📌 হাদিস (সহিহ বুখারী 5090):
> قال النبي ﷺ:
"تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ لِأَرْبَعٍ: لِمَالِهَا، وَلِحَسَبِهَا، وَجَمَالِهَا، وَلِدِينِهَا، فَاظْفَرْ بِذَاتِ الدِّينِ، تَرِبَتْ يَدَاكَ"
অর্থ: “নারীকে চার কারণে বিয়ে করা হয়:
১) তার সম্পদ,
২) তার বংশীয় মর্যাদা,
৩) তার সৌন্দর্য,
৪) তার দ্বীন (ধর্ম)।
অতএব, দ্বীনদার নারীকে বেছে নাও—তুমি সফল হবে।”
📚 সহিহ বুখারী: হাদিস ৫০৯০
১️⃣ সম্পদের কারণে বিয়ে (لِمَالِهَا)
💰 টাকার জন্য বিয়ে করলে সম্পর্ক হয় লাভের উপর ভিত্তিকৃত।
💶টাকা চলে গেলে ভালবাসাও চলে যায়।
💶সংসারে স্বার্থপরতা ঢুকে পড়ে।
💶দ্বীন না থাকলে সম্পদ শান্তি দিতে পারে না।
2️⃣ বংশ/মর্যাদার কারণে বিয়ে (لِحَسَبِهَا)
🏡 বিখ্যাত পরিবার, নামকরা বংশ দেখে অনেকে বিয়ে করে।
🪟এটি সমাজের চোখে সম্মানের বিষয় হলেও,ব্যক্তিগত জীবনে সুখ দেয় না যদি দাম্পত্যে দ্বীন না থাকে।
🪟পরিবার বড়, কিন্তু আচরণ যদি ইসলামবিরোধী হয়—সেই সম্পর্ক ক্ষতিকর হয়।
3️⃣ সৌন্দর্যের কারণে বিয়ে (لِجَمَالِهَا)
🌸 রূপ দেখে প্রেম হয়, কিন্তু তা স্থায়ী নয়।
💥বয়সের সাথে সৌন্দর্য কমে যায়।
💥শুধু বাহ্যিক রূপে শান্তি পাওয়া যায় না,
💥যদি চরিত্রে দ্বীন না থাকে, তাহলে রূপ বিপদ ডেকে আনতে পারে।
4️⃣ দ্বীনের কারণে বিয়ে (لِدِينِهَا)
🕌 আল্লাহভীতির কারণে বিয়ে করলে,
👉সম্পর্ক হয় আল্লাহর জন্য, ফলে তাতে থাকে বরকত।
👉সে স্বামীকে সম্মান করে, ঘরকে জান্নাতমুখী করে।
👉দ্বীনদার নারী কঠিন সময়েও স্বামী ও পরিবারকে ছাড়ে না।
নবী ﷺ বললেন: “দ্বীনদার নারীকে পেলে সে-ই প্রকৃত সফল।”
🟩 শেষ কথায় নবীজির পরামর্শ:
"فَاظْفَرْ بِذَاتِ الدِّينِ، تَرِبَتْ يَدَاكَ"
অর্থ:
"তুমি সেই নারীকেই বেছে নাও, যে দ্বীনদার; তাহলেই তুমি সফল হবে।"
🟢 অর্থাৎ, যদি দ্বীন বাদ দিয়ে অন্য কিছু দেখে বিয়ে করো, তাহলে তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
❝ বন্ধুরা, বিয়ের সময় শুধু টাকা, সৌন্দর্য বা পরিবার দেখে সিদ্ধান্ত নিও না। নবীজী ﷺ বলেছেন —
‘দ্বীনদার নারীকে পেলে তুমি সফল।’
কারণ, টাকা ফুরায়, রূপ ঝরে যায়, কিন্তু দ্বীন টিকে থাকে। ❞
✍️ Ripon Khan ✍️
কেমন মেয়েকে বিয়ে করা উচিৎ
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
54
Views
1
Likes
0
Comments
0.0
Rating