জমিনের মাটিতে ঈমান এরপর সবচেয়ে
শক্তিশালী হচ্ছে ভালোবাসা,সমপর্ক।
মানুষ জীবনে প্রতিমুহুর্তে আটকে যায়
সমর্থন এবং সামর্থ্যের অভাবে_!!
সামর্থ্য equal টাকা পয়সা থাকলেও
মানুষ সমর্থন equal ভালোবাসার অভাবে
দিনশেষে সেইইই অন্ধই,একাই!!
তো সমর্থনের শক্তি কিন্তু অনেক। সমর্থন
দিয়ে সামর্থ্য কে ছুয়ে ফেলাই যায়!!
Family Issues টা খুব... তাই আল্লাহর
কাছে চাওয়া পাওয়া ছিলো, ইয়া রব যেকোন
মানুষের জীবনে বাবা মা আর সঙ্গী সন্তানই
আপন। তো Family issues যেহেতু অনেক
আপনি আমায় একটা ভালো স্বামী দিয়েন।
যার আগমনে আর ছোয়ায় আমার সকল
অশান্তি, দুঃখ, চোখের কান্না অপ্রাপ্তি সব
দূর হয়ে যাবে আর আমি পূর্ণ হয়ে উঠবো।
সারাজীবন এসব প্রেম ভালোবাসা ছাইপাঁশ
থেকে দূরে থাকলেও জানি না কিভাবে এসএসসি পাসের পর কারো মায়ায় পড়লাম
আর ভালোবেসে ফেললাম।
ভালো যেহেতু বেসেছি অনেক অনেক অনেক
ভালোবেসে ফেলেছি এবং এই মানুষ টাকেই
আপন করবো প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিলাম
কিন্তু,, আমার ভালোবাসার মানুষ ভালোবাসার
গায়ে দিলো কলঙ্ক। সে আমায় ভালোবাসার
চাইতে সবসময় উপহার দেয় বেশি বেশি
যন্ত্রণা আর আর্তনাদ।
সম্পর্কে দায়িত্বহীন হয়ে, ৩য় ব্যাক্তি এনে,
বিশ্বাস ভরসা বারবার ভেঙে সম্পর্ক নষ্ট
হওয়ার মতো সবকিছু সে করে ফেলছে।
তারপরও আমি তাকে বারবার সুযোগ দিয়ে
আপন করে নিয়েছি। তার অপরিপক্ক বৈশিষ্ট্য, গুণাবলি সহ তার করা সমস্ত কর্মকান্ড সর্বদা
ধৈর্যের সঙ্গে নিয়েছি,কেঁদেছি,বুঝিয়েছি।
আল্লাহর কাছে তার জন্য হেদায়েত চেয়েছি
তাও এই মানুষ টা এখনো আমায় কষ্ট দিয়েই যায়। আমার দুঃখের সময় আমি কয়েক বছরে
তাকে কোনদিন পাশে পাইনি। অথচ আজ
তার crisis এ আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব
যেভাবে সম্ভব আমি ততটুকু সমর্থনে
রয়েছি!!তাও... এই মানুষ টাই আমাকে প্রশ্ন
করে.. তুমি কি আমার ভালো মন্দ খোজ নিছো? এই মানুষ টাই বলে, আমার হাত ধরতে
হবে না, তোমার ঠেস মারা কথার শুনার চেয়ে
না শুনাই ভালো.....
Like seriously??? মানে তার মধ্যে কি
আমার প্রতি করা অন্যায়গুলোর জন্য কোন
অনুশোচনা, কোন লজ্জা নেই????
এমনও মানুষ হয়?????
আমার তো এসম্পর্কে থাকাই উচিত না। আমার
জায়গায় যদি সে হতো,তাহলে কবেই সে
আমাকে ছেড়ে চলে যেতো...
তাহলে???? আমি ভালোবাসি বলেই তো
রয়ে গেছি,রয়ে যেতে চাই এতটুকু sense
বিবেক কি তার মধ্যে নেই???
আমি তো তার হাত ধরেই,তার ভরসায়ই
তার বাড়িতে যাবো। সে যদি আমার সাথে
মন্দ আচরণ করে, মন্দ রূপ দেখায়,আমি যদি তাকে দিয়ে কষ্ট অনুভব করি, তাহলে আমি
কোন ভরসায় যাবো ঐ বাড়িতে??????
