কার আইডি)
---- আমি আপনাকে খুব লাইক করি। I love You
---- ওম্মা সত্যি। আলাবু টু। ( এইটা আকিবের ফেক আইডি। সালায় আমার সাথে মজা করে আমি করলাম)। এই বলে আমি গোসল করতে চলে গেলাম।
তারপর খাওয়া দাওয়া করে দিলাম একটা ঘুম। এক ঘুমে বিকালে উঠলাম। উঠে আমি ফেসবুক লগইন করতেই আমার মাথা
----তারপর খাওয়া দাওয়া করে দিলাম একটা ঘুম। এক ঘুমে বিকালে উঠলাম। উঠে আমি ফেসবুক লগইন করতেই আমার মাথা শেষ কারন রিমি আমার আইডিতে ডুকে ওই মেয়েরে বকে ১৪ গোষ্ঠী উদ্ধার করতেছে। এবার আমার কি হবে আল্লাহ জানে। তারপর রিমি ওই মেয়ের সাথে বকাবকি করে ওরে ব্লক করে দেই আর আমাকে ম্যাসেজ দেই,,,,,,,,
---- এই লুইচ্চা তুই ওই মেয়েরে কি বলছত এইসব? তুই ওরে ভালোবাসস তাই না
---- (বুজলাম অনেকটা রেগে আছে) আরে তুমি যেরকম ভাবতেছ ব্যাপারটা সেইরকম না।
---- ওহহহ এখন তো এই কথা বলবি ইই তাই না। তোর সত্যি টা তো আমি জেনে গেছি। ছি কতবড় মিথ্যাবাদীরে তুই।
---- দেখ রিমি আমি সত্যি করে বলছি ওইটা কোনো মেয়ের আইডি না। ওইটা আমার বন্ধু আকিবের ফেক আইডি। ও শুধু আমার সাথে মজা করতেছিল।
---- হ্যাঁ হ্যাঁ এখন তো ওইসব ইই বলবি লুইচ্চা,,,,মেয়ে দেখলেই শুধু পিছে পিছে ঘুরতে মন চাই।
---- আরে সত্যি বলতেছি ওইটা আকিবের আইডি। বিশ্বাস করো আমার কথা।
---- আচ্ছা ওয়েট। আমি যতক্ষন না ম্যাসেজ দিব কোথাও যাবি না তুই৷ ( এই কথা বলে রিমি চলে গেল। আর আমি আকিবরে অনেক বকতেছি। ওই শালার জন্য এত বড় বাশ খাইলাম।)
এইকথা ভাবতেছিলাম আর দেখি আমার মোবাইলে সিকিউরিটি এলার্ট দিতেছে। মানে কেউ আমার ফোন হ্যাক করার ট্রাই করতেছে। আমি বুজলাম এইটা রিমির কাজ। আমি কোনো চালাকি যাতে না করি তাই সে হ্যাক করতে চাই আমার ফোন। তাই আমিও তাকে কিছু বললাম না। মোবাইলের সিকিউরিটি অফ করে দিলাম। যাতে সে হ্যাক করতে পারে। কিছুক্ষন পর রিমি ম্যাসেজ দিল,,,,,
---- এই তুই এখন আকিবকে কল দিবি। আর বলবি ওই আইডি টা কি ওর নাকি। আর কথা সব রেকর্ড করে রাখবি।
---- আচ্ছা দিতেছি। (পরে আকিবকে কল দিলাম কিছুক্ষন রিং হওয়ার পর রিসিব করল,,,,,,)
---- এই শালা তুই ফেক আইডি দিয়ে আমারে ম্যাসেজ দেস কেন?
---- শালা যখন জানসই আমার আইডি তাইলে আমারে বকলি কেন?
---- পরে বলমু এখন রাখি। (এই বলে কল কেটে দিয়ে কল রেকর্ড টা রিমিকে পাঠিয়ে দিলাম)
---- আচ্ছা সরি,,,,আর বলব না এইসব। ওই মাইয়া তোমারে প্রোপজ করছে তা দেখে ইই মাথা গরম হয়ে গিয়েছিল। আচ্ছা বাদ দাও কি করতেছ??
