দেবরের বিয়ে।হলুদ সন্ধায় সবাই নাচানাচি,হৈ-হুল্লোড় করছি।স্বামী করুণ মুখে পাশে দাঁড়ালো।হয়তো কিছু বলতে চাচ্ছে।জিগ্যেস করলাম
" কিছু বলবে? "
ও আমার দিকে কিছুটা ঝুঁকে এসে বললো " আর নাচতে হবে না।বসে থাকো "
কিছুটা রাগ নিয়ে বললাম " কেবলই তো আসলাম "
" বোঝার চেষ্টা করো "
" কি বুঝবো?কোনো আনন্দই তো করতে দাও না।নাচানাচিতে কি সমস্যা? "
এবার মনে হলো একটু বেশিই বলে ফেলেছি।স্বামী মাথা হেঁট করে চলে গেলো।বুঝতে বাকি রইলো না লোকটা মনে মনে ভিষণ রাগ এবং মন খারাপে জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে।
ওর বারনের পর আর নাচানাচির ওখানে গেলাম না।একটু দূরে চেয়ারে বসে রইলাম।ওর প্রতি ভিষণ রাগ হচ্ছে।নাচলে কি এমন সমস্যা? ও একটু বেশি বেশিই করে।
চেয়ারে বসে এসব ভাবতে ভাবতে নজর পরলো পাড়ার ছেলেদের দিকে।ওদের দৃষ্টি দেখেই বুঝতে পারলাম যে মেয়েরা নাচছে তাদের শরীরকে ওরা কুদৃষ্টিতে পরখ করে নিচ্ছে।কি নোংরা সেই দৃষ্টি!ছিহ! গা ঘিনঘিন করে উঠলো।
ননদ,ভাস্তি যারা নাচছিলো তাদের ধমক দিয়ে বললাম " অনেক হয়েছে নাচা।অনেক রাত হয়েছে,খেয়ে ঘুমাও "
সব আয়োজন শেষ করে ঘরে এলাম।ছেলেদের ওই নোংরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা বুঝতে পেরেই স্বামী আমায় নাচতে বারণ করেছিলো।
ও মেঝেতে চুপচাপ বসে আছে।কাছে গিয়ে বু"কে জ"রিয়ে ধরে বললাম
" এভাবেই আগলে রেখো গো।আমি তো পিচ্চি,একটু কম বুঝি।তাই তখন রেগে গেছিলাম।প্লিজ বর মহাশয়,আমায় ক্ষমা করে দেন "
আড়াল
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
190
Views
9
Likes
1
Comments
3.8
Rating