গ্রামের মেয়ের ভালোবাসা

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
নিশি কোনো কথা না বলে চুপচাপ আমার সাথে গিয়ে নিঝুম সন্ধ্যা উপভোগ করতে লাগলো । একটু পর আমি বললাম,,,,,,

আমিঃ মন খারাপ ।

নিশিঃ কই না তো ।

আমি পকেট থেকে একটা পায়েল বের করে বললাম,,,,,,

আমিঃ থাক আর মন খারাপ করতে হবে না । এটা তোর জন্য ।

নিশি হাতে নিয়ে অনেক খুশি হলো আর বললো পড়িয়ে দাও না প্লিজ ।তারপর আমি নিশির পিয়ে পায়েলটা পড়িয়ে দিলাম ।

একটু পর দুইজন ই চুপ হয়ে গেলাম । কিছুক্ষণ আমি পিছন থেকে নীল রঙের রেশমি চুড়ি বের করে বললাম,,,,,,,

আমিঃ নিশি তোর হাতটা একটু বাড়িয়ে দিবি ?

নিশিঃ কেন ভাইয়া ?

আমিঃ আহহ দিতে বলছি দে না ?

তারপর নিশি আমার কথা শুনে ওর হাত টা বাড়িয়ে দিলো । আমি ওর হাতে রেশমি চুড়ি গুলো এক এক করে নিশির হাতে পড়িয়ে দিলাম । আর বললাম,,,,,,,,

আমিঃ তোর জন্য এগুলো অনেক পছন্দ করে কিনেছি ।

নিশিঃ ধন্যবাদ ভাইয়া ।

আমিঃ হুমম । আর শোন আমার রুমে তোর জন্য একটা শাড়ীও কিনে আনছি । ওইটা নিয়ে নিস ।

নিশিঃ ঠিক আছে ভাইয়া ।

কিছুক্ষণ পর দুইজন ই চুপ হয়ে গেলাম । একটু পর নিশি আমাকে বলে উঠলো,,,,,,

নিশিঃ ভাইয়া তুমিও কি আমাকে ভালোবাসো ?

বলেই নিশি আমার দিকে মায়ার দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে । ওর এই কথায় কি বলবো বুঝতে পারছি না । তারপর আমি বললাম,,,,,,

আমিঃ তুই ভালোবাসার কি বুঝিস রে ?

নিশিঃ এহহ আমি অনেক কিছুই বুঝি এবার আমি এইচএসসি ভর্তি হবো । বলো না তুমি আমায় ভালোবাসো কি না ?

আমিও যেহেতু নিশিকে অনেক বেশিই ভালোবাসি তাই ওকে বললাম,,,,,,

আমিঃ হ্যাঁ তোকে আমি ভালোবাসি । হইছে । এবার খুশি ।

নিশিঃ তাহলে আমাকে অনেক আদর দাও ।

আমিঃ যা ভাগ এখান থেকে ।

নিশিঃ দিবা না তো ।

আমিঃ নাহহ ।

নিশিঃ দাড়াও দেখাচ্ছি মজা ।

বলেই নিশি আচমকা আমাকে চমকে দিয়ে আমার দুই ঠোঁট টা তার নিজের দখলে নিয়ে নিলো । পিচ্চি শ*য়*তা*ন্নি আমার ঠোঁটে কামড় বসিয়েছে ।

তারপর পাঁচ মিনিট নিশি আমাকে ছেড়ে দিলো । আমরা দুজনেই হাফাচ্ছি । তারপর নিশি আমাকে বললো,,,,,,,

নিশিঃ কেমন লাগলো মিষ্টিটা ।

আমিঃ মিষ্টি না ছাই । একদম পচাঁ ।

নিশিঃ তাই না । আবার দেখাচ্ছি দাঁড়াও ।

আমিঃ থাক আর দেখাতে হবে না । অনেক ভালো লাগছে ।

নিশিঃ তাই । তাহলে আর একটু দেই ।

আমিঃ এ তো দেখি দুই দিকে গেলেই বিপদ ।

আমার কথা শুনেই নিশি আসতে লাগলো । তারপর আমি বললাম,,,,,,

আমিঃ নিশি সন্ধ্যা পাড় হয়ে গেছে । এখন এখানে থাকা ঠিক না । যা ভিতরে যা ।

নিশিঃ তুমিও আসো ।

আমিঃ আসছি । তুই আগে যা ।

নিশি আমার কথা কোনো অমান্য না করে এখান থেকে উঠে চলে গেল । আমিও আর কিছুক্ষণ থেকে ভিতরে চলে আসলাম ।

