অশরীর ছায়া (episode 9)
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
📘 গল্প: অশরীরী ছায়া
🕯️ পর্ব ৯: তিন আত্মার ফাঁদ
---
রাহুল আয়নার নিচের লেখাটা দেখার পর থেকেই আতঙ্কে।
“শুরু হয়েছে… শেষ না হওয়া পর্যন্ত তুই বাঁচতে পারবি না…”
সে বাবার পুরনো কাগজপত্র খুঁজতে শুরু করল।
একটা পোকায় কাটা নথি বের হলো — যেখানে লেখা ছিল:
> "১৯৮৭ সালের জুনে শান্তা নিখোঁজ হয়।
একই বছরে আরও দুইজন মেয়ে—সাবিহা আর মৌরি—একইভাবে গুম হয়।
তিনজনের মধ্যে যোগসূত্র—তারা সবাই বাড়ির পুরনো আয়নার ঘরে ঢুকেছিল।”
রাহুল আতকে উঠল।
তিনজন আত্মা… কিন্তু এতদিন ধরে শান্তার কথাই শুনেছে!
রাতে সে আবার সেই ঘরের দরজায় গিয়ে দাঁড়ায়।
মেঝেতে মোমবাতি জ্বালায়।
আয়নার দিকে তাকায়…
এবার আয়নায় তিনটি ছায়া দাঁড়িয়ে।
শান্তা মাঝখানে, দুই পাশে সাবিহা আর মৌরি।
তাদের চোখে কোনো মানুষিকতা নেই—শুধু ক্ষোভ।
রাহুল ভয় পেয়ে পিছিয়ে যেতে চায়।
তখন শান্তা বলে—
> “তুই চাবিকাঠি রাহুল…
তিনজনের আত্মা বন্দি ছিল, কিন্তু তোদের রক্তই খোলার চাবি।
তোদের পরিবার সব জানে।
তারা আমাদের শব গুম করেছিল, অভিশাপ লুকিয়েছিল…
আর তুই… তুই সেই রক্তবংশের শেষ সন্তান।”
রাহুল অবাক হয়ে বলে,
“আমি কী করব? আমি তো কাউকে মারিনি!”
তখন সাবিহার আত্মা বলল—
> “তুই যা করিসনি, তা নিয়ে ভয় নাই।
কিন্তু তুই যদি সত্যি বের করতে চাস…
তাহলে তোকে আয়নার পেছনের ঘর খুঁজে পেতে হবে।
যেখানে আছে তিনটি আত্মার শেষ নিশ্বাস…”
হঠাৎ দেয়াল ফেটে গেল!
পেছনে একটা লুকানো দরজা। অন্ধকারের ভিতর থেকে ভেসে এলো গলায় গলা লাগানো কণ্ঠ:
> “তুই খুঁজবি? তোকে আমিই পথ দেখাবো… কিন্তু শেষটা তোর পক্ষে সহ্য করার মতো না…”
---
🔚 (চলবে…)
---
🔥 পরবর্তী পর্বে:
রাহুল লুকানো ঘরে প্রবেশ করবে।
সেখানে থাকবে তিনটি কঙ্কাল, আর একটি রক্তে লেখা সত্য…
যা বদলে দেবে গল্পের মানে, রাহুলের পরিচয়, এমনকি – তার জীবন।
---
44
Views
1
Likes
0
Comments
0.0
Rating