আত্নীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
> "لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ قَاطِعٌ"
"আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না।"
📚 (সহীহ বুখারী ৫৯৮৪, মুসলিম ২৫৫৬)
"কাতি" বলতে বোঝানো হয়েছে – যে ব্যক্তি আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে, যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়, সহানুভূতি ও সাহায্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
রাসূল (সা.) বলছেন – সে ব্যক্তি জান্নাতে যাবে না। অর্থাৎ, এতই বড় গুনাহ এটা, যে আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করতে দিবেন না যতক্ষণ না সে ক্ষমা না পায়।
❤️ তাহলে আত্মীয়তার সম্পর্ক বলতে কী বোঝায়?❤️
১/মা-বাবা
২/ভাই-বোন
৩/চাচা-চাচী, খালা-খালু, মামা-মামি
৪/দাদা-দাদি, নানা-নানী
৫/ছেলে-মেয়ে, আত্মীয়-আত্মীয়ার স্ত্রী/স্বামী
এই সব লোকদের সাথে সম্পর্ক ভালো রাখা, খোঁজখবর নেওয়া, বিপদে পাশে দাঁড়ানো – এই সবই আত্মীয়তার হক।
❌ সম্পর্ক ছিন্ন মানে কী?
👉রাগ করে সম্পর্ক একেবারে বন্ধ করে দেওয়া
👉খোঁজ না নেওয়া
👉দেখা-সাক্ষাৎ এড়িয়ে চলা
👉একেবারে যোগাযোগ বন্ধ রাখা
এই কাজগুলো গুরুতর গুনাহ। এটা করলে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন।
✅ ইসলাম কী শিক্ষা দেয়?
🌿ক্ষমা করতে শিখতে হবে আমাদের ।
🌿আত্মীয়ের দোষ থাকলেও, আমরা যোগাযোগ রাখবো। আত্মীয় হিসেবে যে দায়িত্ব, তা আমাদের পালন করতে হবে।
🌿সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করুন– হাদিয়া দিন, ফোন করুন, খবর নিন।
🌿যদি তারা আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে, তবুও আমরা ভালো আচরণ করবো।
❤️ হাদীস অনুযায়ী শিক্ষা:
✨ আল্লাহর কাছে আত্মীয়তার সম্পর্ক খুব গুরুত্বপূর্ণ।
✨ যে এই সম্পর্ক কেটে দেয়, সে আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হতে পারে।
✨ জান্নাত চাই? তাহলে আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক ঠিক রাখতে হবে ।
✍️ Ripon Khan ✍️
50
Views
1
Likes
0
Comments
0.0
Rating