ভিতরে আসতেই আমাকে আম্মু বললো,,,,,

আম্মুঃ কি রে ঠোঁট টা কা*ট*লি কিভাবে । র*ক্ত বের হচ্ছে কেন ।

হায় হায় রোমান্সের মুডে খেয়াল ই করি নি পিচ্চি শ*য়*তা*ন্নি আমার ঠোঁটে কামড় বসিয়ে কে*টে ফেলেছে । এখন আম্মুকে কি বলি ।

আমি আম্মুকে কিছু বলতে যাবো তখনই নিশি পিছন থেকে এসে বললো,,,,,,,

নিশিঃ তোমার ছেলে এখনো বাচ্চা আছে বড়আব্বু । বাহিরে পড়ে গেছিলো হোচট খেয়ে ।

আম্মুঃ কী যে করিস না । যা রুমে গিয়ে মলম দে ।

আমি আর কোনো কথা না বলে রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে কা*টা যায়গায় মলম দিতে লাগলাম । নিশি আমার রুমে এসে বললো,,,,,,

নিশিঃ ভাইয়া আমি লাগিয়ে দেই ।

আমিঃ থাক কে*টে আর মায়া দেখাতে হবে না ।

এই কথা বলাতে দেখলাম নিশি মন খারাপ করে নিচু হয়ে আছে । ওর মন খারাপ দেখে আমি বললাম,,,,,,

আমিঃ নে দিয়ে দে ।

তারপর ও খুশি হয়ে আমার ঠোঁটে মলম দিয়ে দিতে লাগলো । কি আজব মেয়ে মাইরি ।

একটু পর আমরা সবাই মিলে ডিনার করতে গেলাম । ডিনার করার সময় আব্বু বললো,,,,,,,,,,,,,

আব্বুঃ কালকে আমাদের গ্রামের শেষ প্রান্তের মাঠে নদীর তীরে গ্রাম্য মেলা হবে ।

আমিঃ আব্বু এই মেলা তো বন্ধ ছিলো ।

আব্বুঃ হুমম কিন্তু এই বছর থেকে আবার হবে ।

নিশিঃ ভাইয়া বিকেলে ঘুরতে নিয়ে যাবে তো ।

দুলাভাইঃ শুধু তুমি কেন শালিকা আমরা সবাই যাবো ঘুরতে ওকে ।

নিশিঃ ওকে দুলাভাই ।

তারপর সবাই খাওয়া দাওয়া শেষ করে যে যার রুমে চলে গেল । আমিও আমার রুমে চলে আসলাম । এসেই ঘুমিয়ে পড়লাম ।

সকালে ঘুম ভাঙলো নিশির ডাকে ।

নিশিঃ এই ভাইয়া

আমিঃ উমমমম

নিশিঃ উঠো না ।

আমিঃ কেন কি হইছে । আমি এখন উঠতে পারবো না ।

নিশিঃ প্রাতঃভ্রমণে যাবে আমাকে নিয়ে ? তোমারও অনেক ভালো লাগবে চলো না প্লিজ ।

কথাটা মন্দ বলে নি । অনেকদিন হলো গ্রামের সকাল উপভোগ করি না । তাই আমি বললাম,,,,,

আমিঃ ঠিক আছে রেডি হয়ে নে । আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি ।

নিশিঃ ওকে ।

তারপর উঠে আমি ফ্রেশ হয়ে এলাম । এসে দেখি নিশি রেডি । আমি বললাম,,,,,

আমিঃ চল ।

নিশিঃ আরে জুতা রেখে আসো । খালি পায়ে হাঁটার মজাই আলাদা ।

আমিঃ ঠিক আছে ।

তারপর জুতা রুমে রেখে এসে নিশির সাথে গ্রামের সুন্দর সকাল উপভোগ করার জন্য বের হলাম ।

গ্রামের মেঠো পথে শিশির ভেজা ঘাসের উপর খালি পায়ে আমি আর নিশি হাত ধরে হাটছি । গায়ে এক রকম শিহরন বয়ে যাচ্ছে ।

হঠাৎ নিশি বললো,,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,,,

হসপিটালে থেকে এতোটুকু লিখতে পারছি । কপি করা কঠোর ভাবে নিষেধ । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
97 Views
1 Likes
1 Comments
0.0 Rating
Rate this: