ভুতুড়ে গ্রাম পিচুলগাড়ী

ভুতুড়ে গ্রাম পিচুলগাড়ী
আজ ২০২৫ সালে আগস্ট মাসে বিজ্ঞান যে কত আগ্রগতি করেছে তা আর কাও কে বলে বোঝানোর দরকার নেই । কারন আমরা এখন যা কিছু করি তার পিছুনে বিজ্ঞানের যে কতটা হাত আছে তা শব্দে ব্যাখ্যা করা যাবে না । এই রকম মনোভাব নিয়ে বসে বসে চা খাছি আর খবরে কাগজটা পরছি , আর খুঁজার চেষ্টা করছি আজকের শেয়ার বাজারে হালচাল । আসলে খবরে কাগজ পরার এইটা উদেশ্য আমার। কারন আমি একজন সেয়ার বাজাররে বিনিয়োগকারী । এ ছাড়াও আমার আর একটি পরিচয় আছে আমি একজন সংবাদিক , এখন ব্যাকআপ তথ্য সংগ্রহের কাজ ক্যালকাটা টি ভি তে করি। তাই লোকে আমাকে সাংবাদিক আরুন বলে জানে ।
ঠিক এই সময় মা আমাকে ডেকে বলে , আজ মহাসিভরাত্রি । তাই পূজা দেবার জন্য যা সামগ্রী লাগবে তা বাজারে গিয়ে নিয়ে আই । আই কথা শুনার পর আমি খুব বিরক্ত হয়ে বললাম আছা মা , আই সব পূজা দিয়ে কি হয় বলতো ।
মা বলে উঠল , আজকের দিনে এইসব কথা বলতে নাই বাবা । যা না তুই তো আমার লক্ষ্মী শোণা আনে দে না বাবা। আনেক দেরি হয়ে গেছে ।
আমি আর কথা না বারিয়ে বললাম দাও টাকা আর লিস্ট ।
মা ঃ- ওই তাকে আছে । একটু কষ্টকরে নিয়েনে ।
যথারীতি লিস্ট হিসাবে সব জিনিস নিয়ে কেনাকাতি করে বারি ফিরে আসে খুব মজা করে দিন্ টা কাটালাম ।

পরের দিন যথারীতি অফিসের সময় উপস্থিত হয়ে সবার সাথে একসাথে কাজ ভাগ করে নিয়ে বসে পরলাম নিজের জাইগাতে । কিছুক্ষণ কাজ করার পর রুপা আসে বলল
রুপাঃ- তোর কাছে ১০০ টাকা খুচরো টাকা হবে ? যদি হয় তাহলে দে পুজার চাঁদা দেব ।
আমিঃ- হ্যাঁ হবে। কিন্তু সুদ লাগবে ৩% । এই বলে আমি প্যান্টের পকেট থেকে টাকা বের করে ১০০ টাকা দিলাম । বাকি টাকা গুলো রাখতে গিয়ে দেখলাম যে কালকের পুজার লিস্ট টা রয়েছে। সেটা দেখে আমি তাকে আলাদা করে বাকি টাঁকাগুলো রেখেদিলাম । কাগজটাকে ফেলতে যাবো এমন সময় দেখলাম তার উল্টো দিকে কিছু লিখা আছে । সেটা দেখে আমি দেখলাম যে , এটা একটা খবরে কাগজের অংশ। যেখানে বড় বড় করে লিখা আছে আজও জনবসতি হীন “ পিছুলগাড়ী গ্রাম”
এটা দেখার পর আমি google খুজে দেখলাম কোথাই আছে এই “ পিছুলগাড়ী গ্রাম” । যা দেখলাম আমার বাড়ি থেকে মাত্র ৩৫০ কি মি দূরতে । মনে মনে ভাবলাম যদি আমি এই গ্রামের রহসও টা সবার সামনে নিয়ে আস্তে পারি তাহলে এ বছরে আমার প্রোমোশন কেও রুখতে তে পারবে না । তাই সোজা চলিলাম বশের কেবিনে ।
প্রবেশ করে বস কে সব কিছু বুঝিয়ে বলতে সে সম্মতি জানাই। সাথে সাথে আমদের নিউ প্রোজেক্ট শুরু করলাম “ পিছুলগাড়ী গ্রাম” ।

তথ্য সংগ্রহ করার জন্য আমি ঠিক করলাম যেতে হবে “ পিছুলগাড়ী গ্রাম” । বর্ষার শেষ দিক। আকাশে চাঁদ দেখা যায় না, শুধু কালো মেঘে ঢাকা এক ভৌতিক রাত। সেই রাতেই ঠিক করলাম, যাওয়া যাক পিচুলগাড়ী গ্রাম, যা নিয়ে বহুদিন ধরেই নানা কাহিনি শোনা হয়েছে। এই একটা মাস ধরে শুধু বিভিন্নও জায়গা থেকে শুধু তথ্য নেয়ে হয়েছে । কেউ বলে, এখানে নাকি রাতের বেলায় শ্মশান থেকে হাড়গোড় টেনে নিয়ে আসে অদ্ভুত ছায়ারা। কেউ বলে, গ্রামের মাঝের বটগাছটার গায়ে রাতে আগুনের মতো চোখ দেখা যায়।
আরও কত কিছুঅ ।
তবে আমি আসলে এসব বিশ্বাস করি না। সবই মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য বানানো গল্প।আসলে সম্পতি আর কিছুজিনিস লুখিয়ে রাখার জন্য কিছু বুধিমান এবং বদমাশ লকের এ কায়দা । তাই একটা টর্চ আর ক্যামেরা নিয়ে বের হয়ে পরলাম “ পিছুলগাড়ী গ্রাম” উদেেশ্য ।
109 Views
0 Likes
1 Comments
0.0 Rating
Rate this:
(0)

মন্তব্য

সকল মন্তব্যগুলো (1)

Reader photo
নাসরিন ইসলাম রাইসা১০০০
16-Oct-2025, 11:34 AM

কালো জাদু