একটা মেয়ে তো সবকিছু ছেড়ে পরের
বাড়িতে যায় স্বামীর ভরসায়ইই........
তারউপর ভালোবাসার বিয়ে.হবে. ২পক্ষের
পরিবার এর অনেকেই মানবে না, তার বাড়ির
কেউ কেউ হয়তো শুরু হতেই আমার শত্রু
হবে, আবার কেউ বন্ধু, আবার কেউ মুখোশ
ধারী সয়তান। তো আমি কার ভরসায় যাবো
সে এমন করলে????
তারউপর আমার আছে family issues...
আমি কার কাছে গিয়ে কাঁদবো?কার কোলে
গিয়ে দুঃখের কথা শোনাবো?? কেউ
যেথাকবে না আমার.....
কত কটু কথা শোনাবে আমাকে.....
শৈশব থেকে দেখে আসছি,,এই নারায়ণগঞ্জের
লোকেরা ভাড়াটিয়া দের যা তা বলে
তারউপর যদি কোন ভাড়াটিয়া মেয়ের
বিয়ে হয় নারায়ণগঞ্জে তাহলে তো ঐ মেয়ে
সহ তার পরিবার এর কোন মান ইজ্জত
রাখে না......
সে কি প্রতিবাদ করবে? রক্ষা করবে আমায়?
আমার মানইজ্জত? আমার সম্মান???
আমি তো ঠিকই আমার বাবার বিরুদ্ধে দাড়িয়ে
কথা বলতে পারবো তার সম্মান রক্ষার জন্য।
সে কি পারবে?
সে তো নিজেই আমাকে কাঁদায়???
ভাড়াটিয়ারাও কোথাও না কোথাও স্থানীয়।
মানুষের সামাজিক আর্থিক,নৈতিক দিক
দেখে যেকোন সম্পর্ক তৈরি হয়।
তন্মধ্যে আর্থিক দিক কম থাকলেও চলে,,
কিন্তু সামাজিক ও নৈতিক দিক ভালো হলেই
হয়!!
এটা তো আর সব পরিবার বুঝে না। নারায়ণগঞ্জ বাসীরা আরও বেশি বুঝে না।
এদের নিজেদের সামাজিক ও নৈতিক দিক
ঠিক নাই, কত অপকর্ম,কত বেহায়া জনক কাজ, আর্থিক দিক ছাড়া কিছু বুঝে না
আবার এরা মানুষ কে করে judge.......
What nonsense?????
এইযে এতো গভীর ভাবে কখনো চিন্তা করে?
দেখে দূরদর্শী ভাবে???? কখনো দেখে না!!
বরং সবসময় লাগিয়ে এসেছে কলঙ্ক
সামনে এটাই হবে..... পরিবার মানছে না, মা মানছে না!! ভাড়াটিয়া, মা বাবা, অর্থ এইসেই
কত কথা উঠতে পারে এসব ছোট থেকেই জানি!! ব্যাস শেষ......
অথচ,,,ভালো মনুষ্যত্ব টা পৃথিবীতে সবচেয়ে জরুরি। আর একজন পুরুষ চাইলেই ভালোবাসা আগলে রাখতে পারে সারা দুনিয়া থেকে!!!
এদের মতো পুরুষদের আমাদের মতো মেয়েদের ভালোবাসার আগে কিছু খবর থাকে না। বরং আমাদের ভেঙে চুরে দেওয়ার পর সব খবর হয়!!
ঐযে যারা গালিগালাজ করে, পরকিয়া করে, স্বামীর অর্থই দেখে, উল্টো পাল্টা চলাফেরা, আর হচ্ছে টাকা খরচ করায়...... মনুষ্যত্ব বোধ
খুব কম বা নেই ঐসব মেয়েদের এরা রাণী করে রাখ....... হায়রে দুনিয়া!!!
তবে আল্লাহ আছেন, আল্লাহ আছেন আল্লাহ আছেন🤲!!
খেলনা ঘর
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
34
Views
0
Likes
0
Comments
0.0
Rating