---- এইতো বসে আছি। ভাবছিলাম খেলতে যাব কিন্তু যা হয়ে গেল খেলার মুডটাই নষ্ট হয়ে গেল।
---- আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে আমার সাথে কথা বল।
---- হুম। (তারপর রিমির সাথে কিছুক্ষন কথা বললাম)
কথা শেষে করে পরে একটু পড়ে নিলাম। সামনে আবার এক্সাম। তাই পড়ার চাপ একটু বেশিই৷ ফেল করলে খবর আছে আমার। পড়া শেষ করে রাতের খাবার খেয়ে রিমির সাথে একটু কথা বলে ঘুমাতে চলে গেলাম। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুধু একটা কথাই ভাবতেছি আমি মনে হই রিমিকে ভালোবাসতে শুরু করেছি। তার শাষন,,,পাগলামি আমার সবই ভালো লাগে। কিন্তু সে কি আমাকে ভালোবাসে???। না একজন প্রকৃত বন্ধুর যা করনীয় তাই করে। এইসব চিন্তা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়লাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে কলেজের দিকে হাটা ধরলাম। কলেজ ক্যাম্পাসে মোবাইলে চালাইতে চালাইতে হাটতেছি হটাৎ কার সাথে যেন ধাক্কা খেলাম,,,, উঠে দেখি এ আর কেউ না এ মাহি,,,,,,
---- এই ছোটলোকের বাচ্চা,,,,,ধাক্কা দিলি কেন আমারে?
---- সরি সরি,,,,,আমি খেয়াল করি নাই আমি ফোনের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। আই এম এক্সট্রেমলি সরি।
---- ফকিন্নির ফকিন্নি,,,,,,, ভিক্ষারির ঘরের ভিক্ষারী তোর জন্য আমার এই ড্রেস টা নোংরা হয়ে গেছে ফকিন্নির বাচ্চা তোর বাপের ১ বছর রিক্সা চালাইলেও তো এই ড্রেস কিনতে পারবি না। তারপর দিল ঠাসসসসসস ঠাসসসসসস করে ২ টা আমার গালে,,,,,,,ফকিন্নির বাচ্চা যা এইবার মাফ করে দিলাম তোরে
মাথা তো পুরাই হট হয়ে গেল। এইসব কথা শুনে। তাই আমিও ঘুরিয়ে দিলাম একটা থাপ্পর। আমার এক থাপ্পর খেয়ে ৩/৪ হাত দূরে ছিটকে গিয়ে পরল মাহি,,,,,,, তারপর আমি মাহিকে বললাম,,,,
---- শুন,,,,,যা করার আমি করছি। আমাকে গালাগালি কর। আমি কিছু বলব না। কিন্তু আমার মা - বাবাকে কিছু বললে তোর খবর আছে।
---- ওইইইই,,,,,তুই আমার গায়ে হাত তুললি তোর এত বড় সাহস,,,,, শুন ফকিন্নি তুই কি ভুল করেছিস তা তুই জানস না। এখন তোকে এর চূড়ান্ত পরিনাম ভোগ করতে হবে। তোর কি হবে তা আমিও জানি না। আমার পাপা তোকে মেরে বালি চাপা দিয়ে দিবে।
---- যাহহহ যাহহহ তোর বাপ আমার কি করবে তা আমার জানা আছে,,,,,,সো এইসব আমার সামনে বলে কোনো লাভ নেই।
তারপর মাহি রেগে হনহনিয়ে চলে গেল। পুরা কলেজের সবাই আমাদের দিকে চেয়েছিল এতক্ষন। আসলে মাহির ওপর কথা বলার কারো সাহস নাই এই কলেজে। তারপর আমিও ক্লাসে এসে বসে পড়ালাম। ক্লাসে বসে আছি হঠাৎ আকিব এসে বলল,,,,
---- এই তোর কি আজ সকালে কোনো ঝামেলা হয়ছে মাহির সাথে?
---- কেন বল তো? আর তুই তোর নানুর বাড়ি থেকে কবে আসছত?
---- শালা যা বলতেছি ওইটার উত্তর দে তোর সাথে কি মাহির কোনো বেজাল হইছে?
---- হুম সকালে বেজাল হয়েছে কেন বল তো?
