অশরীরী ছায়া (episode 5)
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
📘 গল্প: অশরীরী ছায়া
🕯️ পর্ব ৫: আয়নার উল্টো দিক
---
রাহুল সেই নোটটা পাওয়ার পর আর এক মুহূর্তও দেরি করেনি।
“শান্তাকে বাঁচাতে চাইলে, আয়নার ঘরে ফিরে আয়...” — এই বাক্য যেন তার হৃদয়ের ভিতর দাবানলের মতো জ্বলছিল।
রাতে আবার সে মোমবাতি আর টর্চলাইট নিয়ে নেমে গেল সেই পাথরের সিঁড়ি দিয়ে।
এইবার সে জানে, অপেক্ষা করছে ভয়… কিন্তু ভয় না পেরোলে উত্তর আসবে না।
ঘরে পৌঁছে দেখে আয়নার কাঁচে এবার নিজের মুখ নেই।
বরং এক কুয়াশাময় জগৎ… এক বিভীষিকাময় আয়নার ভেতরের দুনিয়া।
সে সামনে এগিয়ে যেতেই হঠাৎ আয়না কেঁপে উঠল!
বাতাসে ভেসে এল এক চাপা কান্নার শব্দ—কোনো মেয়ে কাঁদছে।
রাহুল সাহস করে আয়নায় হাত রাখতেই... সে হঠাৎ টেনে নেওয়া হলো আয়নার ভেতরে!
---
সে উঠে দাঁড়াল এক অদ্ভুত, নির্জন ঘরে। দেয়াল নেই, ছাদ নেই, চারপাশে শুধু কুয়াশা আর কান্না।
হঠাৎ একদিকে দেখা গেল শান্তা বসে আছে—চুল ছেঁড়া, জামা রক্তাক্ত, চোখদুটো ফাঁকা।
রাহুল ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল। বলল,
“তুমি শান্তা, তাই না? আমি তোমাকে বের করতে চাই...”
শান্তা বলল না কিছু। বরং সে মাথা নিচু করেই এক লাইন লিখে দিল মাটিতে:
> “আমি শুধু বন্দি নই... আমি একজনের অপেক্ষায়... সে আরেকজন... তুমিও…”
রাহুল কিছু বুঝে ওঠার আগেই কুয়াশার ভেতর থেকে একটা বিকট ছায়া এগিয়ে এল—এবার আগের চেয়েও ভয়ানক।
তার শরীর নেই, শুধু পোড়া ছায়া। চোখ নেই, শুধু দুইটা কালো গর্ত, আর কণ্ঠ থেকে বের হচ্ছে গর্জন—
> “তুই এসেছিস... সময় শেষ...”
রাহুল দৌড়ে পালাতে লাগল। কিন্তু আশেপাশে শুধু অন্ধকার, আর প্রতিধ্বনি:
> “তোর রক্তেই খোলা হবে আমার দরজা...”
---
হঠাৎ সে জ্ঞান হারাল। চোখ খুলল নিজের ঘরে।
ঘরের মেঝেতে পড়ে আছে কাঁচের একটা টুকরো... আর নিজের হাতের কবজিতে এক ফোঁটা রক্ত।
---
🔚 (চলবে…)
---
✨ পরবর্তী পর্বে:
রাহুল আবিষ্কার করবে — শান্তা রায়চৌধুরী কারো প্রেমে পড়েছিল। সেই প্রেমিকই তাকে ফাঁদে ফেলেছিল... আর সে আজও ফিরে আসেনি।
কিন্তু কার রক্ত চায় ছায়া?
---
এরকম নিত্য নতুন গল্প পেতে আমার পেজটি ফলো দিয়ে পাশে থাকেন। একটি লাইক করেন ও একটি কমেন্ট করেন। ভালো থাকবেন ভালো রাখবেন আল্লাহ হাফেজ। পরবর্তী গল্পের জন্য অপেক্ষা করেন।
27
Views
0
Likes
0
Comments
0.0
Rating