---- না,,,,, আমি আসার সময় দেখছি মাহি কাকে যেন ফোন দিয়ে বলতেছে,," আজ কেই যেন শেষ দিন হয় ওই ফকিন্নির "" আর আমার জানা মতে মাহি তোকেই ফক্কিনি বলে তাই জিজ্ঞেস করলাম।
---- আরে বাদ দে তো। ওইসব মাহি ফাহি রে অনেক দেখা আছে। কি করবে আমার সে কিছুই করতে পারবে না। সো চিল ব্রো।
অপরদিকে,,,,,,
আমার গায়ে হাত তোলা এই মাহির গায়ে হাত তোলা। আজ এই ফকিন্নি কে আমি মেরেই ফেলব। এই নীলা আমারে কিছু আইডিয়া দে কি করব আমি। আমার মাথায় আগুন জ্বলছে।
---- মাহি তুই তোর আব্বুকে ফোন করে সব বলে দে। তোর আব্বুই বুজে নেক এই ব্যাপারটা।
---- হুম,,,,,ঠিক বলছস। আচ্ছা পাপাকে কল দিতেছি দাড়া।
---- হেলো পাপা তুমি কোথায়??
---- কেনো মামু নি। আমি তো বাসায়। কিছু কি হয়েছে??
---- পাপা জানো আজ কলেজের একটা ছেলে আমার গায়ে হাত তুলেছে। ( কান্না করে দিয়ে)
---- কিইইইইইই,,,,,,,মামুনি কে সেই ছেলে? কার এত বড় সাহস যে আমার মেয়ের গায়ে হাত তুলে।
---- পাপা তোমায় বলেছিলাম না আমাদের কলেজে একটা ক্ষ্যাত আছে। সেই ক্ষ্যাতটা৷ আজ আমাকে সবার সামনে থাপ্পড় মেরেছে।
---- মামুনি তুমি ওয়েট করো। তোমার পাপা আসতেছে।
---- ওকে পাপা।
এই নীলা ওই ফকিন্নি টা আজ সবার সামনে আমার গায়ে হাত তুলেছে না। এখন তুই দেখবি পুরা কলেজের সামনে ওর কি হাল আমি করি।
অন্যদিকে,,,,,,
আমি ক্লাসে বসে আছি। আর আকিব আমায় বকাঝকা করতেছে।
---- আরিফ দেখ,,,,, আর না। আমি এখনি আংকেল কে কল করে সব কথা বলে দিতেছি৷
---- এই আকিব শুন এই কাজ একদমি করবি না। আরে আমার কিছু হবে না তো। সো চিল
আমরা কথা বলতেছিলাম। হঠাৎ দেখলাম কিছু লোক ক্লাসে ডুকে বলল,,,,,, এই তোদের মধ্যে আরিফ কে রে?
---- জিইই আমি ইই আরিফ কি বলবেন বলুন।
---- তোরে বলব না দেখাব চল আমাদের সাথে।
---- কিন্তু আপনারা কে??
---- আমরা রেজা সাহেবের লোক। ভাই তোরে ডেকে পাঠিয়েছে চল আমাদের সাথে।
---- (নাম শুনে বুজলাম মাহির আব্বুই আমাকে ডেকে পাঠিয়েছে) আচ্ছা চলুন। এই বলে আমি ওদের সাথে গেলাম। গিয়ে দেখলাম মাহির আব্বু ,, মাহি আরও কয়েকজন লোক আছে। তারপর মাহি বলে উঠল,,,,,,
---- কিরে ফকিন্নি,,,,,আমার গায়ে হাত তুলছিলি না এখন দেখ আমার পাপা কি করে তোর সাথে। পাপা এই ছেলেটাই আমার গায়ে হাত তুলেছে।
---- কি রে তোর খুব পাখা গজিয়েছে না। এখনি তোর সব পাখা গুচিয়ে দেব। এই হকিস্টিক টা দে তো আমারে,,,,,,,,
যখন মাহির আব্বু আমাকে মারতে আসতেছিল হটাৎ ইই কলেজ গেট দিয়ে কতগুলা গাড়ি প্রবেশ করতেছিল। আমি তাকিয়ে দেখি কি গাড়ি গুলো আমার খুব চেনা তাহলে কিইইই,,,,,,,,,,,,,
চলবে.........?
কেমন হল সবাই জানাবেন । ধন্যবাদ
গল্পের নাম ক্ষেত ছেলেটি যখন হ্যাকার
ক্ষেত ছেলেটি যখন হ্যাকার (পর্ব ৫)
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
445
Views
7
Likes
2
Comments
4.8
Rating